সর্বপ্রথম প্রশ্ন হবে- আরশের সঙ্গে কণা বিজ্ঞান বা Particle science এর কি সম্পর্ক?? আছে ভাই, খুব গভীর সম্পর্ক আছে কিন্তু দুঃখের বিষয় হল- গত 1500 বছরেও এই তথ্য গুলো আমাদের কাছে আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ পৌঁছে দেন নি- এ জন্য তা আপনার কাছে নতুন মনে হচ্ছে!!
তবে, আজ আমরা চেষ্টা করব- ইনশাআল্লাহ। তার আগে আমার গত লেখা ও আমার সম্পর্কে বেশ কয়েক জন Comment করেছেন। তার মধ্যে অল্প ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু Comment উল্লেখ করতে চাইছি, তাহলে আমাকে ও আমার লেখা গুলোকে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন খানিকটা। তাহলে দেখুন-
১) শুদ্ধ মিথ্যাবাদী + বিশুদ্ধ ভন্ড আপনি, আমাদের সম্মানিত আলিমরা নন!! কারণ, ইসলাম তারা প্রচার করেছেন, আপনি নন!! আপনি বড়জোর নব্য আহলে কোরান ফিতনার ঝান্ডাধারী হতে পারেন!! আপনি যেই logic pattern অনুসরণ করেন সেভাবে তো পতিতা বৃত্তিকেও জায়েজ করতে পারবেন!! ইসলাম আপনার হানী নয়, ইসলাম পরিপূর্ণ ধর্ম, যা আপনার (অপ) ব্যাখ্যা থেকে স্বাধীন!!
২) মুসলিমদেরকে গুমরাহ করার আপনার কৌশলটা অসাধারণ!! সন্মানিত পাঠক, আপনারা দেখুন- উপরি উক্ত (মহিলা শাসক/ গণতন্ত্র প্রসঙ্গে 4:59) আয়াতটির কিভাবে নিজের সুবিধা মতো ভুল বিশ্লেষণ করা হয়েছে!! আমার তো পরিষ্কার মনে হচ্ছে- দাজ্জাল এসে গেছে। আল্লাহ যাকে প্রচুর ক্ষমতার অধিকারী করে দেবেন কিন্তু মুমিন বান্দার চোখে كفر (কাফির) লেখাটা ঠিকই ধরা পড়বে!!
৩) জনাব হোসেন কুরানী, আপনার সুনাম আগেই 2-10 জনের থেকে শুনেছি কিন্তু কখনও আপনার লেখা পড়ি নি, বলা ভাল- আপনার লেখা কখনও হাতে পাই নি। আমার এক ভাই'পো আমাকে Whatsapp এ আপনার এই লেখাটা (গণতন্ত্র বিষয়ক) দিল। লেখাটা যতবার পড়ছি, ততবার বিস্মিত হয়েছি, অবাক হয়েছি এবং আশার আলো দেখেছি!!
কেননা, আপনি জানেন না যে, আমার রাজনৈতিক ও ধার্মিক জীবণের অনুপ্রেরণা হলেন- সৈয়দ আবুল আলা মাওদুদী (র)। আপনার সাহস এবং লেখার মধ্যে আমি মাওদুদী (র)- র ছাপ দেখতে পাচ্ছি। আপনার এই লেখার মধ্যে 2 টি Link পেলাম, একটি- বিদআত বিষয়ক, অন্যটি- মহিলা শাসক বিষয়ক।
আলিমদেরকে আপনার Challenge করার ক্ষমতায় আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আমি আশা করছি যে, মাওদুদী (র)- এর চেয়েও আপনি বড় হবেন এবং দুয়াও করছি। আপনার 3 টি লেখা পড়ে 2 টি বিষয় বুঝতে পারলাম এবং তা হল- ১) আপনি পরবেন এই জাতির ভিতর থেকে গোঁড়ামি দূর করতে ও আপনি হবেন ভবিষ্যতের শিক্ষিত মুসলিমদের Inspiration, ২) প্রায় সমস্ত আলিম আপনার শত্রু হয়ে যাবে। তাই আপনার জন্য দুয়া করছি যে, আল্লাহ যেন আপনার হিফাজাত করতে থাকেন, তার প্রদত্ত দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য!!
৪) কুরানী ভাই, আমার স্ত্রী একবার Vote এ নির্বাচিত হয়েছিলেন, এ জন্য কয়েকজন আলিম আমার স্ত্রীকে কাফির এবং আমাকে দাইয়ুস ফাতুয়া দিয়েছিলেন কিন্তু আপনার লেখাটা (মহিলা শাসক) পড়ে আমি ও আমার স্ত্রী অনেক খুশি হয়েছি!! আপনার জন্য সারা জীবন দুয়া করব ভাই।
সুধী পাঠক, আমরা প্রশ্ন দিয়ে আমাদের লেখা শুরু করে ছিলাম এবং তা ছিল- আরশের সঙ্গে Particle science এর কি সম্পর্ক?? এ প্রশ্নের উত্তর এই লেখার শেষে গিয়ে পাবেন- ইনশাআল্লাহ। এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল- Particle science বা কণা বিজ্ঞান সম্পর্কে কি পবিত্র কোরানে কিছু বলা হয়েছে??
পাঠক, উত্তরে পরে আসছি, এখন আমরা খুব ছোট্ট করে জেনে নেব- কণা বিজ্ঞান বা Particle science সম্পর্কে!! প্রথমে মানুষ ভাবত পদার্থ অবিভাজ্য, এই ধারণা কম-বেশি প্রায় 30, 000 বছর পৃথিবীতে বিরাজ করেছিল।
তারপর কি হল?? তারপর বিজ্ঞান আরও উন্নত হল এবং কম-বেশি প্রায় 5000 বছর পূর্বে বিজ্ঞান জানতে পারল- পদার্থ অনু দ্বারা গঠিত অর্থাৎ পদার্থের সবচেয়ে ছোট/ ক্ষুদ্রতম অংশ হল অনু!!
তারপর?? তারপর 2500 বছর যাবত বিজ্ঞান জগতে এই ধারণা প্রচলিত ছিল যে, অনুই পদার্থের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অংশ এবং তা অবিভাজ্য। তারপর আজ হতে কম-বেশি প্রায় 2600 বছর আগে অনু ভেঙে পরমাণু পাওয়া যাবে- এই ধারণা বিজ্ঞান মননে প্রবেশ করে অর্থাৎ ঈশা (আ)- এর 600 বছর এবং নবী (সা)- এর 1100 পূর্বে কিন্তু তা শুধুমাত্র দর্শনগত এবং তত্ত্বগত ভাবে, পর্যবেক্ষণ ও পরিক্ষিত ভাবে নয়!!
তারপর?? তারপর পর্যবেক্ষণ, পরিক্ষিত ও প্রমাণিত হল- অনু ভেঙে পরমাণু পাওয়া যায় কিন্তু এও বলা হল যে, পরমাণুই হল পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ এবং পরমাণু অবিভাজ্য- এই তত্ত্ব আজ হতে 250 বছর পূর্বে অস্তিত্বে এসেছিল। পরমাণু পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ- এই ধারণা চলাকালীন সময়ে কোরান নাযিল হয়েছিল!!
কয়েক'শ বছর এই ধারণা নিয়ে বিজ্ঞান এগিয়ে যেতে থাকে। তারপর পরমাণুই হল পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ এবং পরমাণু অবিভাজ্য- এই ধারণা বৈজ্ঞানিক ভাবে ভুল (Dalton এর তত্ত্ব Rutherford দ্বারা) প্রমাণিত হল!!
বলে রাখা দরকার- এই "পরমাণু" শব্দটি একটি ভুল শব্দ। এই শব্দটি সংস্কৃত, যা হিন্দি ও বাংলা সহ অন্যান্য ভারতীয় ভাষায় প্রচলিত। পরমাণু শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হবে এমন- পরম + অনু = পরমাণু কিন্তু বৈজ্ঞানিক সত্য হল- এই পরমাণু পরম + অনু নয়। তবে, যেহেতু শব্দটি চলনে এসে গেছে, তাই তা আর বদল করা হয় নি কিন্তু আমি মনে করি, তা বদল করা উচিৎ। কারণ এ থেকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়!! তাই না??
