কোরানের গভীরে দৃষ্টি ও কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 5

কোরানের গভীরে দৃষ্টি  ও  কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 5

 এবারের লেখা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে চাইছি। আপনি কি বলেন?? হ্যাঁ বলেছেন তো?? তাহলে ঠিক আছে প্রশ্ন হবে- আল্লাহর সম্পর্কে কোরানে বলা হয়েছে যে, তিনি চিরঞ্জীব এবং কখনও মরবেন না!! কেন তিনি মরবেন না/ মরতে পারেন না??

এটা শুধু বিশ্বাস, না কি এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে?? উত্তর সহজ- ব্যাখ্যা তো আছে এবং শুধু ব্যাখ্যা নয়, বৈজ্ঞানিক কারণ‌ও আছে কিন্তু আমাদের জানা মতে- এ প্রশ্নের উত্তর মানব ইতিহাসে কখনও কেউ দেন নি!!
আপনি সৌভাগ্যবান যে, আপনি হোসেন কুরানীর সময়ে জন্মেছেন, নয়ত আপনি‌ও এ প্রশ্নের না পেয়েই মারা যেতেন!! এখন বুঝতে পারছেন কি- এই পৃথিবীতে হোসেন কুরানীর প্রয়োজন কেন?? কেন তাকে মানুষ Islamic Google বলেন??
্যাঁ, আপনি হোসেন কুরানী‌কে ঘৃণা করতেই পারেন কিন্তু এটা সত্য যে, এ প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর‌ একমাত্র তিনিই দিতে পারেন, এই আউকাত আর কাউকে দেন নি দয়াময় আল্লাহ!! যাইহোক, সর্ব প্রথম আয়াতটি দেখুন- وَتَوَكَّلْ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ وَسَبِّحْ بِحَمْدِهِ
অনুবাদ হবে এমন-"নির্ভর করুন সেই চিরঞ্জীব সত্ত্বার এর উপর, যিনি কখনও মরবেন না এবং তার পবিত্রতা ঘোষণা করুন প্রশংসা সহ"(25:58)।
আর আল্লাহ এখানেই শেষ না করে, পরের আয়াতে তার বুদ্ধিমান সৃষ্টি‌কে কি নির্দেশ দিয়েছেন, তা একবার দেখে নিন- فَاسْأَلْ بِهِ خَبِيرًا অনুবাদ হবে এমন-"সুতরাং তার [আল্লাহর] সম্পর্কে শুধু অভিজ্ঞ [হোসেন কুরানী‌র মতো] দের কাছে প্রশ্ন করুন"(25:59)।
কেন তিনি মরবেন না/ মরতে পারেন না?? এ প্রশ্নের উত্তর বের করতে হলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে যে, কেন তিনি ক্লান্ত হন না এবং কেন তাকে ঘুম স্পর্শ করে না!!
আমরা গত পর্বে এ প্রশ্নের ছোট্ট মতো উত্তর দিয়েছি কিন্তু পরিষ্কার ভাবে বোঝার জন্য যথেষ্ট ছিল না, তাই এখন বিস্তারিত আলোচনা‌য় প্রবেশ করব। সুতরাং মনযোগ সহ পড়বেন, নয়ত পড়লেও বোঝা কঠিন হয়ে যাবে!!
তবে, তার আগে গত পর্ব এবং "কোরানের গভীরে দৃষ্টি" লেখা সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য নিয়ে আসতে চাই। তাহলে হোসেন কুরানী এবং তার লেখা গুলো‌কে আপনি‌ও মূল্যায়ন করতে পারবেন। তাই দেখুন এবং চাইলে গত পর্বটি পড়ে নিন-
১) কুরানী সাহেব, কেন এমন মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন?? ইহুদী, খৃষ্টান এবং হিন্দু‌দের থেকে কত টাকা নিয়েছেন?? লেখায় মধ্যে দেখলাম- বেশ তো মোদির দালালি করছেন!!
২) আপনার গাঁজাখুরি ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ আর কুরানী বিশ্লেষণ আপনার কাছেই রাখুন। কোরান ব্যাখ্যা‌র জন্য আমাদের সম্মানিত আলিমগণ আছেন, হোসেন কুরানী' র ব্যাখ্যা‌র কোনও প্রয়োজন নেই!!
৩) হোসেন কুরানী না থাকলে, এই হতো না। হোসেন কুরানী না থাকলে, ঐ হতো না!! শুয়োরের বাচ্চা, তা হলে 1500 বছর ধরে ইসলাম চলছে কিভাবে রে ব্যাহেন চো★?? তোর বিরুদ্ধে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাতুয়া এসে গেছে, তোকে কাতাল করলেও গুনাহ হবে না!!
৪) সুনয়না বলেছেন- Sir, আমার কথা আপনার লেখা র মধ্যে উল্লেখ করে আমার নাম দেবেন, এটা আমি কখনও ভাবিই নি। আমি খুব খুশি হয়েছি, অনেক খুশি হয়েছি আর Impressed'ও!!
৫) সত্যিই কুরানী সাহেব, আপনার লেখা গুলো পড়ি আর ভাবি- আলিমগণ 1500 ধরে তাহলে করলেনটা কি?? কিন্তু আল্লাহ যাকে চান, তাকে দিয়েই তার দ্বীনের খিদমাত করিয়ে নেন।
নয়ত একজন মাদ্রাসায় না পড়া, কোনও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়া মানুষ কিভাবে হোসেন কুরানী হয়ে উঠলেন এবং কোরান থেকে এমন তথ্য তুলে নিয়ে আসছেন, যা জ্ঞানী‌দের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করবে!!
যা 1500 বছর পরও মানবজাতিকে তার ভাবতে বাধ্য করবে যে, হোসেন কুরানী না থাকলে হয়ত এই তথ্য গুলো মানবজাতি কখনও পেত না!! আর আপনার হানীর ব্যাপারে‌ও মানবজাতি জানবে যে, কত্ত বোকা মহিলা ছিলেন তিনি!!
৬) আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন- কুরানী ভাই, আমি ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে Facebook এ লেখা-লেখি করি। আপনার 5-7 টা লেখা পড়েছি, খুব মনযোগ সহ বার-বার পড়েছি।
সম্ভবত আপনার বোন, আমাদের বোন সাহেনারা ঠিকই বলেছেন- Genuine দের জ্ঞান যে খানে থেমে যায়, তারপর থেকে শুধু হোসেন কুরানী‌ই শুরু করতে পারেন!!
আমার মতে, সমগ্র পৃথিবীর জ্ঞান হোসেন কুরানীর সমতুল্য হবে না- ইনশাআল্লাহ!! আর ভাই, আপনার লেখার Style এ আমি মুগ্ধ। আপনার লেখা পড়ার সময় মনে হয়- আপনি যেন আমার সামনেতই বসে আছেন!!
সুধী পাঠক, এবার আমাদের উচিৎ উত্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়া, তাই না?? এখন প্রশ্ন হবে- আমরা ক্লান্ত হ‌ই কেন?? উত্তর সহজ- আমাদের শরীর পদার্থ এবং শক্তি (আত্মা) দ্বারা গঠিত, ফলত আমরা জীবিত সত্ত্বা নামে পরিচয় দিই!! তাই না??
আমাদের শরীরের পদার্থ শক্তি (আত্মা) কে ধরে রাখে এবং শক্তি (আত্মা) পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখে বা বাজায় রাখার System চালু রাখে, তাই না?? যখন আমরা আমাদের শরীরে বা পদার্থে Pressure সৃষ্টি করি, তখন শক্তি (আত্মা) সেই Pressure কে Manage করার চেষ্টা করে।
এবং তা করতে গিয়ে শরীর নামক পদার্থটির জ্বালানি খরচ হয়ে যায়। জ্বালানি খরচ এবং তা পূরণ বা সঙ্গে সঙ্গে পূরণ না হ‌ওয়া‌য় শরীর নামক পদার্থটি দুর্বল হয়ে যায়। ফলত দুর্বল শরীর নামক পদার্থটি আত্মাকে বহন করতে অসামর্থ্য হয়ে ওঠে।
তখন‌ই আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি!! প্রশ্ন হবে- ঘুম কেন আসে?? উত্তর সহজ- ক্লান্ত হয়ে পড়ার পর- ১) শরীর যদি সঙ্গে-সঙ্গে জ্বালানি পায়, তাহলে পুনরায় আগের মতো (পুরো-পুরি না হলেও 50-75 বা কখনও-কখনও 90%) সতেজ হয়ে যায়।
২) কিন্তু এভাবে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বারে হয়ত 10-20% পর্যন্ত‌ই সতেজ হবে। তারপর?? ক্লান্ত, প্রচুর ক্লান্ত!! তারপর?? ঘুম, তাই না?? ৩) ক্লান্ত। তারপর জ্বালানি দেওয়া। তারপর?? ঘুম!!
প্রশ্ন হবে- ঘুম কেন আসছে?? উত্তর সহজ- শরীর বা পদার্থ আত্মাকে বহন করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে!! ফলত অস্থায়ী ভাবে আত্মাকে শরীর থেকে বের হয়ে যায়/ বের করে নেওয়া হয়। কারণ, যেন শরীরের স্বাধীন ইচ্ছা বন্ধ হয়ে যায়!!
প্রশ্ন হবে- স্বাধীন ইচ্ছা গুলো বন্ধ হয়ে কি লাভ হয়?? উত্তর সহজ- শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলো আর সাধারণ অবস্থার মতো সঞ্চালিত হয় না। ফলত শরীরে জ্বালানি কম খরচ হবে এবং যোগান বেশি হবে।
ফল কি হবে?? ফলত খুব তাড়া-তাড়ি শরীর সতেজ হয়ে উঠবে এবং শরীর আত্মাকে বহন করার যোগ্যতা ফিরে পাবে, পায়‌ও!! তারপর?? আত্মা শরীরে ফিরে আসে, ঘুম Complete হয়ে যায়। ফলত আমরা জেগে উঠি!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে মৃত্যু হয় কেন?? উত্তর সহজ- যখন শরীর আত্মা বহন করার যোগ্যতা পুরো-পুরি হারিয়ে ফেলে, সেটার নাম‌ই মৃত্যু!! কোরান কি এ বিষয়ে কিছু বলেছে?? বলবে না- ভাবলেন কিভাবে?? দেখুন-
اللَّهُ يَتَوَفَّى الْأَنْفُسَ حِينَ مَوْتِهَا وَالَّتِي لَمْ تَمُتْ فِي مَنَامِهَا ۖ فَيُمْسِكُ الَّتِي قَضَىٰ عَلَيْهَا الْمَوْتَ وَيُرْسِلُ الْأُخْرَىٰ إِلَىٰ أَجَلٍ مُسَمًّى ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"আল্লাহ‌ই প্রাণ সমূহ‌কে নিয়ে নেন মৃত্যুর সময় এবং তার‌ও প্রাণ নিয়ে নেন, যে মরে নি কিন্তু ঘুমের মধ্যে থাকে। অতপর যাদের মৃত্যুর সময় [দেহ ব্যবহার অযোগ্য] হয়ে গেছে, তাদের প্রাণ সমূহ‌কে নিয়ে নেন, অন্য‌ দের প্রাণ সমূহ ফিরিয়ে দেন নিদিষ্ট সময়ের জন্য। নিশ্চয় এর মধ্যে রয়েছে বহু নিদর্শন চিন্তা‌শীল সম্প্রদায়ের জন্য"(39:42)।
পাঠক, এই আয়াতে কোন-কোন নিদর্শন আছে, তা হোসেন কুরানী ছাড়া কখনও জানতে এবং বুঝতে পারতেন?? আমাদের জানা মতে- কখনও জানতে ও বুঝতে পারতেন না। তবে, স্বীকার না কর‌টা মানুষের চিরাচরিত স্বভাব!!
যাইহোক, এবার বলুন- আল্লাহ শক্তি এবং পদার্থ, না কি শক্তি এবং পদার্থের ঊর্ধ্বে, শক্তি এবং পদার্থ সৃষ্টি কারি?? শক্তি এবং পদার্থের ঊর্ধ্বে শক্তি এবং পদার্থ সৃষ্টি কারি, তাই না??
আমরা কেন ক্লান্ত হ‌ই?? শক্তি এবং পদার্থ দ্বারা সৃষ্টি‌র জন্য, তাই না?? আল্লাহ কি শক্তি এবং পদার্থের সৃষ্টি, যে তিনি ক্লান্ত হবেন?? আর যদি ক্লান্ত হন না, তিনি মরবেন কিভাবে??
আল্লাহ কি তথাকথিত খৃষ্টানদের কল্পিত ঈশ্বর, যে তিনি মারা যাবেন?? যদিও এ বিষয়ে Bible এ বলা হয়েছে-"Have you not known?? Have you not heard?? The everlasting God, the Lord"(Book of Isaiah- 40:28)।
তবে, মৃত্যু কি?? এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নিচের Link এ যাবেন। এখানে হাঁসির কথা হল- Link এ প্রশ্ন‌ কারি মহিলাটি হলেন ★ ★'জি। যাইহোক, Link এ যান এবং মৃত্যু কি, তা জেনে আসুন-
আজ 15.04.2021 তারিখ কিন্তু আজ মুসলিম জাতি তার সুসন্তান, অমূল্য রত্ন তথা হোসেন কুরানীর উস্তাদ ঐতিহাসিক গোলাম আহমাদ মুর্তাজা (র)- কে হারিয়ে ফেলল!!
এই মহামানবের অবদান শুধুমাত্র এই কথা দ্বারা অনুভব করা সম্ভব যে, মুসলিম জাতির গত 1500 বছরের ইতিহাসে এমন ঐতিহাসিক কখনও জন্মায় নি কিন্তু আজ তিনি নিজেই ইতিহাস, তবে তা কালি দ্বারা নয়, এ ইতিহাস স্বর্ণ দ্বারা নয় বরং হীরা দ্বারা লেখা হবে- ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু তার ইতিহাস হীরা দ্বারা লিখলেও তাকে যোগ্য সম্মান প্রদান এবং মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তার অবদান এমন যে, মুসলিম জাতি তার পিতা-মাতার নাম ভুলতে পারবে কিন্তু তার অবদান ভোলা সম্ভব নয়!!
কিন্তু এ কথা সত্য যে, এই মহামানবের উপর শত-শত বার প্রাণঘাতী হামলা করা হয়েছে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হল- এই হামলা আলিমগণ বা হারামখোরগণের ইশারায় হয়েছে। আর এটা শুধু দুঃখের নয়, কষ্টের নয় বরং বড় লজ্জার বিষয়!!
এ জন্যই হয়ত হোসেন কুরানী "আলিমতন্ত্র" কে ধ্বংস করার সংকল্প করেছেন। যাইহোক, গোলাম আহমাদ মুর্তাজা (র) কত বড় মাপের ব্যাক্তিত্ব ছিলেন, তা শুধু এভাবে আন্দাজ করতে পারেন যে- তিনি কখনও তার উপরে হামলার জন্য অপরাধীদের শাস্তির আবেদন করেন নি- সুবহান‌আল্লাহ। মহামানব এই রকমই হয়ে থাকেন!!
মুর্তাজা (র) হোসেন কুরানীর কোরান ব্যাখ্যার Style খুব পছন্দ করতেন এবং হোসেন কুরানী‌কে কুরানী উপাধি তার‌ই প্রদান করা। দুঃখের কথা হল- যার থেকে হোসেন কুরানী কথা বলা শিখেছেন, লেখা শিখেছেন, আজ তার‌ই মুখ বন্ধ এবং আর কখনও কথা বলবেন না, তিনি আর কখনও লিখবেন না!!
আমরা আল্লাহর মৃত্যু কেন হবে না ও আমাদের মৃত্যুর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা লিখছিলাম কিন্তু স্বপ্নে‌ও কখনও ভাবি নি যে, গোলাম আহমাদ মর্তাজা (র)- এর মৃত্যু নিয়ে লিখতে হবে!! আল্লাহ, কে এবার বলবে- যে জাতি নিজেদের গৌরবময় (অতীত) ইতিহাস জানে না, তাদের ভবিষ্যৎ নেই, নেই, নেই!!
প্রায়শই ★ ★ হোসেন কুরানীকে জিজ্ঞাসা করতেন যে, আমাকে কতটা ভালবাসেন, তখন হোসেন কুরানী বলতেন- আল্লাহ এবং রাসুল (সা)- এর পর হানীকে সব চেয়ে বেশি ভালবাসি কিন্তু আজ ভোর থেকে মুর্তাজা (র)- এর মৃত্যু‌র খবর পাওয়ার পর থেকে হোসেন কুরানী‌র কান্না এই সমীকরণকে নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল!!
আজ 16.04.2021 তারিখ এবং ঘড়িতে এখন সকাল 11:15 বাজছে। গতকাল‌টা দুঃখের, কষ্টের, বেদনার ও সঙ্গে অশ্রুসিক্ত ছিল!! তবে, এবার লেখা শুরু করতে চাইছি। পাঠক, তাহলে এগিয়ে যাই??
প্রশ্ন হবে- কোরান নাযিল হয়েছে কোন মাসে?? উত্তর খুব সহজ- রামজানে (দ্রঃ 2:185), তাই না?? কিন্তু প্রশ্ন হবে- রামজানের কত তারিখে?? আমাদের জানামতে এবং নিশ্চিত যে, পৃথিবীতে এমন কোনও আলিমের জন্ম হয় নি, যিনি পবিত্র কোরান থেকে এ প্রশ্নের উত্তর বের করেছেন!!
আপনি স্বীকার করুন, আর না করুন- এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত আল্লাহ হোসেন কুরানী ছাড়া আর কাউকে দেয় নি!! পাঠক চলুন, আমরা কোরান নাযিল হ‌ওয়ার মাস এবং তারিখ বের করি!!
সুতরাং দেখুন- إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমরা এটা [কোরান] নাযিল করেছি কাদার রাতে/ মহিমান্বিত রাতে"(97:1)। পাঠক, মাস ও তারিখ দেখতে পান নি?? আচ্ছা ঠিক আছে, পরের আয়াতটি দেখুন- وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ অনুবাদ হবে এমন-"আপনি কি জানেন, কাদারের রাত কি"(97:2)?? পরের আয়াত- لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ অনুবাদ হবে এমন-"কাদারের রাত 1000 (হাজার) মাসের চেয়েও উত্তম"(97: 3)।
পাঠক, কোরান নাযিলের মাস এবং তারিখ দেখতে পান নি, তাই না?? পাবেন কিভাবে, কোরান‌কে কি গবেষণা‌র বিষয় হিসাবে আমাদের কাছে আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ তুলে ধরেছেন?? অথচ আল্লাহ বলেছেন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
আর কোরানকে নিয়ে যারা গবেষণা করে না, তাদের উদেশ্যে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখে নিন- أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا অনুবাদ হবে এমন-"তারা কি পবিত্র কোরানকে নিয়ে গবেষণা করে না, না কি তাদের Brain lock করা আছে"(47:24)??
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য- আমাদের আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কোরান গবেষণা করা তো দূরের কথা, কোরান পড়ার উপরেও বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ‌তা চাপিয়ে দিয়েছেন!! সেই নিষিদ্ধতা গুলো আমরা 2 নং পর্বে আলোচনা করেছি, তাই না??
আচ্ছা ঠিক আছে, লক্ষ্য করুন- উক্ত 97:1 আয়াতে হারাফ সংখ্যা 21 টি। আর কিছু বলতে হবে?? আর لَيْلَةِ الْقَدْرِ (লাইতিল কাদার বা কদরের রাত) শব্দ দ্বয়ে 9 টি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে- সুবহান‌আল্লাহ!!
পাঠক, কোন মাসে এবং কত তারিখে কোরান নাযিল হয়েছে, তা কি আর বলতে হবে, না কি বুঝেছেন?? খুব সহজ, তাই না?? মানে হল- কোরান নাযিল হয়েছে 9'ম (রামজান) মাসের 21 তারিখে!!
আমরা জানি ও উপরে দেখেছি- সূরা কাদারের 1, 2 ও 3 নং আয়াতেই لَيْلَةِ الْقَدْرِ (লাইতিল কাদার) শব্দ দ্বয় ব্যবহৃত হয়েছে এবং এই 3 আয়াতে হারাফ সংখ্যা 61 টি।
পাঠক, বলতে পারবেন- 61 এর অর্থ কি?? উত্তর সহজ- 6+ 1= 7, বোঝেন নি?? আমরা গত পর্ব গুলো তে দেখেছি যে, সূরা ফাতিহা‌ই হল- কোরান এবং সূরা ফাতিহা‌র আয়াত সংখ্যা 7 টি।
এবার বলুন- এই সুন্দর তথ্য‌টা পেলেন কিভাবে?? হোসেন কুরানীর দ্বারা, তাই না?? সংখ্যা‌তত্ত্বে হোসেন কুরানীর নং হল- 7, যা আমরা খুব সম্ভবত পর্ব- 3 এ দেখিয়েছি। তাই না??
এ ছাড়াও সূরা কাদার হল- 97 নং সূরা, তাই না?? মানে- 97= 9+ 7= 16= 1+ 6= 7, তাই না?? আরও দেখুন- 21= 2+ 1= 3 কিন্তু 3 কেন?? কারণ এই সূরার 3 টি আয়াতেই لَيْلَةِ الْقَدْرِ (লাইতিল কাদার) শব্দ দ্বয়ের ব্যবহার করা হয়েছে।
এ ছাড়াও 21÷ 3= 7, তাই না?? আচ্ছা পাঠক, এ সব কি হচ্ছে, তা কি বুঝতে পারছেন?? অবশ্যই বুঝতে পারবেন, তবে শর্ত হল- Brain ব্যবহার করতে হবে, না হলে শুধু পড়া হবে, বোঝা হবে না!! মানে- বোঝা কম এবং গোঁজা বেশি হয়ে যাবে!!
পাঠক, আপনাকে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চাই- এই সূরায় لَيْلَةِ الْقَدْرِ (লাইতিল কাদার) শব্দ দ্বয় ব্যবহৃত হয়েছে 3 বার এবং لَيْلَةِ الْقَدْرِ (লাইতিল কাদার) এ আরবি 9 টি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং 9× 3= 27= 2 + 7= 9, তাই না?? আর আরবি قدر (কাদার) শব্দে 3 হারাফ এবং এই শব্দ এই সূরায় 3 বার ব্যবহৃত হয়েছে অর্থাৎ 3× 3= 9, তাই তো?? এবার দেখুন- 9+ 9= 18, মাথায় ঢুকল?? ঢুকবে, অবশ্যই ঢুকবে। শুধু চিন্তা শক্তি একটু বৃদ্ধি করতে হবে!!
আচ্ছা পাঠক, এবার একটা প্রশ্ন করি, হ্যাঁ?? এই তথ্য গুলো আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কত হাজার বছর পর আপনাকে জানাতেন?? না কি তারা জাহান্নামে গিয়ে জানাতেন?? না কি কখনও জানাতে পারতেন না??
আপনি ততক্ষণ ভাবুন, আমরা ততক্ষণ একটা প্রশ্নের উত্তর দিই, হ্যাঁ?? প্রশ্ন হবে- কোরান কি শুধু রামজানে নাযিল হয়েছে, অন্য কোনও মাসে নাযিল হয় নি?? এ প্রশ্নের খুব সহজ- কোরান লৌহি মাহফুজ থেকে সৌর জগতের কোনও এক স্থানে প্রথমবার একত্রে নাযিল হয়, 97:1 আয়াত সেই কথাই বলছে। বিস্তারিত-
এ ছাড়াও হীরা গুহাতেও রামজানের 21 তারিখেই সন্ধ্যায় প্রথমবার নাবী (সা)- এর কাছে 96 নং সূরার প্রথম 5 আয়াত নাযিল হয়। তাই পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে- شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ অনুবাদ হবে এমন-"রামাদান বা রামজান মাস‌ই হল সেই মাস, যে মাসে কোরান নাযিল করা হয়েছে"(2:185)। এ ছাড়াও এ বিষয়ে আরও একটা আয়াত আছে, যা 97:1 আয়াত এর কাছা-কাছি, তা হল- 44:3 আয়াত।
পাঠক, এবার চমকে উঠার মতো তথ্য দিই?? দেখতে চাইবেন?? নিন- 2:185 আয়াত অর্থাৎ 2+ 1+ 8+ 5= 16= 1 + 6= 7, মাথায় ঢুকছে তো পাঠক?? আপনি কি অবাক হতে চান??
2:185 এর উদ্ধৃতি করা আয়াতাংশে 25 টি হারাফ আছে। তারমানে- 2+ 5= 7 এবং شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ পর্যন্ত আয়াতাংশে 16 টি হারাফ আছে। মানে- 1+ 6= 7, অবাক হয়েছেন তো??
প্রশ্ন হবে- যে রামজান মাসে সৌরজগতে কোনও এক স্থানে একত্রে কোরান নাযিল হয়েছিল এবং নাবী (সা)- এর কাছে প্রথমবার কোরান নাযিল হয়েছিল, সেই রামজান মাসটি কত দিনের ছিল?? 29 দিন, না কি 30 দিন??
আমাদের জানা মতে- পৃথিবীর কোনও আলিম বা সম্মানিত হারামখোর এ প্রশ্নের উত্তর দেন নি, দিতেও পারবেন না। যদিও Astronomer'রা অবশ্য উত্তর দিতে সক্ষম!!
তবে, যদি কুরানী হন, তাহলে এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুবই সহজ। তাহলে কি হোসেন কুরানী‌কে এ প্রশ্নের উত্তর দিতে বলব?? আচ্ছা বলছি- হোসেন কুরানী ভাই, এই শিশু সুলভ প্রশ্নের উত্তর‌টা দিন তো!!
নিন- إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমরা তা নাযিল করেছি কল্যাণময় রাতে। নিশ্চয় আমরা ছিলাম সতর্ককারী"(44:3)। উত্তর পান নি?? যাহ!!
কিন্তু উত্তর তো আয়াতেই রয়েছে!! ভাল করে দেখুন তো- দেখতে পাচ্ছেন কি না?? হোসেন কুরানীর মতো করে ভাবুন। এখনও পান নি?? উক্ত আয়াতে হারাফ সংখ্যা হল- 30 টি।
পরবর্তী কঠিন প্রশ্ন- কোরান এই পৃথিবীতে এল‌ও কি ভাবে?? প্রশ্ন হবে- এটা কঠিন প্রশ্ন?? এ প্রশ্নের উত্তর তো সহজ- জিব্রাঈল (আ)- এর মাধ্যমে, তাই না?? হ্যাঁ এটা সহজ কিন্তু পরবর্তী অংশটি খুব কঠিন!!
তা হল- ফেরেস্তাদের আল্লাহ কখন সৃষ্টি করেছেন?? মানে- আজ থেকে কত বছর আগে?? ফেরেস্তা‌রা কি ভাবে কাজ করেন?? এ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা‌টা কি?? কেন ফেরেস্তা‌রা ভুল করতে পারেন না?? জিব্রাঈল (আ) দ্বারা কোরান বহন করার সময় শয়তান কি পবিত্র কোরানে নিজের পক্ষ থেকে কিছু জুড়ে দিয়েছিল?? যদি না জুড়ে থাকে, তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি?? এই সমস্ত কিছু সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে??
হোসেন কুরানীর কাছে কি এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর আছে?? না কি আলিম বা সম্মানিত হারামখোরদের মতো হোসেন কুরানী‌ও ম্যাও-ম্যাও করবেন?? কি সব যে বলেন ভাই!! হোসেন কুরানী যদি উত্তর না দেন, তা হলে এই পৃথিবীতে কার‌ও কি আউকাত আছে এ প্রশ্ন সমূহের উত্তর দেওয়ার??
যাইহোক, উত্তর তো দেব- ইনশাআল্লাহ। তবে, একটা জ্ঞান বৃদ্ধি‌কর Information দিয়ে রাখি, সাধারণ ভাবে যা আপনি জানেন না। আমরা জানি- জিব্রাঈল (আ) নাবী (সা)- এর কোরান নিয়ে আসতেন কিন্তু সাধারণত তিনি একা আসতেন না, তার সঙ্গে থাকত একাধিক ফেরেস্তা। আয়াতটি দেখুন-
يُنَزِّلُ الْمَلَائِكَةَ بِالرُّوحِ مِنْ أَمْرِهِ عَلَىٰ مَنْ يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ أَنْ أَنْذِرُوا أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنَا فَاتَّقُونِ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি রুহ (নির্দেশ) দিয়ে ফেরেস্তা‌ দের পাঠান তার নির্দেশ তার ইচ্ছে মতো বান্দার উপর এই মর্মে যে- নেই কোনও উপাস্য আমি ছাড়া। সুতরাং আমাকেই ভয় কর‌ও"(16:2)।
তাহলে কি বুঝলেন- তিনি একা আসতেন, না কি তার সঙ্গে থাকতেন একাধিক ফেরেস্তা?? উপরিউক্ত আয়াত এ مَلَائِكَةَ (মালাইকা), শব্দটি বহুবচন, অর্থ- ফেরেস্তারা, ফেরেস্তা নয়!! একবচনে مَلَك (মালাক), 32:11 আয়াতে ব্যবহৃত হয়েছে।
এছাড়াও কাছাকাছি আরও একটা আয়াত রয়েছে। তবে, তা ওহী বহন করা সম্পর্কিত নয়, তা হল- 97:4 আয়াত। তাহলে কি বুঝতে পারছেন যে, জিব্রাঈল (আ) একা আসতেন না??
তার সঙ্গে থাকতেন ফেরেস্তা‌দের একটা Team, খুব সম্ভব‌ত- তা বিরাট বড় Team ছিল। সুতরাং ওহী যুক্ত পবিত্র কোরানে শয়তান কিছু জুড়ে দেওয়ার বা বাদ দেওয়ার সম্ভব‌নাই নেই!!
যদি জিব্রাঈল (আ) একাও আসতেন, তাহলেও কোনও সম্ভব‌না থাকত না। কেননা- عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَىٰ অনুবাদ হবে এমন-"তাকে [নাবী (সা)- কে] শিক্ষা দিয়েছেন মহা শক্তিধর"(53:5)। মহাশক্তিধর বলতে- এখানে জিব্রাঈল (আ)- কে বোঝান‌ও হয়েছে।
আর শয়তান কিছু জুড়ে দেওয়া বা বাদ দেওয়া তো অনেক দূরের কথা, শয়তান যাতে সৌরজগতের ঘাঁটি তে গিয়ে শুনতেও না পায়, তার জন্য নাবী (সা)- এর জীবিত অবস্থায় জ্বীনদের পৃথিবী বাইরে যাওয়া‌কে আল্লাহ নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন!! বিস্তারিত জানতে নিচের Link এ যান-
এ ছাড়াও এ বিষয়ে পবিত্র কোরান থেকে বেশ কিছু আয়াত আমরা দেখে নেব- إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় এই কোরান মহা সম্মানিত"(56:77)। তার পর বলা হচ্ছে- فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ অনুবাদ হবে এমন-"যা অতি সুরক্ষিত গ্ৰন্থে রয়েছে"(5678)।
এই সম্পর্কে অন্য আয়াত- بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَجِيدٌ অনুবাদ হবে এমন-"বরং কোরান মহা সম্মানিত"(85:21)। তার পর বলা হচ্ছে- فِي لَوْحٍ مَحْفُوظٍ অনুবাদ হবে এমন-"যা আছে সুরক্ষিত ফলকে"(85:22)।
আরও বলা হয়েছে- لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ অনুবাদ হবে এমন-"পবিত্র‌রা ছাড়া [শয়তান] তা কেউ ছুঁতে পারে না"(56:79)। এ ছাড়াও দেখুন- وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ অনুবাদ হবে এমন-"এবং না শয়তান‌রা তা [কোরান] নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে"(26:210)।
এ ছাড়াও বলা হয়েছে- وَمَا يَنْبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ অনুবাদ হবে এমন-"আর না তাদের জন্য উচিৎ, আর না তারা এর সামর্থ্য রাখে"(26:211)। পরের অংশটি দেখে নিন- إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় তাদের‌কে শ্রবণ হতেও [সৌরজগতে লুকিয়ে] দূরে রাখা হয়েছে"(26:212)।
প্রশ্ন হবে- সৌরজগতে আল্লাহ কিভাবে শয়তান‌দের কে লুকিয়ে কোরান শ্রবণ হতে দূরে রেখেছেন?? উত্তর খুব সহজ- এটা যদি এখন লিখতে যাই, তাহলে অনেক সময় লেগে যাবে। একটু কষ্ট করে নিচের Link এ Click করুন, করুন হ্যাঁ?? নিন-
প্রশ্ন হবে- এ সব সাধারণ যুক্তি পূর্ণ এবং উদ্ধৃতি বহুল কথা, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ক‌ই?? না কি হোসেন কুরানীর কাছে এ প্রশ্নের বিজ্ঞান সম্মত উত্তর নেই যে, পবিত্র কোরান সম্পূর্ণ সঠিক ভাবে নাযিল হয়েছে এবং তাতে শয়তান নিজের পক্ষ থেকে কিছু জুড়ে দেয় নি অথবা বাদ দেয় নি??
চিন্তা করছেন কেন?? হোসেন কুরানী আছেন তো?? সুতরাং মোটেও চিন্তা করার দরকার নেই, হোসেন কুরানী আছেন এবং এখনও 120 বছর 6 মাসের বেশি আছেন- ইনশাআল্লাহ। সুতরাং দেখুন-
لَا يَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهِ ۖ تَنْزِيلٌ مِنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ●
অনুবাদ হবে এমন-"না মিথ্যা তার কাছে আসতে পারে সামনে, আর না পিছন থেকে। তা অবতীর্ণ করা মহা বিজ্ঞানী প্রশংসিতের পক্ষ থেকে"(41:42)।
এ আয়াতে "তার কাছে" বলতে- কোরান বা জিব্রাঈল (আ)। প্রশ্ন হবে- কেন তার কাছে মিথ্যা আসতে পারে না, এর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিটা আসলে কি?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব, খুবই সহজ- وَهُمْ لَا يُفَرِّطُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং তারা [অর্থাৎ ফেরেস্তা‌গণ] ভুল করেন না"(6:61)।
প্রশ্ন হবে- আবার উদ্ধৃতি?? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা চাইছি, আর আপনি কোরান থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছেন?? হোসেন কুরানীর কাছে কি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই?? এ সব কি যে বলেন ভাই!! হোসেন কুরানী বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা না দিতে পারলে, আর দেবেন কে??
আসলে প্রথমে পবিত্র কোরান কি বলে, তা বিস্তারিত দেখিয়ে দিলাম। নয়ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করলেও, তা বুঝে নেওয়া কঠিন হতো!! কারণ, এ গুলো বিজ্ঞানের অতি গভীর বিষয়। ঠিক আছে, দেখুন-
বর্তমানে আমরা Message পাঠানোর জন্য Internet ব্যবহার করি, তাই না?? Internet এর দ্বারা পাঠান‌ও Message খুব সহজেই Hack করা সম্ভব, এমনকি Pasword জানা না থাকলেও। আর জানা থাকলে তো শিশুরাও Hack করতে পারবে!! তাই না??
কোরান‌ও তো মানবজাতির জন্য আল্লাহর পাঠান‌ও Message, তাই না?? সুতরাং পবিত্র কোরান পাঠানোর সময় শয়তান দ্বারা Hack হয়েছিল না তো?? হয় নি- তা তো কোরান দ্বারা জেনেছি কিন্তু বিজ্ঞান এ বিষয়ে কি বলে??
আচ্ছা পাঠক, আপনি কি Quantum technology বা Photon technology সম্পর্কে কিছু জানেন?? যদি না জানেন, তাহলে আপনাকে বোঝান‌ও খুব কঠিন হয়ে পড়বে, জানলে তো- আলহামদুলিল্লাহ!!
Quantum technology বা Photon technology দ্বারা Message পাঠান‌ও হয়ে থাকে। তবে, বর্তমানে এই Technology শিশু অবস্থায় রয়েছে। উন্নত দেশ গুলোর পাশা-পাশি আমার গর্বের দেশ অর্থাৎ ভারত‌ও এ বিষয়ে খানিকটা সফলতা পেয়েছে।
আমার গর্বের দেশ ভারত‌ মনে হয় খুব সম্ভবত- 500 meter দুরত্বে Quantum technology বা Photon technology দ্বারা Message পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য দেশ‌ও এই Technology তে কাজ করে চলেছে।
প্রশ্ন হবে- Quantum technology কি?? উত্তর খুব সহজ- Internet এর বিকল্প। তবে, আপাতত লিখিত Message আদান-প্রদান‌ই সম্ভব হয়েছে Quantum technology বা Photon technology দ্বারা!!
প্রশ্ন হবে- Quantum technology অথবা Photon technology'র সুবিধা কি?? উত্তর খুব সহজ- এই Technology পুরো-পুরি সুরক্ষিত, যে কোনও ধরণের Hacking এর সম্ভবনা শূন্য (0)।
প্রশ্ন হবে- Quantum technology অথবা Photon technology'র সঙ্গে কোরান নাযিলের কি সম্পর্ক?? উত্তর খুব সহজ- Quantum technology বা Photon technology ব্যবহার করেই কোরান নাযিল করা হয়েছে!!
প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানী কি পাগল হয়ে গেছেন?? না হলে কেন বলেছেন যে, Quantum technology অথবা Photon technology ব্যবহার করেই কোরান নাযিল করা হয়েছে??
উত্তর সহজ- পাগল তো নাবী (সা)- কেও বলা হতো। সুতরাং তার উম্মাতকে পাগল বলা হবে না তো, কি বলা হবে?? তবে, মনে রাখবেন- আগামী 100-150 বছরের মধ্যে Internet system সম্পূর্ণ বন্ধ হতে চলেছে!!
প্রশ্ন হবে- কিন্তু কেন?? উত্তর সহজ- বর্তমান এবং প্রচলিত Internet communication system এ প্রতি বছর যত টাকা Ford হয়, তা বাংলাদেশের এক বছরের Budget এর থেকেও বেশি। যদি‌ও বর্তমানে Internet communication system ব্যবহার করেন পৃথিবীর জনসংখ্যার মাত্র 30-35 % মানুষ এবং নিয়মিত ভাবে আর্থিক লেন-দেন করেন মাত্র 2-3 % মানুষ!!
তাহলে কল্পনা করুন- যখন 90-95% মানুষ Internet communication system ব্যবহার করবেন, 40-50% মানুষ আর্থিক লেন-দেন করবেন, তখন কি হবে?? তা হলে তো Ford এর পরিমাণ আমার গর্বের দেশ ভারত বা America'র Budget'কেও ছাপিয়ে যাবে!!
তাই বিকল্প ব্যাবস্থা প্রয়োজন। আর সেই সুরক্ষিত বিকল্প ব্যাবস্থার নাম হল- Quantum technology বা Photon technology. প্রশ্ন হবে- কোরান যে Quantum technology বা Photon technology দ্বারাই নাযিল হয়েছে, তা কি হোসেন কুরানী প্রমাণ করবেন??
হোসেন কুরানী না করলে, আর কার‌ও প্রমাণ করার আউকাত আছে কি?? যাইহোক, এবার উত্তর দেওয়া যাক। উত্তর সহজ, খুব সহজ- করবেন নয়, অনেক দিন আগেই করে দিয়েছেন। শুধু আপনি জানেন না!! নিচের Link এ যান-
উপরের Link এ গেলে দেখতে পাবেন- ফেরেস্তা‌রা Photon দ্বারাই সৃষ্ট এবং ফেরেস্তা‌রা‌দের আজ থেকে কত বছর পূর্বে এবং কোন সময়ে সৃষ্টি করেছেন!! আর যেহেতু ফেরেস্তা‌রা Photon দ্বারা সৃষ্ট, সেহেতু তাদের (শয়তান জ্বীন/ মানুষ দ্বারা) Hack করা সম্ভব নয়, পূর্বে ছিল‌ও না কখনও!! তাই আল্লাহ বলেছেন-
قُلْ نَزَّلَهُ رُوحُ الْقُدُسِ مِنْ رَبِّكَ بِالْحَقِّ لِيُثَبِّتَ الَّذِينَ آمَنُوا وَهُدًى وَبُشْرَىٰ لِلْمُسْلِمِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, তা [কোরান] নাযিল করেন রুহুল কুদুস [পবিত্র আত্মা] প্রভুর পক্ষ থেকে যথা-যথ ভাবে। [তাদের‌কে] দৃঢ় করার জন্য, যারা ইমান এনেছে। [এবং কোরান] পথনির্দেশ ও সুসংবাদ মুসলিম‌ দের জন্য"(16:102)।
সুতরাং আল্লাহ পবিত্র কোরান 100% সুরক্ষিত ভাবে নাযিল করেছেন- তা কি আমরা বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণ করতে পারলাম পাঠক?? পেরেছি, তাই না?? তাহলে হোসেন কুরানী‌কে গালাগালি করবেন, না দুয়া??
আপনি হয়ত দুয়াই করেন কিন্তু আহলে হাদীস গুলো অর্থাৎ আহলে হাদীস ধর্মের অনুসারী গুলো হোসেন কুরানী‌কে শুধু গালা-গালি‌ই করেন!! যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তাদের চোখে দেখতে পাই না কেন??
পাঠক, উত্তর কি হবে বলুন তো?? আছে এ পৃথিবীতে কোনও আলিম সম্মানিত হারামখোর, যিনি এ প্রশ্নের বিজ্ঞান সম্মত উত্তর দেবেন?? পাঠক, পাঠক আপনার কি মনে হয়- এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত তাদের আছে??
যদিও এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ!! ফেরেস্তাদের চোখে দেখতে পাই কেন- যদি এই প্রশ্ন‌টি আপনার হয়, তাহলে নিশ্চিত আপনি একজন বোকা এবং বিজ্ঞানের জ্ঞান হীন মানুষ!!
প্রশ্ন হবে- কেন?? উত্তর সহজ- যদিও কোনও ব্যাক্তি Photon কে চোখে দেখতে চান, তাহলে তিনি বোকা এবং বিজ্ঞানের জ্ঞান হীন মানুষ‌ই নয়, পাগল‌ও। কারণ, Photon কে চোখে নয়, Microscope জাতীয় কোনও যন্ত্র দ্বারাও দেখা অসম্ভব!!
প্রশ্ন হবে- যদি কখনও বিজ্ঞান প্রচণ্ড উন্নত হয়ে ওঠে, তখনও কি Photon কে Microscope জাতীয় কোনও যন্ত্র দ্বারা দেখা সম্ভব?? উত্তর সহজ- হ্যাঁ, দেখা সম্ভব!! প্রশ্ন হবে- তাহলে তখন ফেরেস্তা‌দেরকেও কি দেখতে পাব‌ও??
উত্তর সহজ- হ্যাঁ, দেখতে পাবেন। প্রশ্ন হবে- দেখতে পাব‌ও বললেই তো হবে না, দলিল কোথায়?? ভাই, এত দিন ধরে হোসেন কুরানী‌কে এই চিনলেন!! আপনি কি ভাবে ভাবলেন- হোসেন কুরানী দলিল দেবে‌ন না?? এই নিন- لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ অনুবাদ হবে এমন-"তাকে পেতে পারে না কোনও ধরণের দৃষ্টি সমূহ বরং তিনি দৃষ্টি সমূহকে নিয়ন্ত্রিত করে রেখেছেন"(6: 103)।
অর্থাৎ দৃষ্টি সমূহ আল্লাহ‌কে ছাড়া অন্য সব কিছু‌কে পেতে পারে। তাই নিকট বা দূরবর্তী ভবিষ্যতে ফেরেস্তা‌ দের দেখতে পাবেন- ইনশাআল্লাহ। প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তা Photon দ্বারা সৃষ্ট কিন্তু ফেরেস্তা কোরান বহন করা ছাড়াও তো অন্যান্য কাজ করে- এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হোসেন কুরানী দিতে পারবেন??
উত্তর সহজ- আপনার হাতের কাছে কোনও ধরণের Remote আছে?? যদি থাকে, তাহলে এখন‌ই তা হাতে নিন এবং দেখুন- Remote এর সামনের একটি ছোট্ট Lamp মতো কিছু আছে, তাই না??
এরপর আপনার Mobile এর Camera on করুন এবং Mobile এর Camera'র দিকে Remote এর Lamp টি রেখে Remote এর যে কোনও Switch press করুন, তাহলে আপনার Camera তে দেখতে পাবেন- আলোর ঝলকানি!!
এটা হল Electromagnetic ray, যা খালি চোখে দেখা যায় না কিন্তু এই Ray দ্বারাই TV সহ অন্যান্য সমস্ত কিছু পরিচালনা করা যায়/ যাচ্ছে!! তাই না?? আপনি যদি আলোর ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আল্লাহ করবেন/ পারবেন না??
এছাড়াও Laser rayকে কাজে লাগিয়ে কোনও বস্তু‌ কে ধ্বংস করাও সম্ভব, যেমন- Fighter jet সহ অন্যান্য সব কিছু। এছাড়াও বিজ্ঞানীরা Photon rocket তৈরির কাজ‌ও করছেন, যা মানবজাতির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে সক্ষম!! এ সম্পর্কে আমাদের লেখা মিরাজ পর্ব-1, 2 ও 3 এ বিস্তারিত দেখিয়েছি, তাই না?? দেখুন-
প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তাদের কথা বাদই দিলাম, আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর‌ও খুব একটা কঠিন নয়- لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ অনুবাদ হবে এমন-"তাকে পেতে পারে না কোনও ধরণের দৃষ্টি সমূহ, তিনি দৃষ্টি সমূহকে নিয়ন্ত্রিত করে রেখেছেন"(6: 103)।
প্রশ্ন হবে- আল্লাহ‌কে দেখতে পাব‌ও না, ঠিক আছে কিন্তু কেন আল্লাহ‌কে দেখতে পাব‌ও না?? বিজ্ঞান‌সম্মত কারণটা কি?? না কি হোসেন কুরানী‌র কাছে এ প্রশ্নের বিজ্ঞানসম্মত কোনও উত্তর নেই??
উত্তর সহজ- ১) আচ্ছা, আপনি কি কখনও Dark matter এবং Dark energy দেখতে পাবেন?? এ প্রশ্নের উত্তরে আপনাকে মজবুরি‌তে বলতে হবে- না, কখনও এবং কোনও দিন‌ও দেখতে পাব‌ও না!!
যদিও এই Dark matter ও Dark energy'ই সৃষ্টির 95-99% মতো এবং বিজ্ঞান যত উন্নতি‌ই করুক, তবুও Dark matter ও Dark energy দেখতে পাওয়া সম্ভব নয়, শুধু ভবিষ্যতে তার অস্তিত্ব প্রমাণ হতে পারে মাত্র LHC তে বা অন্য কোথাও/ কোনও ভাবে!!
সুতরাং যখন সৃষ্টি‌ই (Dark matter ও Dark energy) দেখতে পাব‌ও না কখনও, সেখানে এগুলোর স্রষ্টা বা আল্লাহ‌কে দেখার ইচ্ছা পোষণ করাটা তো নিতান্তই বোকামি এবং গাঁজাখুরি চিন্তা ভাবনা ছাড়া আর কিছু‌ই নয়!! তাই না??
আর দ্বিতীয় উত্তর‌টা এই লেখার শেষে গিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। আসলে আপনাকে একটু অপেক্ষা করাতে চাইছি। আমরা উপরে বেশ কিছু প্রশ্ন ছেড়ে এসেছি, এখন সেগুলোর উত্তর দেব- ইনশাআল্লাহ। কি বলেন পাঠক??
প্রশ্ন হবে- 16:2 আয়াতে কোরান‌কে ওহী না বলে আল্লাহ রুহ বললেন কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজে, দেখুন- قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, রুহ হল আমার প্রভুর নির্দেশ মাত্র"(17:85)।
এবার বুঝতে পেরেছেন কি যে, রুহ হল- আল্লাহর নির্দেশ এবং পবিত্র কোরান‌ও আল্লাহর নির্দেশ, তাই 16:2 আয়াতে পবিত্র কোরান‌কে ওহী না বলে রুহ বলা হয়েছে। আর 42:52 আয়াতেও কোরান‌কে রুহ বলা হয়েছে!! বুঝলেন??
প্রশ্ন হবে- মানুষ কি মৃত্যুর সময় ফেরেস্তাদের দেখতে পায়?? উত্তর সহজ- হ্যাঁ, দেখতে পায়। পূণ্যবান‌রাও দেখতে পায়, পাপীরাও দেখতে পায়!! আচ্ছা, এবার দলিল দিতে হবে, তাই না?? নিন-
إِنَّ الَّذِينَ قَالُوا رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا تَتَنَزَّلُ عَلَيْهِمُ الْمَلَائِكَةُ أَلَّا تَخَافُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَبْشِرُوا بِالْجَنَّةِ الَّتِي كُنْتُمْ تُوعَدُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় যারা বলে যে, আমাদের প্রভুই আল্লাহ এবং তার উপর অবিচল থাকে, যখন তাদের উপর [তাদের মৃত্যুর সময়] ফেরেস্তারা অবতীর্ণ হয়, [ফেরেস্তা‌রা] তখন বলে- ভয় কর‌ও না এবং চিন্তা‌ও কর‌ও না। সুসংবাদ শুনে খুশি হ‌ও সেই জান্নাতের, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেওয়া হয়েছিল"(41:30)। পরের আয়াতটি দেখুন-
إِنَّ الَّذِينَ تَوَفَّاهُمُ الْمَلَائِكَةُ ظَالِمِي أَنْفُسِهِمْ قَالُوا فِيمَ كُنْتُمْ ۖ قَالُوا كُنَّا مُسْتَضْعَفِينَ فِي الْأَرْضِ●
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছে, তাদের প্রাণ হরণ করার সময় ফেরেস্তারা তাদের বলে- তোমরা পৃথিবীতে কেমন ছিলে [অর্থাৎ তোমরা হিজরত করতে পারতে]?? তখন তারা বলে- আমরা পৃথিবীতে দুর্বল ছিলাম"(4:97)।
আচ্ছা পাঠক, মানুষ যে মৃত্যুর সময় ফেরেস্তাদের দেখতে পায়- তার দলিল পেয়েছেন?? আচ্ছা, এখন প্রশ্ন হবে- তখন মানুষ ফেরেস্তাদের কিভাবে দেখতে পায়?? এর কি কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে??
উত্তর সহজ- হোসেন কুরানী আছেন, আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকবে না, তা কি হয়/ তা কি কখনও হয়েছিল/ তা কি কখনও হতে পারে?? আচ্ছা, ঠিক আছে, অনেক হয়েছে Dialogue, এবার উত্তর দিই??
মানুষ যে ফেরেস্তাদের দেখতে পায়, তা মানুষের নিজ চোখে নয় বরং, আত্মা (রুহের) চোখ দ্বারা। এ জন্যেই মৃত্যু পথ যাত্রী মানুষ এবং ফেরেস্তাদের কথোপকথন শোনা যায় না!!
প্রশ্ন হবে- কিন্তু ফেরেস্তাদের দেখতে পাওয়ার বিজ্ঞান‌ টা কি?? উত্তর- ফেরেস্তা‌দের‌ও 'রুহ‌' বলা হয়। মৃত্যুর সময় রুহে (মানুষের রুহের সঙ্গে) রুহে (ফেরেস্তাদের) দেখা হয়, কথোপকথন‌ও হয়!!
প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তাদেরকে কোন আয়াতে 'রুহ' বলা হয়েছে?? উত্তর সহজ- এই সম্পর্কে পবিত্র কোরানে বিখ্যাত একটা আয়াত রয়েছে। যদি তা আমরা খুব মানুষ‌ই খেয়াল করি। দেখুন-
فَاتَّخَذَتْ مِنْ دُونِهِمْ حِجَابًا فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا رُوحَنَا فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا●
অনুবাদ হবে এমন-"অতপর সে [মারিয়াম (আ)] পর্দার অন্তরালে স্থান [ইতিকাফ] গ্ৰহণ করেছিলেন, তখন তার প্রতি আমাদের রুহ [ফেরেস্তা] পাঠালাম এবং সে তার কাছে মানব আকৃতি‌তে প্রকাশ পেল"(19:17)।
পাঠক, আর কিছু বলতে হবে?? কিন্তু এখন সুন্দর একটা প্রশ্ন হবে- মারিয়াম (আ) ফেরেস্তা (আ)- কে দেখলেন কিভাবে?? উত্তর সহজ- মানব আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছিলেন, তাই!! আর অনেক সাহাবা (রা)- রাও মানব আকৃতিতে প্রকাশিত জিব্রাঈল (আ)- কে দেখেছেন!!
প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তাদের যদি আসল আকৃতি‌তে দেখা সম্ভব না হয়, তা হলে নাবী (আ)- রা কিভাবে ফেরেস্তা দের আসল আকৃতি‌তে দেখেছেন?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ- لِنُرِيَهُ مِنْ آيَاتِنَا অনুবাদ হবে এমন-"যেন তাকে আমরা দেখাতে পারি আমাদের নিদর্শন সমূহের মধ্যে কিছু"(17:1)।
এখন একটা সহজ মতো প্রশ্ন হবে- আল্লাহ জ্বীনকে কখন সৃষ্টি করেছিলেন বা আজ থেকে কত বছর আগে সৃষ্টি করেছিলেন?? আচ্ছা পাঠক, এ প্রশ্নের উত্তর এই পৃথিবীর কোনও আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ কখনও দিয়েছেন?? তাদের উত্তর আউকাত আছে?? আর আজ থেকে 1000 বছর পর‌ও কি এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত তাদের হবে??
যাইহোক, তাদের আউকাত না হলেও এই পৃথিবীতে এমন একজন আছেন, যার কাছে এই সব প্রশ্নের উত্তর গুলো শিশু সুলভ মনে হয়, জানেন তার নাম কি?? লোকে তাকে "হোসেন কুরানী" নামে চেনে!! তাই নয় কি?? পাঠক, আপনি চেনেন?? নিচের Link এ উত্তর আছে। যান, পড়ে নিন-
এখন প্রশ্ন হবে- জ্বীনদের অস্তিত্ব সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি কি?? আর আমরা জ্বীন‌দের দেখতে পাই না কেন?? উত্তর সহজ- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি আছে তো কিন্তু "হোসেন কুরানী" ছাড়া আপনি পাবেন কিভাবে?? আলিমদের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরদের তো আর আউকাত হবে না!!
আমরা জানি- In particle physics, every type of particle is associated with an antiparticle with the same mass but with opposite) physical charges (such as electric charge) For example- the antiparticle of the electron is the antielectron (which is often referred to as positron). While the electron has a negative electric charge, the positron has a positive electric charge.
বুঝেছেন নিশ্চয়?? অর্থাৎ Particles বা কণা‌দের Antiparticles বা প্রতিকণা আছে/ থাকে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়- Electron এর Anti particle হল Anti electron বা Positron.
Anti particle হয় Particle এর সমান ভর যুক্ত, শুধু বিপরীত Charge থাকে। যেমন- Electron has a negative electric charge এবং Positron has a positive electric charge. বুঝেছেন পাঠক??
সুতরাং মানবের‌ও প্রতিমানব থাকা উচিৎ তো, না কি?? আর মানবের‌ প্রতিমানব‌ই হল- পবিত্র কোরানে বর্ণিত "জ্বীন" নামক আল্লাহর সৃষ্টি!! এই সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করব- ইনশাআল্লাহ
সুতরাং এ কথা সহজেই বলা যায়- জ্বীনের Concept অবৈজ্ঞানিক নয়। যদি Antimatter থাকে, তাহলে Antihuman থাকবে না কেন?? সত্যি বলতে হলে বলতে হবে- জ্বীন না থাকাটা অবৈজ্ঞানিক, থাকটাই বিজ্ঞান সম্মত!!
কোরান বলে- وَالْجَانَّ خَلَقْنَاهُ مِنْ قَبْلُ مِنْ نَارِ السَّمُومِ অনু বাদ হবে এমন-"এর [মানুষের অর্থাৎ গ্ৰহ বা মাটি সৃষ্টির] অনেক আগে আমরা ধূঁয়া বিহীন আগুন থেকে জ্বীন সৃষ্টি করেছি"(7:12, 15:27, 38:76, 55:15)।
আর আমরা জানি যে, ধূঁয়া বিহীন আগুনের উৎস হল- নক্ষত্র। আর এই বিষয়ে বিজ্ঞানী G. Feinberg ও R. Shapiro তাদের বিখ্যাত Life beyond earth গ্রন্থে লিখেছেন- আমাদের সূর্যের বা অন্য কোন নক্ষত্রে এই Plasma'তে জীবন প্রাপ্তির সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। তারা ঐ ধরণের প্রাণীদের নাম দিয়েছেন- Plasma beasts.
যাইহোক, আমরা জ্বীনদের দেখতে পাওয়া যায় না কেন- সেই বিষয়ে ছিলাম, তাই না?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ- Baryogenesis (ব্যারিওজেনেসিস)। বুঝতে পারেন নি, তাই না??
বুঝবেন কিভাবে?? এ বিষয়ে তো বিজ্ঞানীরা‌ও অল্প জানেন!! তবে, আপনাকে আমরা সেই অল্পটুকু শিখিয়ে দিতে পারব- ইনশাআল্লাহ। তবে, শর্ত আছে এবং তা হল- মাথায় মগজ থাকতে হবে, সম্মানিত হারামখোর দের লেখা গাঁজাখুরি কাগজ থাকলে বোঝা তো দূরের কথা, গোঁজাও হবে না!!
প্রশ্ন হবে- বিজ্ঞানীরা অল্প জানেন, হোসেন কুরানী সব জানেন!! আররেহ ভাই, আপনি হয়ত জানেন না লোকে বলেন- মানুষের জ্ঞান যেখানে থেমে যায়, তারপর থেকে যিনি শুরু করতে পারেন, তার নাম হোসেন কুরানী!!
Matter বা বস্তু তৈরি হয়- Particles দ্বারা। এক‌ই ভাবে Antimatter তৈরি হয়- Antiparticle‌s দ্বারা। তাই নয় কি?? এখন আপনি হয়ত জানেন না যে, Big bang এর পর Particles ও Antiparticle‌s সমান মাত্রায় সৃষ্টি হয়েছিল কিন্তু........!!
কিন্তু কি?? কিন্তু আজ Antiparticle‌s'ই পাওয়া যায় এবং সহজলভ্য কিন্তু Antimatter দুর্লভ। যদিও বিভিন্ন Laboratory'তে Antiproton ও Antielectron অর্থাৎ Positron দ্বারা Antihydrogen atom তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এক‌ই ভাবে Antihelium'ও।
বিজ্ঞানীরা জানেন না যে, কোন কারণে Antimatter দুর্লভ হয়ে গেল!! আর Matter এবং Antimatter এই অসমতাকে/ অসমান‌তাকেই বলা হয়- Baryogenesis (ব্যারিওজেনেসিস)।
পাঠক, বুঝতে পারলেন কি- কোন বিষয়ে বিজ্ঞানীরা অল্প জানেন?? প্রশ্ন হবে- এর পর থেকে হোসেন কুরানী কিভাবে শুরু করবেন?? উত্তর সহজ- জ্বীনদের সৃষ্টি‌ই হল Baryogenesis (ব্যারিওজেনেসিস) এর কারণ‌!!
এ জন্যই মহাবিশ্বে Antimatter দুর্লভ!! কারণ, এই Antimatter দ্বারাই জ্বীন করা হয়েছে। জ্বীন কখন সৃষ্টি করা হয়েছে, তা আমরা আগেই উল্লেখিত Link এ বলে দিয়েছি!!
প্রশ্ন হবে- কিন্তু জ্বীন দেখতে পাই না কেন?? উত্তর খুব সহজ- যখন আপনি Antimatter বা প্রতিবস্তু বা প্রতিপদার্থ দেখতে পান না, তখন Antimatter বা প্রতিবস্তু বা প্রতিপদার্থ দ্বারা সৃষ্ট "জ্বীন দেখবেন" কেমন করে??
প্রশ্ন হবে- কখনও দেখতে পাওয়া সম্ভব নয়?? উত্তর সহজ- ভবিষ্যতে দেখতে পাওয়া সম্ভব!! যদি বর্তমানের কথা বলেন, তাহলে বলব- Particle science' এখন শিশু অবস্থায় । সেই জায়গায় Antiparticle‌s science তো ভ্রুণ‌ও নয় বরং Zygote অবস্থায় আছে!!
এবার একটা সমস্যার কথা বলি, তা হল- Particle ও Antiparticle‌ যদি একে অপরের সম্পর্কে আসে, তা হলে Particle ধ্বংস হয়ে যাবে, Antiparticle‌'ও ধ্বংস হয়ে যাবে!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে "মানুষ‌কে জ্বীনে ধরে" কিভাবে?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ- ইসলামে "মানুষ‌কে জ্বীনে ধরা বলে" কিছু হয় না!! কোরান এবং কোরান সংলগ্ন সাহীহ ও হাসান হাদীস দ্বারা "মানুষ‌কে জ্বীনে ধরা" অপ্রমাণিত, অবৈজ্ঞানিক ও গাঁজাখুরি একটা বিষয়!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে যে জ্বীনে ধরে!! উত্তর সহজ- মানুষ‌ কে জ্বীনে ধরা আলিম সম্মানিত হারামখোরদের নিজস্ব অবৈজ্ঞানিক ও গাঁজাখুরি আবিষ্কার। আর এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের Link এ যান-
প্রশ্ন হবে- এত Antimatter antimatter করছেন, এই Antimatter সম্পর্কে পবিত্র কোরানে কিছু বলা হয়েছে কি?? হোসেন কুরানীর কাছে এই প্রশ্নের আছে?? নিয়ে আসতে পারবেন কোনও আয়াত??
না কি গত 1500 হাজার বছরে আলিমগণ/ সম্মানিত হারামখোরগণ যেমন ম্যাও-ম্যাও করে গেছেন, অযথা মানুষকে কাফির ফাতুয়া মেরে গেছেন, এখন হোসেন কুরানীও তেমন করবেন??
নিন- وَمِنْ كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছি জোড়া ও প্রতিজোড়ায়। আশা করা যায় যে, তোমরা শিখতে পারবে"(51:49)।
পাঠক, আর কিছু বলতে হবে, না কা সব কিছু বুঝে নিয়েছেন?? বুঝে নিয়েছেন, বলুন?? কারণ, আপনার প্রশ্নের চেয়েও কোরান এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে উত্তর দিয়েছে- সুবহান‌আল্লাহ!!
কারণ, পবিত্র কোরান শুধু জোড়া‌র কথা নয়, এক ধাপ এগিয়ে বিপরীত জোড়ার কথা বলেছে!! একবার ভাবুন তো- আজ থেকে 1500 বছর পূর্বে বস্তু/ পদার্থ বা Matter সম্পর্কে নয়, Antimatter সম্পর্কে নয় বরং Anti Universe সম্পর্কে কথা বলা হয়েছে অথচ সেই 'বিজ্ঞানের বিজ্ঞান, মহাগ্ৰন্থ আল-কোরান'কে ভূত তাড়াবার গ্ৰন্থে পরিণত করেছেন আমাদের আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ!!
সুতরাং আলিমগণ‌কে সম্মানিত হারামখোর বলে শুধু শুধু আমরা সম্মান প্রদর্শন করছি, উচিৎ ছিল জুতা পেটা করা। আর শুধু জুতা পেটা নয় বরং পায়ে জুতা পরে জুতাটিতে শুয়োরের মল বা পায়খানা মাখিয়ে জুতা পেটা করা!! আর সত্যি একটা কথা বলব?? তা হলেও আমার রাগ মিটবে না!!
অনেকেই প্রশ্ন করেন- আলিমগণ কি গত 1500 বছর ধরে দ্বীনের জন্য কিছুই করেন নি?? এ প্রশ্নের উত্তর সহজ- করেছেন, অনেক কিছু করেছেন। দ্বীনের জন্য অনেক মেহনত করেছেন। প্রচুর মেহনত করে পবিত্র কোরানকে/ বিজ্ঞানের বিজ্ঞান, মহাগ্ৰন্থ আল-কোরান কে ভূত তাড়াবার গ্ৰন্থে পরিণত করেছেন!!
এ ছাড়াও আরও অনেক কিছু করেছেন, সমস্ত কিছু শুনবেন?? বিদ‌আত‌কে সুন্নাত বলে চালিয়ে দিয়েছেন!! ইসলাম 9'ই জিলহাজ্ব 10'ম হিজরী রাসুল (সা)- এর জীবিত অবস্থায় ইসলাম পরিপূর্ণ (দ্রঃ 5:3) হ‌ওয়ার পর‌ও সাহাবা (রা)- দের, তাবেয়ীদের, তাবে তাবেয়ী (র)- দের কথা, কাজ, সমর্থন‌কে ইসলাম বলে চালিয়ে দিয়েছেন!!
ইসলাম‌কে কঠিন করে মানুষ‌কে ইসলাম/ মাসজিদ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন!! আল্লাহর প্রেরিত ও নাবী (সা)- এর রেখে যাওয়া ইসলাম‌কে চাপা দিয়ে নিজেদের তৈরি করা গোঁড়ামিপূর্ণ ও অবৈজ্ঞানিক ইসলাম জন গণের উপর চাপিয়ে দিয়ে মানুষ‌কে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বানিয়েছেন!!
তাদের তৈরি করা "নকল ইসলাম" দিয়ে আল্লাহর প্রেরিত এবং নাবী (সা)- এর রেখে যাওয়া ইসলামের প্রতি মানুষের মনে ঘৃণার সৃষ্টি করেছেন!! আর‌ও কিছু শুনবেন?? না কি থামব??
প্রশ্ন হবে- 51:49 আয়াতে তো মহাবিশ্বের কথাই বলা হয় নি!! উত্তর সহজ- ১) আয়াতের প্রসঙ্গটা মহাবিশ্ব সৃষ্টির। দেখুন- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছি শক্তি [Energy] দ্বারা এবং নিশ্চয় আমরাই তা সম্প্রসারণ করে চলেছি"(51:47)।
আর- ২) উক্ত আয়াতে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, তা হলন- كُلِّ شَيْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ (কুল্লু সাইয়িন খালাকনা জাওযাইন) বা "আমরা সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছি জোড়া ও প্রতিজোড়ায়"। আর কিছু বলতে হবে??
প্রশ্ন হবে- অনুবাদ গুলোতে তো "জোড়া" শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে, আপনি (অর্থাৎ হোসেন কুরানী) বিশেষ ভাবে "প্রতিজোড়া" শব্দের ব্যবহার করলেন কেন?? না কি আপনি গায়ের জোরে "প্রতিজোড়া" শব্দ ব্যবহার করে জোর-জবরদস্তি কোরানকে বিজ্ঞান‌ময় প্রমাণ করতে চাইছেন??
উত্তর সহজ- জোর-জবরদস্তি কোরানকে বিজ্ঞান‌ময় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, পবিত্র কোরানে 1500 বছর আগেই আল্লাহ ঘোষণা করেছে‌ন- وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ অনুবাদ হবে এমন-"শপথ বিজ্ঞানময় কোরানের"(36: 2)। আর কিছু বলব, না কি বুঝে নিয়েছেন??
সুতরাং কোরান‌কে বিজ্ঞান‌ময় প্রমাণ করছি না, শুধু সঠিক অনুবাদ করেছি!! বিস্তারিত আলোচনা করলে আপনি‌ও বুঝে যাবেন- ইনশাআল্লাহ। তাহলে আলোচনা শুরু করি??
আরবি أَزْوَاجَ (আজ‌ওযা) শব্দের অর্থ- জোড়া, যা ব্যবহৃত হয়েছে 36:36 আয়াতে এবং 2:25, 3:15, 4:57 আয়াত সমূহে। যতবার এই أَزْوَاجَ (আজ‌ওযা) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, ততবার তার অর্থ জোড়া, সঙ্গী/ সঙ্গীনি অর্থে। দেখুন- وَلَهُمْ فِيهَا أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ যার অনুবাদ হবে এমন-"এবং তাদের জন্য সেখানে [জান্নাতে] থাকবে পবিত্র সঙ্গী/ সঙ্গীনি"(2:25, 3:15 ও 4:57)। আর‌ও দেখুন-
سُبْحَانَ الَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا مِمَّا تُنْبِتُ الْأَرْضُ وَمِنْ أَنْفُسِهِمْ وَمِمَّا لَا يَعْلَمُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"পবিত্র সেই সত্ত্বা, যিনি সব কিছুর জোড়া [স্ত্রী-পুরুষ‌ও] সৃষ্টি করেছেন, যা উৎপন্ন করে পৃথিবী [গাছ-পালা] ও তাদের নিজেদের মধ্যেও। আর তা হতেও, যা তারা এখনও জানে নি"(36:36)।
আরও আয়াতটি দেখুন- وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা তোমাদের জোড়ায় (স্ত্রী-পুরুষে) সৃষ্টি করেছি"(78:8)। এখানেও أَزْوَاجًا (আজ‌ওয়াযান) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আচ্ছা, আরও একটি আয়াত দেখুন- وَأَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَنْبَتْنَا فِيهَا مِنْ كُلِّ زَوْجٍ كَرِيمٍ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা আকাশ বা বায়ুমণ্ডল থেকে পানি বর্ষণ করি। অতপর আমরা তার [পৃথিবীর] মধ্যে উৎপন্ন করি প্রত্যেক উত্তম প্রকার উদ্ভিদ জোড়ায় বা স্ত্রী-পুরুষে"(31:10)
পাঠক, আপনি কি লক্ষ্য করেছেন- যেখানেই জোড়া সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে, তার আরবি أَزْوَاجٌ বা زَوْجٍ, তাই না?? এর মধ্যে কোথাও কি زَوْجَيْنِ (জাওযাইন) শব্দের ব্যবহার হয়েছে??
হয় নি, তাই না?? এবার বলুন- কেন হয় নি?? উত্তর‌টা কিন্তু খুব সহজ!! কারণ, এই 51:49 আয়াতটি বিশেষ একটি আয়াত। যা সব কিছুর "প্রতিসৃষ্টি"র কথা বলছে, তাই না??
কারণ, এখানে ব্যবহৃত শব্দ أَزْوَاجٌ (আজ‌ওয়াযা) বা زَوْجٍ জাওযা) নয় বরং زَوْجَيْنِ (জাওযাইন)। যার বিশেষ অর্থ "জোড়া" নয় বরং "জোড়া এবং প্রতিজোড়া"। আর সাধারণ অর্থ- "2 জোড়া"। মানে- 4 টি। আর বিশেষ অর্থ হবে- জোড়া এবং প্রতিজোড়া!!
পাঠক, এবার বলুন তো- এখানে কি জোর-জবরদস্তি Type এর কিছু দেখতে পেলেন?? না কি শুধু প্রচলিত ভুল অনুবাদ‌টি গ্ৰহণ করে নি?? মনে রাখবেন- আমরা যে বঙ্গানুবাদ গুলো পড়ি, সেগুলোতে কম-বেশি প্রায় 4500 আয়াতের অনুবাদে সমস্যা/ ভুল আছে!!
এই জন্যেই Team Quranic universe এর পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে- পবিত্র কোরানে‌র 99% সঠিক বঙ্গানুবাদ প্রকাশ করা হবে, যা প্রকাশিত হবে 2022 শেষ হ‌ওয়ার পূর্বে‌ই- ইনশাআল্লাহ!!
আমাদের বঙ্গানুবাদের খুব‌ই সুন্দর একটি নামকরণ করা হয়েছে, তা হল- বিজ্ঞানের বিজ্ঞান, মহাগ্ৰন্থ আল কোরান। নামকরণ কেমন লাগল আপনাকে?? বেশ সুন্দর হয়েছে তো??
বঙ্গানুবাদটি প্রকাশ করবেন (হোসেন কুরানী‌র প্রেম নগর অর্থাৎ হুগলী‌র শেওড়াবেড়িয়াস্থিত মামা) জানাব রিয়াজ‌ উদ্দিন মিদ্যা তার Shahin publication নামক পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম সরকারি মাদ্রাসার ব‌ই ও সহায়িকা প্রকাশনা সংস্থা থেকে!!
যাইহোক সুধী পাঠক, আপনি কি Anti universe এর উল্লেখ পেয়েছেন পবিত্র কোরানে?? এখন সুন্দর মতো প্রশ্ন হবে- 51:49 আয়াতে জোড়া এবং প্রতিজোড়ার কথা বলা হয়েছে। মহাবিশ্বের জোড়া বলতে কি??
উত্তর সহজ- জোড়া বলতে সমান্তরাল মহাবিশ্ব অর্থাৎ Parallel universe এর কথা বলা হচ্ছে। আর গত পর্বে বা পর্ব সমূহে সমান্তরাল মহাবিশ্ব/ Parallel universe প্রসঙ্গে আলোচনা করেছি, তাই না??
কেউ-কেউ বলেন/ বলতে চান- পবিত্র কোরান নাবী (সা)- এর নিজের রচনা!! পাঠক, আপনি কি কল্পনা করতে পারছেন- আজ থেকে 1500 বছর আগে আবর মরুভূমির কোনও অক্ষর জ্ঞানহীন মানুষ কি কোরান রচনা করার সামর্থ্য রাখতেন??
বাদ দিন 1500 বছর আগে আবর মরুভূমির কোনও অক্ষর জ্ঞানহীন মানুষের কথা, আজকের কোনও বিজ্ঞানীও কি কোরান রচনা করার সামর্থ্য রাখেন?? কোনও একজন বিজ্ঞানীর কথা বাদ দিন, এ বিষয়ে পবিত্র কোরানের Challenge টা দেখুন-
قُلْ لَئِنِ اجْتَمَعَتِ الْإِنْسُ وَالْجِنُّ عَلَىٰ أَنْ يَأْتُوا بِمِثْلِ هَٰذَا الْقُرْآنِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ظَهِيرًا●
অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, যদি সমস্ত মানুষ এবং জ্বীন একত্রিত হয় এর উপর যে, তারা নিয়ে আসবে [রচনা করবে] এই কোরানের মতো, তবুও তারা আনতে পারবে না!! যদিও তারা [সমস্ত মানুষ ও জ্বীন] পরস্পর পরস্পর‌কে সাহায্য‌ও করে"(17:88, 52:34)।
কিন্তু এই Challenge'টা গ্ৰহণ কোনও কালেই সম্ভব নয়। তাই Challenge'টাকে একটু ছোট করে পবিত্র কোরান আবার কি ঘোষণা করেছে দেখুন!! দেখবেন তো?? দেখুন-
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ ۖ قُلْ فَأْتُوا بِعَشْرِ سُوَرٍ مِثْلِهِ مُفْتَرَيَاتٍ وَادْعُوا مَنِ اسْتَطَعْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অথবা তারা কি বলছে- সে [নাবী (সা)] রচনা করেছেন?? বলে দিন- তাহলে তার [পবিত্র কোরানের] মতো 10 টি সূরা রচনা করে নিয়ে এস‌ও এবং আল্লাহ‌ ছাড়া যাকে পার‌ও সাহায্যে‌র জন্য ডেকে নাও, যদি সত্যবাদী হয়ে থাক‌ও"(11:13)।
এই Challenge'টা গ্ৰহণ‌ও কোনও কালে সম্ভব নয়। তাই Challenge'টাকে একটু ছোট করে পবিত্র কোরান আবার কি ঘোষণা করেছে দেখুন!! দেখবেন তো?? দেখুন-
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ ۖ قُلْ فَأْتُوا بِسُورَةٍ مِثْلِهِ وَادْعُوا مَنِ اسْتَطَعْتُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অথবা তারা কি বলে যে, সে [নাবী (সা)] রচনা করেছেন?? বলে দিন- তাহলে তার [পবিত্র কোরানে‌র] মতো মাত্র 1 টি সূরা নিয়ে এস‌ও এবং আল্লাহ‌ ছাড়া যাকে পার‌ও সাহায্যে‌র জন্য ডেকে নাও, যদি সত্যবাদী হয়ে থাক‌ও"(2:23, 10:38)।
যাইহোক পাঠক, আপনি কি- পবিত্র কোরানে Anti universe এর উল্লেখ পেয়েছেন?? এবার ছোট্ট মতো প্রশ্ন- যে তথ্য গুলো আপনি এখন জানলেন, হোসেন কুরানী না থাকলে সেই তথ্য গুলো কত বছর জানতে পারতেন??
প্রশ্ন হবে- আপনি (হোসেন কুরানী) 99% সঠিক বঙ্গানু বাদের কথা বললেন কেন?? 100% সঠিক নয় কেন?? উত্তর সহজ- পবিত্র কোরানের 100% সঠিক অনুবাদ করা কখনও সম্ভব নয়!!
এর কারণটা কিন্তু খুব সহজ- শুধু আরবি কোরান‌ই 100% সঠিক। কেন‌না তা আমাদের স্রষ্টার পক্ষ থেকে আগত, আর তিনি 100% নির্ভুল!! আর এ বিষয়ে বলা হয়েছে- لَا يَضِلُّ رَبِّي وَلَا يَنْسَى অনুবাদ হবে এমন-"ভুল করেন না আমার প্রভু এবং ভুলেও যান না"(19:64, 20:52)।
মেহেরুন্নিসা বলেছেন- কুরানী সাহেব, আপনার লেখা কোরানের গভীরে দৃষ্টির 3 ও 4 নং পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। অসাধারণ এবং Speechless লেখা!! আপনার লেখা থেকেই জেনেছি- আল্লাহর পুত্র হতে পারে না, তা যৌক্তিক এবং বিজ্ঞান সম্মত।
এখন শুধু ছোট মতো একটা প্রশ্ন করতে চাই, যদি আমার প্রশ্নের উত্তর‌টা দিতেন, তাহলে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবতী মনে করতাম!! প্রশ্ন হল- ধরুন, যদি আল্লাহ‌র পুত্র হতো!! তাহলে আপনি কি বলতেন??
দেখুন- ১) যা ছিল না, নেই, কখনও হবে না- তা যদি "হতো" ধরে নিই, তা তো অযৌক্তিক এবং অবৈজ্ঞানিক ও গোঁড়ামি‌পূর্ণ হয়ে যাবে, তাই না?? আর- ২) এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন- قُلْ إِنْ كَانَ لِلرَّحْمَٰنِ وَلَدٌ فَأَنَا أَوَّلُ الْعَابِدِينَ
অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, যদি দয়াময়ের পুত্র থাকত, তাহলে আমি হতাম তার [পুত্রের] প্রথম বান্দা বা উপাসক"(43:81)।
পাঠক, এবার আপনাকে একটু চমকে দিতে চাইছি। সুতরাং লক্ষ্য করুন- 4+ 3+ 8+ 1= 16= 1+ 6= 7, এটা শেষ নয়, আর‌ও দেখুন- 43+ 81= 124= 1+ 2+ 4= 7, অবাক হন নি?? সুবহান‌আল্লাহ, আমি লিখতে লিখতেই অবাক হয়ে যাচ্ছি!!
পাঠক, একটা কাহিনী শুনবেন?? আজ থেকে প্রায় 2 বছর আগে অর্থাৎ 07.01.2019 তারিখে ★ ★ এই Flat এ এসেছিলেন, এ জন্য খুব খুশি ছিলেন তিনি। আর সেদিন রাতে বিভিন্ন কথা বলতে-বলতে হঠাৎ'ই আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন- হজ্ব এর সময় কাবাকে কেন্দ্র করে 7 বার ঘুরতে হয় কেন??
তখন বলেছিলাম- এ প্রশ্নের উত্তর অনেক বড়, এখন বলতে শুরু করলে অনেক সময় লেগে, পরে কখনও বলব ক্ষণ। এ ছাড়াও আমার একটা স্বপ্ন আছে এবং তা হল- জীবনে কখনও "কোরানের গভীরে দৃষ্টি" বিষয়ে একটা ব‌ই লিখব, তখন আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব ক্ষণ- ইনশাআল্লাহ।
আর এখন উত্তর দিতে গেলে Romantic মুহুর্তটাও শুধু-শুধু নষ্ট হয়ে যাবে। তখন ★ ★ বললেন- ব্যাপারটা কি, আজ সূর্য কোন দিকে উঠেছিল?? আজ যে কুরানী সাহেব খুব Romantic হয়ে উঠেছেন!! কুরানী সাহেব কি কার‌ও প্রেমে পড়েছেন, না কি??
আমি বললাম- হ্যাঁ। তিনি বললেন- কে গো?? আমি বললাম- ঐ যে ঐ, হানী নামের একটা মহিলা!! আচ্ছা যাইহোক পাঠক, আপনি কি বুঝতে পেরেছেন- কেন হজ্বের সময় কাবাকে কেন্দ্র করে 7 বার ঘুরতে হয়??
কারণ, এভাবেই "সূরা ফাতিহার" সত্যতা ঘোষণা করা হয়!! পাঠক, আপনি "সূরা ফাতিহা বা 7" এর বিষয়টি হোসেন কুরানীর "কোরানের গভীরে দৃষ্টি" থেকে অবগত হয়েছেন??
পাঠক, এখন যেহেতু আবার 7 নিয়ে কথা বলছি, সে হেতু একটু বিস্তারিত আলোচনা করাই যাক!! আপনি কি বলেন পাঠক?? পাঠক, আপনার মনে আছি- পবিত্র কোরান রচনা বিষয়ক শেষ আয়াত কোনটি??
2:23 নং আয়াতটি, তাই না?? তারমানে- 2+ 2+ 3= 7, তাই না?? আর 10:38 নং আয়াতটি, তাই না?? তার মানে- 1+ 0+ 3+ 8= 12, কিছু বুঝতে পারেন নি, তাই না?? পারতেন, যদি এই আয়াতটি আপনাকে আলিম গণ শেখাত-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
যাইহোক দেখুন- 12- 7= 5, বুঝতে পারেন নি তো?? পবিত্র কোরানে কোরান রচনা করার Challenge দেওয়া হয়েছে 5 টি আয়াতে, যা আমরা একটু আগেই উল্লেখ করেছি। তাই না??
যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন, তার দ্বিতীয় কারণ কি?? উত্তর তো সহজ- কিন্তু পাঠক, লেখাটি অনেক বড় হয়ে গেছে, এ প্রশ্নের উত্তর‌ টা কি পরের পর্বে দিলে হবে?? আপনি বরং ততক্ষণ এই লেখাটি (পর্ব- 5) মনযোগ সহ পড়ুন!!
প্রকাশ‌কাল : 30.04.2021
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন:

Featured Post

আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: শায়েখ ইমরান হোসেনের বিশ্লেষণ বর্তমান ব...