@দাজ্জাল ও বিস্তারিত তথ্য এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা



  •    "ইসলাম, কোরান ও বিজ্ঞান" নামক Whatsapp এর গ্ৰুপে মাসুদ আলম ভাই প্রশ্ন করে বলেছেন-"কেউ কেউ বলেন যে, দাজ্জাল নাকি কোনও দ্বীপে বন্দি আছে?? দাজ্জাল যদি মানুষ হয়, তাহলে দাজ্জাল এত দিন বেঁচে আছে কি করে"??
  •    আর, হিসামুদ্দিন ভাই প্রায় একই ধরণের প্রশ্ন করে ব লেছেন-"দাজ্জাল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। দয়া করে রেফারেন্স সহ জানাবেন"।
  •    #আজকের এই লেখাটি বেশ বড় হবে মনে হয়!! আর আজকের এই লেখাটিকে ভাল ভাবে বোঝার জন্য গত লেখাটি অর্থাৎ "দাজ্জাল মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না কেন" লেখাটি পড়ুন। নিচে সেই গত লেখাটির লিঙ্ক দিলাম---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=842887959429536&id=544853392566329
  •    আমরা জানি যে, "দাজ্জাল এবং ইয়াজুজ ও মাজুজ"  বিষয়টি প্রায় একই ধরণের এবং তা প্রকাশ পাবে প্রায় একই সময়ে অর্থাৎ ঈশা (আ) যখন পৃথিবীতে আবার আসবেন, সেই সময়ে। তাই, নিচে "ইয়াজুজ ও মাজুজ" সম্পর্কে লেখা গুলোর লিঙ্ক দিলাম, পড়তে লিঙ্কে ক্লিক করুন---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=785945635123769&id=544853392566329
  •    আজ 6.6.19 তারিখ এবং এখন রাত প্রায় 10 টা। আ জ 2 বোনকে নিয়ে Shopping করতে গিয়েছিলাম । ফি রলাম রাত 9 টায়। তারপর এসে 2 টো ছোট্ট Deal কর লাম। এখন সব কাজ শেষ। আজ অপ্রত্যাশিত ভাবে দু পুর থেকে মন খারাপ। কারণটা জানি, কিন্তু প্রকাশ কর তে ইচ্ছা করছে না। চলুন, বাদ দিন। এসব যেন আমার  Rutine হয়ে গেছে!! 
  •    #উত্তর:::- উত্তরে এগিয়ে যাই। কেননা, এ লেখাটি বড় আকারের হবে- ইনশাআল্লাহ। আচ্ছা, বলে রাখতে চাই যে, এই লেখাটি একটু অন্য স্টাইলে হবে, অর্থাৎ আমার প্রচলিত স্টাইলের বাইরে। এক কথায়, প্রায় গোটা লেখা টি প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে হবে- ইনশাআল্লাহ
  •    প্রশ্ন উঠবে-"ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কে কোরানে বেশ খানিকটা বলা হয়েছে কিন্তু দাজ্জাল সম্পর্কে কোরানে কিছু বলা হয় নি কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর রয়েছে সহীহ মুসলিমের 7108 নং হাদীসে। যেখানে বলা হচ্ছে-"ঈশা (আ) দাজ্জালকে 'লুদ' নামক স্থানে হত্যা করবেন। কিন্তু ইয়াজুজ-মাজুজের ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে তার অনুসারী দের নিয়ে পাহাড়ে আশ্রয় নেবেন। তারপর আল্লাহ ইয়া জুজ এবং মাজুজের গ্ৰীবদেশে এক প্রকার পোকা সৃষ্টি করে দেবেন এবং সেই পোকার সংক্রমণেই ইয়াজুজ ও মাজুজ মরে শেষ হয়ে যাবে। তারপর ঈশা (আ) তার স ঙ্গী-সাথীদের নিয়ে তূর পাহাড় থেকে নেমে আসবেন"।
  •    এই হাদীস দ্বারা বোঝা গেল যে, ইয়াজুজ-মাজুজ খুব শক্তিশালী। কমপক্ষে দাজ্জালের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, নয়ত ঈশা (আ) ইয়াজুজ ও মাজুজের ভয়ে তূর পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নিতেন না!! তাই নয় কি?? তাই কোরানে ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রসঙ্গ আনা হয়েছে ও দাজ্জালের  প্রসঙ্গ আনা হয় নি। বুঝতে পেরেছেন??
  •    প্রশ্ন জাগে-"আমরা দাজ্জাল সম্পর্কে যা জানি, তা কি হুবহু হবে, না কি রুপক"?? এই প্রশ্নের সদুত্তর দেওয়া আমার জন্য খুবই কঠিন!! কেননা, আমি নিজেও নিশ্চি তরুপে কিছু বলতে পারছি না। তবে, অনুমানের সাহায্য নিয়ে বলতে পারি যে- ঠিক যেমন ইয়াজুজ ও মাজুজের বিষয়টি হুবহু নয়, রুপক। তেমনি দাজ্জালের বিষয়টিও হবে রুপক। কমপক্ষে আমি তো রুপক হিসেবেই ব‍্যাখ‍্যা করব। যদিও কিছু হাদীস রয়েছে, যা দেখলে মনে হবে যে- বিষয়টি হুবহু, রুপক নয়। তবে, বলে রাখা দরকার যে, "ইয়াজুজ ও মাজুজ" প্রসঙ্গটি সত‍্যিই রুপক।
  •    আমি এখানে "দাজ্জাল" প্রসঙ্গে অনুমানের আশ্রয় নি য়েছি। যদিও কোরান তা নিষেধ করে, এভাবে-قُتِلَ الْخَرَّا صُونَ অনুবাদ হবে এমন-"ধ্বংস হোক অনুমান কারিরা/ বা অনুমান সাহয‍্যে জীবন-যাপন কারিরা"(51:10)।
  •    কিন্তু এই আয়াতে যুক্তি নির্ভর হতে নিষেধ করা হয়নি ও যুক্তি সংগত অনুমান করতেও নিষেধ করে নি। তবে, অনুমানের ভিক্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর, এই বিষয়ের বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=733843783667288&id=544853392566329
  •    তাই, 51:10 আয়াতটি এই অনুমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আর, তাই যুক্তি নির্ভর অনুমানের ভিক্তিতে বল ছি যে, দাজ্জাল প্রসঙ্গটিও ইয়াজুজ ও মাজুজের মতই রুপক। প্রশ্ন হবে-"কিভাবে বলছেন এবং তার ব‍্যাখ‍্যা আ পনার কাছে আছে কি"?? এ প্রশ্নের উত্তর কোরানে রয়ে ছে, এভাবে- فَانْتَظِرُوا إِنِّي مَعَكُمْ مِنَ الْمُنْتَظِرِينَ অনুবাদ হ বে এমন-"তোমরা অপেক্ষা কর এবং আমিও তোমাদের সাথে অপেক্ষা করছি"(7:71)।
  •    তবে, আরও বলতে চাই যে, দাজ্জাল রুপক, না হুবহু- এটা নিয়ে কোনও কিছু প্রমাণ করতে যাব না। তবে, এ টা দেখাতে চেষ্টা করব যে, দাজ্জাল ও তার আনুসাঙ্গিক বিষয় গুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কি??
  •    প্রশ্ন হবে-"দাজ্জাল কি মানুষ"?? এ প্রশ্নের উত্তর হল- হ‍্যাঁ, দাজ্জাল মানুষ। এবার প্রশ্ন হবে-"দাজ্জাল যে মানুষ তার প্রমাণ কি"??  নিচে লক্ষ্য করুন-
  • নবী (স)- এর যুগে এবং নবী (স)- এর ওফাত প্রাপ্ত হও য়ার পর "ইবনে সাইয়েদ" নামের কোনও এক মানুষকে অনেক সাহাবারাই (রা) দাজ্জাল বলে মনে করতেন। অথচ তিনি দাজ্জাল ছিলেন না। তাই, "ইবনে সাইয়েদ" তার নিজের পক্ষ থেকে তার বক্তব্য পেশ করেন। সেই হাদীসটি এভাবে বর্ণিত হয়েছে-"ইয়াহইয়া ইবনে হাবীব এবং মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আলা (র) বর্ণনা করেছেন.. আবু সাইদ খুদরী (রা) বলেন- একদা "ইবনে সাইয়েদ" আমার নিকট কিছু কথা বলল এবং তার কথায় আমি লজ্জিত হলাম। সে বলল- লোকদের কাছে ওজর পেশ করলাম ও বললাম যে, হে মহাম্মদ (স)- এর সঙ্গীগণ! আমার ব‍্যাপারে তোমাদের কি হয়েছে?? (অর্থাৎ কেন আমাকে দাজ্জাল বলে মনে করছ??)  আল্লাহর নবী কি এ কথা বলেন নি যে, দাজ্জাল ইহুদী হবে! কিন্তু আমি তো একজন মুসলিম! তিনি তো বলেছেন- দাজ্জালের সন্তান-সন্ততি হবে না। অথচ আমার সন্তান-সন্ততি রয়ে ছে! তিনি তো এও বলেছেন যে, দাজ্জাল মক্কায় প্রবেশ করতে পারবে না। অথচ আমি হজ্ব করেছি!! (তাহলে আমি দাজ্জাল হলাম কি করে??)"(মুসলিম, কিতাব এ ফিতায়েন এবং কিয়ামতের লক্ষণ, হাদীস 7087)।
  •    এই হাদীস থেকে একটা জিনিস বুঝতে পারা গেল যে, "দাজ্জাল ইহুদী হবে"। আর, ইহুদী হতে হলে তাকে "মানু ষ" হতেই হবে। তাহলে, এটা প্রমাণ হল কি যে- দাজ্জাল মানুষ?? হ‍্যাঁ, চলুন প্রমাণ হয়ে গেছে।
  •    আচ্ছা, ইয়াজুজ এবং মাজুজও মানুষ। যদিও অনেক গাঁজাখোর আলেমের জন্য সমাজে এই ধারণা জন্মেছে যে, ইয়াজুজ ও মাজুজ অতিপ্রাকৃতিক কিছু!! তাদের এই ধারণা সত্য নয়, "ইয়াজুজ এবং মাজুজও মানুষ" এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচের লিঙ্কে। তাই, আর দেরী না করে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে পড়ুন এবং নিজের ধারণা বদলে নিন---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=777739055944427&id=544853392566329
  •    আরও প্রশ্ন হতে পারে-"দাজ্জালের হুকুমে আকাশ থে কে পানি হবে- এর ব‍্যাখ‍্যা কি"??
  •    হ‍্যাঁ, এই তথ‍্যটি সত্য এবং তা হাদীস সম্মত। এটা সহী হ মুসলিমের 7108 নং হাদীস। বলা হচ্ছে-"দাজ্জাল আ কাশকে নির্দেশ দেবে ও তার নির্দেশের কারণে আকাশ পানি বর্ষণ করবে"।
  •    বলে রাখি- আমি দাজ্জালকে "রুপক" অর্থে ব‍্যাখ‍্যা ক রব। যদিও দাজ্জাল "রুপক" না হয়ে, "হুবহু" হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমার এই ব‍্যাখ‍্যা প্রত‍্যাখিত হবে। আর, এই ব‍্যাপারে আমি নিজেও Confirm নয় যে, দাজ্জাল "রুপ ক", না হুবহু। তবে, দুই-ভাবেই ব‍্যাখ‍্যা করা যাবে- ইনশা আল্লাহ। ★ আমি দু-ভাবেই ব‍্যাখ‍্যা করার চেষ্টা করব ও যথাযথ চেষ্টা করব। তবে, প্রশ্ন হবে যে, আমি এ বিষয়ে লিখছি কেন?? লেখার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যে- কেউ এটা না বলতে পারে যে- দাজ্জাল ধারণাটি অবৈজ্ঞানিক এবং গোঁড়ামি পূর্ণ★★। যাইহোক, চলুন এবার উত্তরে এগিয়ে যাওয়া যাক, নাকি??
  •    আজ, 8.6.19 তারিখ ও সকাল থেকেই মন-মেজাজ মোটেও ভাল নয়। আসলে আমি একটা এমন সমাজে বসবাস করি, যে সমাজ গোঁড়া এবং কুসংস্কারপূর্ণ ধার ণায় বিশ্বাসী। এ কারণে এই সমাজ থেকে প্রায়ই আঘাত পেতে থাকি। আজও এক বড় ধরণের আঘাত পেয়েছি। জানি না, এই শিলশিলা কত দিন চালু থাকবে!! না কি কখনও বন্ধ হবে না!!
  •    আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কি?? আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যখন-তখন "বৃষ্টি বর্ষণ" করানো সম্ভব হবে কি?? এ প্রশ্নের উত্তর হল- হ‍্যাঁ, আবহাওয়াকে পুরো পুরি ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও বর্তমান বিজ্ঞানের ব দৌলতে অন্তত আংশিক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এখন প্রশ্ন হবে- "কিভাবে তা সম্ভব"??
  •    এ প্রশ্নের উত্তরে বলতে পারি যে, 'কিভাবে সম্ভব'- প্রশ্ন টি শুধুমাত্র সেই ব‍্যাক্তি করতে পারে, যে ব‍্যাক্তি বিজ্ঞান জানেন না!! আপনারা জানেন, কিছুদিন আগেই চিনে কৃত্রিম সূর্য আবিষ্কার হয়েছে? তবে, এটা কৃত্রিম সূর্য তৈ রী করার প্রথম ঘটনা নয়, এর পূর্বেও কয়েকটি দেশ এ কাজ করতে সক্ষম হয়েছিল। একদল বিজ্ঞানীদের দাবী যে, কৃত্রিম সূর্যের মাধ্যমে সেই সব দেশে সালোকসংশ্লে ষ ঘটানোও সম্ভব, যেখানে সূর্যের আলো কম পৌছায় অথবা পৌছায় নি!!
  •    এখন যে সব দেশে সূর্যের আলো পৌঁছায় নি, সেখানে কৃত্রিম সূর্যের মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষ ঘটালেই সেখানে আবহাওয়াতে বদল আসবে। আবার ঐ আবহাওয়াকে ইচ্ছা মত নিয়ন্ত্রণ করাও যাবে।
  •    কিছুদিন পূর্বেই লিখেছিলাম "কোরানে সালোকসংশ্লে ষের উল্লেখ নেই কেন" প্রসঙ্গে। চাইলে সেই অবাক করা লেখাটি পড়তে পারেন। নিচে লিঙ্ক রইল---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=748928628825470&id=544853392566329
  •    তাহলে "আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না- এই ধা রণা ভুল। এ ছাড়াও কিছুদিন আগে একটা খবর পেয়ে ছিলাম যে, আলাক্সাতে নাকি একটি গবেষণাগার স্থাপ ন করা হয়েছে, যার কাজ আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে গবেষণা করা। তাদের উদেশ্য হল- শত্রু দেশে ই চ্ছা করে প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ করে বন‍্যা সৃষ্টি করা, তাহলে সহজেই যে কোনও দেশকে অনুগত করে রাখা যাবে!!
  •    এখানে বলার উদেশ‍্য হল- দাজ্জাল যে কাজটা করবে অর্থাৎ আকাশকে বৃষ্টি বর্ষনের হুকুম করলেই আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করবে- এটা মোটেও অবৈজ্ঞানিক ধারণা নয়। বরং এখানে দাজ্জালের মাধ্যমে পৃথিবীর ভবিষ্যতকে তুলে ধরা হয়েছে এবং বর্তমানের চেয়ে উন্নতমানের বৈ জ্ঞানিক ধারণার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  •    আরও প্রশ্ন হবে-"দাজ্জাল পৃথিবীকে নির্দেশ দিলেই পৃ থিবী বৃক্ষলতা উদ্গত করবে- এটার ব‍্যাখ‍্যা কি হবে"??
  •    হ‍্যাঁ, এটা রয়েছে ঐ 7108 নং হাদীসেই এবং এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ। একটি প্রশ্নেই এই প্রশ্নের উত্তর সম্ভব। বর্তমান সময়ে বৃক্ষলতা কখন জন্মায়?? উত্তর- বর্ষাকা লে। বর্তমান সময়ে যত বৃক্ষলতা জন্মায়, তারচেয়ে বহু গুণ বেশি বৃক্ষলতা জন্মাতে পারে, যদি মাটিকে উর্বর ক রা যায় এবং বৃষ্টির পানিকে সঠিক পরিকল্পনা মাফিক ব‍্যবহার করা যায়। দাজ্জাল হয়ত এমনই কোনও অত‍্যা ধুনিক টেকনোলজির সাহায্যে মাটিকে উর্বর করতে স ক্ষম হবে এবং তার ইচ্ছা মত পানি তো হয়ই, এবং তার ইচ্ছা মত গাছ-পালাও জন্মাবে! অর্থাৎ পানি হলেই গাছ পালা জন্মাবে!!
  •    আরও প্রশ্ন হবে-"গরু, মোষ, ছাগল গুলি আগের তুল নায় অধিক মোটাতাজা, বড় কুঁজ, বৃহৎ স্তন, উদর পূর্ণ অবস্থায় ফিরে আসবে- এটার ব‍্যাখ‍্যা কি"?? এই প্রশ্নের উত্তর খুবই সহজ। এই পদ্ধতিটিকে বংলায় বলা হয়- "শংকর"। যারা "জীবনবিজ্ঞান" বিষয়টি পড়েছেন, তারা জানেন যে, শংকর কাকে বলে!!
  •    আজ 11.6.19 তারিখ এবং এখন 11:15 PM বাজে। গত কয়েকদিন লিখতে ভালই লাগছিল না। কারণ, এই গত কয়েকদিন ফ্লাটের কাজ নিয়ে খুবই ব‍্যাস্ত ছিলাম, তার উপর খাটা-খাটনিও ভাল রকম হচ্ছিল। শরীর প্রচু র ক্লান্ত ছিল। তবে, আজ বেশ খানিকটা সময় রয়েছে এবং সুযোগেই সময়ের সদ্ব্যবহার করা উচিৎ।
  •    আরও প্রশ্ন হবে-"দাজ্জাল মৃতকে জীবিত করতে পার বে- এটার ব‍্যাখ‍্যা কি হবে"?? এ প্রশ্নের  উত্তর কঠিন মত বা অসম্ভব  মত মনে হলেও, এ প্রশ্নের  উত্তর কিন্তু খুবই সহজ। বরং বলা  ভাল যে, অতি সহজ। আচ্ছা,  আপনি কি "ক্রেগ ভেন্টারের" নাম শুনেছেন?? যদি শুনে থাকেন তো আলহামদুলিল্লাহ, আর যদি না শুনে থাকেন তাহলে অনেক বড় বক্তব্য রাখতে হবে। আর তা এ লেখার জন্য মোটেও  মানানসই  নয়। কারণ, এই  লেখাটি এমনিতেই বেশ বড় আকারের হবে!! তাই না?? তবুও চলুন, একটু বলি-
  •    প্রায় 20 জন বিজ্ঞানী 10 বছর ধরে গবেষণা করে এই কৃত্রিম "জেনোম"  সৃষ্টি করেছেন। এটাই পৃথিবীতে প্রথম আবিষ্কৃত সম্পূর্ণ কৃত্রিম "জোনোম"। জেনোমের মধ্যেই সকল প্রাণী বা উদ্ভিদ এর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে। জেনোমকে সহজ ভাবে ডি. এন. এ (DNA বা ডিঅক্সি রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) বলা যায়। জেনোম তৈরি হয় চারটি বর্ণ দিয়ে, যথা A, T, C, G. এখানে A বলতে (অ্যা য়োনিন), T বলতে (থায়মিন), C বলতে (সাইটোসিন) ও G বলতে (গুয়ানিন)। সকল প্রাণীর জেনোমই এই বেস (Base) তৈরি। বেসগুলো একটার সাথে আরেকটা যুক্ত হয়ে বিশাল জেনোম তৈরি করে।
  •    যেমন- মানুষের জেনোম প্রায় ৩ বিলিয়ন (1 বিলিয়ন = 100 কোটি) বেস দিয়ে তৈরি। এক প্রাণীর সাথে অন্য প্রাণীর পার্থক্য বা একই প্রজাতির ভিন্ন ভিন্ন প্রাণীর যে পার্থক্য তা আসলে নির্ভর করে এই বেসগুলো কোনটার পর কোনটা সাজানো আছে ও কিভাবে সাজানো আছে তার উপরে। 
  •    বিজ্ঞানীরা যে কৃত্রিম জেনোমটি তৈরি করেছেন সেটা একটি মাইকোপ্লাজমা মাইকোয়েড ব্যাক্টেরিয়ার জেনো ম। এটার দৈর্ঘ্য মানুষের জেনোমের তুলনায় কম। তবে, এই পরিমাণ দীর্ঘ জেনোম তৈরি করাটাও প্রায় অবিশ্বা স্য ব্যাপার। কারণ, এই এক দশমিক শূন্য আট মিলিয়ন বেসের মধ্যে মাত্র যদি একটা বেসও ভুল বা উল্টোভাবে সজ্জিত হয়, তাহলে পুরো জেনোমটাই বাতিল হয়ে যে তে পারে। ফলে বিজ্ঞানীদের আসল মাইকোপ্লাজমা মাই কোয়েড ব্যাকটেরিয়ার জেনোমের হুবুহু কপি তৈরি কর তে হয়েছে। এরপর তারা ব্যাক্টেরিয়া থেকে মূল জেনোম টা সরিয়ে নিয়েছেন এক বিশেষ প্রক্রিয়ায়। তারপর তা রা সেই ফাঁফা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রতিস্থাপন করেছেন রাসায়নিক দিয়ে তৈরি সেই কৃত্রিম জেনোম। অত্যন্ত আ শ্চার্যজনকভাবে সেই ব্যাকটেরিয়ার (প্রাকৃতিক কোষ+ প্রাকৃতিক জেনোম) আর দশটা স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়া (প্রাকৃতিক কোষ+ প্রাকৃতিক জেনোম) মতো বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এই বংশবৃদ্ধি (self replication) করতে পারাটাই হল-"অনন্য এক অভূতপূর্ব ঘটনা"। এই ছাড়া এই ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও হচ্ছে প্রাকৃতিক গতিতে। অর্থাৎ capable of logarithmic growth.
  •    এখন  এটা  সহজেই বলা যায় যে, জাপানের বিজ্ঞানী ক্রেগ ভেন্টার যদি এটা করতে পারেন, তাহলে দাজ্জাল পারবে না কেন?? আর, এটা সত্যি যে- দাজ্জাল অত‍্যা ধুনিক টেকনোলজি সম্পন্ন। তাই, দাজ্জালের দ্বারা মৃত কে জীবিত করতে পারা- অসম্ভব কিছু নয়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তা সম্ভব!!
  •    আজ 13.6.19 তারিখ!! এটা সেই 13 তারিখ!! সেই 13.2.19 তারিখ ছিল ওটা!! আজ 4 মাস হয়ে গেল!! মানে 120 দিন প্রায়!! অর্থাৎ প্রায় 2880 ঘন্টা!! অর্থাৎ প্রায় 172800 (এক লক্ষ বাহাত্তর হাজার আট'শ) মিনি ট!! অর্থাৎ প্রায় 10368000 (দশ কোটি ছত্রিশ লক্ষ আ ট হাজার) সেকেন্ড!!
  •    এই প্রায় 10368000 (দশ কোটি ছত্রিশ লক্ষ আট হা জার) সেকেন্ড ছিল আমার ও হানী'জির জীবনের সুন্দ র এবং উত্তম সময় হতে পারত, কিন্তু প্রায় 10368000 (দশ কোটি  ছত্রিশ লক্ষ  আট  হাজার) সেকেন্ডকে দুঃখ ও কষ্টে পরিনত করে দেওয়া হয়েছে!! একবার ভাবতে পারেন- 10368000 সেকেন্ড দুঃখ-কষ্টে কটানো কতটা যন্ত্রণাময় হতে পারে!!
  •    যাইহোক, আজ লেখার ইচ্ছা ছিল ও সকাল থেকেই লিখতে চাইছিলাম, কিন্তু আজ মামার কন‍্যার বিবাহ!! এ কারণে সামান্য হলেওও একটু ব‍্যাস্ত ছিলাম। তাই, লি খতে পারি নি!! আর এখন রাত 11:20 টা বাজে এবং আর লিখতেও পারছি না!! হানীজি'র কথা মনে পড়ছে এবং চোখ দিয়ে পানি বের হচ্ছে ও হাত কাঁপছে!! ইনশা আল্লাহ, অন্য কখনও আবার লেখা হবে ক্ষণ!!
  •    আজ 14.6.19 তারিখ ও এখন রাত 9 টা বাজে। গত কাল একটুও লেখা- লেখি করতে পারি নি। তাই, আজ আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি প্রশ্ন-উত্তর শুরু করি-
  •    প্রশ্ন হবে-"দাজ্জালের সঙ্গে জান্নাত ও জাহান্নাম থাক বে- এটার ব‍্যাখ‍্যা কি হবে"?? হ‍্যাঁ, এটা সহীহ মুসলিমের 7102 নং হাদীসে রয়েছে। আর, এর কাছাকাছি আরও একটি হাদীস হল-"হোযায়ফাহ হতে বর্ণিত। রাসুল (স) বলেছেন- দাজ্জালের সঙ্গে আগুন এবং পানি থাকবে, কিন্তু তার আগুনই পানি আর পানিই আগুন"(বুখারী, কিতাবুল ফিতায়েন, হাদীস 6634)। এ বিষয়ে আরও এ কটি হাদীস হল-"তার সঙ্গে রুটির পাহাড়ও থাকবে"(ঐ, হাদীস 6626)।
  •    চলুন, এই বার উত্তর। আসলে এই বর্ণনা গুলো রুপক হিসাবে ব‍্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ দাজ্জালের সঙ্গে আরাম দায়ক ও কষ্টদায়ক কিছু থাকবে। আর, তার সঙ্গে আরা ম দায়কটা কষ্টদায়ক হবে এবং কষ্টদায়কটা আরামদায় ক হবে। আর, এ জন্য নবী (স) বলেছেন-"তবে তোমাদে র মধ্যে যদি কেউ সেই সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকে, সে যেন আগুনই গ্ৰহণ করে! কেননা, প্রকৃতপক্ষে তা-ই পানি"(স হীহ মুসলিম, হাদীস 7105)।
  •    আচ্ছা, এবার একটা উদাহরণ দেওয়া যাক, হ‍্যাঁ?? না কি?? দাজ্জাল শব্দের অর্থ কি?? অর্থ হল- মিথ‍্যাবাদী। আর, বর্তমান পৃথিবীতে আপনি যদি মিথ্যাবাদীর সঙ্গে থাকেন, তাহলে আপনি পেতে পারেন খাদ‍্যভান্ডার অর্থা ৎ হাদীসে বর্ণিত "রুটির পাহাড়/ পানি/ বেহেস্ত" ইত্যাদি। কিন্তু যদি আপনি সৎপথের পথিক হন, তাহলে আপনি পাবেন "কষ্ট/ আগুন/ দোযখ" ইত্যাদি। কিন্তু নবী (স) আমাদের শিখিয়েছেন-"আমরা যেন আগুনটা পছন্দ ক রি। কেননা, আগুন পানি আর পানিই আগুন"। এতে পৃ থিবীতে সামান্য কষ্ট হলেও আপনার পরকাল সুরক্ষিত থাকবে।
  •    আরও প্রশ্ন-"দাজ্জাল একচক্ষু বিশিষ্ট হবে এবং তার কপালে কফির কথাটি লেখা থাকবে- এর অর্থ কি"?? প্রথমেই হাদীসটা দেখে নেব। "আনাস (রা) হতে বর্ণিত।তিনি বলেন, নবী (স) বলেছেন- শুনে রাখ সে অবশ্যই একচক্ষুবিশিষ্ট হবে..... আর তার দুই চোখের মধ‍্যবর্তী স্থানে *কাফির* শব্দটি লেখা থাকবে"(বুখারী, কিতাবুল ফিতায়েন, হাদীস 6635)।
  •    এখানে "একচক্ষুবিশিষ্ট" শব্দটি আসলে রুপক ভাবে ব‍্যবহৃত হয়েছে। এখানে "একচক্ষুবিশিষ্ট" বলার অর্থ হ ল- দাজ্জাল  নিরোপেক্ষ  হবে না। সে সর্বদাই  তার নিজ পক্ষ নিয়ে থাকবে। তার কাছে অন্য পক্ষ বিচার্য হবে না। আর, *কাফির* শব্দটি লেখা থাকবে- কথাটির অর্থ হল যে, তাকে চিনতে কোনও দ্বিধাবোধ হবে না। তার কাজে কর্মে সহজেই তাকে চেনা যাবে। এখানে আমেরিকার উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে!! আমেরিকা নিজে যাইইই করে, তার কাছে সেটাই ঠিক। অন্য পক্ষ বা বিপরীত সে কখনও দেখে না। আর, কাজে-কর্মে সহজেই চেনা যে, তাদের কাজ-কর্ম কুফরী মূলক!!
  •    আজ 16.6.19 তারিখ এবং এখন 11:20 বাজে। ঘুম আসছে না। সেই 10:45 থেকে চেষ্টা করছি!! চোখ বন্ধ করতে গেলেই হানী'জির ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠ ছে। তাই, ভাবলাম কিছু লেখা-লেখি করি। চলুন-
  •    প্রশ্ন হবে-"দাজ্জাল দ্বীপে বন্দি আছে- এ কথার অর্থ কি"?? আসলে এ কথাটি রুপক!! এর সঙ্গে আরও এক টি প্রশ্ন জুড়ে দিই, তাহলে হয়ত বুঝতে সুবিধা হবে। প্রশ্ন টি হল-"দাজ্জালের দিন গুলোর সাইজ নাকি বিভিন্ন ধর ণের হবে- এটা কি সম্ভব"??
  •    চলুন, উত্তর শুরু করব কিন্তু তার আগে হাদীস গুলো দেখে নিই!! বলা হচ্ছে-"আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! দাজ্জাল পৃথিবীতে কত দিন থাকবে? তখন তিনি বললেন- 40 দিন। দাজ্জালের প্রথম দিনটি 1 বছ রের সমান হবে, দ্বিতীয় দিনটি 1 মাসের সমান, তৃতীয় দিনটি হবে- 1 সপ্তাহের সমান। আর, বাকি দিন গুলো তোমাদের দিনের মতোই"(সহীহ মুসলিম, ফিতায়েন, হা দীস 7108)।
  •    আর, মুসলিমের 7121 নং হাদীস বলছে যে, দাজ্জাল কোনও এক দ্বীপে বন্দি রয়েছে।
  •    আর, এখান থেকেই কয়েকটি প্রশ্ন উঠবে যে-"তাহলে দাজ্জালের আয়ু কত?? এতদিন সে কোনও দ্বীপে বন্দি থাকা অবস্থায় বেঁচে আছে কিভাবে"??
  •    চলুন, এবার আমরা উত্তরের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।   এখানে যে দুটি হাদীস উদ্ধৃতি করেছি, সেই দুটি হাদীসই রুপক। এখানে রুপক অর্থে যে দ্বীপের কথা বলা হচ্ছে তা আসলে 'ইংল্যান্ড'। যারা নবী (স) এর যুগে রুপক অ র্থে বন্দিই ছিল। অর্থাৎ তখন ইংরেজ জাতি ইংল্যান্ডের বাইরে বের হওয়ার কল্পনাও করতে পারত না। কারণ, তারা তখন ছিল গোঁড়ামির অন্ধকারে নিমজ্জিত। তাই, রুপক অর্থে তাদের বন্দি বলা হয়েছে। এবার হাদীসেরই কয়েকটি পয়েন্টের দিকে লক্ষ্য করুন। উক্ত হাদীসেইইই দাজ্জাল বলছে যে-"খুব শিঘ্রই আমি এখান থেকে বের হওয়ার অনুমতি পাব ও গোটা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করব"।
  •    এখানে লক্ষনীয় হল- নবী (স) গত হওয়ার প্রায় 800 (আট'শ) বছরের মধ্যেই ইংরেজ জাতি তাদের সিমানা হতে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়া শুরু করে এবং ছলে, বলে, কলে, কৌশলে গোটা পৃথিবীতে রাজত্ত্ব শুরু করে। তারা গোটা পৃথিবীতে শাসন প্রতিষ্ঠা করে। আর, এই জন‍্যেই বলা হচ্ছে-"তার প্রথম দিন 1 বছরের সমান"। অর্থাৎ সে অনেক লম্বা সময় ধরে শাসন করবে। তারপর দাজ্জালে র দ্বিতীয় দিন সম্পর্কে বলা হয়েছে-"তার দ্বিতীয় দিন হ বে 1 মাসের সমান"। এখানে মেনশন করা হয়েছে আমে রিকাকে। সে/ তারাও পৃথিবীতে শাসন চালিয়েছে/ চালা চ্ছে। যদিও এখন আমেরিকার সূর্য ডুবতে চলেছে।
  •    তারপর বলা হচ্ছে যে-"তার তৃতীয় দিনটি হবে 1 সপ্তা হের সমান"। আর, এখানে মেনশন করা হচ্ছে-"ইজরায়ে ল" নামক অবৈধ রাষ্ট্রটিকে। অর্থাৎ তারাও পৃথিবীতে অল্প কিছু দিন শাসন করবে। বলে রাখতে চাই- এখানে শাসন বলতে সরাসরি কোনও দেশকে "কব্জা বা দখল" করা নাও হতে পারে, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক শাসনও হতে পারে।
  •    আজ 17.6.19 তারিখ, সোমবার, ঘড়িতে এখন রাত 10:20 বাজছে। কিছুদিন অর্থাৎ 2/4 দিন আগেই মামা র কন‍্যার বিবাহ ছিল, গতকাল ও আজ এক বন্ধুর বড় দাদার  বিবাহ  ছিল। বিবাহ বাড়ি  গুলোতে  যোগ দিতে মোটেও ইচ্ছা লাগে না, কিন্তু খানিকটা জোর করেই আ মাকে নিয়ে যাওয়া হল আরকি!!
  •    বিয়ের  কথা বলতে বলতে  পুরাতন  একটা কথা মনে পড়ছে। বলব?? হানিজি'র  কথা!! জানেন, হানীজি আ মাকে প্রায় একটা কথা বলতেন মজা করে। বলতেন যে, "সবার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, আপনার বিয়ে আর হবে না"।
  •    যাইহোক, চলুন এবার পরবর্তী তথা শেষ প্রশ্নে। প্রশ্নটি হল-"দাজ্জালকে হত্যা করবেন ঈশা (আ)- এটার ব‍্যাখ‍্যা কি হবে"?? হ‍্যাঁ, এটাও সহীহ হাদীস এবং হাদীস নং হল- 7108, মুসলিম।
  •    ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি যে, দাজ্জাল অত‍্যাধুনিক টে কনোলজি সম্পন্ন। আর, ঈশা (আ) পৃথিবীতে ছিলেন এ কজন রাসুল হিসাবে এবং কোনও বিশেষ কারণে তাকে তুলে নেওয়া হয়। তাই, যখন তিনি ফিরে আসবেন, তখ ন নিশ্চিতভাবে তিনি বিশেষ টেকনোলজি সম্পন্ন হয়েই ফিরে আসবেন। যাইহোক নিচের লিঙ্কে ঈশা (আ)- এর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া রয়েছে। যেমন, তিনি কি ভাবে আকাশে গেলেন,  কিভাবে ফিরে আসবেন,  তার জন্মের ব‍্যাখ‍্যা, ইত্যাদি। তাই, চাইলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে দেখতে পারেন---
  • https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=820292715022394&id=544853392566329
  •    যাইহোক, ঈশা (আ) নবী হয়ে আসবেন না বটে, কিন্তু বিশেষ টেকনোলজি সম্পন্ন হয়ে আসবেন অথবা সেই যুগ অনুযায়ী তিনি বিশেষ টেকনোলজি সম্পন্ন হবেন। আর, ঈশা (আ)- এর সামনে হয়ত দাজ্জালের টেকনো লজি ছোট হয়ে যাবে, ফলতঃ দাজ্জাল ঈশা (আ)- এর হাতে ধ্বংস হবে। এটা রুপক অর্থের ব‍্যাখা। আর, হুবহু অর্থের ব‍্যাখ‍্যা করার কোনও প্রয়োজনই নেই!!
  •    ★ বলে রাখা দরকার যে, আমি শুধুমাত্র দাজ্জালের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যদি এ লেখার মধ্যে কোনও সমস্যা দৃষ্টিগোচর হয়, তাহলে জানাবেন- তা সংশোধন করা হবে- ইনশাআল্লাহ।
  •    আশা করছি, বোঝাতে পারলাম। এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
  •                        লেখক, হোসেন কুরানী

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন:

Featured Post

আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: শায়েখ ইমরান হোসেনের বিশ্লেষণ বর্তমান ব...