এবার আমাদের উচিৎ পরমাণুর আকার সম্পর্কে জেনে নেওয়া। আর তা খুবই ক্ষুদ্র। পরমাণুর দৈর্ঘ্যে মোটামুটি- 100 Picometer (1 Meter এর 10, 000, 000, 000 ভাগের 1 ভাগ। তারমানে একটা চুলের 100, 000 ভাগের 1 ভাগ।
আর পরমাণুর নিদিষ্ট কোনও ভর হয় না। কেননা বিভিন্ন পদার্থের পরমাণু বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে অর্থাৎ ভিন্ন-ভিন্ন পরমাণুতে Proton ও Neutron এর সংখ্যাও ভিন্ন-ভিন্ন হয়। তবে, Proton ও Neutron এর ভরের যোগফল হল- পরমাণুর ভর। কেননা, Electron এর ভর নেই বললেই চলে!! এ নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা হবে- ইনশাআল্লাহ।
তারপর?? তারপর জানা গেল- পরমাণু 3 টি কণা দ্বারা গঠিত। সেই 3 টি কণা হল- Electron, proton, neutron. এই 3 টি কণা দ্বারা Nucleus গঠিত হয়, যা পরমাণুকে সম্পন্ন করে। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে এই Nucleus টি।
এই Nucleus এর গঠন অনেকটা সৌরজগতের মতো। সৌরজগতের কেন্দ্রে যেমন সূর্য থাকে, তেমনই এই Nucleus এর কেন্দ্রে থাকে Proton ও Neutron. গ্ৰহ গুলো যেমন সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তেমনই Electron এই Proton ও Neutron কে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে!!
এখানে বলে রাখা দরকার- Electron মৌলিক কণা, proton এবং Neutron'ও মৌলিক কণা নয়। তবে, এই পরমাণু হল- যে কোনও পদার্থের প্রধান ক্ষুদ্র অংশ এবং পরমাণু গঠিত হয় Nucleus তথা Electron, proton ও Neutron'ও দ্বারা।
এখানে আরও বলে রাখা দরকার- Electron এর ভর নেই বললেই চলে, তবুও আমার মনে হয় বলে রাখা উচিৎ, তা হল- 9.1085 × 10²⁸ g কিন্তু আপেক্ষিক ভর- 0 (এই জন্যই পারমাণবিক ভরের ক্ষেত্রে Electron ভর ধরা হয় না)।
তবে Proton ও Neutron এর ভর বেশ ভালই এবং তা যথাক্রমে- 1.673 × 10²⁴ g এবং 1.675 × 10²⁴ g অর্থাৎ Proton ও Neutron এর ভর কাছাকাছি একই। তাই না?? আর Proton ও Neutron এর ভর Electron এর ভর অপেক্ষা 1837 গুণ মতো বেশি। পাঠক, তাই তো হবে গো, না কি??
আচ্ছা হ্যাঁ, Electron এর প্রতীক- e, Proton এর প্রতীক- p এবং Neutron এর প্রতীক হল- n চিহ্ন। সুধী পাঠক, ভর কাকে বলে- এ বিষয়ে বলা প্রয়োজন আছে মনে হয়!! তাই না??
পদার্থের পরিমানকে ভর বলে- এটা অনেক পুরাতন মতবাদ এবং সংজ্ঞা, আর ভুল তো বটেই!! প্রশ্ন হতে পারে- ভুল কেন?? কারণ, পদার্থের পরিমাণ বলতে আমরা Electron, proton ও Neutron কে বুঝি কিন্তু এই Electron, proton ও Neutron এরও ভর আছে!! তাই না??
তাহলে কি হবে?? কিছুই হবে না!! বলুন- এই লেখাটা কে লিখছে?? হোসেন কুরানী, তাই না?? তাহলে উত্তর পাবেন না, এমনটা কি হয়/ হতে পারে?? বর্তমান, উন্নত ও মোটা-মুটি সঠিক সংজ্ঞা হল- জড়তার পরিমান!!
বুঝতে পারেন নি, তাই না?? দাঁড়ান, একটু বুঝিয়ে বললে হয়ত বুঝবেন!! প্রশ্ন হবে- জড়তা কি?? জড়তা হল- পদার্থের নিজস্ব অবস্থা বজায় রাখার ধর্ম!! আচ্ছা এবার বুঝেছেন কি?? এবার মনে হয় বুঝে গেছেন, তাই না??
তারপর?? তারপর আবার কি, Proton ও Neutron মৌলিক কণা নয়!! তারমানে Proton এবং Neutron'ও অন্য কোনও কণা দ্বারা গঠিত। আচ্ছা পাঠক, আপনি কি বলতে পারবেন- কি নাম সেই কণার??
উত্তর সহজ- Quark, এটা মৌলিক কণা। এই Quark দ্বারাই Proton ও Neutron গঠিত। প্রতি Proton ও Neutron এ 3 টি করে Quark থাকে। মোট 6 ধরণের Quark আছে, আবার Antiquark'ও আছে!!
এই 6 ধরণের Quark হল- ১) Up quark, ২) down quark, ৩) strange quark, ৪) charm quark, ৫) bottom quark and ৬) top quark. এই Proton গঠিত হয়- 2 টি Up ও 1 টি Down quark দ্বারা, Neutron গঠিত হয়- 2 টি Down ও 1 টি Up quark দ্বারা।
আর এই Quark দ্বারা Proton ও Neutron এর গঠনকে Hadron বলা হয়। এই Proton ও Neutron থেকে Quark কে প্রকৃতিতে আলাদা ভাবে পাওয়া যায় না/ চিহ্নিত করা যায় না। তাই Quark কে Hadron দ্বারা চিহ্নিত করতে হয়!!
Hadron আবার 2 প্রকার এবং তা হল- baryon ও Meson. আর এই baryon শ্রেণীবদ্ধ কণা হল- Proton ও Neutron. meson গঠিত হয়- Quark ও Antiquark দ্বারা। আর যে কণা দ্বারা Quark একত্রিত হয়ে baryon ও meson গঠন হয়, তাকে বলা হয়- Gluon কণা। এই কণা Strong nuclear force এর বাহক, তেমনই Photon কণা Electromagnetic force এর। আর এই Gluon কণা Quark এর ক্ষেত্রে যে ভূমিকা রাখে, Nucleon (Proton ও Neutron) এর ক্ষেত্রে Pion কণা একই ভূমিকা রাখে। আর হ্যাঁ এই Pion একটি Meson কণা!!
পাঠক, Quark নামের 6 টি মৌলিক কণা রয়েছে, তা তো পূর্বেই উল্লেখ করেছি, তবুও আরও একবার উল্লেখ করছি, যেন পরবর্তী অংশটা আপনি ভাল ভাবে বুঝে নিতে পারেন এবং তা হল- ১) Up quark, ২) down quark, ৩) strange quark, ৪) charm quark, ৫) bottom quark and ৬) top quark.
পাঠক, আরও 6 টি মৌলিক কণা রয়েছে, যাকে Lepton নামে অভিহিত করা হয়, তাহল- ১) Electron, ২) muon, ৩) tau, ৪) electron neutrino, ৫) muon neutrino, ৬) tau neutrino. পাঠক, উপরিউক্ত 6 টি Quark নামের মৌলিক কণা এবং এই 6 টি Lepton নামের কণা'কে একত্রে Fermion বলা হয়।
সুধী পাঠক, এবার আমরা Boson কণা সম্পর্কে জেনে নিতে চাইছি, আপনিও কি চান?? পাঠক, আমরা একটু আগেই Photon ও Gluon বিষয়ক ছোট্ট মতো আলোচনা করেছি। তাই না??
এবার তাদের সম্পর্কে বলব। প্রাথমিক কণা সমূহকে 2 ভাগে বিভক্ত করা হয়- Fermion ও Boson কণা। একটু আগেই আমরা 12 টি মৌলিক কণা সম্পর্কে বিস্তারিত বলেছি, যাদের Fermion বলা হয়। তাই না পাঠক??
Boson কণা আবার 2 ভাগে বিভক্ত, তা হল- Gauge bosons ও Scalar boson কণা। আমরা প্রথমে জেনে নিতে চাই- Gauge bosons সম্পর্কে। এই Gauge bosons বলা হয় 4 টি কণা'কে, সে গুলো- ১) Photon, ২) gluon, ৩) W boson, ৪) Z boson কণা।
এখানে শেষ নয়, Gluon কণা আবার 8 (আট) প্রকার হয়ে থাকে। আর Scalar boson এর কোনও প্রকার হয় না, তা একটাই এবং তার নাম হল- Higgs Boson বা God particle অর্থাৎ ঈশ্বর কণা। যদিও এই Higgs Boson কণার সঙ্গে ঈশ্বরের কোনও সম্পর্ক নেই এবং আল্লাহর তো নয়ই, তবে শুধু এতটুকু- আল্লাহ এই সমস্ত কিছুর স্রষ্টা এবং আল্লাহ এই সমস্ত কিছু সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন এবং বিজ্ঞানের 1500 বছর আগেই এক অক্ষরজ্ঞানহীন নবী (সা)- এর মাধ্যমে মানবজাতিকে জানিয়েছেন- সুবহানাল্লাহ। এটা যদি আলৌকিকতা না হয়, তাহলে আলৌকিকতা কাকে বলে??
সুধী পাঠক, এই সম্পর্কে পরে বিশ্লেষণ এবং কুরানী বিশ্লেষণ করব- ইনশাআল্লাহ!! এখন আমরা Fermion ও Boson কণা সমূহের কাজ সম্পর্কে জেনে নেব, তা হলেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং 'আরশ' সম্পর্কে জানতে পারবেন!! পাঠক, আপনি কি আগ্ৰহী??
আগ্ৰহী হওয়া তো উচিৎ। কেননা, যে তথ্য জানতে চলেছেন, তা গত 1500 বছর পরও অজানা!! সুতরাং পাঠক, ভাবুন- তাহলে 1500 বছর ধরে আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ কি করলেন??
যাইহোক, Fermion কণা সমূহ মৌলিক কণা তো বটেই, সঙ্গে ভরবাহী। অন্য দিকে 4 ধরনের Boson কণা গুলো বলবাহী, Scalar boson অর্থাৎ Higgs Boson বা God particle হল- বল সৃষ্টিকারি!!
সুধী পাঠক, এবার আমরা সবচেয়ে আকর্ষণীয় কণা নিয়ে কথা বলব অর্থাৎ Higgs Boson কণা নিয়ে কিছু তার আগে Graviton নামের একটি কণা সম্পর্কে বলে নিতে চাইছি। মহাকর্ষীয় তত্ত্ব অনুযায়ী- Graviton কণাই Gravitational force অভিকর্ষ বলের বাহক।
কিন্তু খুব দুঃখের বিষয় যে, আজও Graviton কণা আবিষ্কৃত হয় নি!! অবশ্য চিন্তার কিছু নেই, বিজ্ঞানীরা না পারলে আমাদের (আমার এবং সেই মহিলার) ছেলে মাহিন অথবা মেয়ে মাহি তা আবিষ্কার করবে- এটা সেই মহিলা এবং আমি কখনও ভেবেছিলাম। তবে, এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন L H C তে। এ সম্পর্কে পরে বিস্তারিত বলব- ইনশাআল্লাহ।
যাইহোক, এবার আমরা Higgs Boson সম্পর্কে কিছু বলতে চাই, তা হল- Standard model particle of physics অর্থাৎ পদার্থবিদ্যার আদর্শ কণা নীতি অনুযায়ী Big bang তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করা হয়ে থাকে এবং Big bang কে Fact এ পৌঁছানোর অন্যতম কারণ এই Standard model particle of physics অর্থাৎ পদার্থ বিদ্যার আদর্শ কণা নীতি।
কিন্তু Standard model particle of physics তৈরি করা হয়েছিল 1950 এর পর, যারা এতে অংশ গ্ৰহণ করেছিলেন, তাদের একজন অবিভক্ত পাকিস্তানের মুসলিম ছিলেন। নাম ছিল- আব্দুস সালাম।
তবে যখন Standard model particle of physics তৈরি হয়েছিল, তখন তা শুধুমাত্র Hypothesis' ছিল। ধীরে-ধীরে তা Theory, পরে Fact এ পরিণত হয় এবং তার সঙ্গে Big bang'ও। তবে, Big bang আরও বহু আগেই অন্যান্য কারণে Fact এর মর্যাদা পেয়েছিল!!
যাইহোক, ধীরে- ধীরে Standard model particle of physics এর Fermion ও Boson এর Scalar boson অর্থাৎ Higgs Boson কণা বাদে Gauge boson এর 4 টি কণা আবিষ্কার হয়ে যায় এবং Standard model particle of physics প্রায় পূর্ণতা পেয়ে যায়!!
কিন্তু Higgs Boson কণা সম্পর্কে শুধুমাত্র তাত্ত্বিক ভাবেই সবাই জানত, প্রমাণিত সত্য হিসাবে নয়। তাই Higgs Boson কণার অস্তিত্ব প্রমাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় Cern এর পক্ষ হতে L H C তে বা Large hadron collider নামক পরিক্ষাগারে, লক্ষ-কোটি $ খরচের বিনিময়ে!!
ফল পাওয়া গেল 2012 তে। আমি (হোসেন কুরানী) তখন Kolkata তে 130/- রোজে Drain পরিষ্কারের কাজ করি। বড়গাছিয়া Rail station থেকে Train এ উঠেছি, হয়ত 3 বা 4/- দিয়ে একটি আনন্দবাজার পত্রিকা কিনলাম এবং তা থেকে Higgs Boson কণা বিষয়ে বিস্তারিত জানলাম!!
2012 সালে Cern এর Large hadron collider এ Big bang পরবর্তী পরিবেশ সৃষ্টি করে পাওয়া গেল বহু প্রতিক্ষিত আদিম সেই কণা, যার নামকরণ করা হয় বিজ্ঞানী Higgs এবং বাঙ্গালী বিজ্ঞানী Bose এর নাম অনুসারে Higgs Boson কণা।
বিজ্ঞানীরা যে কণার সন্ধান করছিলেন, সেই কণার সঙ্গে প্রাপ্ত কণার মিল 99.99% কিন্তু অনিশ্চয়তাও রয়েছে একেবারে নগন্য পরিমাণ। তাই বিজ্ঞানীরা দ্বিতীয়বার পরিক্ষা নিরিক্ষা শুরু করেছেন।
প্রশ্ন হবে- 99.99% যদি নিশ্চিত, তাহলে আবার পরিক্ষা নিরিক্ষা কেন?? উত্তর সহজ- 100% নিশ্চিত হওয়ার জন্য, Graviton সহ অন্যান্য কণা ও তথ্যের সন্ধানে। কেননা, Standard model particle of physics আজও বহু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না, তবে কাল্পনিক Graviton আবিষ্কার হলে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে!!
সুধী পাঠক, আমরা মোটা-মুটি ভাবে কণা বিজ্ঞান সম্পর্কে প্রায় সমস্ত তত্ত্ব/ তথ্য সহজ ভাষায় বিস্তারিত জানাতে পেরেছি। লেখাটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিচের ছবি টা একটু দেখুন, তাহলে আরও ভাল ভাবে হয়ত বুঝতে পারবেন। কারণ, কণা বিজ্ঞান তো এ পৃথিবীর 99.99% বিজ্ঞানীরও মাথায় ঢোকে না!! আসলে বিষয়টি খুবই জটিল, তাই মানুষ এ থেকে দূরে থাকতে চায়!! তবে যদি মনযোগ সহ পড়েন, তা হলে বুঝতে পারবেন। নয়ত মনে হবে- পড়ে ভাল লাগল কিন্তু বুঝতে পারি নি!!
প্রশ্ন হবে- Quark এর থেকে ছোট্ট /Quark ভেঙে অন্য কোনও কণা পাওয়া কি সম্ভব?? এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা কি বলেন/ আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কি বলেন/ হোসেন কুরানী কি বলবেন??
উত্তর সহজ- প্রায় সমস্ত বিজ্ঞানীই একমত যে, Quark এর থেকে ছোট্ট/ Quark ভেঙে অন্য কোনও কণা পাওয়া যাবে না, এ সম্ভাবনা 99.99% এর বেশি। তবে, একেবারে নগন্য পরিমাণ সম্ভবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিজ্ঞানীগণ এই নগন্য পরিমাণ সম্ভাবনাতে কাজ করছেন!!
আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কি আর বলবেন, তারা তো সাধারণ বিজ্ঞানের 'ব' বোঝেন না, পদার্থ বিজ্ঞান এবং কণা বিজ্ঞান বহু দূরের কথা!! আর হোসেন কুরানী মনে করেন- Quark এর থেকে ছোট্ট/ Quark ভেঙে অন্য কোনও কণা পাওয়া যাবে না এবং পাওয়ার সম্ভাবনা 0% এর চেয়ে একটুও বেশি নয় কিন্তু যদি প্রশ্ন হয়- কেন পাওয়া যাবে না?? উত্তর সহজ- এর পর থেকে পুরো লেখাটা পড়ুন, বুঝে যাবেন!!
যদি Quark এর থেকে ছোট্ট /Quark ভেঙে অন্য কোনও কণা পাওয়া যায় না, এ বিষয়ে কোরান কিছু বলেছে?? আর Quark এর নিচে কি পাওয়া যাবে, এ বিষয়ে কোরান কিছু বলেছে?? উত্তর সহজ- কোরান বলবে না তো, বলবে কে?? এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলব। এখন আমরা কণা বিজ্ঞান সম্পর্কে কোরান কি বলে, তা দেখাতে চাই। দেখতে চাইবেন?? দেখুন-
وَمَا يَعْزُبُ عَنْ رَبِّكَ مِنْ مِثْقَالِ ذَرَّةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَلَا أَصْغَرَ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرَ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং আপনার প্রভুর থেকে এই পৃথিবীর পরমাণুর চেয়ে ছোট্ট (Electron, proton and neutron) কোনও কিছু লুকায়িত নেই এবং মহাবিশ্বে অবস্থিত তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়ে ছোট (Qquark) কোনও কিছুও, না তার চেয়ে বড় (পরমাণু) কোনও কিছু, যা সুস্পষ্ট গ্ৰন্থে লিখিত নেই"(10:61)।
পাঠক, ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে কি?? আপনি কি দেখেছেন- বিজ্ঞানীরা 35, 000 বছর ধরে গবেষণা করে যা আমাদের জানিয়েছেন, আল্লাহ একজন অক্ষর জ্ঞানহীন মানুষের মুখ দিয়ে তা বের করেছেন আধুনিক বিজ্ঞানের 1500 বছর পূর্বে, অতি সাধারণ ভাষায়, মহা বিস্ময়কর ভাবে কিন্তু আলিমগণ বা সম্মানিত হারাম খোরদের মূর্খতার জন্য মানবজাতি তা জানতে পারে নি!! এর চেয়ে কষ্টের আর কি হতে পারে??
যাইহোক, এবার একটু ব্যাখ্যা করি, হ্যাঁ?? প্রচলিত অনুবাদ গুলোতে আরবি ذَرَّةٍ (জাররাত) শব্দের অর্থ করা হয়েছে- অনু। কয়েকটি English অনুবাদে ذَرَّةٍ (জাররাত) শব্দের অনুবাদ করা হয়েছে- Atom বা পরমাণু। যেমন- Sahih international.
কিন্তু অনু/ পরমাণু- এই 2 অনুবাদই সঠিক নয়, ভুল। কেননা, এই ذَرَّةٍ (জাররাত) শব্দটি আরবি ذَرَّ (জাররা) থেকে, যা ذر (জারা) থেকে, যার মূল হল- ذرر শব্দ, যা ব্যাকারণে ইসমু মুবালাগা (অধিক্যবাচক বিশেষ্য)। এমনই একটা শব্দ হল- عَلَّمَ (আল্লামা), যার অর্থ- মহা জ্ঞানী, যার সাধারণ শব্দ হল- علم (আলিম) এবং এর অর্থ আমরা সবাই জানি, তা হল- জ্ঞানী। তবে, 99.99% আলিমই সম্মানিত হারামখোর!!
আরও একটা উদাহরণ দিতে পারি, পবিত্র কোরান থেকেই। তা হল- إِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلَّقُ الْعَلِيمُ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আপনার প্রভু সবার মহাস্রষ্টা ও সবকিছুর জ্ঞানী"(15:86)।
যদি শুধুমাত্র স্রষ্টা বলা হতো, তাহলে আরবি خلق (খালিক) শব্দের ব্যবহার হতো কিন্তু উপরের আয়াতে ইসমু মুবালাগা প্রয়োগ হয়েছে। তাই তা خلق (খালিক) না হয়ে خلّق (খাল্লাক) শব্দের ব্যবহার হয়েছে, যা শব্দের মধ্যে অধিক্য সৃষ্টি করে।
তেমনই হল ذر (জারা) শব্দটি, যার অর্থ-পরমাণু। যা আরবি ذَرَّ (জাররা) শব্দের সাধারণ শব্দ। তাহলে প্রশ্ন হল- তাহলে ذَرَّةٍ (জাররাত) শব্দের অর্থ কি হবে??উত্তর সহজ- পরমাণুর চেয়ে ছোট কোনও কিছু (Electron, proton and neutron)। তাই না??
মানে, যে আরবি চিহ্ন দ্বারা কোনও অক্ষরের উচ্চারণ Double হয়ে যায়, ঐ চিহ্নটিকে আরবিতে বলা হয়ে থাকে- تجويد (তাজউইদ)। ঐ চিহ্নটি দেখতে English এর w এর মতো। যে অক্ষরের উপর تجويد (তাজউইদ) বসে, তাকে 'মুসাদ্দাদ বা মুসাদ্দিদ' বলা হয়। যেমন ধরুন- 10:61 আয়াতে ذَرَّةٍ (জাররাত) এর ر (র) এর উপর বসেছে এবং হয়েছে এমন- رّ এবং তাই Single ر (র) উচ্চারণ না হয়ে Double হয়। আর তখন শব্দে অধিক্য সৃষ্টি হয় এবং তা উপরে বা নিচে হয়, সেটা মূল শব্দের উপর নির্ভর করে।
যেমন- خلق (খালিক) বা স্রষ্টা হয়ে যায় خلّق (খাল্লাক) বা মহাস্রষ্টা। যেমন- علم (আলিম) বা জ্ঞানী হয়ে যায় عَلَّمَ (আল্লামা) বা মহাজ্ঞানী। তেমনই- ذر (জারা) বা পরমাণু হয়ে যায় ذَرَّ (জাররা), যা পবিত্র কোরানে ذَرَّةٍ (জাররাত) বা পরমাণুর চেয়ে ছোট্ট।
পাঠক, বোঝানোর আর কিছু বাকি আছে?? তবে এই খানে কেউ-কেউ বলতে পারেন- নাবী (সা)- এর মুখ দিয়ে হয়ত By chance উক্ত 10:61 আয়াতটা বের হয়ে গেছে, তাকে নাবী মুহাম্মাদ (সা) আল্লাহর কথা বা কোরান বলে চালিয়ে দিয়েছেন!! উত্তর সহজ- পবিত্র কোরানে এই আবার ব্যাখ্যাও রয়েছে অন্য আর এক আয়াতে। দেখতে চাইবেন?? দেখুন-
لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ●
অনুবাদ হবে এমন-"তার কাছ থেকে Galaxy সমূহে অবস্থিত পরমাণুর চেয়ে ছোট্ট (Electron, proton and neutron) কোনও কিছু লুকায়িত নেই এবং পৃথিবীরও কোনও লুকায়িত নয়। আর না তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়ে ছোট কণা সমূহ (6 flavours of quark), না তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়ে বড় সমূহ (পরমাণু, অনু) হোক, সবই সুস্পষ্ট গ্ৰন্থে লিপিবদ্ধ আছে"(34:3)।
পাঠক, 2 টি আয়াত পড়লে সাধারণ ভাবে একই মনে হবে কিন্তু তা নয়, মোটেও নয়। দাঁড়ান পার্থক্য গুলো বলছি, দেখুন- 10:61 আয়াতে أَصْغَرَ (আসগার) বা তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়েও ছোট্ট এবং أَكْبَرَ (আকবার) বা তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়েও বড় শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
কিন্তু 34:3 আয়াতে এসেছে أَصْغَرُ (আসগারু) বা তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়ে ছোট্ট কণা সমূহ (6 flavours of quark) ও أَكْبَرُ(আকবারু) বা তার (Electron, proton and neutron এর) চেয়ে 'বড় সমূহ' (পরমাণু, অনু) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
তারপরও যদি কারও মনে হয় যে, নাবী (সা)- এর মুখ দিয়ে এগুলো By chance বের হয়ে গেছে, তা হলে এই আয়াতটি দেখুন- فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ অনুবাদ হবে এমন-"অতপর যে করবে পরমাণুর চেয়ে ছোট (Electron, proton and neutron এর মতো ছোট্ট আকারের) সৎকর্ম, সে তা দেখতে পাবে"(99:7)।
অর্থাৎ কোরান গুরুত্বপূর্ণ ভাবে প্রস্তাব করছে- মানুষ একদিন Electron, proton and neutron কে চোখে দেখতে পাবে- সুবহান আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ এবং আল্লাহু আকবার। কিছুদিন আগেই (সম্ভবত 2017 বা 2018 তে) উন্নতমানের Quantum microscope দ্বারা Hydrogen পরমাণুর ছবি তুলতেও সক্ষম হয়েছেন, যা কখনও কল্পনার ঊর্ধ্বে ছিল। তবে, ছবিটা খুব একটা স্বচ্ছ ছিল না। এখন শুধুমাত্র Electron, proton ও Neutron এর ছবির অপেক্ষা, যা কোরান 1500 বছর পূর্বেই তার পাতায় মুদ্রিত করে রেখেছে- এ যেন এক মহাবিস্ময়কর বিষয়!!
এটাও যদি কারও কাছে অলৌকিকতা না হয়, তাহলে অলৌকিকতা কোনটা!! এরপরও যদি কারও কাছে By chance মনে হয়, তাহলে দেখতে পারেন নিচের এই মূল্যবান আয়াতটি- وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ অনুবাদ হবে এমন-"এবং যে করবে পরমাণুর চেয়েও বহু ছোট (Electron, proton and neutron এর মতো ছোট্ট আকারের) অসৎকর্ম, সে তা দেখতে পাবে"(99:8)।
সুধী পাঠক, বিজ্ঞানী Einstein এর বিখ্যাত E = mc² সমীকরণ সম্পর্কে কিছু জানেন?? যদি আপনি আমার লেখা 'মিরাজ পর্ব- 1, 2, ও 3' পড়ে থাকেন, তাহলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। জানতে পারবেন যে, E = mc² কতটা সঠিক, কতটা ভুল এবং কেন!!
যাইহোক, এই সমীকরণ থেকে এটা জানা যায়- শক্তি পদার্থে, পদার্থ শক্তিতে রুপান্তরিত হতে পারে!! তাই না?? এখন প্রশ্ন হল- পবিত্র কোরানে আল্লাহ কি এই সম্পর্কে কিছু বলেছেন??
সুধী পাঠক, আপনার কি মনে হয়?? এ বিষয়ে কি আল্লাহ কোরানে কিছু বলেছেন?? উত্তর খুঁজুন, আজ মনে হয় 07.01.2021 তারিখ, তাই না?? আজকে দিন টি খুবই Special, পাঠক বলুন তো- আজ Special কি আছে?? আচ্ছা, আমি বলি, আপনি শুনুন, হ্যাঁ??
আজ সকাল থেকে আমি খুব আবেগ আপ্লুত হয়ে আছি। আসলে স্মৃতি তো এমনই হয়, মানুষকে আবেগ আপ্লুত করে দেয়, তাই না?? আজ সারাদিন শুধু কান্না পাচ্ছে, যার জন্য কান্না পাচ্ছে, তিনি কাউকে আমার সম্পর্কে বলেছিলেন- ও (হোসেন কুরানী) তো কুকুরের মতো ঘেউ-ঘেউ করে কাঁদে!!
ঠিকই বলেছিলেন। কুকুর না হলে আজও তার জন্য কেন চোখ দিয়ে পানি বের হয়, যেমন- এখন লিখছি কিন্তু এখনও পানি বের হচ্ছে। তবে, কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করছি না!!
আজকের দিনে অর্থাৎ 07.01.2019 সময়টা সম্ভবত বেলা 11:30 হবে হয়ত। সেই মহিলা আমাদের Flat এ এসেছিলেন, Flat দেখার জন্য। হ্যাঁ, আমি এবং ঐ মহিলা একা ছিলাম না, আমাদের সঙ্গে আমার ছোট বোনও ছিল, যাকে আদর করে আমরা 'ছোট' বলেই ডাকি।
সেই মহিলাকেও আদর করে খুব সুন্দর নামে (★★) ডাকতাম কিন্তু.........!! সেই দিনের স্মৃতি গুলো খুব কষ্ট দিচ্ছে আজ। জানেন, সে দিন ঐ মহিলা শর্ত দিয়ে আমাকে ছিলেন যে, আপনার কত সাহস এবং আমাকে কত ভালবাসেন, তা দেখতে চাই। আমি বললাম- আমি কিভাবে প্রমাণ করব?? তিনি বললেন- Flat এর ভিতরে ছোট'র সামনে আমাকে খালি চোখে (ঐ বিশ্রী চশমা ছাড়া) এবং আমার সামনে দাঁড়িয়ে I love you বলতে হবে!!
আমি কিন্তু খুব সাহসী!! আচ্ছা, কেন বলুন তো?? কেননা, সে দিন খালি চোখেই খুব সাহস নিয়ে I love you বলেছিলাম। যদিও খুব কম মানুষই আমার চোখ দেখেছেন!! যাইহোক, সে দিনের অনুভূতিটা আজ আমাকে আবার কাঁদাচ্ছে কিন্তু আজকে খুশির খবর হল- কুকুরের মতো ঘেউ-ঘেউ করছি না!!
আজ 07.01.2021 শেষ হতে চলল এবং এখন রাত 11:30 বাজছে। এবার প্রশ্নের উত্তরে আসি, হ্যাঁ?? এই আয়াতটি দেখুন- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ অনু বাদ হবে এমন-"এবং আমরা মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি শক্তি দ্বারা এবং নিশ্চিতভাবে আমরা তার সম্প্রসারণ করে চলেছি"(51:47)।
অর্থাৎ আজকের মহাবিশ্ব পদার্থে পরিপূর্ণ হলেও, তা আদিতে ছিল শক্তি, যাকে আমরা Big bang বলে জানি। তাই না?? উক্ত আয়াত থেকে এটা স্পষ্ট- শক্তি পদার্থে রুপান্তরিত হয়, তা 1500 বছর আগেই প্রস্তাব করেছে!! তাই না??
পাঠক, এবার আমরা দেখাতে চাইব- পদার্থ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়!! এখন বড় প্রশ্ন হল- এই রকম আয়াত কি পবিত্র কোরানে আছে?? পাঠক, আপনার কি মনে হয়, আছে এই রকম আয়াত?? পাঠক, আপনি হয়ত জানেন না, আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণের হয়ত অউকাতের বাইরে কিন্তু হোসেন কুরানী আছেন এবং এখনও 120 বছর 11 মাস 15 দিনের বেশিই আছেন- ইনশাআল্লাহ। তাই চিন্তা কিসের?? এই নিন সেই বিখ্যাত আয়াত কিন্তু সম্মানিত হারামখোরগণের চোখে বাজ পড়ার কারণে তারা এই আয়াত দেখতে পান নি!! তবে আপনি দেখুন-
ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا قَالَتَا أَتَيْنَا طَائِعِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"তারপর তিনি আকাশ [সূর্য এবং পৃথিবী] গঠন শুরু করলেন। তখন তা ছিল ধোঁয়া [75% H এবং 25% He], তিনি আকাশ [সূর্য ও তারই মধ্যে স্থিত] পৃথিবীকে বললেন- ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক তোমরা অস্তিত্ব ধারন করও। তারা বলল- আমরা স্বেচ্ছায় অস্তিত্বে এলাম"(41:11)।
পাঠক, তাহলে কি বুঝলেন?? উক্ত আয়াত থেকে এটাই বোঝা গেল- সূর্য হল Hydrogen ও Helium gas এর সমাহার, যা তাপ ও আলো দেয় এবং এই তাপ ও আলো হল- শক্তি। পাঠক, শক্তি পদার্থে এবং পদার্থ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়- এ তথ্য বিজ্ঞানী Einstein এর প্রায় 1400 বছর আগে থেকে পবিত্র কোরানে মুদ্রিত আছে কিন্তু তা সম্মানিত হারামখোরদের চোখে পড়ল না!!
সুধী পাঠক, এবার আমরা عرش (আরশ) সম্পর্কে সম্মানিত হারামখোরদের তৈরি করা গাঁজাখুরি দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দিয়ে কুরানী দৃষ্টিভঙ্গি পেশ করতে চাইছি, আর সঙ্গে কুরানী বিশ্লেষণ করতে চাইছি। এখন আপনিও চান কুরানী বিশ্লেষণ??
তাহলে আর দেরি কেন, শুরু করি?? না কি?? আরবি عرش (আরশ) শব্দের সরাসরি শাব্দিক অর্থ- সিংহাসন। উদাহরণ দিতে পারি, একটা নয়, বেশ কয়েকটা, তাও পবিত্র কোরান থেকে। দেখুন-
إِنِّي وَجَدْتُ امْرَأَةً تَمْلِكُهُمْ وَأُوتِيَتْ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ وَلَهَا عَرْشٌ عَظِيمٌ●
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমি [হুদ-হুদ পাখি] এক মহিলাকে দেখতে পেয়েছি, সে তাদেরকে শাসন করে। তাকে দেওয়া হয়েছে সব কিছু থেকে এবং তার আছে একটি বিরাট 'আরশ' বা সিংহাসন"(27:23)।
এছাড়াও মানুষের সিংহাসন অর্থে عرش (আরশ) শব্দ টি কোরানে একবার By chance চলে এসেছে, এমন নয় বরং 27:38, 27:39, 27:41, 27:42 আয়াতেও عرش (আরশ) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে!! এছাড়াও ইউসুফ (আ) তার পিতা-মাতাকে সিংহাসনে বসিয়েছিলেন, এ বিষয়টি পবিত্র কোরানে আল্লাহ যে ভাবে বলেছেন, তা হল- وَرَفَعَ أَبَوَيْهِ عَلَى الْعَرْشِ অনুবাদ হবে এমন-"এবং চড়ালেন তার -মাতাকে 'আরশের' অর্থাৎ সিংহাসনের উপর"(12:100)।
কিন্তু عرش (আরশ) মানে শুধু বসে থাকার সিংহাসন নয়, যেমনটা আমরা মনে করি। আল্লাহ সিংহাসনে বসে আছেন- এ তথ্যটি Bible এর, কোরানের নয়। চলুন একবার দেখে নিই-"The Lord has established His throne in heaven"(Psalms- 103:19)। আরও সুন্দর Verse দেখুন-"Whenever the living creatures give glory and honor and thanks to Him who sits on the throne, who lives forever and ever"(Bible, Revelation- 4:9)। এখানেই শেষ নয়, আল্লাহর সেই সিংহাসনটি কোথায় আছে, তা দেখুন-"But the Lord is in His holy temple"(Bible, Habakkuk- 2:20, New King James Version)।
তাহলে Bible অনুযায়ী- আল্লাহ সিংহাসনে বসে কি করছেন?? এ প্রশ্নের উত্তরটা Bible এভাবে দেওয়া হয়েছে-"And on the seventh day God ended His work which He had done, and He rested on the seventh day from all His work which He had done"(Genesis- 2:2)। তারমানে- আল্লাহ সিংহাসনে বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন, কেননা আল্লাহ ক্লান্ত!!
এখন সম্মানিত হারামখোরগণের কাছে প্রশ্ন- আপনি কোরানের আল্লাহ'কে এভাবে দেখেন যে, আল্লাহ সৃষ্টি করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন, তাই স্বর্গে মন্দির/ মসজিদ তৈরি করে তার ভিতরে সিংহাসন তৈরি করে বিশ্রাম নিচ্ছেন?? তাহলে আপনি আল্লাহকে عرش (আরশ) বা সিংহাসনে বসিয়ে দিচ্ছেন কেন??
অথচ তিনি বলেছেন- لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ অনুবাদ হবে এমন-"তাকে ছুঁতে পারে না ক্লান্তি ও ঘুম"(2:255)। যদি তাই হয়, তাহলে তাহলে তিনি عرش (আরশ) বা সিংহাসনে বসে কি করছেন??
আচ্ছা, যদি ধরেও নিই যে, আল্লাহ عرش (আরশ) বা সিংহাসনে বসে আছেন, তাহলে সিংহাসনটা আল্লাহর চেয়ে আকারে ছোট, না কি বড়?? عرش (আরশ) বা সিংহাসন ছোট হলে আল্লাহ তাতে বসবেন কিভাবে?? আর বড় হলে الله أكبر (আল্লাহু আকবার) হল কিভাবে, কোন যুক্তিতে??
এখানে হাঁসির কথা হল- 99% এর বেশি সম্মানিত হারামখোরগণ জানেন'ই না যে, আরবি عرش (আরশ) শব্দের অর্থ- সিংহাসন!! তাই তাদেরকে উপরিউক্ত প্রশ্ন গুলো করাই বোকামি!! আমিও না পাগল হয়ে গেছি মনে হয়!!
পাঠক, সম্মানিত হারামখোরগদের থেকে এ সব প্রশ্ন গুলোর উত্তর পাওয়া যাবে না!! তাই চলুন, হোসেন কুরানীকে জিজ্ঞাসা করি। এটাই সবচেয়ে বেশি ভাল হবে, বলুন?? হোসেন কুরানী ভাই, عرش (আরশ) এর কুরানী বিশ্লেষণ করে দিন তো!!
সিংহাসন বা عرش (আরশ) হল- নিয়ন্ত্রণের প্রতীক। এখন প্রশ্ন হবে- সিংহাসন বা عرش (আরশ) নিয়ন্ত্রণের প্রতীক, সেই সম্পর্কে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কোথাও বলেছেন??
নিশ্চয় আপনি আলিম বা সম্মানিত হারামখোর, তা হলে এত বোকা-বোকা এবং শিশুসুলভ প্রশ্ন আপনার মাথায় আসত না!! যাইহোক, যেহেতু আপনার মাথায় এ এসেই গেছে, সেহেতু দেখুন-
إِنِّي وَجَدْتُ امْرَأَةً تَمْلِكُهُمْ وَأُوتِيَتْ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ وَلَهَا عَرْشٌ عَظِيمٌ●
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমি [হুদ-হুদ পাখি] এক মহিলাকে দেখতে পেয়েছি, সে তাদেরকে শাসন করে। তাকে দেওয়া হয়েছে সব কিছু থেকে এবং তার আছে একটি বিরাট 'আরশ' বা সিংহাসন"(27:23)।
এখানে ব্যবহৃত আরবি শব্দটা কি জানেন?? আয়াত এর শেষে দেখুন- عَرْشٌ عَظِيمٌ (আরশুন আজিম) অর্থাৎ বিরাট সিংহাসন। তাই না?? এখানে বিরাট সিংহাসন শব্দের ব্যবহার করা হল কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর ঐ আয়াতেই আছে, দেখে নিন!!
এই জন্যই আল্লাহ নিজের জন্য عرش (আরশ) শব্দের ব্যবহার করেছেন। এছাড়াও তিনি নিজের জন্য এই عرش (আরশ) শব্দের কাছা-কাছি আরও একটা শব্দ ব্যবহার করেছেন এবং তা হল- كُرْسِ (কুরসি)। এই كُرْسِ (কুরসি) ও عرش (আরশ) শব্দের অর্থ কাছা-কাছি এক হলেও ক্ষেত্র ভিন্ন, এ জন্য প্রয়োগও হয়েছে ভিন্ন ভাবে। তা কিছুক্ষণ পরও বুঝতে পারবেন। তবে, ছোট্ট একটা শর্ত আছে, তা হল- মাথার খুলির ভিতরে মগজ থাকতে হবে, সম্মানিত হারামখোরদের লেখা গাঁজাখুরি কাগজ থাকলে হবে না!!
পাঠক, আমরা জানি যে, আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হল- সূর্য। সূর্য সৃষ্টি হয়েছে 500 কোটি বছর পূর্বে এবং তা সৃষ্টি হয়েছে- 75% H ও 25% He gas দ্বারা। প্রাথমিক অবস্থায় যখন সূর্য 75% H ও 25% He gas এর গোলা ছিল, তখনই অর্থাৎ আজ থেকে 450-460 কোটি বছর পূর্বে পৃথিবী সূর্য থেকে আলাদা হয়ে যায়। যা আমরা 41:11 আয়াতে দেখেছি। তাই না??
তাহলে আল্লাহ কোরানে 75% H ও 25% He gas না বলে دخان (দুখান) বা ধোঁয়া বললেন কেন?? উত্তর সহজ- কোরান কত বেশি বিজ্ঞানময় (36:2), তা এবার বুঝতে পারবেন হয়ত!! আল্লাহ কোরানে 75% H ও 25% He gas না বলে دخان (দুখান) বা ধোঁয়া বলার কারণ হল- সূর্য শুধুমাত্র 75% H ও 25% He gas দ্বারা সৃষ্টি হয় নি। এটা মৌলিক উপাদান ছিল। আসলে সূর্য সৃষ্টি হয়েছে- Nebula থেকে। যা ছিল- 75% H ও 25% He gas এবং মহাকাশিয় ধূলিকণার মিশ্রণ!! এবার বলুন- আমরা ধোঁয়া কাকে বলি?? উত্তর সহজ- যাতে বিভিন্ন Gas ও ছাই এর মিশ্রণ থাকে। তাই না?? তাহলে কোরান কতটা বৈজ্ঞানিক, তা বুঝতে পেরেছেন??
হ্যাঁ, আমি জানি- শুধুমাত্র 75% H ও 25% He gas দ্বারা পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পন্ন হয় নি, তাতে যুক্ত হয়েছিল কোনও এক Supernova blast এর জঞ্জাল। তবেই আমরা লোহা এবং সোনা'র মতো ধাতু পেয়েছি, তাই না?? নয়ত সমগ্র সৌরজগতের শক্তি প্রয়োগ করেও লোহা'র একটা অনু তৈরি করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে কোরান বলে- وَأَنْزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা পৃথিবীতে পাঠিয়েছি লোহা, যাতে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি এবং মানুষের জন্য উপকার"(57:25)। এই আয়াতের শেষে আল্লাহ কি বলেছেন জানেন?? বলেছেন- إِنَّ اللَّهَ قَوِيٌّ عَزِيزٌ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিশালী ও শক্তিধর"। এর মানে- শক্তি × শক্তি = আল্লাহ মহাশক্তিশালী। অনেকটা এই রকম- আল্লাহ শক্তি²।
আচ্ছা কেন বলুন তো- আল্লাহ শেষে একথা বললেন যে- আল্লাহ শক্তিশালী ও শক্তিধর?? উত্তর সহজ- যে কাজ গোটা সৌরজগতের দ্বারা সম্ভব নয়, তা আল্লাহ কি সুন্দর পদ্ধতিতে Supernova blast এর জঞ্জাল দ্বারা করে দিলেন। যাতে মানব সভ্যতা উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে। পাঠক, লোহা ছাড়া পৃথিবী কল্পনা করে দেখুন তো, তা কেমন লাগে!!
যাইহোক, প্রশ্ন হবে- আমাদের কাছের নক্ষত্র বা সূর্য সৃষ্টির পূর্বে কি অন্য কোনও ছিল না?? উত্তর সহজ- হ্যাঁ রে ভাই ছিল, সূর্যের 300-350 কোটি বছর পূর্বেও ভিন্ন ভিন্ন নক্ষত্র ছিল, যা আমাদের Milky way Galaxy তেই ছিল!!
প্রশ্ন হবে- আমাদের Galaxy'র বয়স কত?? উত্তর সহজ- কমপক্ষে 800-850 কোটি বছর। তার পূর্বে অন্য কোনও Galaxy বিদ্যমান ছিল?? হ্যাঁ, ছিল। অন্যান্য নক্ষত্র এবং Galaxy কিভাবে তৈরি হয়েছিল?? সূর্যের মতো করেই!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রধান উপদান কি ছিল?? উত্তর সহজ- 75% H এবং 25% He gas এর মিশ্রণ। এই 2 টি Gas কিভাবে তৈরি হল?? Hydrogen ও Helium atom বা পরমাণু থেকে। আর এই Atom বা পরমাণু তৈরি হল কিভাবে??
পাঠক, পরমাণুর গঠন বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা কি এই লেখার শুরুর দিকে হয় নি?? তাহলে উত্তর দিন পরমাণু কিভাবে গঠিত হয়। বলুন, বলবেন তো, কি হল বলুন!! আচ্ছা ছাড়ুন, বলতে হবে না, দেখুন-
পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে Nucleus, আর এই Nucleus আবার Electron, proton and neutron দ্বারা গঠিত। আর Electron কে বাদ দিয়ে Proton and neutron গঠিত হয় Quark দ্বারা। তাই না??
পাঠক, এই লেখায় আমরা Big bang সম্পর্কে সেই রকম আলোচনা করি নি, তাই না?? যদিও আমার অন্যান্য লেখায় আমি Big bang সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, তাই না??
প্রশ্ন হবে- কি হয়েছিল Big bang এ?? তখন সময় প্রকাশ পেয়েছিল মাত্র এবং 10⁴⁴/ 1s (1 এর পাশে 44 টি শূন্য দিলে যা হবে, 1 Sec এর তত ভাগের 1 ভাগ সময়ে) এ Big bang (মহা বিস্ফোরণ) ঘটে যায়।
Big bang কি?? মহাবিশ্বের তাবত পদার্থ ও অন্যান্য সব কিছু শক্তি আকারে একত্রিত ছিল, তাতে হয় মহা বিস্ফোরণ। সেটাই Big bang নামে পরিচিত। তারপর কি হয়?? শুরু মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, শুরু হয় পদার্থ তৈরির কাজ!! পবিত্র কোরানে আল্লাহ বিষয়টি এভাবে তুলে ধরেছেন- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি শক্তি দ্বারা এবং নিশ্চিতভাবে আমরা তার সম্প্রসারণ করে চলেছি"(51:47)। এই Big bang ঘটে আজ হতে প্রায় 1370-1500 কোটি বছর পূর্বে।
তারপর কি?? Grand unification epoch 10-⁴³ time > Electroweak epoch begins 10-³⁶ time > Quark epoch 10-¹² time > Hadron epoch 10-⁶ time > Lepton epoch 1 s time > Photon epoch 10 s time > 300, 000 বছর পর প্রথম H ও He gas এর পরমাণুর গঠন শুরু হয়!!
Electroweak epoch এর শুরু 10-³⁶ তে, তার কিছু পর অর্থাৎ 10-³² এর পর মৌলিক কণা গুলো Soup (তরলিত বা পানি) আকারে অবস্থান করছিল, প্রচণ্ড তাপের কারণে, যাকে quark-gluon plasma বলা হয়। এই অবস্থা Quark epoch এর পূর্ব পর্যন্ত বিরাজিত ছিল। সুধী পাঠক, এই অবস্থার বিবরণ আল্লাহ এভাবে দিয়েছেন-
وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন 6 টি পর্যায়ে, সেই সময় আরশ [আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা] ছিল পানির [Particles soup এর] উপর"(11:7)। প্রশ্ন হবে- কেন?? কারন, মৌলিক ভরবাহী কণা তথা Quark সৃষ্টি করতে হতো, তবেই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হতো!!
প্রশ্ন হবে- এখন আল্লাহ কি কোথায় আছেন?? উত্তর খুব, খুবই সহজ- الرَّحْمَٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَىٰ অনুবাদ হবে এমন-"দয়াময় তো আরশের [নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার] উপর সমাসীন"(20:5)। বিস্তারিত নিচে-
প্রশ্ন হবে- এখন আল্লাহ কি করছেন?? উত্তর খুবই সহজ- তিনি আরশের [নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার] উপর সমাসীন কেন, আরাম করার জন্য?? না, মোটেও নয়। তাহলে?? এই দেখুন- كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ অনুবাদ হবে এমন-"প্রতি নিয়ত তিনি সৃষ্টির নিয়ন্ত্রণে সুপ্রতিষ্ঠিত"(55:29)।
প্রশ্ন হবে- তাহলে 69:17 আয়াতের ব্যাখ্যা কি হবে?? চিন্তা করছেন কেন, হোসেন কুরানী আছে এবং ব্যাখ্যা থাকবে না, তা হয় কিভাবে?? আয়াতটি একবার দেখে নিন- وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ অনুবাদ হবে এমন-"এবং সেদিন আপনার প্রভুর আরশ বহন করবে 8 (আট) জন ফেরেস্তা"।
আরশ ফেরেস্তারা বহন করবে মানেই কি তা সিংহাসন এর মতো হতে হবে?? পাঠক, এবার ফেরেস্তাদের সৃষ্টি কিভাবে এবং কবে হল, তা জানলেই উত্তর বেরিয়ে পড়বে- ইনশাআল্লাহ। দেখুন-
"আয়িশাহ [রা] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী [সা] বলেছেন- ফেরেস্তাদের আলো থেকে, জ্বীন ধোঁয়া বিহীন আগুন থেকে, মানুষ তোমাদের নিকট বর্ণিত বস্তু [মাটি] দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে"(মুসলিম, কিতাবুজ যুহুদ, হাদীস 7227)।
প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তাদের কবে/ কত তারিখে সৃষ্টি করা হয়েছে?? উত্তর সহজ- Photon epoch বা যুগে অর্থাৎ মহাবিশ্বের বয়স যখন 10 Second ছিল। এক কথায়, মহাবিশ্বের বয়স যখন 10 Second ছিল, তখন আল্লাহ ফেরেস্তাদের সৃষ্টি করেছিলেন। বুঝতে পারেন নি, তাই না?? পারবেন, পড়তে থাকুন-
Photon হল- আলোর ভরহীন কণা, তাই Vacuum এ ফেরেস্তাদের উপর অভিকর্ষ বল কাজ করে না। ফলত তাদের গতি হয়, আলোর গতি। তাই তারা যে কোনও যাত্রা 0 time করতে পারেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে আমাদের লেখা মিরাজ পর্ব- 1, 2 ও 3 পড়তে পারেন। নিচে Link-
প্রশ্ন হবে- জ্বীন এবং মানুষ কবে সৃষ্টি হয়েছে?? উত্তর সহজ- সৃষ্টিতে ধোঁয়া বিহীন আগুন যখন সৃষ্টি হয়েছিল, তখন। কবে?? যখন প্রথম নক্ষত্র ও Galaxy সৃষ্টি হয়ে ছিল, আর নক্ষত্র ছাড়া ধোঁয়া বিহীন আগুন পাওয়া সম্ভব নয়, আর মহাবিশ্ব সৃষ্টির 300, 000 বছর পরই H ও He atom তৈরি হয়ে যায় এবং তারপরই প্রাথমিক নক্ষত্র এবং Galaxy তৈরি হয়ে যায়!!
আর মানুষ ও অন্যান্য প্রাণ?? নিশ্চিতভাবে অন্যান্য প্রাণ ও মানুষ গ্ৰহ (এবং বায়ুমণ্ডল) তৈরির পরই সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, গ্ৰহ তৈরি না হলে মাটি ও পানি পাওয়া যাবে কোথায় থেকে!! তাই না?? বিস্তারিত নিচে-
যাইহোক, ফেরেস্তারা আরশ বহন করবে কিভাবে?? Photon হল- আলোর কণা, আলো হল- শক্তি, শক্তি যদি শক্তি না ধরবে, তো কে ধরবে?? আপনি/ সম্মানিত হারামখোরগণ??
আরশের ব্যাখ্যা হল কিন্তু করসির ব্যাখ্যা কি হবে?? হবে, হবে, চিন্তা করছেন কেন, হোসেন কুরানী এখনও 120 বছরের বেশিই আছেন!! দেখুন- এই মহাবিশ্বে 4 ধরণের Basic forces বা বল আছে, তা হল- ১) The gravitational force, ২) Electromagnetic force, ৩) Weak nuclear force, ৪) Strong nuclear force.
এর Super force বা যে শক্তি দ্বারা Big bang ঘটে ছিল, তার পরক্ষণেই সৃষ্টি হয়েছিল The gravitational force বা অভিকর্ষ বল। সেই সময় থেকে আজও এবং অভিকর্ষ বল কাজ করে যাচ্ছে, যাবে এবং এই বলের সাহায্যেই মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণ হয়। তাই না??
সুধী পাঠক, এবার আমরা আপনাকে একটু অবাক করতে চাইছি। আপনি কি অবাক হতে চাইবেন?? তা আর দেরি নয়, দেখুন এ বিষয়ে কোরান কি বলে!! এই নিন-
وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তার কুরসি মহাবিশ্ব জুড়ে। তাকে ক্লান্ত করে না এই সবের নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষন এবং তিনি সুউচ্চ ও সুমহান"(2:255)। পাঠক, এবার বুঝতে পেরেছেন কি যে, কুরসি কি?? প্রশ্ন হবে- অন্যান্য 3 বল কখন সৃষ্টি হল?? উত্তর সহজ রে ভাই- Electroweak epoch থেকে।
আরশ ও কুরশির মধ্যে পার্থক্য কি?? কুরশি আগে এবং আরশ পরে সৃষ্টি হয়েছে। কুরশি দ্বারা মহাবিশ্বের সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষন করা হয় এবং আরশ দ্বারা বস্তু- এই সামান্য পার্থক্য মাত্র অথচ অর্থ প্রায় একই!!
পাঠক, Quark এর ছোট্ট কি কিছু আছে?? এ প্রশ্নের উত্তর আমরা বাকি রেখেছিলাম, মনে আছে?? চলুন পাঠক, এবার বলি?? যদি কখনও এত উন্নতমানের যন্ত্র আবিষ্কার হয় এবং তা দ্বারা Quark গুলোকে পরিষ্কার ভাবে দেখা সম্ভব হতো, তাহলে দেখতে পেতাম- Quark গুলো আসলে জাল দ্বারা বুনা আছে, অনেকটা মাছ ধরার জালের মতো, যাকে String theory বলা হয়ে থাকে। সুধী পাঠক, এবার দেখাব কোরান কি বলে। এই নিন- وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ অনুবাদ হবে এমন-"এবং শপথ জালের বুননে তৈরি মহাবিশ্বের"(51:7)।
সুবহান আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার। পাঠক, আর কিছু বলব?? অবাক হন নি?? সুবহান আল্লাহ বলবেন না?? যাইহোক, যদি String theory সত্য হয়, তাহলে Multiverse theory'ও সত্য?? কেন নয়?? অবশ্যই সত্য। দেখুন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অনু বাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা তিনি] যিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতিপালক"(1:1)। আর কিছু বলতে হবে?? কিন্তু প্রশ্ন হবে- তাহলে Parallel universe?? উত্তর সহজ- এও সত্য। দেখুন-
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّ اللَّهَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ قَادِرٌ عَلَىٰ أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ وَجَعَلَ لَهُمْ أَجَلًا لَا رَيْبَ فِيهِ فَأَبَى الظَّالِمُونَ إِلَّا كُفُورًا●
অনুবাদ হবে এমন-"তারা [অবিশ্বাসী ও সন্দেহবাদীরা] কি ভাবে/ লক্ষ্য না যে- আল্লাহ [তিনি], যিনি সৃষ্টি করে ছেন মহাবিশ্ব। আল্লাহ কি তার অনুরূপ [Parallel universe] সৃষ্টি করেন নি/ করছেন না/ করবেন না?? আর তাদের [মহাবিশ্ব সমূহের] জন্য নিদিষ্ট করে রেখে ছেন একটি সময় [Big crunch], যাতে কোনও সন্দেহ নেই। তবুও জালিমরা অস্বীকার ছাড়া কিছুই করছে না"(17:99)। পাঠকদের অনুরোধ করব- নিচের Link এ যান একবার-
সুধী পাঠক, আজ যেগুলো জানলেন, তা জেনে খুবই গর্বিত হচ্ছেন কোরানের প্রতি, মুসলিম হিসাবে!! তাই নয় কি?? এখন বিবেকের কাছে প্রশ্ন এভাবে- এতদিন কেন এই তথ্য গুলো জানতে পারলাম না?? কেন কোরান নাযিলের 1500 বছর পর হোসেন কুরানী এই তথ্য গুলো পরিবেশিত করছেন?? তাহলে আলিমগণ 1500 বছর ধরে কি করলেন??
সুধী পাঠক, বিবেক ও বিচার-বুদ্ধি বিক্রি না করে থাকেন, তা হলে অবশ্যই আপনার বিবেক আপনাকে বলবে- এরা আলিম নয়, এরা হলেন- মহা সম্মানিত হারামখোরগণ। এরাই এরাই আল্লাহর প্রেরিত ও নাবী (সা)- এর রেখে যাওয়া ইসলাম গোপন করে নকল ইসলাম মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দিয়েছে। এরাই সাহীহ হাদীসের নামে কোরান বিরোধী হাদীস তৈরি করেছে। এরাই মুসলিম সমাজকে তলানিতে পৌঁছে দিয়েছে। এরাই বিশ্বব্যাপি মুসলিম সমাজের হেয়-প্রতিপন্ন হওয়ার কারণ!! এরাই মুসলিমদের এবং মানবতার শত্রু!!
আর যদি বিবেক ও বিচার-বুদ্ধি বিক্রি করে দিয়ে থাকেন, তাহলে এই আয়াত আজ হতে 1500 বছর আগে আপনার জন্য আল্লাহ নাযিল করে রেখেছিলেন। দেখুন- اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ অনু বাদ হবে এমন-"তারা গ্ৰহণ করেছে তাদের আলিমদের এবং বৈরাগীদের রব [প্রভু] হিসাবে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে"(9:31)। তাই আমি খুবই চিন্তিত, আপনি??
সাহীহ হাদীস যে কোরান বিরোধী হয়, আলিম অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ যে কোরান বিরোধী সাহীহ হাদীস তৈরি করে মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরাতে চায়/ বিভ্রান্ত করতে চায়, এ তথ্য কি কোরানে আছে?? আছে, আছে রে ভাই, এই নিন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং তাদের মধ্যে এমন মানুষও আছে যারা গাঁজাখুরি মনোমুগ্ধকর [সাহীহ] হাদীস নিয়ে আসে, যেন মানুষদেরকে আল্লাহর পথ বিভ্রান্ত করতে পারে"(31:6)। তাই আমি খুবই চিন্তিত, আপনি?? নিচে বিস্তারিত-
সুধী পাঠক, চিন্তার কিছুই নেই। আমরা Team Quranic universe আপনাকে আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণের থেকে/ ভ্রষ্টতা থেকে/ বাঁচাতে এসছি। এসেছি আল্লাহর প্রেরিত ও নাবী (সা)- এর রেখে যাওয়া ইসলাম মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে দিতে। এসেছি উন্নতির চরম সীমায় মানবতাকে পৌঁছে দিতে। আমরা কি আপনার সাহায্য এবং সহযোগিতা কামনা করতে পারি??
দ্বিতীয় প্রকাশ : 10.01.2021
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন: