পাঠক, গত পর্বের 'সবচেয়ে বেশি অবাক করা' বিষয় আপনার কাছে কোনটা মনে হয়েছে?? পর্ব- 3 পড়েছেন তো, না কি?? যদি আপনিও পড়ে না থাকেন, তাহলে নিচের Link এ গিয়ে পড়ে আসুন না-
আপনি পড়ুন, হ্যাঁ?? আমি ততক্ষণ পাঠকদের কিছু Comment তুলে এখানে নিয়ে আসি, তাহলে হয়ত আমাকে বেশ সহজেই মূল্যায়ন করতে সামর্থ্য হবেন। তাহলে দেখুন-
১) সম্ভবত কোনও "আহলে হাদীস ধর্মের" অনুসারী বলেছেন- যদি আপনি 25.12.1991 এ মরে যেতেন (ভালই হত), তাহলে এই Hero মার্কা (গাঁজাখুরি) 7 এর ব্যাখ্যা পেতে হতো না!!
২) আল্লাহ আপনাকে হিদায়াতের উপর অটল রাখুক।
আপনার লেখা গুলো আমার কাছে খুবই ভাল লাগছে কিন্তু ভাই, আপনি সমস্ত আলিমগণকে হারামখোর বলেন কেন?? বা তাদের সমালোচনা করেন কেন?? এ ছাড়াও অনেক ক্ষেত্রেই আপনি সাহীহ হাদীস অস্বীকার করেন কেন??
৩) আয়েশা জাহান বলেছেন- I love you sir, আমি জানতাম যে, যদি কখনও আলিফ-লাম- মীমের ব্যাখ্যা মানবজাতি পান, তা শুধু আমার Sir এর দ্বারাই পাবেন। আর দ্বিতীয় কোনও Option নেই!!
4) ভাই, আমি শুনেছিলাম যে, আলিফ- লাম-মীমের ব্যাখ্যা আপনি করছেন কিন্তু শুনেও বিশ্বাস করতে পারি নি!! তবে, আজ তা স্বচক্ষে দেখতে পেয়ে আর অস্বীকার করার উপায় নেই!!
তবে ভাই, একটা পরামর্শ দেব, আর তা হল- আপনার লেখায় জ্ঞানের অহংকার প্রকাশ পাচ্ছে, যদি একটু এই ব্যাপারে সতর্ক হতেন, তাহলে আরও বেশি মানানসই হতো।
এ ছাড়াও আপনি আমার চেয়ে অনেক জ্ঞানী, তাই আপনাকে ভাল-মন্দ জ্ঞান দেওয়ার যোগ্যতা রাখি না!! আর এখনও অনেক কিছু অস্বচ্ছ রয়েছে, তা হয়ত অন্যান্য পর্বে আলোচনা হবে, না কি??
৫) হোসেন কুরানীর বিরোধিতা তারাই করবেন, যারা কোরানকে গবেষণার সর্বোত্তম বিষয় না ভেবে, কোরান কে ভূত তাড়াবার জন্য আল্লাহর কালাম মনে করেন!! আমি শুধু এটা জানি- Genius দের সর্বোচ্চে হোসেন কুরানীর অবস্থান এবং এ তে দ্বিমত পোষণ করবেন শুধু মূর্খরা!!
৬) যাক বাবা, শেষ পর্যন্ত আপনার হানীজির আসল নাম তাহলে জানলাম!! আচ্ছা কুরানী ভাই, তাহলে আপনি তাকে হানীজি বলতেন কেন?? মানে- কুরানী যখন হানীজি বলতেন, তার পিছনে নিশ্চয় কোনও না কোনও কারণ তো থাকবেই, তাই না?? তাই জিজ্ঞাসা করলাম!!
৭) সুনয়না বলেছেন- তার বাড়ি তো আপনার পাশের গ্ৰামে এবং আপনার একটা লেখায় বলেছেন যে, যদি কেউ আমাকে সবচেয়ে বেশি জানেন, তিনি হানী কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি আপনাকে ছেড়ে চলে গেল- এটা ঠিক বুঝতে পারছি না। কেননা, আমার মনে হয়- যেন আমি আপনার কাছে থাকি। জানি না, কবে আমার এই ইচ্ছা পূর্ণ হবে অথবা কখনও হবে কি না!!
৮) এরসাদ রাইহান ভাই বলেছেন- হোসেন কুরানী ভাই, আপনার লেখা বার-বার পড়তে হবে বুঝার জন্য, আপনি কোরানের আয়াতকে যেভাবে বিশ্লেষণ করেন, তা অসাধারণ। যদি Video বানিয়ে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতেন, তাহলে সবার বুঝতে আরও সুবিধা হতো। আমি নিজে একজন বিজ্ঞানের ছাত্র, তাই আপনার লেখা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না!! ধন্যবাদ আপনাকে।
যাইহোক, এবার আমরা Comment এর পেক্ষিতে Recomment করতে চাইছি এবং দ্বিতীয় জনকে শুধু এটা বলতে চাইব- ভাই, আপনি হোসেন কুরানী সম্পর্কে এবং হাদীস সম্পর্কে হয়ত অল্প জানেন। নিচের Link এ যদি প্রবেশ করেন, তাহলে বিস্তারিত জানবেন-
ষষ্ঠ জনকে বলব- ভাই, তাকে কেন হানী বলতাম, এ প্রশ্নের উত্তর তো অনেক বড় হয়ে যাবে। তবে, বেশির ভাগ সময় তাকে Baby বলতাম বা Honey baby বলে ডাকতাম!! তবে, হয়ত এ জন্য যে- তিনি খুব মিষ্টি ছিলেন!!
এখানে হাঁসির কথা হল- আমি ছিলাম তেতো। আর (+ ও -) কখনও (+) হয় না। খুব সম্ভবত পর্ব- 2 এ সূরা ফাতিহা থেকে এ তথ্য বের করে ছিলাম। তাই না?? এ জন্যেই হয়ত (+ ও -) = (-) হয়ে গেল!! ফলত আমি লেখায় ব্যাস্ত, তিনি হয়ত হবু স্বামীর সঙ্গে Call এ!!
সুনয়নাজিকে বলব- পানি পান করে মানুষ বেঁচে থাকলেও, প্রয়োজনের বেশি পানি পান মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। আমার ক্ষেত্রেও এর চেয়ে ভিন্ন কিছু ঘটে নি!!
আর আমার জীবন-যাপনের Style (সম্পূর্ণ ইসলাম অনুযায়ী) যে কোনও মানুষ কে আমার থেকে দূরে করে দেয়। তাকেও করে দিয়েছে, আপনাকেও হয়ত করে দেবে- এটা নতুন কিছু নয়!!
এবার মূল লেখা শুরু করি?? গত পর্বে আমরা হুর প্রসঙ্গে লিখতে-লিখতে লেখা শেষ করেছিলাম, তাই তো গো?? আচ্ছা, 25.12.1991 টা কি বলুন তো?? হোসেন কুরানীর জন্ম তারিখ, তাই না??
বলতে পারবেন কি- কি আছে হোসেন কুরানীর জন্ম তারিখে?? চলুন, একটু দেখাবার চেষ্টা করি- 2+ 5+ 1+ 2+ 1+ 9+ 9+ 1= 30= 3+ 0= 3, আরও দেখুন- 25+ 12+ 1991= 2028= 2+ 0+ 2+ 8= 12= 1+2= 3, কিছু বুঝলেন??
আচ্ছা ঠিক আছে, না বুঝলেও চলবে। চিন্তা করবেন না, পরে বুঝতে পারবেন অবশ্যই। আর পরেও যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে আমাদের লেখা আপনার জন্য নয়!!
আর আমাদের থেকে দূরে অবস্থান করুন, নয়ত শুধু শুধু আপনার মহা মূল্যবান Brain ব্যবহার করতে হবে, যা Locker এ রাখা আছে!! তাই না?? সুতরাং ওখানেই থাক!!
যেন বিচারের দিন আল্লাহকে বলতে পারেন- এই নিয়ে নিন আপনার দেওয়া Brain, আমি একটুও ব্যবহার করি নি। যেমন দিয়েছিলেন, তেমনই আছে। কেননা, আমি নিজের ছাড়া কারও কিছু ব্যবহার করি না!!
আচ্ছা যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানীর জন্ম তারিখ থেকে 3 বের হচ্ছে কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ- حسن (মানে ح س ن)। প্রশ্ন হবে- শুধুমাত্র এই টুকু??
উত্তর খুব সহজ- আছে, আরও আছে, অনেক আছে। কেননা, হোসেন কুরানী আছেন!! তবে, আমাদের কাছে ছোটও নয় কিন্তু অন্যের জন্য বিরাট বড় একটা সমস্যা আছে, তা হল- হজম না করতে পারা এবং বমি হয়ে যাওয়া!!
এখন প্রশ্ন- হুরদের সঙ্গে যৌন মিলনে যে কোনও বাধা নিষেধ নেই, এর প্রমাণ কি?? আমরা উত্তর দেব, না কি আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখবেন?? আয়াতটি তাহলে দেখুন- وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُورٍ عِينٍ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা সুন্দর চক্ষু বিশিষ্ট/ বিশিষ্টা হুরদের সাথে তাদের [জান্নাতীদের] বিবাহ দেব"(52:20, 44:54)।
এর আরও সুন্দর একটা আয়াত দেখাই, তা হলে দেখুন- نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّىٰ شِئْتُمْ অনুবাদ হবে এমন-"স্ত্রীগণ তোমাদের জমি। তোমাদের জমিতে তোমরা যেভাবে ইচ্ছা গমন করও"(2:223)।
প্রশ্ন হবে- এ তো শুধু পুরুষদের পেক্ষিতে, মহিলারাও যেভাবে ইচ্ছা বাধা-নিষেধ ছাড়াই হুরদের সঙ্গে যৌন মিলন করতে পারবেন?? পাঠক, এই ক্ষেত্রেও 2:223 আয়াতই প্রমাণ!!
বুঝতে পারেন নি, তাই না?? আচ্ছা ঠিক আছে, এই আয়াতটি দেখুন- ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَىٰ ۖ بَعْضُكُمْ مِنْ بَعْضٍ অনুবাদ হবে এমন-"পুরুষ হোক অথবা নারী, তারা একে-অন্যের সমান"(3:195)।
তার সঙ্গে এটাও দেখুন- هُنَّ لِبَاسٌ لَكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَهُنَّ অনুবাদ হবে এমন-"তারা [স্ত্রীরা] তোমাদের [পুরুষদের] জন্য পোষাক স্বরূপ, আর তোমরা [পুরুষরা] তাদের [স্ত্রীদের] জন্য"(2:187)।
এবার বুঝেছেন কি- ইসলামে পুরুষ ও মহিলা উভয়ই সমান?? মানে- যতক্ষণ না Special ভাবে উল্লেখ করা হয় কোনও হুকুম, ততক্ষণ ইসলামের সমস্ত হুকুমই পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্যেই!!
প্রশ্ন হবে- পৃথিবীতেও স্বামী-স্ত্রীর যৌনমিলনে কোনও ধরণের বাধা-নিষেধ নেই?? উত্তর সহজ- 2 টি ছোট্ট নিষিদ্ধতা আছে। আর তা হল- ১) Period অবস্থায় যৌনমিলন নিষিদ্ধ, ২) মলদ্বারে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ নিষিদ্ধ। এবার দলিল চাইবেন, তাই তো?? নিন-
وَ يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ ۖ قُلْ- هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ ۖ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং তারা কি আপনাকে Period সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে?? বলুন- তা [মহিলাদের জন্য] খুবই কষ্টদায়ক অবস্থা। এই সময়ে তোমরা স্ত্রীদের থেকে দূরে থাকও এবং তাদের নিকটেও যেও (যৌন মিলন করবে না] না, তারা যতক্ষণ পর্যন্ত না [এই রক্ত যুক্ত অবস্থা হতে] পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়"(2:222)।
দ্বিতীয় দলিল?? উত্তর সহজ- হাদীসে সহজলভ্য কিন্তু আমরা শুধু কোরান থেকেই উত্তর দিতে চাইছি, তাই হাদীসে প্রবেশ করছি না। যাইহোক, এখন দলিল নিয়ে মন শান্ত করুন-
إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ شَهْوَةً مِنْ دُونِ النِّسَاءِ ۚ بَلْ أَنْتُمْ قَوْمٌ مُسْرِفُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয়ই তোমরা যৌন তৃপ্তির জন্য মহিলাদের বাদ দিয়ে পুরুষের কাছে এসে থাকও। তোমরা তো সীমালঙ্ঘন কারি জাতি"(7:81)।
উক্ত 7:81 আয়াতে লুত (আ)- এর জাতির কথা বলা হয়েছে। তারা সমকামী ছিলে, পক্ষান্তরে পায়ুকামিও। তারা সাধারণ মহিলাদের সঙ্গে যৌনমিলন করত না, তারা পুরুষদের মলদ্বার ব্যবহার করত!!
যাইহোক, উক্ত 7:81 আয়াত হতে- সমকামিতা, পায়ু কামিতা হারাম প্রমাণিত হয়। লুত (আ)- এর পেক্ষিতে সবচেয়ে করুণ অবস্থা বর্ণিত হয়েছে 11:77-79 আয়াত ত্রয়ে। আমি তো কেঁদে ফেলেছিলাম!!
প্রশ্ন হবে- জান্নাতেও কি হুরদের সঙ্গে যৌনমিলনে এই 2 ধরণের নিষিদ্ধতা থাকবে?? উত্তর সহজ- আচ্ছা সুধী পাঠক, আপনার কি মনে হয় যে, হুরদের সঙ্গে যৌন মিলনেও কি এই 2 ধরণের নিষিদ্ধতা থাকবে?? চলুন দেখি, কোরান কি বলে-
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরাই তোমাদের সবচেয়ে নিকট বর্তী সহযোগী পৃথিবী ও পরকালে। আর সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে তোমাদের মন যা চায়, যা দাবি করবে, সেই সব কিছু"(41:31, 16:31)।
তবে, এখন বড় কথা হল- আপনি কি জান্নাতে প্রবেশ করবেন?? আর যদি আল্লাহর দয়ায় প্রবেশ করেনও, তখন পৃথিবী যৌনমিলনের 2 টি নিষিদ্ধ বিষয় সেখানে কামনা করবেন??
যদি আমার কথা বলেন, তাহলে বলব- আমি এ সব কামনা করব না, পৃথিবীতেও করি না!! হাঁসির কথা কি জানেন- যা অনুমোদিত, সেটাই করতে পারি নি। বৌ নেই যে!! সুতরাং যার অনুমোদন নেই, তা ভাবা নেহাতই বোকামি। তার চেয়ে ভাল এখন পড়া-শোনা করি!!
প্রশ্ন হবে- পৃথিবীতে স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের যৌনাঙ্গ চোষন করতে পারবে?? এ ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর স্তন যুগল চোষন করতে পারবে?? আচ্ছা পাঠক, আপনার কি মনে হয়??
যাইহোক, উত্তর খুব সহজ- যৌনমিলনে নিষিদ্ধতা মাত্র 2 টি, যা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনও কিছু হারাম নয়, Porn movie তে যা যা দেখে ছেন, সবই করতে পারেন!!
প্রশ্ন হবে- Threesome বৈধ?? এ প্রশ্নের খুবই উত্তর সহজ- Threesom বলতে যদি 1 জন স্বামী এবং তার 2 স্ত্রী, তাহলে বৈধ। যদি 3 বা 4 স্ত্রীও হয়, তাহলেও বৈধ!!
প্রশ্ন হবে- উপরের 2 টি উত্তরের পেক্ষিতে দলিল নেই কেন?? উত্তর সহজ- ভাবলাম হয়ত যে, 2:223 আয়াত টা আপনার মনে আছে, তাই এখানে আয়াতটি নিয়ে আসি নি। ভাবলাম- বুঝে নেবেন!!
এখন আপনি যে Quality বিহীন বোকা, তা আমরা জানব কিভাবে?? যাইহোক, দলিল উপরে গিয়ে দেখে নিন!! এখন প্রশ্ন হবে- Threesome বৈধ, তার দলিল কোথায়?? পাঠক, এতদিনে হোসেন কুরানীকে এই টুকু চিনলেন??
আচ্ছা, আপনি কি জানেন না যে, হোসেন কুরানী মানেই হল- দলিল?? হোসেন কুরানী থাকবেন, আর দলিল থাকবে না, তা কি হয়?? এমনটা কি কখনও হয়েছিল?? তা কি কখনও হতে পারে??
প্রশ্ন হবে- এত Dialogue না মেরে, দলিল দিন না!! উত্তর সহজ- দলিল 2:223 আয়াতই!! বুঝতে পারেন নি মনে হয়, তাই না?? হোসেন কুরানী আছেন তো, উনি বোঝাবেন, চিন্তা করছেন কেন??
নিন- نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّىٰ شِئْتُمْ● এখানে ব্যবহৃত আরবি শব্দ نساء (নিসা), যা বহুবচন, যার অর্থ হল- স্ত্রীগণ (একাধিক স্ত্রী, শুধু স্ত্রী নয়)। আরও একবার দেখুন- نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّىٰ شِئْتُمْ অনুবাদ হবে এমন-"স্ত্রীগণ তোমাদের জমি। তোমাদের জমিতে তোমরা যেভাবে ইচ্ছা গমন করও"(2:223)।
পাঠক, তাহলে একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে একত্রে যৌন মিলন হালাল বা বৈধ প্রমাণ করলাম তো?? এখন প্রশ্ন হবে- একটা পুরুষ কি এক সঙ্গে 2/ 3/ 4 স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারবে??
উত্তর সহজ- নিজের দিকে বিচার করে বলতে পারব যে, একত্রে 2/ 3/ 4 জন স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে, প্রতি রাতে সম্ভব হবে না। প্রতিরাতে 2 জন স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করা সম্ভব!!
সুতরাং যদি একত্রে 2 জন স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারবেন বলে মনে হয়, তবেই একত্রে 2 জন স্ত্রী সঙ্গে নিয়ে যৌনমিলনে রত হবেন। নয়ত বৌয়ের "লাথি খাওয়া" ছাড়া উপায় থাকবে না!!
এখানে হাঁসির কথা হল- বর্তমানে যেভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রোজগার বাড়ার জায়গায় কমে গেছে, একজন স্ত্রীকে চলাই দুষ্কর। সেখানে 2 জন স্ত্রীর কল্পনা শুধু গাঁজা খেয়েই সম্ভব!!
আরও হাঁসির কথা হল- হোসেন কুরানীর 1 টা বৌই নেই, তিনি আবার কথা বলছেন 4 জন স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণের!! Comedy'র একটা সীমা থাকে কুরানী সাহেব!!
প্রশ্ন হবে- Porn movie তে যা যা দেখতে পাওয়া যায়, জান্নাতে হুরদের সঙ্গে কি সবই করা যাবে?? উত্তর সহজ- আয়াতটি পরে দিচ্ছি। তবে, উত্তর হল- হ্যাঁ, করা যাবে কিন্তু আগে তো আপনাকে জান্নাতে যেতে প্রবেশ করতে হবে!! দেখুন-
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরাই তোমাদের সবচেয়ে নিকট বর্তী সহযোগী পৃথিবী ও পরকালে। আর সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে তা, তোমাদের মন যা চায়, যা দাবি করবে, সেই সব কিছু"(41:31, 16:31)।
এবার বলুন- তাহলে সালাতের প্রতি রাকাতে, ইমামের পিছনে হোক বা সামনে, সূরা ফাতিহা পড়বেন তো?? না পড়ার ক্ষতিটা বুঝতে পারছেন তো?? আচ্ছা, এখন প্রশ্ন হবে- জান্নাতের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ কি হুর??
এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, খুবই সহজ- না, জান্নাতের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ হুর নয়। প্রশ্ন হবে- তাহলে কি?? আয়াত টা দেখুন- لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَىٰ وَزِيَادَةٌ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"তাদের জন্য রয়েছে ভাল কাজের সুন্দর পরিণতি [জান্নাত] এবং [দয়াময়, করুণাময় আল্লাহর সাক্ষাৎ] উপরন্তু"(10:26)।
প্রশ্ন হবে- পবিত্র কোরানে এ রকম সরা-সরি কোনও আয়াত নেই?? উত্তর সহজ- আছে রে ভাই, আছে। খুব সুন্দর আয়াত আছে, দেখুন- وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ অনুবাদ হবে এমন-"সেদিন কিছু মুখ উজ্জ্বল হবে"(75:22)।
আর কি হবে?? দেখুন- إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةٌ অনুবাদ হবে এমন-"তারা তাদের দৃশ্যমান প্রভুর দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ ভাবে তাকিয়ে থাকবে"(75:23)। প্রশ্ন হবে- কেন এমন ভাবে তাকাবে??
উত্তর সহজ- প্রভুর দয়ার প্রতি প্রেম এবং প্রভুকে চোকে দেখার আকাঙ্ক্ষা। প্রশ্ন হবে- এখানে কি হোসেন কুরানী কোনও আয়াত আনতে পারবেন?? কি সব যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী পারেন না- এমন কি কিছু আছে মহাবিশ্ব সমূহে??
দেখুন- يَا أَيُّهَا الْإِنْسَانُ إِنَّكَ كَادِحٌ إِلَىٰ رَبِّكَ كَدْحًا فَمُلَاقِيهِ অনুবাদ হবে এমন-"হে মানুষ, নিশ্চয় তুমি কঠোর পরিশ্রম করে তোমার প্রভুর দিকে যাচ্ছ, অতপর তার সাথে সাক্ষাত লাভ করবে"(84:6)।
আসলে মানব ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশ্ন হল- আল্লাহ কি আছেন?? আর থাকলে তিনি কেমন?? কিন্তু সেদিন এ প্রশ্নের উত্তর মিলবে, তখন মানুষ প্রভুকে প্রাণ ভরে দেখবে না তো, কি করবে??
আরও দেখুন- إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহকারি"(10: 60)। তখন এই দয়ার প্রতি প্রেম প্রকাশের সময়, মানুষ তো প্রভুর দিকে তাকাবেই!!
বলুন তো- আপনি আপনার Girlfriend এর দিকে কি ভাবে এবং কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলেন?? যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- আল্লাহর দয়া বলতে, কেমন দয়া?? উত্তর সহজ- ওওওওহোওওওও আচ্ছা, এ প্রশ্নের উত্তর দিই নি, তাই না??
ঠিক আছে, দেখুন- ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنْتُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ تُحْبَرُونَ অনুবাদ হবে এমন-"তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করও এবং তোমাদের স্ত্রী দের/ সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে, তোমাদের পূর্ণ সন্তুষ্ট করা হবে"(43:70)। এই অনুগ্রহ, বুঝলেন??
প্রশ্ন হবে- জান্নাতে যদি স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীও যায়, তাহলে হুর আবার কেন, তাদের কাজ কি?? উত্তর খুব সহজ এবং অনেক গুলো উত্তর হতে পারে- ১) যাদের স্বামী বা স্ত্রী জান্নাতে যাবে না, তাদের জন্য।
২) মানুষের (অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলা) একটা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হল- তারা একাধিক Partner চায় কিন্তু যেন ইহ জগতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেই জন্যে আল্লাহ নিদিষ্ট নিয়ম-নীতি উপহার দিয়েছেন।
এ কারণে একাধিক Partner এর চাহিদা পৃথিবীতে পূরণ না হলেও, এই চাহিদা জান্নাতে আল্লাহ পূরণ করে দেবেন হুরদের দিয়ে- ইনশাআল্লাহ। এখন প্রশ্ন হবে- তা হলে জান্নাতে স্বামী বা স্ত্রী কি করবেন?? অথবা হুর তো জান্নাতে থাকবে, তাহলে আবার স্ত্রীর প্রয়োজন কি এবং কেন??
পাঠক, এ প্রশ্নের উত্তর খুব কঠিন মনে হচ্ছে?? খুবই কঠিন, তাই না?? কিন্তু এখানে খুশির খবর হল- উত্তর দিচ্ছেন হোসেন কুরানী, আর এটা তো সবাই জানেন যে, তার কাছে কঠিন বলে কিছু হয় না!!
সুতরাং চিন্তার কিছু নেই, কমপক্ষে 120 বছর 9 মাস মতো। কেননা, তার আগে তো হোসেন কুরানী মৃত্যুবরণ করছেন না!! তাহলে উত্তর?? উত্তর সহজ- ১) আল্লাহ কোথাও বলেন নি যে, হুরদের সঙ্গে আপনাকে যৌন মিলন 'করতেই' হবে!!
২) এবং কোথায় এও বলা হয় নি যে, জান্নাতে স্ত্রীর সঙ্গে যৌনমিলন করতে হবে বরং শুধু মাত্র আল্লাহ বলেছেন- ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنْتُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ تُحْبَرُونَ অনুবাদ হবে এমন-"তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করও ও তোমাদের স্ত্রী দের/ সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে, তোমাদের পূর্ণ সন্তুষ্ট করা হবে"(43:70)। আরও দেখুন-
جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَ أَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ●
অনুবাদ হবে এমন-"স্থায়ী জান্নাত। তাতে প্রবেশ করবে যে সৎকর্ম করবে, তার পূর্বপুরুষ, তার স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিরাও, যারা সৎকর্ম করবে"(13:23 এবং 40:9)।
তাহলে স্বামী বা স্ত্রীর কি হবে?? এ বিষয়ে পরে আসব ক্ষণ, এখন ছোট্ট মতো একটা কাহিনী বলব?? তিনি অর্থাৎ ★ ★ আমাকে বলতেন- আল্লাহ যেন আমাদের কে পৃথিবীতে মৃত্যু পর্যন্ত এক সঙ্গে রাখেন, তারপর জান্নাতে আবার মিলিয়ে দেন!! যাইহোক, উত্তর-
نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ۖ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَشْتَهِي أَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِيهَا مَا تَدَّعُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরাই তোমাদের সবচেয়ে নিকট বর্তী সহযোগী পৃথিবী ও পরকালে। আর সেখানে তোমাদের জন্য থাকবে- তোমাদের মন যা চায়, যা দাবি করবে, সেই সব কিছু"(41:31, 16:31)।
মানে হল- আপনি যা চাইবেন, তাই হবে। শুধুমাত্র স্বামী বা স্ত্রী যদি একত্রে থাকতে চান, তাও হবে। যদি আলাদা থাকতে চান, তাও পারবেন। যদি মাঝে-মধ্যে একত্রে, মাঝে-মধ্যে আলাদা থাকতে চান, সেটাও নিজ ইচ্ছা!!
প্রশ্ন হবে- আমার স্ত্রী (সত্যিই আমার নয়, আমার তো বৌ নেই, হয়ত কখনও হবে না) যদি হুরদের সঙ্গে যৌন মিলন করে, এটা কি ভাবে সহ্য করব?? বা কোনও মহিলার স্বামী যদি হুর দের সঙ্গে যৌনমিলন করে, সেটা কোনও মহিলা কিভাবে সহ্য করবেন??
উত্তর খুব সহজ- وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমার তাদের Brain হতে বের করে দেব হিংসা"(15:47)। আচ্ছা পাঠক, আর কি কোনও কিছু বলতে হবে??
প্রশ্ন হবে- হুর কেমন দেখতে?? উত্তর সহজ- এ প্রশ্নের উত্তরে কোরান কি বলেছে, তা অবশ্যই আপনাকে দেখাব কিন্তু যদি Instant জানতে চান যে, হুর কতটা সুন্দর হবে??
আপাতত এটাই বলতে পারি যে, নিচের ছবিটা দেখে নিন। যাইহোক, আল্লাহ হুরদের সৌন্দর্য কিভাবে বর্ণনা করেছেন, তা দেখুন- كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَكْنُونٌ অনুবাদ হবে এমন-"যেন তারা সুরক্ষিত ডিম"(37:49)। আচ্ছা আরও একটা আয়াত দেখুন- كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ অনুবাদ হবে এমন-"তারা যেন সুরক্ষিত মুক্তা"(56:23)।
আর কিছু বলতে হবে?? একটু বলি, হ্যাঁ?? আসলে 37:49 আয়াতে ব্যবহৃত بَيْضٌ مَكْنُونٌ শব্দদ্বয় দ্বারা এটা বোঝান হয়ে থাকে- প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সুন্দর। তাই আমাদের মনে হয় না যে, আর কিছু বলতে হবে!! আর হ্যাঁ, ★ ★'ও ছিলেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সুন্দর!!
প্রশ্ন হবে- এত যে হুর-হুর করছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে জান্নাতকে প্রমাণ করতে পারবেন?? উত্তর সহজ- হয়ত আপনি জানেন না যে, হোসেন কুরানী পারেন না, এমন কোনও কিছু মহাবিশ্ব সমূহে নেই!! এ প্রশ্নের এক্ষুনি উত্তর দিতে পারি কিন্তু দেব না। এ প্রশ্নের উত্তর আমরা 98 বা 99 তম পর্বে দেব- ইনশাআল্লাহ!!
যাইহোক, প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানীর জন্ম তারিখ থেকে 3 বের হচ্ছে কেন?? উত্তর সহজ- গত পর্ব অর্থাৎ পর্ব- 3 বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন- ইনশাআল্লাহ। তবে, এই লেখার শেষে গিয়ে আপনাকে বুঝে নিতে সাহায্য করব- ইনশাআল্লাহ!!
প্রশ্ন হবে- 3 ও 4 এর আর কোনও ব্যাখ্যা কি নেই?? উত্তর সহজ- আছে তো কিন্তু যদি আমরা শুধু 3 ও 4 এ এই লেখা সীমাবদ্ধ করে দিই, তাহলে আমরা 18 এর ব্যাখ্যা কিভাবে করব??
যাইহোক, কিছু ক্ষণ পর 3 ও 4 এর ব্যাখ্যা, তারপর 18'রও ব্যাখ্যায় এগিয়ে যাব। তার আগে আমরা দেখে নেব- আল্লাহ কেন Period অবস্থায় যৌনমিলন হারাম ঘোষণা করলেন??
১) পুরষাঙ্গ সরা-সরি রক্তের সংস্পর্শে না আসে। আর রক্তের সংস্পর্শে এলে কি হবে জানেন?? ক) মহিলার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছিল, তা বাধা প্রাপ্ত হবে, খ) এতে মহিলার বিভিন্ন রোগ থেকে শুরু করে জরায়ু Cancer পর্যন্ত হতে পারে।
গ) পুরুষও একাধিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং পুরুষাঙ্গে ঘা থেকে শুরু করে Cancer পর্যন্ত হতে পারে, ঘ) ফলত মহিলার জরায়ু এবং পুরুষের লিঙ্গ কেটে বাদ দেওয়া পর্যন্ত হতে পারে!!
একটা হাঁসির কথা বলব?? মহিলার যদি জরায়ু কেটে বাদ দেওয়া হয়, তবুও তো তিনি যৌনমিলন করতে পারবেন, শুধু সন্তান জন্ম দানে অক্ষম হয়ে পড়বেন কিন্তু পুরুষের যদি লিঙ্গ কেটে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে তো "খেলা" শেষ। তা তো 2021 এর পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা ভোট নয় যে, খেলা হবে!! সুতরাং পুরুষরা সাবধান!!
২) মহিলার অত্যাধিক শারীরিক কষ্ট ও যন্ত্রণা হতে পারে, ৩) মহিলার বিভিন্ন মানসিক রোগ সহ যৌন মিলনে বিরক্তি আসতে পারে, ৪) পুরুষেরও যৌন মিলনে বিরক্তি আসতে পারে, ৫) ফলত বিবাহ জীবন ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আর যদি সন্তান থাকে, সঙ্গে তাদেরও জীবন ধ্বংস হয়ে যেতে পারে!!
যাইহোক, এবার তাহলে 3 ও 4 এর ব্যাখ্যায় এগিয়ে যাই, না কি?? হ্যাঁ, দেখুন- ৯) 3+ 4= 7, এ তো সবাই জানে, তাই না?? প্রশ্ন হবে- এই 7 এর অর্থ কি?? উত্তর সহজ- 7 এর অর্থ 7 নং সূরা আরাফ।
তবে, 7 এর অন্য অর্থ- হোসেন কুরানী, তা যেন ভুলে যাবেন না!! যাইহোক প্রশ্ন- কি আছে সূরা আরাফে?? উত্তর সহজ- সূরা আরাফে আছে তো অনেক কিছু কিন্তু আমরা শুধু 3 ও 4 এর ব্যাখ্যায় আলোচনা সীমা বদ্ধ রাখব। ঠিক আছে, দেখুন-
اتَّبِعُوا مَا أُنْزِلَ إِلَيْكُمْ مِنْ رَبِّكُمْ وَلَا تَتَّبِعُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ ۗ قَلِيلًا مَا تَذَكَّرُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অনুসরণ করও, যা তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের উপর অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং অনুসরণ করও না, তা ছাড়া অন্য অভিভাবক দের কিন্তু তোমরা তো খুব কমই উপদেশ গ্ৰহণ করে থাকও"(7:3)।
পাঠক, এখনও অবাক হন নি, তাই না?? অবাক হতে ভাল লাগে আপনাকে?? অবাক হবেন?? তাহলে শুধু এত টুকু যথেষ্ট যে, 7:3 আয়াতের উত্তর নাবী (সা)- কে দিতে বলেছেন এভাবে- قُلْ إِنَّمَا أَتَّبِعُ مَا يُوحَىٰ إِلَيَّ مِنْ رَبِّي অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, অনুসরণ করি সেই ওহীর, যা আমার প্রভুর পক্ষ থেকে আমার প্রতি করা হয়েছে"(7:203)।
শুধু এই টুকু নয়, অবাক হওয়ার পালা এখানেই শেষ নয়, দেখুন- 7:203 আয়াতটি সূরা আরাফের শেষ থেকে 4 নং আয়াত। এবার অবাক হয়েছেন তো?? 3 ও 4 এর এই ব্যাখ্যা আপনাকে কেমন লাগল??
দাঁড়ান আরও আছে যে!! এবার আমরা শেষ থেকে 3 নং আয়াতটি দেখব এবং প্রথম থেকে 4 আয়াতটি দেখব। এখানেও আছে এমন তথ্য, যা আপনাকে অবাক করে দেবে। চলুন তাহলে, আয়াতটি এবার দেখা যাক- وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُوا لَهُ وَأَنْصِتُوا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং যখন পাঠ করা হয় কোরান, তখন তা শোনও এবং চুপ থাকও। তাহলে হয়ত দয়া প্রাপ্ত হবে"(7:204)।
প্রশ্ন হবে- যদি না শুনি এবং যদি চুপ না হই, তাহলে কি হবে?? উত্তর সহজ- আয়াতটি দিচ্ছি, নিজেই পড়ে নিন- وَكَمْ مِنْ قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَاهَا فَجَاءَهَا بَأْسُنَا بَيَاتًا أَوْ هُمْ قَائِلُونَ অনুবাদ হবে এমন-"এবং আমরা কত জনপদ ধ্বংস করেছি। তাদের উপর আমাদের শাস্তি হঠাৎ এসেছিল রাতে অথবা তারা বিশ্রামরত ছিল দুপুরে"(7:4)।
না শুনলে বা না চুপ থাকার পরিণতি দেখেছেন তো?? প্রশ্ন হবে- তাহলে ইমামের পিছনে সূরা পাঠ করব কি ভাবে?? উত্তর সহজ- 1 ও 2 নং পর্বে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি তো!!
অর্থাৎ 15:87 অনুযায়ী- আপনাকে সূরা ফাতিহা পড়তেই হবে। তবে, ইমামের পিছনে মনে-মনে পড়তে হবে। কারণ, 7:204 থেকে অবগত হলাম যে, ইমামের সূরা ফাতিহা পাঠ শুনতে হবে। নয়ত 7:4 অনুযায়ী- শাস্তি হতে পারে!! বুঝেছেন??
না, না, এখনও শেষ নয়, আপনাকে আরও অবাক হতে হবে এখন। দেখুন- 7:3 এবং 7:203, 7:204 এবং 7:4, কিছু বুঝলেন পাঠক?? ভাবুন, ভাবুন, অবশ্যই বুঝতে পারবেন!!
আরও দেখুন- 7+ 3= 10= 1+0= 1 এবং 7+ 2+ 0+ 3= 12= 1+ 2= 3, 7+ 2+ 0+ 4= 13= 1+ 3= 4 এবং 7+ 4= 11= 1+ 1= 2. তাহলে কি হল?? প্রথম অংশ থেকে বের হয়েছে- 1 ও 3 এবং দ্বিতীয় অংশ থেকে বের হয়েছে- 4 ও 2, কিছু বুঝলেন??
অর্থাৎ 1- 3= 2 এবং 4- 2= 2, বুঝতে পারছেন তো?? অর্থাৎ এখানে আমরা 4 টি আয়াত দেখেছি, যা মূলত 2 টি। পাঠক, এবার একটু Dialogue মারি, হ্যাঁ?? এই অবাক করা তথ্যটি আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারাম খোরগণ কিয়ামতের পূর্বে আপনাকে জানাতে সক্ষম হতেন??
অন্য ভাবে দেখুন- 1× 3× 4× 2= 24= 2 ও 4, কিছু বুঝলেন?? মনযোগ সহ পড়ুন, নয়ত শুধু পড়া হবে। বোঝা হবে না, বোঝা কম, গোঁজা বেশি হবে!! আচ্ছা পাঠক, 3 ও 4 এর ব্যাখ্যা এ পর্যন্তই থাক, হ্যাঁ??
প্রশ্ন হবে- গিলমান কি?? তাদের কাজ কি?? উত্তর সহজ- وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ غِلْمَانٌ لَهُمْ كَأَنَّهُمْ لُؤْلُؤٌ مَكْنُونٌ অনুবাদ হবে এমন-"ঘুরতে থাকবে তাদের কাছে 'গিলমান বা কিশোররা' তাদের সেবার জন্য। তারা যেন সুরক্ষিত মুক্তার মতো"(52:24)।
অর্থাৎ গিলমান হল- আল্লাহর ভিন্ন এক সৃষ্টি, যা শুধু জান্নাতিদের সেবার জন্য নিয়জিত থাকবে। এ বিষয়ে আরও কাছা-কাছি একটি আয়াত আছে, আর তা আছে- 76:19 আয়াতে।
প্রশ্ন হবে- নাস্তিকরা বলে যে, Homosexually'র জন্য ব্যবহৃত কিশোরদের গিলমান বলা হয়, এটা কত টুকু সত্য?? উত্তর সহজ- সব টুকুই মিথ্যা। গিলমানদের কাজ কি, 52:24 ও 76:19 আয়াতে বলা হয়েছে!!
প্রশ্ন হবে- নাস্তিকরা বলেন যে, জান্নাত ও বেশ্যালয়ের মধ্যে পার্থক্য কি?? উত্তর সহজ- বিজ্ঞানী Newton এর 3ʳᵈ law of motion সম্পর্কে কিছু জানেন?? সেখানে বলা হচ্ছে- For every action, there is an equal and opposite reaction.
অর্থাৎ খুবই Simple একটা বিষয়। আপনি (নাস্তিক) পৃথিবীতে বেশ্যালয়ে পড়ে থাকেন, তখন আমি/ আমরা সংযত হয়ে জীবন-যাপন করি। এখন বিজ্ঞান অনুযায়ী- এই ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া হওয়াটা তো সাধারণ এবং স্বাভাবিক ব্যাপার!!
তাই আমি (মুমিন পুরুষ) জান্নাতে হুর উপভোগ তো করবই, একজন মহিলা (মুমিনা মহিলা) জান্নাতে হুর উপভোগ তো করবেই। এতে অবাক হওয়ার তো কিছু নেই!! আপনি (নাস্তিক) অবাক হচ্ছেন কেন??
এ ছাড়াও বেশ্যালয় তাকে বলে, যেখানে বিবাহ ছাড়া যৌনতা হয় কিন্তু হুরদের সঙ্গে জান্নাতে তো আমাদের বিবাহ হবে। সুতরাং তা বেশ্যালয় হয় কিভাবে?? মনে হয়- আপনি (নাস্তিক) বেশ্যালয়ে পড়ে থেকে-থেকে সব কিছুকে বেশ্যালয় ভাবতে শুরু করেছেন!!
হাঁসির কথা হল- অন্যান্য মুমিন/ মুমিনা ও মুসলিম/ মুসলিমারা শুধু অবৈধতায় সংযত থাকেন কিন্তু হোসেন কুরানীকে আবার প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই সংযত জীবন-যাপন করতে হয়। কারণ, তার তো আবার বৌও নেই!!
সুধী পাঠক, এবার আমরা প্রসঙ্গ পরিবর্তন করতে চাইছি। আচ্ছা, আপনার মনে আছে কি- দ্বিতীয় পর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কি ছিল?? তা মনে হয় এটা ছিল- সূরা ফাতিহায় 18 টি অক্ষরের দ্বারা গঠিত 1 নং আয়াতে 4 টি শব্দ কেন এবং প্রার্থনার 4 টি আয়াতে 18 টি শব্দ কেন??
পাঠক, এই প্রশ্নটিই ছিল তো?? আচ্ছা, উত্তরটা কি ছিল, তা মনে আছে?? যদি মনে না পড়ে, তা হলে এখন পড়তে যাওয়ার দরকার নেই, আমরা Copy করে নিয়ে আসছি, আপনি পড়ে নিন-
মানে- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতি পালক"(1:1)। উক্ত Arabic text এ 18 টি হারাফ বা অক্ষর রয়েছে।
যেহেতু 18 টি হারাফের সাহায্য গঠিত আয়াত/ বাক্যে বলা হচ্ছে- সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতি পালক। তাই 18 টি শব্দ দিয়ে শেষ 4 টি আয়াতে তার কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে!!
পাঠক, আপনি অবাক হন নি?? কি রে ভাই, এত চমৎকার একটা তথ্য দিলাম অথচ আপনি অবাকই হন নি?? ধূররর ভাই, ভাল লাগে না, যান। মনটাই খারাপ হয়ে গেল!!
হ্যাঁ, এখানে একটা প্রশ্ন হবে- শেষ 4 টি আয়াতই কেন দেখব?? সন্দেহ নেই যে, প্রশ্নটি কঠিন কিন্তু মনে রাখার বিষয় হল- যেখানে হোসেন কুরানী থাকেন, সেখানে কঠিন বলে কিছু থাকে না!! তাই না পাঠক??
ঠিক আছে, তাহলে দেখুন- শেষ 4 আয়াতেই কেন দেখতে হবে!! এ প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আপনাকে আবারও দেখতে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ আয়াতটি। প্রশ্ন হবে- কি আছে এই আয়াতে??
দেখুন- (4) الْحَمْدُ (1) لِلَّهِ (2) رَبِّ (3) الْعَالَمِينَ● এবার বলুন- কিছু বুঝলেন, কেন শেষ 4 আয়াতেই সঙ্গেই 1:1 আয়াতের মিল?? কারণ, 1:1 নং আয়াতের 4 টি শব্দ সংখ্যাই নির্দেশ করছে শেষ 4 আয়াতকে। এবার মাথায় ঢুকেছে?? ঢুকেছে, তাই না বলুন??
আচ্ছা পাঠক, ভাবুন- যদি 25.12.1991 এ হোসেন কুরানীর জন্ম না হতো, তাহলে এই তথ্য আপনাকে কে দিত?? আছেন পৃথিবীর উপরে কোনও সম্মানিত হারাম খোর, যিনি আপনাকে এই তথ্য গুলো দিতেন??
সুধী পাঠক, মনে পড়েছে?? এখন প্রশ্ন হবে- এখানে তো মাত্র 1 টা কারণ দেখান হয়েছে, আর কোনও কারণ আছে?? উত্তর সহজ- হোসেন কুরানী আছেন তো, তা হলে কারণও আছে!!
২) যখন বলা হচ্ছে- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, [কেননা] তিনি মহাবিশ্ব সমূহের প্রতি পালক"(1:1), তখন প্রশ্ন হবেই যে, সেই আল্লাহর সংজ্ঞা কি, যার কাছে 18 টি শব্দে প্রার্থনা করে চলেছি??
সেই প্রশ্নের উত্তর আল্লাহ দিয়েছেন পবিত্র কোরানের 112 নং সূরায় 4 টি আয়াতে, এভাবে- قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
অনুবাদ হবে এমন-"বলুন যে, তিনি আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়"(112:1)।
আরও দেখুন- اللَّهُ الصَّمَدُ অনুবাদ হবে এমন-"আল্লাহ কারও উপর নির্ভরশীল নন, তিনি অমুখাপেক্ষী"(112: 2)। আরও দেখুন- لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ সঠিক অনুবাদ হবে এমন-"তিনি কাউকে জন্ম দেন নি, তাকেও জন্ম দেওয়া হয় নি"(112:3)। আরও দেখুন- وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ অনুবাদ হবে এমন-"এবং তার সমতুল্য কেউই কোথাও নেই"(112:4)।
প্রশ্ন হবে- আল্লাহ যে অদ্বিতীয় , তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে?? উত্তর সহজ- গত দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্বে এ সম্পর্কে আলোচনা করছি, তাই এখন আবার সময় নষ্ট করতে চাই না!!
প্রশ্ন হবে- আল্লাহ কেন কারও উপর নির্ভরশীল নন এবং তিনি কেন অমুখাপেক্ষী?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, যাকে বলে খুবই সহজ- هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ অনুবাদ হবে এমন-"তিনি অভাবমুক্ত ও প্রশংসিত"(35:15)।
আমার জানা মতে- এই (هُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ) আয়াত কোরানে কমপক্ষে 15 বার ব্যবহৃত হয়েছে। আচ্ছা যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- তিনি কেন কাউকে জন্ম দেন নি এবং তাকে কেন কেউ জন্ম দেন নি??
পাঠক, এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর কখনও কাউকে দিতে দেখেছেন?? আচ্ছা, Dialogue যেহেতু মারছি, তা হলে আমাদের বোন সাহেনারা (ছোট'র) সঙ্গে একজন এর কথোপকথন উল্লেখ করি, হ্যাঁ?? Messenger এ কেউ একজন ছোট'কে জিজ্ঞাসা করলেন- এই হোসেন কুরানী কে??
সাহেনারা তাকে উত্তর দিয়েছেন- Genious কাকে বলে জানেন?? তিনি বললেন- হ্যাঁ, যেমন বিজ্ঞানী Einstein, Hawking ইত্যাদি। সাহেনারা তাকে বললেন- এই সমস্ত Genious দের জ্ঞান যেখানে থেমে যায়, তার পর থেকে যিনি শুরু করতে পারেন, তিনিই হোসেন কুরানী!!
প্রশ্ন হবে- কেন আল্লাহকে কেউ জন্ম দিতে পারেন না?? তার জন্ম হয় নি, এর বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি কি?? আর তিনি কেন কাউকে জন্ম দেন নি?? পাঠক, এই প্রশ্ন গুলো আলিমদের মাথায় কখনও এসেছিল/ আসে?? না, আসে নি কখনও, আসতেই পারে না!!
তাই তাদের থেকে এ প্রশ্ন গুলোর উত্তর আশা করা নেহাতই বোকামি!! তাই না?? আলিমগণ উত্তর না দিতে পারলেও হোসেন কুরানী তো আছেন, সুতরাং দেখুন-
ক) সৃষ্টি হওয়া বা জন্ম হওয়া সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়, তাই না?? কিন্তু আল্লাহ তো নিজেই সময়, তিনি কিভাবে সময়ের গন্ডিতে আবদ্ধ হবেন?? বরং সৃষ্টিকুল সময়ে আবদ্ধ। তাই না?? দেখুন-
قَالَ- رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم• قَالَ اللَّهُ- يَسُبُّ بَنُو آدَمَ الدَّهْرَ، وَأَنَا الدَّهْرُ، بِيَدِي اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ●
অনুবাদ হবে এমন-"রাসুল [সা] বলেছেন যে, আল্লাহ বলেন- আদম সন্তান সময়কে গালি দেয় অথচ আমিই সময়, দিন-রাতের পরিবর্তন আমারই হাতে"(বুখারী, কিতাবুল আদাব, হাদীস 6181)।
প্রশ্ন হবে- কিন্তু বিজ্ঞানীগণ তো বলেন যে, Big bang এর ক্ষণে সময় সৃষ্টি হয়েছে!! এখন হোসেন কুরানী কি বলবেন?? আচ্ছা, আপনি কিভাবে ভাবলেন- হোসেন কুরানী থেমে যাবে??
আপনি কি জানেন না- বিজ্ঞানের জ্ঞান যেখানে থেমে যায়, তার পর থেকে যিনি শুরু করতে পারেন, তার নাম হোসেন কুরানী?? তাহলে এতদিনে এই চিনলেন হোসেন কুরানীকে?? নিচের Link যান, উত্তর রয়েছে-
খ) প্রশ্ন ছিল- আর তিনি কেন কাউকে জন্ম দেন নি?? তাই তো গো, না কি?? আচ্ছা পাঠক, আলিমগণ এ প্রশ্নের কি ধরণের উত্তর দিতেন?? যদিও এ প্রশ্নের উত্তর সহজ, দেখুন-
بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ أَنَّىٰ يَكُونُ لَهُ وَلَدٌ وَلَمْ تَكُنْ لَهُ صَاحِبَةٌ ۖ وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টিকারী। কিভাবে তার সন্তান হবে, তার তো স্ত্রী/ সঙ্গিনী/ সঙ্গী নেই!! তিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সৃষ্টি সম্পর্কে সব কিছু জানেন"(6:101)। পরবর্তী আয়াতটি এর সঙ্গে পড়ুন-
بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَإِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টিকারী স্রষ্টা। যখন তিনি কিছু করতে চান, তখন শুধু নির্দেশ দেন এবং বলেন- হও, তখন হয়ে যায়"(2:117)।
অর্থাৎ তিনি সন্তান জন্ম দেবেন কিভাবে, তার তো স্ত্রী/ সঙ্গী/ সঙ্গীনি নেই। তিনি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি কারী স্রষ্টা, তাই তিনি সব কিছু আদেশের মাধ্যমে সৃষ্টি করবেন, জন্ম দেবেন কেন??
গ) কেন তিনি সন্তান জন্ম দেবেন?? বংশ বিস্তার করার জন্য (নাউযুবিল্লাহ)?? তিনি জন্ম হন নি, তাহলে তিনি কেন সন্তান জন্ম দেবেন?? এছাড়াও এই আয়াত টি দেখুন- اللَّهُ أَنْ يَتَّخِذَ وَلَدًا لَاصْطَفَىٰ مِمَّا يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ অনুবাদ হবে এমন-"আল্লাহ যদি সন্তান গ্রহণ করতে চাইতেন, তাহলে তার সৃষ্টিকুলের মধ্যে যাকে ইচ্ছা গ্ৰহণ [জন্ম দেবেন কেন??] করতেন"(39:4)। এখানেই শেষ নয়, আরও দেখুন-
مَا كَانَ لِلَّهِ أَنْ يَتَّخِذَ مِنْ وَلَدٍ ۖ سُبْحَانَهُ ۚ إِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ●
অনুবাদ হবে এমন-"সন্তান গ্ৰহণ করা আল্লাহর জন্য কাজ [শোভনীয়ও] নয়, তিনি পবিত্র। যখন তিনি কিছু করতে চান, তখন শুধু নির্দেশ দেন ও বলেন- হও, তখন হয়ে যায়"(19:35, 92)।
ঘ) পাঠক, আমাদেরকে কি আর কিছু বলতে হবে, না কি বুঝে নিয়েছেন?? আমরা সন্তান কেন নিই কেন?? উত্তর সহজ- ১) যৌনতায় মত্ত হই, সন্তান স্ত্রীর গর্ভে সন্তান এসে যায়, তা মেনে নিতে হয়!! তাই না??
২) পিতা-মাতা হওয়ার প্রাকৃতিক আবেগ পূরণের জন্য, ৩) বংশ বিস্তার, ৪) বৃদ্ধ অবস্থার জন্য সহায়তা পেতে!! তাই না?? আচ্ছা, এবার বলুন- এই দুর্বলতা গুলো আল্লাহর আছে কি??
প্রশ্ন হবে- আল্লাহর সমতুল্য কেউ নেই কেন?? উত্তর সহজ কিন্তু তা শুধু হোসেন কুরানীর কাছেই, সম্মানিত হারামখোরদের কাছে নয়!! যাইহোক, এবার উত্তর দিই তাহলে??
দেখুন- لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ অনুবাদ হবে এমন-"তার মতো কোনও কিছুই নেই"(42:11)। এ জন্যই তার সমতুল্য কেউ নেই। পাঠক, এর চেয়ে সহজ উত্তর জীবনে আর কখনও শুনেছেন??
কিন্তু এ প্রশ্নেরও উত্তর আলিমগণের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরদের মুখ থেকে বের হয় নি 1500 বছর পরও!! তাহলে কি বলা যায় না যে, তাদের মাথার চেয়ে অনেক বেশি মূল্য ব্যাঙের ছাতার??
মাঝে-মধ্যে মনে হয়- তারাও যদি আলিম (জ্ঞানী) হন, তাহলে মূর্খ কে?? যাইহোক, 18 হারাফে 4 শব্দ এবং 4 আয়াতে 18 শব্দের দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি শেষ করলাম এবং তৃতীয় ব্যাখ্যা শুরু করব। দেখুন-
৩) পবিত্র কোরানে 4 টি এমন সূরা আছে, যার প্রথম শব্দ হল- قُلْ (কুল), যার অর্থ- বলও বা বলুন। সূরা গুলোর নাম জানেন তো?? ক) কাফিরুন, খ) ইখলাস, গ) ফালাক, ঘ) নাস।
৪) এবং প্রথম আয়াতে قُلْ (কুল) সূরা গুলোর প্রথম আয়াতে ব্যবহৃত শব্দ সংখ্যা 4 টি। চলুন তাহলে, দেখে নিই- (109:1)الْكَافِرُونَ ও أَيُّهَا ও يَا ও قُلْ● পরের আয়াত টি দেখুন- (112:1)أَحَدٌ ও اللَّهُ ও هُوَ ও قُلْ● পরবর্তী আয়াত- (113:1)الْفَلَقِ ও بِرَبِّ ও أَعُوذُ ও قُلْ● পরের আয়াত- (114:1)النَّاسِ ও بِرَبِّ ও أَعُوذُ ও قُلْ● দেখেছেন পাঠক??
৫) এবার সব গুলো আয়াত নং যদি যোগ করি, তা হলে 4 টি হয়, দেখুন- 109:1, 112:1, 113:1, 114:1 অর্থাৎ 1+ 1+ 1+ 1= 4, তাই না?? পাঠক, এবার একটা সুন্দর বিষয় লক্ষ্য করুন, যা আপনাকে দেখাব-
109+ 112+ 113+ 114= 448= 4+ 4+ 8= 16= 1+ 6= 7, তাই তো?? আরও দেখুন- 1+ 0+ 9+ 1+ 1+ 2+ 1+ 1+ 3+ 1+ 1+ 4= 25= 2+ 5= 7, তাই তো?? আচ্ছা পাঠক, আপনি কি বুঝতে পারছেন- এগুলো আসলে কি হচ্ছে??
বুঝতে পারছেন না, তাই না?? আসলে দোষ তো আপনার নয়, দোষ আলিমদের। যারা মানুষদের চিন্তা ভাবনাকে গত 1500 বছরে সংকীর্ণ করে দিয়েছেন। ফলত আমরা নতুন কিছু ভাবতেই পারি না!!
আমরা সূরা ফাতিহার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছিলাম তো, তাই না?? তাহলে 7 আসবে না তো, কি আসবে!! আর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও কুরানী বিশ্লেষণ করছেন কে?? হোসেন কুরানী, তাই না?? তাহলে 7 আসবে না তো, কি আসবে!! কেননা, হোসেন কুরানী মানেই 7, তা তো গত পর্বে দেখালাম!!
পাঠক, জানেন- এখন 09.04.2021 এবং রাত 3:40 বাজে। এখন মায়ের কথা খুব মনে পড়ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে এবং বুক যেন ভারি হয়ে উঠছে, আর চোখ দিয়ে পানি বের হচ্ছে!!
যদি এখন লক্ষণ পুরে থাকতাম, তাহলে হয়ত এখন কবরস্থানে যেতাম মায়ের কবর জিয়ারাত করতে কিন্তু আছি তো বড়গাছিয়ায়। তাই এখন কি আর করতে পারি!!
প্রায় 7 বছর হয়ে গেল মা নিজের হাতে ভাত খাইয়ে দেয় নি অথচ 23 বছর 2 বেলা মা তার নিজের হাতে ভাত খাইয়ে দিয়েছে!! আসলে আজ রোজা ছিলাম তো, সন্ধ্যায় ভাত খাওয়ার সময় থেকে মনে পড়ছে!!
আর লিখতে ভাল লাগছে না। ঘুম আসছে। ঘুমিয়ে যাই, আগামীকাল সকালে আবার লিখব। এখন সকাল 11:20 এবং 09.04.2021 তারিখ। এবার আমরা পূর্ব প্রসঙ্গে ফিরে আসতে চাইছি!!
আমরা জানি- আল্লাহ 1:1 আয়াতেই Multiverse বা বহুবিশ্ব সম্পর্কে বলেছেন। এও জানি যে, তা কেন বলে ছেন (দ্রঃ পর্ব- 1)। প্রশ্ন হবে- মহাবিশ্বের সংখ্যা যদি এত হয়ে থাকে, তাহলে Parallel universe বা alternate universe বা alternate reality বা সমান্তরাল মহাবিশ্ব সম্পর্কে কোরান কি বলে??
আমাদের জানা মতে- এ প্রশ্নের উত্তর প্রথমবারের মতো হোসেন কুরানীই দিয়েছেন, আজও দেবেন- ইনশা আল্লাহ। চমকে উঠছেন?? আপনার জন্য এ প্রশ্নের উত্তর নতুন হলেও, আমাদের এবং আমাদের পাঠকের জন্য নতুন নয়!! দেখুন-
أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّ اللَّهَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ قَادِرٌ عَلَىٰ أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ وَجَعَلَ لَهُمْ أَجَلًا لَا رَيْبَ فِيهِ فَأَبَى الظَّالِمُونَ إِلَّا كُفُورًا●
অনুবাদ হবে এমন-"তারা কি লক্ষ্য করে নি যে, আল্লাহ মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাদের [মহাবিশ্বের] অনুরূপ [Parallel universe] সৃষ্টি করেছেন/ করছেন/ করবেন?? তিনি তাদের [মহাবিশ্বের] জন্য একটি সময় [Big crunch] নির্ধারণ করে রেখেছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই কিন্তু জালিমরা অস্বীকার ছাড়া অন্য কিছুই করছে না"(17:99)।
এখানে নাস্তিক সাহেবরা বলবেন হয়ত- By chance এই আয়াত কোরানে এসে গেছে!! তাদের বলব- চিন্তা করবেন না, হোসেন কুরানী আছেন। তিনি আপনাদের জন্য এখনও 120 বছরের বেশিই আছেন- ইনশা আল্লাহ। সুতরাং দেখুন-
أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ ۚ بَلَىٰ وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ●
অনুবাদ হবে এমন-"নন কি [আল্লাহ], যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাদের [মহাবিশ্ব সমূহের] অনুরূপ [Parallel universe] সৃষ্টি করেন নি/ করছেন না অথবা করবেন না?? নিশ্চয়ই এবং অবশ্যই, তিনি মহাস্রষ্টা ও মহাজ্ঞানী"(36:81)।
নাস্তিক সাহেবদের আর কিছু বলার নেই, তাই না বলুন?? যাইহোক, প্রশ্ন হবে- আমরা জানি যে, আল্লাহ শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। এখনও যে সব মহা বিশ্ব গুলো সৃষ্টি হচ্ছে, তা কি শূন্য থেকেই?? আর এ বিষয়ে কোরান কি বলে??
না কি এত গভীর বিজ্ঞান বিষয়ক তথ্য কোরানে নেই?? হোসেন কুরানীর কাছে কি- নিশ্চিতরূপে এই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে?? হোসেন কুরানী নিয়ে আসতে পারবেন কোনও আয়াত??
হোসেন কুরানীর কথা পরে বলছি, আগে আলিমদের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরদের কথা বলি, হ্যাঁ?? গত 1500 বছরে তাদের তো আউকাত হল না এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার!!
আর রইল কথা হোসেন কুরানীর, এই প্রশ্নের উত্তর তিনি ছাড়া আর দেবেন কে?? অন্য কারও আউকাত আছে এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার?? যাইহোক, এবার উত্তর দেখুন-
أَوَلَيْسَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِقَادِرٍ عَلَىٰ أَنْ يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ ۚ بَلَىٰ وَهُوَ الْخَلَّاقُ الْعَلِيمُ●
অনুবাদ হবে এমন-"নন কি [আল্লাহ], যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাদের [মহাবিশ্ব সমূহের] অনুরূপ [Parallel universe] সৃষ্টি করেন নি/ করছেন না অথবা করবেন না?? নিশ্চয়ই এবং অবশ্যই , তিনি মহাস্রষ্টা ও মহাজ্ঞানী"(36:81)।
بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَإِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টিকারী স্রষ্টা। যখন তিনি কিছু করতে চান, তখন শুধু নির্দেশ দেন এবং বলেন- হও, তখন হয়ে যায়"(2:117)। এই ছাড়াও এ আয়াত রয়েছে 36:82 তে। তবে, একটু ভিন্ন ভাবে, দেখুন- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَنْ يَقُولَ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয়ই তিনি শুধু নির্দেশ দেন, যখন কোনও করতে চান। এই বলে যে- হও, আর তখন তা হয়ে যায়"(36:82)।
পাঠক, তাহলে কি বুঝলেন?? এটাই বুঝলেন তো, না কি যে- প্রথমবার মহাবিশ্ব শূন্য থেকে সৃষ্টি করা হয়ে ছিল এবং তারপর যেগুলো সৃষ্টি হয়েছে (পৃথিবীর সময় ধরে বলছি), যেগুলো হচ্ছে এবং হবে, সেগুলোও শূন্য থেকেই সৃষ্টি হবে??
তাহলে ঠিকই বুঝেছেন!! আর এ সম্পর্কে 36:81 ও 17:99 আয়াতে এবং 36:82 আয়াতে বিস্তারিত বলা হয়েছে, তাই তো?? এখন প্রশ্ন হবে- প্রথম মহাবিশ্ব সৃষ্টি প্রসঙ্গ বাদ দিলে, পরবর্তীতে যে মহাবিশ্ব গুলো সৃষ্টি হয়েছে, যেগুলো হচ্ছে এবং হবে, সে গুলো যে প্রথম সৃষ্টির মতো করেই সৃষ্টি করছেন, তার আর অন্য প্রমাণ কি পবিত্র কোরানে আছে??
হোসেন কুরানী কি পারবেন- প্রমাণ দিতে?? আয়াত নিয়ে আসতে?? না কি গত 1500 হাজার বছরে আলিম গণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ যেমন ম্যাও-ম্যাও করে গেছেন, হোসেন কুরানীও তেমন করবেন??
আররেহ না না, কি যে বলেন ভাই!! হোসেন কুরানীর সঙ্গে আলিমদের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোর দের তুলনা করছেন?? এ তো যেন- সূর্যের সঙ্গে মোমবাতির নয় বরং VY Canis Mejoris (VY ক্যানিস মেজোরিস) এর সঙ্গে মোমবাতির তুলনা করছেন!!
আচ্ছা, VY Canis Mejoris (VY ক্যানিস মেজোরিস) বলতে বুঝতে পারেন নি, তাই তো?? আসলে এই VY Canis Mejoris হল একটা নক্ষত্র, যা আমাদের সূর্যের চেয়ে 1540 গুণ বড়!!
আর এর ব্যাস 28000, 000, 00 (28 হাজার লক্ষ) কিমি এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব কমবেশি 5000 Light years বা আলোকবর্ষ (1 Light year= 9, 50, 000, 000, 00, 00 km)।
সেখানে সূর্যের ব্যাস মাত্র 13, 92, 000 (13 লক্ষ 92 হাজার) কিমি। এই VY Canis Mejoris নক্ষত্রের ব্যাস এভাবে কল্পনা করা যায়- ঘণ্টায় 900 কিমি গতিতে কোনও বিমান যদি একে প্রদক্ষিণ করা শুরু করে, তা হলে একে এক বার প্রদক্ষিণ করতে 1100 বছর সময় লেগে যাবে!!
এই VY Canis Mejoris নক্ষত্রের অবস্থান Canis Mejoris নক্ষত্রপুঞ্জে। এখনও পর্যন্ত আবিষ্কার হওয়া সবচেয়ে বড় নক্ষত্র এটি। আর আপনি আলিমগণের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরদের সঙ্গে হোসেন কুরানীর তুলনা করছেন??
এটা একেবারেই মানানসই নয়!! যাইহোক, এবার উচিৎ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, Dialogue অনেক হয়েছে বরং বলা ভাল- একটু বেশিই হয়ে গেছে!! আচ্ছা ঠিক আছে, আয়াতটি দেখুন-
وَهُوَ الَّذِي يَبْدَأُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ وَهُوَ أَهْوَنُ عَلَيْهِ ۚ وَلَهُ الْمَثَلُ الْأَعْلَىٰ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনিই [আল্লাহ], যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনিই আবার আগের মতোই সৃষ্টি করে ছেন/ করছেন/ করবেন। এটা তার জন্য খুবই সহজ। মহাবিশ্বে তার গুণাবলীই শ্রেষ্ঠ। তিনি মহাশক্তিধর ও বিজ্ঞানী"(30:11 ও 30:27)।
পাঠক, প্রমাণ পেয়েছেন?? এই 2 আয়াত যথেষ্ট, না কি আরও প্রমাণ (আয়াত) প্রয়োজন?? চিন্তা করবেন না, হোসেন কুরানী মানেই জীবন্ত কোরান!! শুধু কি প্রয়োজন, বলুন!! ঠিক আছে, সুন্দর একটা প্রমাণ দেখুন- أَفَعَيِينَا بِالْخَلْقِ الْأَوَّلِ ۚ بَلْ هُمْ فِي لَبْسٍ مِنْ خَلْقٍ جَدِيدٍ অনুবাদ হবে এমন-"আমরা কি প্রথম সৃষ্টিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি যে, তারা নতুন সৃষ্টি সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে আছে"(50:15)??
আমার মনে হয়- আর হয়ত প্রমাণের প্রয়োজন নেই যে, প্রথম মহাবিশ্ব সৃষ্টির মতো করেই পরবর্তী সৃষ্টি গুলো হয়েছে/ হচ্ছে/ হবে?? তাই না পাঠক?? এখন প্রশ্ন হবে- আয়াতে হঠাৎ আল্লাহ "ক্লান্ত" হওয়া বিষয়ে বললেন কেন??
আমরা এ বিষয়ে পরে আসব। এখন পাঠকদের প্রশ্ন করতে চাইছি- Parallel universe এবং তৎসংলগ্ন সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন?? উত্তর দিন, দিন উত্তর। কি হল?? ওওওও আচ্ছা, হ্যাঁ বলেছেন?? তাহলে ঠিক আছে!! এবার তাহলে উত্তর দিই??
ঠিক আছে, তাহলে দেখুন-"And on the seventh day God ended His work which He had done, and He rested on the seventh day from all His work which He had done"(Bible, NKJV, Book of Genesis- 2:2)। এই জন্য, এবার বুঝেছেন??
এ ছাড়াও পবিত্র কোরানে Genesis এর 2:2 Verse কে কোরানে সুন্দর ভাবে খন্ডন করা হয়েছে এবং তা এভাবে- اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ অনুবাদ হবে এমন-"আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব এবং মহা দায়িত্বের অধিকারী। তাকে স্পর্শ করে না ক্লান্তি এবং ঘুম"(2:255)।
এখন প্রশ্ন হবে- কেন আল্লাহকে ক্লান্তি এবং ঘুম স্পর্শ করে না?? পাঠক, এ প্রশ্নের উত্তরে পরে আসব। এখন আল্লাহকে একটা প্রশ্ন করতে চাই, তা হল- আচ্ছা আল্লাহ, ক্লান্তি এবং ঘুম না আসা তো শুধুমাত্র আপনার বৈশিষ্ট্য কিন্তু আমার কেন ঘুম আসে না?? কত দিন ওষুধের সাহায্যে ঘুম কিনে আনতে হবে??
পাঠক, এবার বলুন তো- কেন আল্লাহকে ক্লান্তি এবং ঘুম স্পর্শ করে না?? আমাদের জানা মতে- পৃথিবীতে এমন কোনও আলিম অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরের জন্ম হয় নি, যিনি এ প্রশ্নের বিজ্ঞানসম্মত উত্তর দিতে পেরেছেন!!
তবে, চিন্তা-ভাবনার দরকার নেই। হোসেন কুরানী আছেন কি জন্য?? আর হোসেন কুরানী উত্তর না দিলে উত্তর দেবেন কে?? আল্লাহ কি হোসেন কুরানী ছাড়া এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত আর কাউকে দিয়েছেন??
পাঠক, তাহলে উত্তর কি হবে গো?? উত্তর সহজ, খুব সহজ- সৃষ্টিতে "সৃষ্টিই" প্রধান, তা 2 ভাগে বিভক্ত। আর তা হল- ১) শক্তি, ২) পদার্থ। জীব হল- পদার্থ ও শক্তির (আত্মা বা রুহ বা প্রাণ, দ্রঃ 17:85) সমম্বয়ে গঠিত।
তাই জীব "ক্লান্ত" হয়ে পড়ে। আল্লাহ শক্তি ও পদার্থের ঊর্ধ্বে। তাই আল্লাহর ক্লান্তি আসবে কোথাও থেকে?? যদিও ফেরেস্তাও ক্লান্ত হয় না কিন্তু তারাও Photon (আলোর কণা) দ্বারাই সৃষ্ট। অপরদিকে আল্লাহ শক্তি ও পদার্থের ঊর্ধ্বে!!
প্রশ্ন হবে- 2:255 আয়াতে বলা হয়েছে যে, তিনি মহা দায়িত্বের অধিকারী। মহা দায়িত্ব বলতে আসলে কি?? উত্তর সহজ- وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ অনুবাদ হবে এমন-"তাকে ক্লান্ত করে না মহাবিশ্ব রক্ষনাবেক্ষনের দায় ও দায়িত্ব, তিনি সুউচ্চ ও সুমহান"(2:255)।
প্রশ্ন হবে- ফেরেস্তারা যে ক্লান্ত হয় না, হোসেন কুরানী এই তথ্য কোথায় থেকে পেলেন?? উত্তর সহজ- আপনি যদি কোরানকে ভূত তাড়াবার বই হিসাবে ব্যবহার করে থাকেন, তার দায় তো আর আমার নয়!!
আমরা তো মনে করি- কোরান গবেষণার বস্তু কিন্তু দুঃখের বিষয় হল যে, এই সত্য গত 1500 বছর ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যাইহোক ভাই, আয়াতটা দেখুন, যদি চিন্তায় পরিবর্তন আসে!! নিন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্নরা"(38:29)।
আর কোরানকে নিয়ে যারা গবেষণা করে না, তাদের উদেশ্যে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখে নিন- أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا অনুবাদ হবে এমন-"তারা কি পবিত্র কোরানকে নিয়ে গবেষণা করে না, না কি তাদের Brain lock করা আছে"(47:24)??
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য- আমাদের আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কোরান গবেষণা করা তো দূরের কথা, কোরান পড়ার উপরেও বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধতা চাপিয়ে দিয়েছেন!! সেই নিষিদ্ধতা গুলো আমরা 2 নং পর্বে আলোচনা করেছি, তাই না?? এবার উত্তর দেখুন-
وَلَهُ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَمَنْ عِنْدَهُ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"মহাবিশ্বে যা কিছু আছে, তা তো আল্লাহরই। আর আছে তার কাছে, তারা তার ইবাদত হতে বিমুখ হয় না এবং না ক্লান্ত হয়"(21:19)।
পাঠক, আর কোনও প্রমাণ লাগবে?? মনে হয়- আর লাগবে না, বলুন?? এখন প্রশ্ন হবে- আল্লাহ শক্তিও নয় এবং পদার্থও নয়, তাহলে আল্লাহ কি?? তিনি কি দিয়ে সৃষ্ট?? আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন??
যদি আল্লাহর স্রষ্টা না থাকে, তাহলে নেই কেন?? সব কিছুর তো স্রষ্টা আছে, তাহলে আল্লাহর স্রষ্টা থাকবে না কেন?? তাহলে কি আল্লাহ নিজে নিজেই সৃষ্ট?? এই সব প্রশ্ন গুলোর বিজ্ঞান সম্মত উত্তর কি হোসেন কুরানীর কাছে আছে??
কি যে বলেন!! হোসেন কুরানীর কাছে উত্তর থাকবে না তো, কার কাছে থাকবে?? আর হোসেন কুরানী উত্তর না দিলে এ সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে?? আল্লাহ কি হোসেন কুরানী ছাড়া এ সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত আর কাউকে দিয়েছেন??
প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুব সহজ, অতি সহজ- ১) আমরা জানি যে, সৃষ্টিতে "সৃষ্টিই" প্রধান, সৃষ্টি 2 ভাগে বিভক্ত। আর তা হল- ক) শক্তি, খ) পদার্থ। যেহেতু তিনি শক্তি বা পদার্থের ঊর্ধ্বে, তাই তিনি "সৃষ্টিই" নন। কারণ, সৃষ্টি মাত্রই তা শক্তি বা পদার্থ!! তাই না??
যাইহোক, তাহলে আল্লাহ কি?? তিনি কি দিয়ে সৃষ্ট?? আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন- এই তো?? প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুব সহজ, অতি সহজ- ২) তিনি যখন সৃষ্টিই নন, তাহলে তাকে সৃষ্টি করবেন কে??
যদি তিনি সৃষ্টি হতেন, তাহলে তার স্রষ্টা বলে কেউ একজন থাকত কিন্তু তিনি তো সৃষ্টিই নন!! আরও একটা বিষয় হল- তিনি যখন সৃষ্টিই নন, তাহলে কি দিয়ে সৃষ্ট, এই জিজ্ঞাসা শুধুমাত্র মূর্খতাই প্রকাশ করে মাত্র!!
যদি আল্লাহর স্রষ্টা না থাকে, তাহলে নেই কেন?? সব কিছুর তো স্রষ্টা আছে, তাহলে আল্লাহর স্রষ্টা থাকবে না কেন?? তাহলে কি আল্লাহ নিজে নিজেই সৃষ্ট- এই তো??
উত্তর সহজ- আল্লাহ সৃষ্টিই নন রে ভাই, তাহলে তার স্রষ্টা থাকবে কিভাবে?? আল্লাহ যদি সৃষ্টি হতেন, তাহলে অবশ্যই তার স্রষ্টা থাকত!! আর হ্যাঁ, সব কিছুর স্রষ্টা আছে, এ কথা ভুল বরং সঠিক হল- সব সৃষ্টির স্রষ্টা আছে!!
আল্লাহরও স্রষ্টা থাকতেন, যদি তিনি সৃষ্টি হতেন!! তা হলে এখন প্রশ্ন হবে- আল্লাহ কি নিজে নিজেই সৃষ্ট?? উত্তর সহজ- আল্লাহ সৃষ্টিই নন, নিজে নিজেও নন, অন্য কারও দ্বারাও নন!!
তাহলে আল্লাহ আসলে কি?? আচ্ছা পাঠক, বলুন তো এ প্রশ্নের উত্তর কি হতে পারে?? এখন আপনার পরীক্ষা, আপনাকে আলিমগণ গত 1500 বছরে কি শিখিয়েছেন, তার পরীক্ষা। উত্তর দিন!!
আর হ্যাঁ, আপনার উত্তরটা বিজ্ঞান সম্মত হতে হবে। আলিমদের মতো মুখে যা আসবে, তাই বলে দেবেন না!! যদি আপনি সঠিক উত্তর দেন, তাহলে প্রমাণ হবে যে, আলিমগণ আপনার কাছে দ্বীন পৌঁছেছেন। নয়ত এটা প্রমাণ হবে যে, তারা শুধু হারামখুরি করে গেছেন গত 1500 বছর ধরে!!
আপনি উত্তর দিতে না পারলেও, তাতে আপনার কোনও দোষ নেই, দোষ তো সম্মানিত হারামখোরদের। যারা দুর্ভাগ্যবশত আলিম নামে পরিচিত!! এটাই হল মুসলিম সমাজের লজ্জার বিষয় যে, আমাদের আলিম গণ এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে পারেন না, উপরন্তু কাফির ফাতুয়া দেওয়ার উস্তাদ!! এ প্রশ্নের উত্তর কিন্তু খুব সহজ, খুবই সহজ!! দেখুন-
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ• قَالَ- رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ• قَالَ اللَّهُ- يَسُبُّ بَنُو آدَمَ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ بِيَدِي اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ●
অনুবাদ হবে এমন-"আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসুল (সা) বলেছেন যে, আল্লাহ বলেন- সময় কে আদম সন্তানগণ গালা-গালি করে অথচ আমিই সময়, দিন ও রাতের পরিবর্তন আমারই হাতে"(বুখারী, কিতাবুল আদাব, হাদীস 6181)।
এবার বলুন- আল্লাহ আসলে কি?? সময়, তাই না?? বুঝতে সমস্যা হচ্ছে?? হওয়ার কথা!! আসলে গত 1500 বছরে আমাদেরকে না ইসলাম শেখান হয়েছে, আর না বিজ্ঞান!!
নিচের Link এ যান। সময়ই যে আল্লাহ, তার স্বরূপ কি- তাহলে হয়ত বুঝতে পারবেন!! তবে, বোঝার শর্ত হল- বিজ্ঞানের জ্ঞান থাকতে হবে, কমপক্ষে Msc না করলে কিছুই বুঝতে পারবেন না। তবুও দেখুন-
প্রশ্ন হবে- 2:255 আয়াতে আল্লাহ বলেছেন যে, তিনি মহাবিশ্ব রক্ষনাবেক্ষনের করেন কিন্তু কিভাবে তিনি রক্ষনাবেক্ষনের করেন?? কিভাবে তিনি মহাবিশ্ব সমূহ পরিচালনা করছেন?? আল্লাহ ফেরেস্তা দ্বারা কিভাবে কাজ করান- তার বৈজ্ঞানিক সত্যটা কতটা?? কোরান অবতরণের বৈজ্ঞানিক সত্যটা কতটা??
এ প্রশ্নের সাধারণ উত্তর- ফেরেস্তাদের দ্বারা কিন্তু এটা ভুল উত্তর!! যদিও এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, তবে তা শুধুমাত্র হোসেন কুরানীর কাছেই, আলিমদের কাছে এর চেয়ে কঠিন আর কোনও প্রশ্নই নেই!!
সুধী পাঠক, পরবর্তী পর্ব সমূহে এই ধরণের অবাক করা-অবাক করা হাজার-হাজার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে- ইনশাআল্লাহ। আপনি ততক্ষণ এই লেখাটা বার বার করে পড়ুন। আমরা পরবর্তী পর্ব লেখা শুরু করি, হ্যাঁ??
এ ছাড়াও কেন আল্লাহ ক্লান্ত হন না, তার বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এই পর্বে হল না, পরবর্তী পর্ব সমূহে হবে- ইনশাআল্লাহ। যদিও এই প্রশ্নের উত্তর খুবই সহজ এবং শিশু সুলভ!!
রুবেল ভাইয়ের 3 বার ধরে একই মহিলাকে বিয়ে করা স্ত্রী ফারিয়া রাহমান বর্ষা বলেছিলেন- Sir, আপনি সব আলিমদেরকে সম্মানিত হারামখোর বলেন কেন?? সবাই তো আর হারামখোর নন!!
উত্তর সহজ- সময় নেই, ছোট্ট করে বলি- সব আলিম সম্মানিত হারামখোর নন কিন্তু সব সম্মানিত হারাম খোরই আলিম!! যা খুবই দুঃখজনক, কষ্টের এবং খুব বেদনার!! এ ছাড়াও আমার জীবন ধ্বংস করেছ এই সম্মানিত হারামখোরগণই, তাদের যে জুতাপেটা করি নি, এটাই তাদের সৌভাগ্য!!
আর হ্যাঁ, বলে রাখি- আমরা এবার Video'র মাধ্যমে উত্তর দেওয়া শুরু করব, তাই লিখিত উত্তর হয়ত এবার আসতে অনেক সময় লাগবে। তবে, কোরানের গভীরে দৃষ্টি ও কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 99 পূর্ণ হবেই- ইনশা আল্লাহ!!
আর আল্লাহ চাইলে এই 99 পর্ব কখনও হয়ত বই আকারে বাজারে আসবে এবং এই বই হবে পৃথিবীর সবচেয়ে তথ্য বহুল বই- ইনশাআল্লাহ। আপনার এবং আপনাদের দুয়ার প্রার্থী। তবে, চাইলে বদ-দুয়াও করতে পারেন!!
কেননা, لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّه অনুবাদ হবে এমন-"নেই কোনও উপাস্য আল্লাহ ছাড়া"(37:35 ও 47:19)। এই ছাড়াও দেখুন- قُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ অর্থাৎ "বলুন যে, আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট"(39:38)। আর?? আমি হোসেন কুরানী, একজন মুসলিম এবং মুসলিম না হারতে পারে, না মরতে পারে, মুসলিম শুধুমাত্র জিততে পারে!!
প্রকাশকাল : 12.04.2021
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন: