কোরানের গভীরে দৃষ্টি ও কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 6

কোরানের গভীরে দৃষ্টি  ও  কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 6

  পাঠক, গত পর্বে যেখানে থেমে গিয়েছিলাম, ঠিক সেখান থেকেই শুরু করতে চাইছি- এটাই তো সবচেয়ে বেশি ভাল হবে, তাই না?? আমারা ছিলাম- পবিত্র কোরানে পবিত্র কোরান 5 টি আয়াতে কোরান/ 10 টি সূরা/ 1 টি সূরা রচনা করার Challenge দিয়েছে। তাই তো গো??

আর এটা আমরা এভাবে বের করেছিলাম- 12- 7= 5, তাই না?? আচ্ছা পাঠক, কোরান সর্বনিম্ন কত গুলো সূরা রচনা করার Challenge দিয়েছিল?? এ প্রশ্নের উত্তর‌ও আমরা ভিন্ন ভাবে বের করব- ইনশাআল্লাহ!!
আপনি শুধু দেখতে থাকুন- 1+ 2+ 7= 10= 1+ 0= 1, তাই না?? তাহলে বের করে ফেললাম তো?? পাঠক, কেমন লাগল আপনাকে?? ভাল লাগে নি?? আপনি কখনও কোরান নিয়ে এভাবে গবেষণা করেছেন??
পাঠক, 2 টি আয়াতে কোরান সমগ্র কোরান রচনা করার Challenge দিয়েছে, আর সেই আয়াত গুলো হল- 17:88 ও 52:34 আয়াত। তাই তো?? এবার খেলা দেখবেন??
দেখুন- 17+ 88= 105 এবং 52+ 34= 86, তাই না?? এবার দেখুন- 105+ 86= 191= 1+ 9+ 1= 11= 1+ 1= 2, তাই না?? আবার- 1+ 7+ 8+ 8+ 5+ 2+ 3+ 4= 38 = 3+ 8= 11= 1+ 1= 2, কি দারুণ, তাই না??
পাঠক, মাথায় ঢুকছে তো?? 11:13= 1+ 1+ 1+ 3= 6, আবার- 11+ 13= 24= 2+ 4= 6, সুতরাং 6 এ 6= 0, তাই না?? তাহলে কি হল?? 2:23, 10:38 থেকে 1 বের হল এবং 17:88, 52:34 থেকে 2, সুতরাং 1+ 2= 3.
মানে- মোট 5 টি আয়াতে 3 টি Challenge করা হয়েছে অর্থাৎ ১) 2:23, 10:38 এ 1 টি সূরা রচনার ও ২) 17:88, 52:34 এ গোটা কোরান এবং ৩) 11:13 তে 10 টি সূরা রচনার Challenge, বুজলে‌ন??
পাঠক, এবার যদি আমরা এভাবে গণনা করি, তাহলে হবে- 17:88 তে 114 টা সূরা, 52:34 এ 114 টা সূরা,11:13 তে 10 টি সূরা, 2:23 এ 1 টি সূরা এবং 10:38 এ 1 টি সূরা।
অর্থাৎ 114+ 114+ 10+ 1+ 1= 140= 1+ 4+ 0= 5, সুবহান‌আল্লাহ। পাঠক, আপনি বুঝতে পারেন নি, তাই না?? নয়ত আপনি‌ও বলতেন- সুবহান‌আল্লাহ!! একটু মনযোগ দিন, বুঝতে পারবেন- ইনশাআল্লাহ!!
সব শেষে 5 কেন এল বলতে পারবেন?? কারণ, 5 বার পবিত্র কোরানে মুহাম্মাদ (সা)- এর নাম ব্যবহার করা হয়েছে!! কি চমৎকার, তাই না?? প্রশ্ন হবে- এই 5 এর আর কোনও অর্থ আছে??
থাকত না, যদি হোসেন কুরানী না থাকত!! যেহেতু হোসেন কুরানী আছেন, সেহেতু অর্থ‌ও আছে- ইনশা আল্লাহ!! এই 5 এর অর্থ হল- 5 নং সূরা। প্রশ্ন হবে- কি আছে 5 নং সূরা‌য়??
উত্তর সহজ, তা দেখুন- الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ অনুবাদ হবে এমন-"আজ পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন‌কে"(5:3)। এই বাক্যে আরবি 18 টি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে- সুবহান‌আল্লাহ!!
আবার দেখুন- উপরিউক্ত 5:3 আয়াতাংশে 4 টি শব্দ রয়েছে এবং الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ আয়াতাংশেও 4 টি শব্দ রয়েছে, আর হারাফ 18 টি- সুবহান‌আল্লাহ। এই তথ্য গুলো হোসেন কুরানী ছাড়া অন্য কোথাও থেকে 1000 বছর পর‌ও কি পেতেন??
্যাঁ, আপনি হোসেন কুরানী‌কে ঘৃণা করতেই পারেন কিন্তু এটা সত্য যে, এই তথ্য গুলো হোসেন কুরানী ছাড়া কোথাও/ কখনও পেতেন না। আর এটা আপনি স্বীকার করুন বা না করুন কিন্তু সত্য যে, মানুষের জ্ঞান যেখানে থেমে থেমে যায়, তারপর থেকে যিনি শুরু করতে পারেন, তিনি আর কেউ নন, তিনি- হোসেন কুরানী!!
পাঠক, এবার আমরা পাঠকদের কিছু Comment নিয়ে আসতে চাইছি, যাতে আপনি হোসেন কুরানী ও তার লেখা সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারেন এবং মূল্যায়ন‌ও করতে পারেন-
১) মাদারচো★, ফেরেস্তা এবং জ্বীন আবার দেখা যায়?? খান★র ছেলে, এগুলো তো গায়িবের বিষয়!! এগুলো যদি দেখাই যাবে, তাহলে গায়িব বলে আর কি থাকল??
২) এ জন্য‌ই তোর সম্পর্কে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাফির ফাতুয়া এসেছে। লেখার মধ্যে কি সব "বালের অঙ্ক" করে নিজেকে পন্ডিত মনে করিস?? এই রকম বালের লেখা (কোরানের গভীরে দৃষ্টি, পর্ব- 5) আলিমরা রোজ লেখে!! এমন বালের লেখা আমি‌ও লিখতে পারি এবং সবাই লিখতে পারে!!
৩) মুর্শিদাবাদ থেকে আকবার সেখ বলেছেন- উস্তাদ‌ জী, কেমন আছেন?? জানি যে- আপনি উস্তাদ, হুজুর এসব নামে সম্বোধন পছন্দ করেন না, তাই ভাই বলছি। তবে, আপনাকে উস্তাদ‌জী বলে আমি খুশি হ‌ই!!
ভাই, আমি আপনার সমস্ত কিছু Follow করি (লেখা, কথা-বার্তা ও জীবন-যাপনের Style)। আর সব চেয়ে বড় বিষয় হল- আপনার জ্ঞান এবং যে কোনও প্রশ্নের বিজ্ঞান সম্মত উত্তর দেওয়ার যোগ্যতায় আমি মুগ্ধ!!
উস্তাদ‌জী, আপনাকে পেয়ে আমি ধন্য এবং আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। কেননা, আপনার সংস্পর্শে এসে আমার জীবন বদলে গেছে। দুয়া করি- আল্লাহ যেন আপনার Mission successful করে‌ন।
৪) Qurani sir, দুর্নাম-বদনামকারিরা দুর্নাম-বদনাম করতেই থাকবে। এ সবে ভেঙে পড়বেন না!! তবে, যারা খোলা মন নিয়ে আপনার লেখা পড়বে, তারা আপনার প্রেমে পড়ে যাবে!!
আমি গত 1 বছর ধরে আপনাকে নিয়ে Research করছি। এত উন্নত চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা সবার পক্ষে বুঝে নেওয়া সহজ নয়, তাই মানুষ আপনার দুর্নাম ও বদনাম করে। তবে, একদিন সেও কোনও আপনার প্রেমে পড়বে!!
৫) সত্যিই কুরানী ভাই, কোরানের গভীরে দৃষ্টি, পর্ব- 5 প্রমাণ করে মুর্জাতা সাহেব কেন আপনাকে কুরানী বলে ডেকে ছিলেন!! পর্ব- 5 অসাধারণ একটি লেখা, যা মানুষের চিন্তা-ভাবনা বদলে দিতে পারে!!
৬) Dr Hadi Hasnul islam ভাই ভারতের আসাম থেকে মন্তব্য করেছেন- It is your one of the rare of the rarerest article in the Islamic History of the world. We only make Dua to Allah for your allround progress in the years to come.
সুধী পাঠক, আমরা 2'য় জনকে প্রতিক্রিয়া দিতে চাই। ভাই, আলিমগণ যদি রোজ‌ই লিখতেন, তাহলে হোসেন কুরানীকে লিখতে হতো না!! আর ★★★ অঙ্ক গুলো আলিমগণ করতেন, তাহলে হোসেন কুরানী‌কে এই ★★★ অঙ্ক গুলো করতেই হতো না!!
যাইহোক, এই লেখাটি পর্ব- 5 এর চেয়েও অনেক বেশি উন্নত'মানের হবে‌। সুতরাং দেরি না করে, লেখায় এগিয়ে যেতে চাইছি। পাঠক, তাহলে এগিয়ে যাই, না কি?? আপনি ততক্ষণ পর্ব- 5 টি পড়ে নিন-
দেখুন- وَتَوَكَّلْ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ وَسَبِّحْ بِحَمْدِهِ
অনুবাদ হবে এমন-"নির্ভর করুন সেই চিরঞ্জীব সত্ত্বার এর উপর, যিনি কখনও মরবেন না এবং তার পবিত্রতা ঘোষণা করুন প্রশংসা সহ"(25:58)।
প্রশ্ন হবে- কেন আল্লাহ পবিত্র পবিত্র কোরানে তার নিজের সম্পর্কে এ রকম বললেন?? এই আয়াতে কোন বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে?? হোসেন কুরানী ছাড়া কি আছে কেউ, যিনি এই প্রশ্ন সমূহের বিজ্ঞান সম্মত উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?? এবার উত্তর দেখুন-
وَالَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ لَا يَخْلُقُونَ شَيْئًا وَهُمْ يُخْلَقُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকে, তারা কোনও কিছু সৃষ্টি করে নি বরং তারা নিজেরাই সৃষ্ট"(16:20)‌। পরের আয়াত- أَمْوَاتٌ غَيْرُ أَحْيَاءٍ অনুবাদ হবে এমন-"তারা মৃত এবং নির্জীব"(16:21)।
পাঠক, আয়াত গুলোর সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্পর্কটা কি, তা বুঝতে পারে‌ন নি, তাই না?? আপনি‌ও খুব সহজেই বুঝতে পারতেন, যদি এই আয়াতটি আপনাকে আলিম গণ শেখাত-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
পাঠক, আমরা গত পর্ব সমূহে দেখিয়েছি- সৃষ্টির 2 টি বৈশিষ্ট্য। হয় তা শক্তি, নয় তা পদার্থ এবং কোরান দ্বারা আমরা প্রমাণ করতে সামর্থ্য হয়েছিলাম যে, আল্লাহ শক্তিও নয়, পদার্থ‌ও নয়!! কেননা, তিনি সৃষ্টিই নন!!
উক্ত 16:20 আয়াতে বলা হচ্ছে- বরং তারা নিজেরাই সৃষ্ট। আর সৃষ্টি মানেই হল- হয় তা শক্তি, নয় তা পদার্থ। তাই না?? আর এটাই হল- আল্লাহর সঙ্গে অন্যান্য ভুয়া বা মিথ্যা উপাস্য‌দের পার্থক্য!!
কোরান আরও বলেছে- أَمْوَاتٌ غَيْرُ أَحْيَاءٍ অনুবাদ হবে এমন-"তারা মৃত এবং নির্জীব"(16:21)। যদি ভুয়া বা মিথ্যা উপাস্য‌ গুলো শক্তি ও পদার্থের সৃষ্টি হয়, তাহলে তারা أَمْوَاتٌ বা মৃত/ মরবে। আর যদি শুধু পদার্থ বা শক্তি হয় غَيْرُ أَحْيَاءٍ বা তারা নির্জীব!!
পাঠক, আপনি কি বুঝতে পারছেন- পবিত্র কোরান কি সুন্দর বিজ্ঞান‌ময় ভাবে বিষয় গুলো তুলে ধরেছে?? কিন্তু দুঃখের বিষয় হল- তা আপনার কাছে সম্মানিত হারামখোরগণ পৌঁছে দেন নি!!
পাঠক, এবার আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে চাইছি। দেখুন- 16:21= 1+ 6+ 2+ 1= 10= 1+ 0= 1 এবং 16+ 21= 37= 3+ 7= 10= 1+ 0= 1, কি চমৎকার ভাবে আল্লাহ তার একত্ববাদ তুলে ধরেছেন, তাই না??
সুধী পাঠক, ছোট্ট একটি প্রশ্ন- কেন পবিত্র কোরানকে এভাবে আমাদের কাছে আলিমগণ পৌঁছে দেন নি গত 1500 বছর পর‌ও?? তাদের‌কে সম্মানিত হারামখোর বলব না তো, কি বলব?? তাদের যে জুতা করি নি- এটা তাদের সৌভাগ্য!!
আমার মতে- পায়ে জুতা পরে, সেই জুতায় শুয়োরের মল বা পায়খানা মাখিয়ে সম্মানিত হারামখোরদের জুতা পেটা করা উচিৎ এবং মুখে লাত্থি মেরে তাদের মুখ ভেঙে ফেলা উচিৎ!!
সুধী পাঠক, এবার আমরা আলোচনা‌র আরও গভীরে প্রবেশ করতে চাইছি। প্রশ্ন- আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন, এ প্রশ্নের দ্বিতীয় উত্তর‌টা কি?? উত্তর তো খুব সহজে- কিন্তু তা বুঝে নেওয়া খুব কঠিন!!
প্রথম উত্তর‌টা মনে আছে?? তা ছিল- যখন আমরা সৃষ্টি (Dark matter, Dark energy) দেখতে অক্ষম, সে ক্ষেত্রে (স্রষ্টা) আল্লাহ‌কে দেখার ইচ্ছা পোষণ করাটা কি যুক্তি-যুক্ত?? এটাই উত্তর ছিল, তাই না??
এবার তাহলে দ্বিতীয় উত্তর দিই?? উত্তর সহজ- লবণ দেখেছেন পাঠক?? লবণ‌ই হল- দ্বিতীয় উত্তর!! বুঝতে পারেন নি, তাই না?? বুঝবেন- ইনশাআল্লাহ। হোসেন কুরানী আছেন তো, না কি??
এ প্রশ্নের উত্তরে পরে আসছি। আমার এক মহিলা পাঠক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) প্রশ্ন করেছেন- Qurani sir, যে কোনও প্রশ্নের উত্তর আপনি কোরান থেকে বের করে আনতে পারেন, এই জন্যই আমরা আপনাকে কুরানী বলি!!
এখন আমার প্রশ্ন হল- পবিত্র কোরান প্রথমবার নাবী (সা)- এর কাছে যখন নাযিল হয়েছিল, তখন বর্তমান সময়ের পেক্ষিতে ঘড়িতে রাত ক'টা বেজেছিল?? আর আমি জানি যে, এ প্রশ্নের উত্তর পবিত্র কোরানে আছে এবং অবশ্যই আছে!!
শুধু পবিত্র কোরান থেকে তা বের করার আউকাত কার‌ও ছিল না/ নেই/ হবে না কখনও, হোসেন কুরানী ছাড়া!! তাই উত্তর‌টা জানিয়ে উপকৃত করবেন বলে আশা করছি!!
উত্তর খুব সহজে- সূর্য অস্ত যাওয়ার 5 hour 17 min পর। এবার প্রমাণ চাইবেন, তাই না?? আপনি ভাবলেন কিভাবে যে, হোসেন কুরানী প্রমাণ ছাড়া এত বড় দাবি করবেন??
প্রমাণ নেবেন তো?? এই নিন- فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ অনুবাদ হবে এমন-"তাতে [ঐ রাতে] স্থির করা হয় সমস্ত বিষয় বিজ্ঞানপূর্ণ ভাবে"(44:4)। পাঠক, বুঝতে পারেন নি, তাই না??
উক্ত আয়াতে 5 টি শব্দ এবং 17 টি আরবি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে। মেনে নিতে পারছেন না, তাই না?? গত পর্বটি পড়েছেন তো?? সেখানে দেখিয়েছি- কোন মাসে কোরান নাযিল হয়েছে, সেই মাসটি কত দিনের ছিল এবং কত তারিখে কোরান নাযিল হয়েছিল!!
নিন- إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমরা তা নাযিল করেছি কল্যাণময় রাতে। নিশ্চয় আমরা ছিলাম সতর্ককারী"(44:3)। এই আয়াত দ্বারা প্রমাণ করে ছিলাম- মাসটি 29 নয়, ছিল 30 দিনের!!
এবার পরের আয়াত দেখুন- فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ অনুবাদ হবে এমন-"তাতে [ঐ রাতে] স্থির করা হয় সমস্ত বিষয় বিজ্ঞানপূর্ণ ভাবে"(44:4)। পাঠক, এখনও বুঝতে পারেন নি?? এবার বুঝে নিয়েছেন, বলুন??
যাইহোক, এবার আমরা লবণে ফিরে যাই?? যেহেতু লবণের কথা বলছি, সেহেতু বলে রাখি- হোসেন কুরানী লবণ ছাড়া‌ই জীবন-যাপন করেন অর্থাৎ তার দৈনিক আহারে লবণের একটি দানাও থাকে না!!
আচ্ছা, প্রশ্ন হবে- 5 hour 17 min বুঝলাম কিন্তু কত Second টা বললেন না?? এ প্রশ্নের উত্তর‌ও খুব এবং খুবই সহজ- أَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا ۚ إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ অনুবাদ হবে এমন-"আমাদের নির্দেশক্রমে। নিশ্চয় আমরা ছিলাম [কোরান] প্রেরণকারি"(44:5)।
উক্ত আয়াতটি 44:3, 44:4 এর সঙ্গে মিলিয়ে পড়ুন। তবেই সাধারণ অর্থ‌টা বুঝতে পারবেন। তবে, অসাধারণ অর্থ হল- 23 second. উক্ত আয়াতে 23 টি আরবি হারাফ আছে।
অর্থাৎ কোরান নাযিল হয়েছিল- সূর্য অস্ত যাওয়ার 5 hour 17 min 23 second সময়ে!! পাঠক, এখানে একটা বিষয় আছে, যা আপনি লক্ষ্য করেন নি, আর তা হল- 5, 17, 23 সংখ্যা গুলো!!
দেখুন- 5+ 1+ 7+ 2+ 3= 18, এর সম্পর্কে জানেন তো পাঠক?? আর উক্ত 3 আয়াতে হারাফ 70 ও শব্দ 20 টি অর্থাৎ 7+ 0+ 2+ 0= 9, যা সুন্দর ভাবে রামাদান মাসকে নির্দেশ করছে!!
পাঠক, এগুলো জেনে আপনি অবাক হচ্ছে‌ন না?? আপনার মনে হচ্ছে না- কেন 1500 বছর ধরে আলিম গণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ এভাবে কোরান নিয়ে গবেষণা করে নি?? কেন আপনাকে এই তথ্য গুলো জানান নি?? অথচ আল্লাহ বলেছেন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
আর কোরানকে নিয়ে যারা গবেষণা করে না, তাদের উদেশ্যে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখে নিন- أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا অনুবাদ হবে এমন-"তারা কি পবিত্র কোরানকে নিয়ে গবেষণা করে না, না কি তাদের Brain lock করা আছে"(47:24)??
এ ছাড়াও 44:3, 44:4, 44:5= 4+ 4+ 3+ 4+ 4+ 4+ 4+ 4+ 5= 36= 3+ 6= 9, এগুলো কি হচ্ছে, তা আপনি বুঝতে পারছেন পাঠক?? পাঠক, ভাবুন তো- যদি গত 1500 বছর ধরে এভাবে কোরান গবেষণা হতো, তাহলে আজ হয়ত মুসলিম পাড়ায় চায়ের দোকানে আড্ডায় "চা বিজ্ঞান" নয়, সত্যিকারের বিজ্ঞানী তৈরি হতো!!
এ ছাড়াও 44:3, 44:4, 44:5= 4+ 4+ 3+ 4+ 4+ 4+ 4+ 4+ 5, এখানে মোট ব্যবহৃত সংখ্যা হল- 9 টি, গণনা করুন তো একবার!! সুবহান‌আল্লাহ- যদি আমদের আলিম‌গণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ গত 1500 বছর ধরে এভাবে কোরান গবেষণা করতেন!!
এ ছাড়াও 443+ 444+ 445= 1332= 1+ 3+ 3+ 2= 9, আমাদের প্রশ্ন শুধু একটাই- কেন গত 1500 বছর ধরে এভাবে কোরান গবেষণা করা হয় নি?? অথচ আল্লাহ বলেছেন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29, 16:44)।
এবার দেখুন- 97:1, 97:2, 97:3= 9+ 7+ 1+9+ 7+ 2+ 9+ 7+ 3= 54= 5+ 4= 9, দারুণ, তাই না?? আরও দেখুন- 9+ 7+ 1= 1+ 7=8 ও 9+ 7+ 2= 18= 1+ 8= 9 ও 9+ 7+ 3= 1+ 9= 10= 1+ 0=1 হবে, তাই না??
এবার দেখুন- 8+ 9+ 1= 18, সুবহান‌আল্লাহ। সুধী পাঠক, 18 এর Function জানেন তো?? যদি আপনি কোরানের গভীরে দৃষ্টি‌র পর্ব গুলো পড়ে থাকেন, তা হলে তো জানার কথা ছিল, তাই না??
এভাবে‌ও দেখা যেতে পারে- 1+ 7+ 1+ 8+ 1+ 8= 54= 5+ 4= 9, তাই না?? এভাবে‌ও- 17× 18× 19= 5814= 5+ 8+ 1+ 4= 18, এভাবে কখনও ভেবেছেন কি পাঠক?? তবে, সমস্ত 18 কে আবার 9 করে দেওয়া সম্ভব, তাই না??
কি অসম্ভব সুন্দর গাণিতিক খেলা, তাই না বলুন?? আচ্ছা, এবার আমরা আল্লাহ‌কে কেন/ কোন কারণে দেখা সম্ভব নয়- তার দ্বিতীয় উত্তর‌টা দেব। ঠিক আছে পাঠক, তাহলে আর দেরি কেন?? দেখুন-
পাঠক, Edward Fredkin এর নাম শুনেছেন?? ইনি পরিচয়ের দাবি রাখেন না কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ তাকে চেনেন না, তার কারণ হল- তিনি অতি উচ্চ মানের এক জন বিজ্ঞানী!!
তিনি নিজে একজন নাস্তিক কিন্তু তার আবিষ্কার করা Theory দিয়েই আজ আমরা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করব ও আল্লাহ‌কে কেন দেখা সম্ভব নয় (সুবহান‌আল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ), তাও দেখাব- ইনশাআল্লাহ!!
প্রশ্ন হবে- এ আবার কেমন কথা?? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ- সর্বদা ফেরাউনের ঘরেই মূসা (আ)- এর লালন-পালন হয়। এ জন্যই পবিত্র কোরানে খুব সুন্দর ভাবে বলা হয়েছে- وَمَكَرُوا وَمَكَرَ اللَّهُ ۖ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ অনুবাদ হবে এমন-"তারা ষড়যন্ত্র করল, আল্লাহ কৌশল করলেন। আল্লাহ উত্তম কৌশলকারি"(3:54, 8:30)।
Edward Fredkin ছিলেন CMU অর্থাৎ Carnegie Mellon University এর Professor এবং Digital physics বিভাগের স্বনামধন্য বিজ্ঞানী। তিনি একটি তত্ত্ব আমাদের উপহার দিয়েছেন, যার সাহায্য নিয়ে বিজ্ঞানের অনেক অপারগতা দূর করা সম্ভব!!
তার দেওয়া Theory টি- Digital physics নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এই Theory মতে- যে কোনও পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ও মৌলিক চালিকাশক্তি Boson বা Higgs boson নয় বরং পদার্থের মৌলিক চালিকা শক্তি হল- Information বা তথ্য!!
এই Theory মতে- একটি অতি সামান্য আকৃতির জীবাণু আসলে অন্য কিছু নয় বরং কিছু Information বা তথ্যের সমাহার মাত্র। যখনই এই ধরণের কথা বলা হতো, আজ থেকে 40 বছর আগেও মানুষ তাকে পাগল বলে আখ্যায়িত ও চিহ্নিত করত!! তাই না??
তবে, পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং এখন মানুষ জানে যে, Information বা Data'ই হল মূল- কমপক্ষে হাতের নাগালে Internet এসে মানুষ তা শিখেছে!! আচ্ছা, এই সব বাদ দিন, জীবাণুতে ফিরে যাই, হ্যাঁ??
আচ্ছা, একটা Single cell যুক্ত Amoeba'য় যে পরিমাণ Information রয়েছে, তা যদি ব‌ই‌য়ে Convert করতে সক্ষম হ‌ই, তাহলে Single cell যুক্ত Amoeba'র তথ্য হবে 500 পৃষ্ঠার 80 টি ব‌ইয়ের সমান!!
এভাবেই একটা মানুষের কোষে Information এর পরিমাণ হল- 5×10⁹ অর্থাৎ 500, 000, 00, 00 অর্থাৎ 5 billion বা 500 কোটি। যা বেশ বড় আকারের একটা Library বা পাঠাগারের সমান!!
তাহলে ভাবুন- মানুষের শরীরে কোষের সংখ্যা কত?? কম-বেশি 100, 000, 000, 00, 00 অর্থাৎ 100 Trillion ধরে নিই, তাহলে তা হবে- 500, 000, 00, 00 × 100, 000, 000, 00, 00= ??
পাঠক, আপনি কি অনুমান করতে পারছেন- একটা মানুষের মোট Information কত গুলো Library'র সমান হবে?? ছাড়ুন আপনাকে বলতে না, আমরাই বলছি। তা হবে প্রায় 100, 000, 000, 00, 00 গুলো Library তে যত গুলো ব‌ই আছে!! পাঠক, আপনি কি কল্পনা করতে পারছেন??
প্রশ্ন হবে- Information এর কাজ কি?? উত্তর তো খুব সহজ- কিন্তু তা বুঝে নেওয়া‌ই খুব কঠিন!! এই Information গুলো পূর্ব হতেই স্থিরকৃত নির্দেশ মেনে শরীরের গঠনের কাজটি সম্পন্ন করে যে, মানুষের কোন অংশ কেমন বা তার গঠন কেমন হবে!!
আর পদার্থের 'সার' বলতে যা বোঝায়, তাও শুধুমাত্র Information ছাড়া অন্য আর কিছু‌ই নয়- তা অবশ্য প্রথমেই দেখিয়ে দিয়েছি। তাই নয় কি?? পাঠক, এবার আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেব- ইনশাআল্লাহ। সঙ্গে আছেন তো??
প্রশ্ন হবে- আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন, তা বলুন। এই সব কি বলছেন?? উত্তর সহজ- ভাই, সেই প্রশ্নের‌ই উত্তর দিচ্ছি কিন্তু সমস্যা‌টা হল গুরতর এবং শুধুমাত্র তা এই যে, আপনি তা বুঝতে পারে‌ন নি!!
প্রশ্ন হবে- আমরা তো জানি যে, শরীরের গঠন হয় DNA অনুযায়ী, তাহলে কি এতদিন ভুল জেনেছি?? উত্তর খুব সহজ- ভুল নয়, অর্ধেক জেনেছেন মাত্র!! Complete টা হল- DNA double helix এ মৌজুদ থাকা Information অনুযায়ী‌ই শরীরের গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
প্রশ্ন হবে- তাহলে রুহ কি?? এ প্রশ্নের উত্তর আগেও দেওয়া হয়েছে, তবে উত্তর সহজ- قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي অনুবাদ হবে এমন-"বলুন যে, রুহ আমার প্রভুর পক্ষ থেকে নির্দেশ মাত্র"(17:85)।
নির্দেশ‌কে Computer এর ভাষায় কি বলা হয় গো?? সম্ভব‌ত Command, তাই না?? DNA double helix এ কি থাকে?? Information, তাই না?? Computer এ কি থাকে?? Software, তাই না?? Software কিভাবে কাজ করে?? Command অনুযায়ী, তাই না??
তাহলে উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে DNA কি?? Software এর মতো, তাই না?? Software কাজ করার জন্য কি প্রয়োজন?? Command, তাই না?? রুহ হল- প্রভুর পক্ষ থেকে সেই Command বা নির্দেশ, তাই না??
পাঠক, রুহের বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা পেলেন কি?? পেয়েছেন, তাই না?? তাহলে হোসেন কুরানীর জন্য দুয়া করবেন তো?? কিন্তু তাও হোসেন কুরানীকে লোকে এত গালা-গালি করে কেন??
আচ্ছা পাঠক, আপনি কি জানেন- একটা আদর্শ লবণের দানায় কত গুলো Atom থাকে?? উত্তর‌ খুব‌ই সহজ- 10¹⁶ অর্থাৎ 10, 000, 00, 000, 000, 00, 00 বা 10 হাজার লক্ষ কোটি।
পাঠক, সংখ্যা‌টা সম্পর্কে আপনার কোনও ধারণা আছে?? না'ই থাক, তাতে কি যায় আসে!! তাই না??কিন্তু এবার যায় আসবে!! যদি আমরা লবণের Atom সংখ্যা‌কে Information এ Convert করি, তাহলে Information এর পরিমাণ এত হবে যে, তা পূর্ণ ব্যবহার 1000 টি মানব মস্তিষ্কের ধারণসাধ্য জ্ঞানের চেয়েও অনেক বেশি!!
প্রশ্ন হবে- এই সব বিজ্ঞান‌পূর্ণ কাহিনী শুনিয়ে কি লাভ হচ্ছে?? কেন আল্লাহ‌কে দেখতে পাব/ পাই না, তার দ্বিতীয় কারণ‌টা বলুন!! না কি হোসেন কুরানীর কাছে উত্তর নেই??
উত্তর দিয়ে দিয়েছি পাঠক, আপনি বুঝতে পারেন নি মাত্র!! প্রশ্ন হবে- ক‌ই উত্তর?? যে মানব মস্তিষ্ক সামান্য একটা লবণের দানাকে বুঝে নিতে অক্ষম, সেই মানব প্রশ্ন করে কিভাবে যে, আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন!! লজ্জা লাগে না??
পাঠক, আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন- এ প্রশ্নের দ্বিতীয় উত্তর‌টি পেয়েছেন?? পেয়েছেন, বলুন?? কেমন লাগল আপনাকে?? অবাক হন নি?? প্রশ্ন হবে- ঈশা (আ) কিভাবে মৃতদের জীবিত করতেন, তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি হোসেন কুরানী দিতে পারবেন??
উত্তর খুব সহজ রে ভাই কিন্তু প্রশ্ন হবে- আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন, তার তৃতীয় কারণ কি?? উত্তর সহজ- কিন্তু এই লেখার শেষে গিয়ে উত্তর‌টা দিতে চাইছি। এক কথায়, একটু Suspension সৃষ্টি করতে চাইছি মাত্র!!
আচ্ছা সুধী পাঠক, মৃত মানুষ‌কে ঈশা (আ) কিভাবে জীবিত করতেন- এ প্রশ্নের বিজ্ঞান সম্মত উত্তর কি আসলেই খুব কঠিন?? উত্তর সহজ- না, কঠিন নয় এবং মৃত মানুষ‌কে জীবিত করাও কঠিন নয়!!
পাঠক, মৃত্যু কেন মৃত্যু হয়, তা নিশ্চয় আমরা অবগত হয়েছি গত পর্বে, তাই না?? আর বেশ বিস্তারিত ভাবে দেখিয়েছি, তাই না?? পাঠক, তাহলে এক কথায় অর্থাৎ ছোট করে বলুন- মৃত্যু কি??
উত্তর সহজ- শরীর যখন আত্মা বহন করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে, এই অবস্থা‌টাকে আমরা মৃত্যু নামে অভিহিত করে থাকি। তাই তো?? আর ঘুম‌কেও মৃত্যুর সংক্ষিপ্ত রুপ বলা যায়!! তাই না??
এই জন্যই ঘুমের সময় বলি- اَللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا অনুবাদ হবে এমন-"হে আল্লাহ, আপনারই নামে মরে যাচ্ছি/ যাব‌ও এবং আপনারই নামে পুনরায় জীবন লাভ করব"।
আর ঘুম থেকে যখন জাগ্ৰত হ‌ই, তখন আমরা বলে থাকি- الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
অনুবাদ হবে এমন-"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবন দান করেছেন এবং তার দিকেই আমাদের পুনরুত্থান"।
তাহলে প্রশ্ন হবে- কোনও মৃতকে জীবিত করতে হলে আল্লাহ‌কে কি করতে হবে?? উত্তর সহজ- আত্মাকে বহন করার যোগ্য‌তা শরীর‌কে ফিরিয়ে দিতে হবে। তাই না??
পাঠক, বলুন তো- এই কাজটা কি আল্লাহর জন্য খুব কঠিন?? উত্তর সহজ- وَذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ অনুবাদ হবে এমন-"এটা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ"(64:7)। প্রশ্ন হবে- সহজ বলতে কতটা সহজ??
পাঠক, কিছু ক্ষণ আগেই আমরা Digital physics সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম এবং সেখানে আমরা দেখাবার চেষ্টা করেছি যে, A to Z অর্থাৎ সমস্ত কিছুই হল- Information, তা ছাড়া কিছুই নয়!!
আমরা জানি- প্রতি ক্ষণ আমাদের শরীরের কোষ গুলো মৃত্যু বরণ করে, আবার জন্মায়‌ও। কোষের এই জন্ম মৃত্যু Balence বাজায় রাখে 45-60 বছর পর্যন্ত। তারপর কোষের মৃত্যুর হার এক‌ই থাকে কিন্তু নতুন কোষের জন্মের হার কমে যায়!!
এই অবস্থা‌কে আমরা বলে থাকি- বুড়ো হচ্ছি!! বুড়ো থেকে মনে পড়ল যে, ★ ★ আমাকে বলতেন- আমি বুড়ি হয়ে গেলেও আমাকে এখনকার মতোই ভালবাসা দেবেন এবং আদর-যত্ন করবেন??
জানেন পাঠক, এই অকৃত্রিম স্মৃতি গুলোর জন্য মাঝে-মধ্যে মনে হয়- যদি সময়ে বিপরীতে ঘুরত, তবে থেকে যেতাম 2018' শেষ এবং 2019 শুরুতে। কখনও সেখান থেকে ভবিষ্যতে আসতাম না!!
বিজ্ঞান বলে- Big crunch এর সময়ে সময় বিপরীত মুখি হয়ে যাবে, Table থেকে পড়ে ভেঙে যাওয়া Cup পুনরায় জোড়া লেগে Table উঠে যাবে। জানি না- যদি তখন বেঁচে থাকতাম, তাহলে 2018-19 পাব‌ও, না কি তাও আমার সৌভাগ্য হবে না!!
কি হবে জানি না। তবে 2018-19 এর স্মৃতি গুলো খুব কষ্ট দেয়। যদি BCT দ্বারা স্মৃতি গুলো মুছে দিতে সক্ষম হতাম, তাহলে এখনও হয়ত 120 বছর নয়, 240 বছর বাঁচতাম!!
যাইহোক, এভাবেই বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোষের সংখ্যা কমতে থাকে। ফলত শরীর আত্মাকে বহন করার যোগ্যতা হারাতে থাকে। তারপর একটা সময় আত্মাকে শরীর থেকে আলাদা করে দেওয়া হবে। যার পরিচিত নাম- মৃত্যু!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে আত্মাকে শরীরে ফিরিয়ে আনতে/ দিতে হলে কি করতে হবে?? উত্তর সহজ- মৃত কোষ গুলোকে জীবিত না হলেও নিষ্ক্রিয় কোষ গুলো‌কে কম পক্ষে সক্রিয় করতে হবে, তাহলেই শরীর আত্মাকে বহন করার যোগ্যতা ফিরে পাবে। যেমনটা- ঘুমের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে!!
প্রশ্ন হবে- নিষ্ক্রিয় কোষ গুলো‌কে কিভাবে সক্রিয় করে তোলা যায়?? উত্তর সহজ- পাঠক, আপনি কি Reverse aging সম্পর্কে জানেন বা শুনেছেন?? যদি শুনে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় এই সম্পর্কে সফল পরীক্ষা টি জানেন??
তাহলে এও জানবেন যে, Israel এ বিষয়ে সফলতা অর্জনকারি প্রথম দেশ!! প্রশ্ন হবে- Reverse aging আসলে কি?? উত্তর সহজ- Reverse aging হল বয়স কে পিছনে নিয়ে আসা।
অর্থাৎ 65 বছর বয়সে যদি আপনার উপর Reverse aging করা হয়, তাহলে আপনার শরীর এবং তার গঠন সহ সমস্ত কিছু পুনরায় 25 বছরে যেমন ছিল, তেমন হয়ে যাবেন!!
এই প্রক্রিয়া‌য় শরীরের মৃত কোষ গুলো‌কে বিশেষ পদ্ধতিতে ধ্বংস করে দেওয়া হয়, নিষ্ক্রিয় কোষ গুলো কে সক্রিয় করে দেওয়া হয় ও নতুন কোষ তৈরির ব্যাবস্থা করা এবং কোষ মৃত্যুর হার কমিয়ে কোষ জন্মের হার বাড়িয়ে দেওয়া হয়, যেমন 25 বছর বয়সে হতো!!
প্রশ্ন হবে- Reverse aging কিভাবে করা হয়?? উত্তর সহজ- Oxygen therapy'র মাধ্যমে। প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত মানুষ‌কে High pressure যুক্ত oxygen দেওয়া হতো।
তারপর যা হবে- As you grow older and your cells continue to divide, sequences of DNA at the end of chromosomes, called telomeres, gradually become shorter. Once the telomeres become too short, the cell can no longer replicate and eventually dies. This isn't necessarily a bad thing.
Telomere shortening can prevent rogue cancerous cells from multiplying uncontrollably, but unfortunately, this comes with the cost of genetic aging. These geriatric cells that can no longer divide are also known as senescent cells, which accumulate over the period of your life and are believed to be one of the leading causes of aging.
এবার একটা প্রশ্ন করে ফেলি- যদি মানুষ Oxygen therapy'র মাধ্যমে Reverse aging করতে পারে, তা হলে আল্লাহ কেন শুধুমাত্র মৃত শরীরে আত্মা ফিরিয়ে দিতে পারেন না?? Reverse aging এর চেয়ে শরীরে আত্মা ফিরিয়ে দেওয়া অনেক সহজ!!
প্রশ্ন হবে- তাহলে কি মানুষ‌ও মৃত শরীরে কখনও আত্মা ফিরিয়ে আনতে পারবে?? উত্তর সহজ- না, তা কখনও সম্ভব নয়। কেন সম্ভব নয়- তা পরে আলোচনা করব। তবে, মানুষের আয়ু বা জীবন‌কাল 1000 বছরের হতে পারে!!
প্রশ্ন হবে- মানুষের আয়ু বা জীবন‌কাল 1000 বছরের হতে পারে, এই সম্পর্কে কোরান কি বলে?? উত্তর খুব সহজ- এত মারাত্মক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোরান কিছু বলবে না, তা কি হয়?? দেখুন-
وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَىٰ حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا ۚ يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِحِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَنْ يُعَمَّرَ ۗ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অবশ্যই তোমরা তাদের‌কে [ইহুদী দেরকে] পাবে মানুষ‌দের মধ্যে সব চেয়ে বেঁচে থাকার লোভী হিসাবে, এমনকি মুশরিকদের চেয়েও!! তারা আশা করে- যদি তাদের‌ প্রত্যেক‌কে হাজার বছর আয়ু দেওয়া হতো!! কিন্তু তাদের দীর্ঘ জীবন‌ও তাদেরকে শাস্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারবে না, যদি আয়ু দেওয়া হয়‌ও!! আল্লাহ দেখেন, তারা যা কিছু করছে"(2:96)।
উক্ত আয়াতে 1000 বছরের দীর্ঘ জীবনের সম্ভাব্যের কথা বলা হয়েছে, আপনি কি তা বুঝতে পেরেছেন পাঠক?? এখন প্রশ্ন হবে- মৃত‌ শরীরে আত্মা দেওয়া এত সহজ কেন??
উত্তর সহজ- হুকুমের মাধ্যমে Information সৃষ্টি করা আল্লাহর জন্য খুব সহজে। দেখুন- وَذَٰلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ অনুবাদ হবে এমন-"এটা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ/ অত্যাধিক সহজ"(64: 7)।
কেননা- وَإِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُنْ فَيَكُونُ অনুবাদ হবে এমন-"এবং যখন তিনি কোনও করতে চান, তখন শুধু বলেন- হ‌ও, তখন‌ই তা হয়ে যায়"(2:117, 3:47, 3:59, 6:73, 16:40, 19:35, 36:82, 40:68)।
পরিশেষে বলব- ঈশা (আ) মৃতকে জীবিত করতেন না বরং তা আল্লাহর নির্দেশে করতেন। আর এ বিষয়ে আল্লাহ ঈশা (আ) বলেছেন- بِإِذْنِي বা "আমার নির্দেশে আপনি করতেন"(5:110)। আর ঈশা (আ) নিজেও বলেছেন 3:49 আয়াতে যে- যা করতাম, আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী‌ই করতাম!!
পাঠক, এবার আমরা আপনাকে 500 বছর পর থেকে 10, 000 বছর পর্যন্ত পৃথিবী কেমন হবে, দেখাব। তবে, তার আগে খুব অবাক একটা করা বিষয় আপনাকে দেখাতে চাইছি, দেখবেন??
দেখুন- 2+ 1+ 1+ 7+ 3+ 4+ 7+ 3+ 5+ 9+ 6+ 7+ 3+ 1+ 6+ 4+ 0+ 1+ 9+ 3+ 5+ 3+ 6+ 8+ 2+ 4+ 0+ 6+ 8= 124= 1+ 2+ 4= 7. সুবহান‌আল্লাহ, আপনি অবাক হন নি পাঠক??
আচ্ছা, আরও দেখুন-11+ 14+ 17+ 16+ 11+ 18+ 19+ 18= 124= 1+ 2+ 4= 7. কি পাঠক, অবাক হন নি?? আচ্ছা পাঠক, এই সংখ্যা গুলো কোথায় থেকে আসছে, তা বুঝতে পারছেন না, তাই না?? আররেহ ভাই, এগুলো كُنْ فَيَكُونُ এর আয়াত নং গুলো!!
কিন্তু চমকে উঠার পালা এখনও শেষ হয়, তাই আরও দেখুন- كُنْ فَيَكُونُ (কুন ফা ইয়াকুন) এ হারাফ সংখ্যা 7 টি। পাঠক, 7 এর Function দেখে অবাক হন নি?? এ ছাড়াও হোসেন কুরানী‌ও সংখ্যা তত্ত্বে 7'ই- এ তথ্য যেন ভুলে যাবেন না!!
প্রশ্ন হবে- মানবজাতির উন্নত ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পবিত্র কোরান কি কিছু বলেছে?? না কি শুধুমাত্র কল্পনার উপর বা কল্পবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে হোসেন কুরানী ভবিষ্যৎ দর্শন করাতে চান??
উত্তর সহজ- আপনি ভাবলেন কিভাবে যে, এত গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়ে পবিত্র কোরান কিছু বলবে না?? এখন কেউ হয়ত বলবেন- ক‌ই, আয়াতটা দিন তো!! এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, বলুন তো- কি??
আপনি ভাবলেন কিভাবে যে, হোসেন কুরানী আয়াত দেবেন না?? তবে, এবার আগে আয়াত পরে ব্যাখ্যা নয় বরং আগে ভবিষ্যৎ দর্শন হবে, তার পরেই আয়াতটা দেব- ইনশাআল্লাহ!! সুতরাং ভবিষ্যৎ দেখুন-
১) মানবজাতি সৌরজগৎ পুরো-পুরি দখল করে নেবে 500-1000 বছরের মধ্যে। মানুষ তখন সৌরজগতের এক গ্ৰহ থেকে অন্য গ্ৰহে তেমন ভাবে যাতা-য়াত করবে, যেভাবে বর্তমানে মানুষ এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতা-য়াত করে থাকে!!
200 বছরের মধ্যে‌ই পৃথিবী থেকে Comercial flight বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আর 500 বছর পর প্রত্যেকের কাছে অর্থাৎ Middle class'দের কাছে Drone বাহন থাকবে এবং যাতা-য়াত হবে তা ব্যবহার করেই!!
200 বছর পর শক্তি উৎপাদন করার জন্য Carbon এর ব্যবহার পুরো-পুরি বন্ধ হয়ে যাবে এবং 200 থেকে 300 বছরের মধ্যে Green house effect পুরো-পুরি সাধারণ হয়ে যাবে। আর সবচেয়ে বড় কথা হল- 500 বছরে‌র মধ্যে পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ পুরো-পুরি মানুষের হাতে চলে আসবে!!
নিয়ন্ত্রণ মানে- মেঘ তৈরি থেকে শুরু করে ইচ্ছা মতো বৃষ্টি করান‌ও পর্যন্ত এবং ঝড় সৃষ্টি করা পর্যন্ত, সমস্ত কিছুর উপরে থাকবে মানুষের নিয়ন্ত্রণ (কিছু‌ দিন আগে চিন প্রয়োজনের তাগিদে সময়ের আগেই বর্ষা নিয়ে এসেছিল)। এমনকি ভূমিকম্পের উপরেও থাকবে মানুষের নিয়ন্ত্রণ!!
200 বছর থেকে 500 বছরের মধ্যে চাষ আর হয়ত চাষের জমিতে হবে না বরং Factory তে হবে। ফসল নষ্টের পরিমাণ হয়ে যাবে শূন্য (0), যেখানে বর্তমানে 45% নষ্ট হয়ে থাকে। এক‌ই ভাবে ফলের চাষ‌ও হতে থাকবে!!
নিজে থেকে বাড়ি তৈরি‌র System বন্ধ হয়ে যাবে এবং Housing project এর মাধ্যমে বাড়ি তৈরি হবে। আর তা ইট, বালি, Cement দিয়ে তৈরি করা বাড়ি হবে না, সৌরবিদ্যুৎ তৈরি করতে পারবে- এমন উপকরণ দ্বারা বাড়ি তৈরি হবে!!
এগুলো হবে 200 থেকে 300 বছরের মধ্যে। এখানেই শেষ নয়, 200 বছরের মধ্যে পুরো পৃথিবী Cashless economy তে পরিণত হয়ে যাবে। যদি ভারতের কথা বলি, তাহলে 100 বছরের মধ্যেই আমার গর্বের দেশ ভারত পুরো-পুরি Cashless হয়ে যাবে!!
200 বছরের মধ্যে পৃথিবী থেকে Printing book, News pepar, Magazine সহ সমস্ত ধরণের কাগজের ব্যবহার পুরো-পুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আর 300 বছরের মধ্যে Doctor, teacher, Post man ও Police এর মতো পেশা গুলো শেষ হয়ে যাবে এবং Robot নিয়ে নেবে এই পদ গুলো!!
200 বছরের মধ্যে 4000 ধর্মের 3900 ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আর 300 বছরের মধ্যে 15-20 টি ধর্ম‌ই অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারবে। আর 500 বছরের মধ্যে 2-4 ধর্ম‌ই মাত্র টিকে থাকতে পারবে!!
এর মধ্যে ইসলাম হবে সর্ববৃহৎ ধর্ম, যার অনুসারী হবে প্রায় মোট ধর্মিকদের 50-60% এবং 30-40% নাস্তিক এবং বাকি হবে অন্যান্য 2-4 টি ধর্মের। ধর্মের মতোই এক‌ই অবস্থা হবে ভাষার। শুধুমাত্র 5-7 টি ভাষা ছাড়া অন্য ভাষা গুলো অস্তিত্ব রক্ষায় হেরে যাবে!!
ভাষা গুলোর মধ্যে আগামী 500 বছরের মধ্যে আরবি হবে সর্ববৃহৎ ব্যবহার‌ যোগ্য ভাষা। যাইহোক, মানুষের গড় আয়ু 100 বছর পর 85-90 বছরে পৌঁছে যাবে ও 200 বছরের মধ্যে 100-110 বছরে!!
500 বছরের মধ্যে 200 বছরে পৌছে যাবে, 5000 বছরের মধ্যে 500-600 বছর এবং 10, 000 বছরের মধ্যে বছরের মধ্যে মানুষের গড় আয়ু 1000 বছরে পৌঁছে যাবে!!
100 বছর পর মাত্র 50% মানুষ‌ই দোকানে গিয়ে কেনা কাটা করবে। আর 200 বছরের মধ্যে Market and super market বলে কিছু থাকবে না। তখন কেনাকাটা হবে Factory to customer, যা drone দ্বারা সম্পন্ন হবে!!
বহু ছোট-ছোট তথা দুর্বল অর্থনীতি সম্পন্ন দেশ 100 বছরের মধ্যে শক্তিশালী দেশ গুলোর অর্থনৈতিক ঔপনিবেশে পরিণত হবে এবং অনেক ছোট-ছোট দেশ নিজেদের অস্তিত্ব বিসর্জন দিয়ে বড় বা শক্তিশালী দেশে বিলয় করে দেবে!!
500 বছরের মধ্যে পৃথিবীতে গুটি কয়েক আকারে বড়, শক্তিশালী সামরিক ও অর্থনীতি সম্পন্ন দেশ‌ই থাকবে। যেমন- India, China, Russia, Britain, America, France, Israel, Iran, Soudi, Turkey ইত্যাদি। তখন এই দেশ গুলোর আকার অনেক বৃদ্ধি পাবে, ছোট ও দুর্বল দেশ গুলো এই শক্তিশালী দেশ গুলোতে যুক্ত হ‌ওয়ার জন্য!!
[বলে রাখা ভাল হবে যে- আগামী 200 বছরের মধ্যে India, France মুসলিম প্রধান দেশে পরিণত হবে এবং Israel, Russia, Britain, America, China তে আগামী 300 থেকে 400 বছরের মধ্যে তাদের জনসংখ্যার 50% মুসলিম হবেন। এ বিষয়ে আমরা পরে আবার কখনও বিস্তারিত আলোচনা করব- ইনশাআল্লাহ]
[আরও বলে রাখা ভাল যে- আগামী 200 বছরের মধ্যে India শুধু মুসলিম প্রধান দেশ‌ই হবে না বরং তার মোট জনসংখ্যার 75% মুসলিম হবেন এবং France 60 থেকে 65% মুসলিম হবেন। এ বিষয়ে পরে কখনও বিস্তারিত আলোচনা করব- ইনশাআল্লাহ]
South korea 200 বছরের মধ্যে North korea তে বিলয় হয়ে খুব শক্তিশালী দেশে পরিণত হবে। বর্তমানে আমার গর্বের দেশ ভারতের প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান পরমাণু সম্পন্ন হ‌ওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র দুর্বল অর্থনীতি‌র জন্য অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলবে!!
আর এটা হতে 200 বছর নয়, 50 বছর লাগবে কি না- তাতে সন্দেহ আছে!! যাইহোক, সৈন্য ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে Robotic system হয়ে যাবে 200 থেকে 300 বছরের মধ্যে!!
দেশের সীমা গুলো সম্পূর্ণ ভাবে Digital border security system হয়ে যাবে 200 বছরের মধ্যে। আর 500 বছরের মধ্যে পৃথিবী থেকে Highway System পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে!!
তাহলে লক্ষ-কোটি টাকা খরচ করে আর Highway তৈরি করতে হবে না, তখন রাস্তা থাকবে শুধু Morning work করার জন্য ও Girlfriend এর হাত ধরে ঘোরার জন্য!!
আগামী 50 বছরের মধ্যে Divorce এর সংখ্যা বেড়ে 50 থেকে 60% হবে অর্থাৎ 100 টা বিবাহ হলে, 60 টা বিচ্ছেদ হবে। আগামী 100 বছরের মধ্যে Divorce এর সংখ্যা বেড়ে 70-80% হয়ে যাবে!!
তাই বিবাহের প্রবণতা কমে যাবে। কারণ লক্ষ-লক্ষ টাকা খরচ করে বিবাহ করে 1 থেকে 5 মাসের মধ্যেই বিচ্ছেদের মুখ দেখতে হবে। এ জন্য বিবাহের প্রবণতা কমে Living relation বাড়তে থাকবে!!
আগামী 100 বছর মধ্যে 20 থেকে 30% মানুষ বিবাহ না করে Living relation এ জীবন যাপন করবে এবং 200 বছরের মধ্যে তা 50% এ গিয়ে ঠেকবে। আর 500 থেকে 1000 বছরের মধ্যে বিবাহ শুধু মুসলিম‌দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে!!
আর 500 বছরের মধ্যে "সমকামিতা" নোংরা কাজ বলে গণ্য হবে না, এমনকি মুসলিম‌দের মধ্যে‌ও ছড়িয়ে পড়বে এই নোংরা কাজ, যদি তা খুব কম। তবুও তারা মোট জনসংখ্যার 15 থেকে 20% হবে!!
সুধী পাঠক, আমরা খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে 1000 বছর পর্যন্ত চিত্র আপনাকে দেখাতে চেষ্টা করছি। এবার আমরা আপনাকে "হোসেন কুরানী ও ভারত" বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ 120 বছর পর্যন্ত চিত্র‌টা দেখাতে চেষ্টা করব এবং আশা করব যে, মনযোগ দেবেন!! দেখুন-
আগামী 20 বছরের মধ্যে হোসেন কুরানী তার জন্ম ভূমি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী হবেন, 40 থেকে 50 বছরের মধ্যে ভারতের এবং 80 থেকে 100 বছরের মধ্যে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যাক্তিত্ব বলে গণ্য হবেন!!
আগামী 50 থেকে 80 বছরের মধ্যে হোসেন কুরানী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবেন। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মায়ানমার, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল মিলিয়ে ভারতবর্ষ তৈরি হবে!!
এটা শুধু আর শুধুমাত্র হোসেন কুরানীর দ্বারাই সম্ভব হবে- ইনশাআল্লাহ!! হ্যাঁ এগুলো‌ই ঘটবে, এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, আর কিছু নয়। সুতরাং অপেক্ষা‌ করুন এবং দেখুন!!
২) 1000 থেকে 2000 বছরের মধ্যে মানুষ পুরো-পুরি সৌরজগৎ দখল করে নেবে এবং সমগ্র সৌরজগৎ'কে ব্যবহার করা শুরু করবে, নিয়ন্ত্রণ‌ও। যেমন- আগামী 500 বছরের মধ্যে মানুষ পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে!!
পাঠক, আমরা এখানে আর অন্যান্য বিষয় গুলো সম্পর্কে আলোচনা করতে চাইছি না। কারণ, তাহলে 5-7 পর্ব শুধু তাতেই শেষ হয়ে যাবে। তাহলে "কোরানের গভীরে দৃষ্টি" দেব কিভাবে?? তাই না??
৩) 5000 বছরের মধ্যে মানুষ পুরো Milkey way galaxy'র দখল করে নেবে, তার পুরো-পুরি ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণ‌ও করবে। যেমন- আগামী 500 বছরের মধ্যে মানুষ পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে!!
৪) 10, 000 বছরের মধ্যে মানুষ Galaxy সমূহে অবাধ বিচরণ করতে সক্ষম হবে, তার পুরো-পুরি ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণ‌ও করবে। যেমন- আগামী 500 বছরের মধ্যে মানুষ পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে!!
এখন হয়ত কেউ প্রশ্ন করতে পারেন- আপনি (হোসেন কুরানী) কি পাগল হয়ে গেলেন না কি যে, এই রকম উল্টো-পাল্টা বকছেন?? উত্তর সহজ- আমরা যা যা বলেছি, তা অনেক কম!! আল্লাহ এর চেয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে কি বলেছেন, দেখুন-
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا ۚ لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ●
অনুবাদ হবে এমন-"হে জ্বীন ও মানব সম্প্রদায়, তোমরা যদি মহাবিশ্বের সীমা সমূহ অতিক্রম করে বের হতে চাও, তাহলে যাও কিন্তু সীমা সমূহ অতিক্রম করে বের হতে পারবে না, প্রচণ্ড শক্তি [Technology] অর্জন ছাড়া"(55:33)।
পাঠক, আমরা শুধু Galaxy সমূহ বা মহাবিশ্ব দখলের কথা বলেছি, তার ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণে‌র কথা বলেছি কিন্তু আল্লাহ তো এই মহাবিশ্ব ছেড়ে অন্যান্য মহাবিশ্বে বিচরণের কথাও বলেছেন!! তাহলে কি এখন আল্লাহ‌ কেও পাগল বলবেন??
পাঠক, আমাদের আলোচনা‌র প্রসঙ্গ‌টা মনে আছে তো আপনার?? আয়ু সম্পর্কে কথা বলছিলাম, তাই না পাঠক?? প্রশ্ন হবে- মানুষের আয়ু সর্বোচ্চ কত হতে পারে??
উত্তর সহজ- 1 দিন কম 1 লক্ষ বছর!! পাঠক, এবার আপনি প্রমাণ চাইবেন, তাই না?? আপনি ভাবলেন কি ভাবে যে, হোসেন কুরানী এত বড় দাবি করবেন অথচ প্রমাণ দেবেন না- এমনটা কি কখনও হয়ে ছিল/ হতে পারে/ হবে?? যাইহোক, দেখুন-
وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَىٰ حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا ۚ يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِحِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَنْ يُعَمَّرَ ۗ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অবশ্যই তোমরা তাদের‌কে [ইহুদী দেরকে] পাবে মানুষ‌দের মধ্যে সব চেয়ে বেঁচে থাকার লোভী হিসাবে, এমনকি মুশরিকদের চেয়েও!! তারা আশা করে- যদি তাদের‌কে প্রত্যেক‌কে হাজার বছর আয়ু দেওয়া হতো!! কিন্তু তাদের দীর্ঘ জীবন‌ও তাদের কে শাস্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারবে না, যদি আয়ু দেওয়া হয়‌ও!! আল্লাহ দেখেন, তারা যা কিছু করছে"(2: 96)।
উক্ত আয়াতে ব্যবহৃত আরবি শব্দ হল- أَلْفَ سَنَةٍ• যার অর্থ এক হাজার বছর বা হাজার বছর। এখন প্রশ্ন হবে যে, হাজারের সীমা কতটা?? উত্তর সহজ- হাজারের সীমা 1 লক্ষে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত!!
পাঠক, কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই। তাহলে শুরু করি?? প্রশ্ন হবে- আমাদের Milky way galaxy'র ব্যাস প্রায় 100, 000 light year, সেখানে Milky। way থেকে বের হ‌ওয়ার চিন্তা-ভাবনা করা তো পাগলামি। তার উপর আবার মহাবিশ্ব থেকে বের হ‌ওয়ার চিন্তা-ভাবনা করার কল্পনা করা মানে- রাঁচি থেকে পালিয়ে আসার নামান্তর নয় কি??
এ ছাড়াও আলোর গতিতে 100, 000 বছর!! সেখানে আলোর গতি কি অর্জন করা সম্ভব?? আলোর গতির পরিণতি হোসেন কুরানী জানেন তো?? না কি শুধু ভুল ভাল বকছেন??
আচ্ছা পাঠক, আপনি কি জানেন- হোসেন কুরানী‌কে বিজ্ঞান শেখাবার অর্থটা কি?? হোসেন কুরানী‌কে বিজ্ঞান শেখাবার অর্থ হল- আপনি সূর্য‌কে মোমবাতি দেখাচ্ছে‌ন!!
ওওওওহোওওওও, ভুল বলে ফেললাম। আসলে হোসেন কুরানী‌কে বিজ্ঞান শেখাবার অর্থ হল- আপনি VY Canis Mejoris (VY ক্যানিস মেজোরিস) কে মোমবাতি দেখাচ্ছেন!!
পাঠক, VY Canis Mejoris (VY ক্যানিস মেজোরিস) কি, তা বুঝতে পারেন নি, তাই না?? আসলে এই VY Canis Mejoris হল- একটা নক্ষত্র, যা আমাদের সূর্যের চেয়ে 1540 গুণ বড়!!
আর এর ব্যাস 28000, 000, 00 (28 হাজার লক্ষ) কিমি এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব কমবেশি 5000 Light years বা আলোকবর্ষ (1 Light year= 9, 50, 000, 000, 00, 00 km)।
সেখানে সূর্যের ব্যাস মাত্র 13, 92, 000 (13 লক্ষ 92 হাজার) কিমি। এই VY Canis Mejoris নক্ষত্রের ব্যাস এভাবে কল্পনা করা যায়- ঘণ্টায় 900 কিমি গতিতে কোন‌ও বিমান যদি একে প্রদক্ষিণ করা শুরু করে, তা হলে একে এক বার প্রদক্ষিণ করতে 1100 বছর সময় লেগে যাবে!!
যাইহোক, এই VY Canis Mejoris নক্ষত্রের অবস্থান Canis Mejoris নক্ষত্রপুঞ্জে। এখনও পর্যন্ত আবিষ্কার হ‌ওয়া সবচেয়ে বড় নক্ষত্র এটি। আর আপনি হোসেন কুরানীকে বিজ্ঞান শেখাচ্ছেন??
এটা একেবারেই মানানসই নয়!! যাইহোক, এবার উচিৎ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, Dialogue অনেক হয়েছে বরং বলা ভাল- একটু বেশিই হয়ে গেছে!! আচ্ছা ঠিক আছে, নিচের Link এ Click করুন, উত্তর আছে-
পাঠক, উত্তর পেয়েছেন তো?? এবার তাহলে একটু অবাক করা তথ্য দিই?? মানুষের চরম উন্নতি সম্পর্কে কোন আয়াতে কথা বলা হয়েছে?? 55:33 আয়াত, তাই না??
এবার দেখুন- 5+ 5+ 3+ 3= 16= 1+ 6= 7, অবাক হন নি পাঠক?? এভাবেও দেখা যায়- 55+ 33= 88= 8+ 8= 16= 1+ 6= 7, তাই না?? আচ্ছা পাঠক, 55:33 আয়াতে আরও একটা অবাক করা তথ্য আছে, তা কি বলুন তো?? বলুন বলুন!!
উত্তর সহজ- يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ তে 16 টি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে, যাতে আল্লাহ 1+ 6= 7 এর Function বাজায় রাখতে পারেন- সুবহান‌আল্লাহ। তাই নয় কি?? পাঠক, এই তথ্যটা আপনাকে অবাক করে নি?? আমি তো লিখতে লিখতেই অবাক হয়ে যাচ্ছি!!
সত্যিই এই কোরান সম্মানিত- সুবহান‌আল্লাহ এবং আল্লাহ তা বলেওছেন (দ্রঃ 56:77, 85:21)। তাহলে কল্পনা করুন- আল্লাহর মর্যাদা কত!! কিন্তু আমরা কি আল্লাহ‌কে যথাযথ মর্যাদা দিই??
এ প্রশ্নের উত্তর হল- যারা (আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ) কোরানের থেকে বিজ্ঞানের মহাগ্ৰন্থে‌র মর্যাদা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে ভূত তাড়াবার গ্ৰন্থে পরিণত করে দেয়, তারা আল্লাহ‌কে যথাযথ মর্যাদা দেবে কি ভাবে?? এটা তাদের থেকে আশা করাও মহা বোকামি এবং মূর্খ‌তা!!
তাই আল্লাহ তাদের‌ (আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ) কে উদেশ্য করে পবিত্র কোরানে সুন্দর ভাবে বলেছেন- مَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَقَوِيٌّ عَزِيزٌ
অনুবাদ হবে এমন-"তারা আল্লাহ‌কে যথাযথ মর্যাদা দেয় না। নিশ্চয় আল্লাহ প্রচণ্ড শক্তিধর, মহাশক্তি শালী"(6:91, 22:74)।
পাঠক, এখানেও একটি অবাক করা বিষয় আছে, যা আপনি দেখতে পান নি। তা হল- مَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ• উক্ত আয়াতাংশে ব্যবহৃত হারাফ সংখ্যা 16 টি, 1+ 6= 7, এগুলো আপনাকে অবাক করছে না পাঠক??
পাঠক, আমার/ আমাদের (Quranic universe এর) জন্য সব চেয়ে বেশি কষ্টের বিষয় কি জানেন?? পবিত্র কোরান‌কে এভাবে গবেষণা করা হয় নি কেন?? কেন আমাদের কাছে কোরান গবেষণাহীন ভাবে পৌঁছে দেওয়া হল?? তাহলে গত 1500 বছর ধরে আপনারা আলিমগণ/ সম্মানিত হারামখোরগণ) কাফির ফাতুয়া দেওয়া ছাড়া আর কি করলেন/ করেছেন??
যাইহোক, পরের প্রশ্ন- তাহলে কিয়ামাত কবে হবে?? কিয়ামাত হতে এত সময় লাগবে?? উত্তর সহজ- কবে হবে, তা আল্লাহ জানে। এ বিষয়ে পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে- قُلْ إِنَّمَا عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন যে, নিশ্চয় এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র আমার প্রভুর কাছেই আছে"(7:187)
কিয়ামাত কবে হবে, এ বিষয়ে হাদীসে বিভিন্ন লক্ষণ বা আলামাত বলা হয়েছে। তবে, পবিত্র কোরানে‌ও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা আলামাতের উল্লেখ করা হয়েছে, যা 1500 বছর ধরে উপেক্ষিত হয়েছে আলিমগণের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণের দ্বারা!!
দেখবেন?? কিন্তু পাঠক, আমরা আয়াতটি অনেক আগেই দিয়ে দিয়েছি। আপনি খেয়াল করেন নি?? কেন খেয়াল করেন নি?? আপনি কি আলিম, না কি?? যদি আলিম হতেন, তাহলে খেয়াল না করা আপনার বৈশিষ্ট্য হতো কিন্তু আপনি তো সম্মানিত পাঠক, সম্মানিত হারামখোর নন!!
কারণ, খেয়াল না করা সম্মানিত হারামখোরদের Copyright যুক্ত বৈশিষ্ট্য!! তাই না?? আচ্ছা, এবার আয়াতটি নিয়ে আসি, যদিও আগেই দেওয়া হয়েছিল আয়াতটি। দেখুন-
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا ۚ لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ●
অনুবাদ হবে এমন-"হে জ্বীন ও মানব সম্প্রদায়, তোমরা যদি মহাবিশ্বের সীমা সমূহ অতিক্রম করে বের হতে চাও, তাহলে যাও কিন্তু সীমা সমূহ অতিক্রম করে বের হতে পারবে না, প্রচণ্ড শক্তি [Technology] অর্জন ছাড়া"(55:33)।
্যাঁ, এই সেই বিখ্যাত আয়াত কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছে- আপনি বুঝতে পারে‌ন নি, তাই না?? কিন্তু বোঝা খুব সহজ- আগে মহাবিশ্ব থেকে বের হ‌ওয়ার মতো শক্তি অর্জন করুক মানুষ, তারপর তো মানুষ মহাবিশ্ব থেকে বের হতে পারবে!!
তারমানে- মানুষ মহাবিশ্ব থেকে বের হ‌ওয়ার মতো শক্তি অর্জন করার সময় পাবে। তবেই তো এই আয়াত সত্য হবে। আর এই শক্তি অর্জন করার জন্য কমপক্ষে এখনও 10, 000 বছর সময় লাগবে। মানে- 10, 000 বছরের আগে কিয়ামাত হচ্ছে না!! তাই না??
যখন আমরা বয়স সম্পর্কেই কথা বলছি, তখন নূহ (আ)- এর প্রসঙ্গে কথা বলতেই হয়। কারণ, ইসলাম বিদ্বেষী এবং নাস্তিক‌গণ প্রশ্ন তোলেন- 950 বছর জীবন পাওয়া (দ্রঃ 45:14) কি বিজ্ঞান সম্মত ভাবে সম্ভব??
এই প্রশ্ন করলে আমাদের আলিমগণ লেজ গুটিয়ে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন কিন্তু এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, তাই না?? পাঠক, এবার যদি কেউ এই ধরণের প্রশ্ন করে, তাকে হোসেন এই লেখা‌টা পাঠিয়ে দিয়ে বলবেন- শুধুমাত্র Oxygen therapy দিয়ে Reverse aging করা যেতে পারলে, নূহ (আ)- এর সময়ে তো বায়ুমণ্ডলে O² এর পরিমাণ অনেক বেশি ছিল, তিনি 950 বছর বাঁচলে অবৈজ্ঞানিক হবে কেন রে ভাই??
পাঠক, লম্বা জীবন নিয়ে যেহেতু কথা বলছি, সেহেতু জান্নাত এবং জাহান্নামের মৃত্যু‌হীন জীবন নিয়েও কথা বলা উচিৎ। তাই না?? সুতরাং প্রশ্ন হবে- জান্নাত এবং জাহান্নামে মৃত্যু‌হীন বিরাট লম্বা জীবনের বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা‌টা কি?? মানে- কিভাবে সম্ভব??
আমাদের জানা মতে- এ প্রশ্নের উত্তর পৃথিবীতে কেউ কখনও দেয় নি, এই প্রথমবারের মতো হোসেন কুরানী উত্তর দিচ্ছেন!! এর সঙ্গে আরও একটা প্রশ্ন- ইহকালে কি মৃত্যু‌হীন জীবন লাভ করা সম্ভব??
উত্তর সহজ- আচ্ছা পাঠক, মৃত্যু কেন হয়, তা তো জানেন, না কি?? কোষের মৃত্যু এবং নিষ্ক্রিয়তার ফলে শরীর যখন আত্মাকে বহন করার যোগ্য‌তা হারিয়ে ফেলে এবং শরীর থেকে আত্মা বিচ্ছিন্ন হ‌ওয়ার নাম‌ই হল- মৃত্যু!! তাই না??
এ বিষয়ে আমরা গত পর্বে মনে হয় বিস্তারিত কথা বলেছি, তাই না?? তাহলে বলুন- মৃত্যুহীন হতে হলে কি করতে হবে?? উত্তর সহজ- কোষের মৃত্যু ও নিষ্ক্রিয়তা বন্ধ করতে হবে, তাহলেই মৃত্যুহীন অর্থাৎ অমর হ‌ওয়া সম্ভব!!
কিন্তু পৃথিবীতে যদি কোষের মৃত্যু ও নিষ্ক্রিয়তা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে একটা সমস্যা বড় সমস্যা দেখা দেবে। প্রশ্ন হবে- মৃত্যুহীন বা অমর হলে সমস্যা হবে কেন??
উত্তর সহজ- বিজ্ঞান না জানার জন্যে‌ই এই ধরণের প্রশ্ন মাথায় আসে। এখন হয়ত কেউ বলবেন- এখানে আবার কি বিজ্ঞান আছে?? দাঁড়ান, দেখাচ্ছি। শুধু মনযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন-
১) শরীর + প্রাণ = জীবিত সত্ত্বা
২) প্রাণ = জীবিত সত্ত্বা – শরীর
৩) শরীর = জীবিত সত্ত্বা – প্রাণ
৪) মৃত্যু = জীবিত সত্ত্বা – প্রাণ
৫) শরীর = মৃত্যু
৬) শরীর – মৃত্যু = 0 (শূন্য)।
পাঠক, কতটা বুঝলেন?? কিছু‌টা‌ও বুঝতে পারলেন কি?? যদি বুঝে থাকেন, তাহল এটা খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন যে- শরীর থেকে মৃত্যু বাদ দিয়ে দিলে 0 (শূন্যতা) ছাড়া কিছুই থাকবে না!!
প্রশ্ন হবে- কিভাবে?? উত্তর সহজ- তাহলে এতক্ষন সমীকরণ দেখে কি বুঝলেন?? ওওওও আচ্ছা, বুঝতে পারেন নি, তাই তো?? আচ্ছা ঠিক আছে, সহজ ভাষায় বলছি, দাঁড়ান!!
আচ্ছা, তার আগে একটা ছোট্ট মতো বিশ্রী Type এর কাহিনী শুনিয়ে দিই?? উপরিউক্ত সমীকরণটা প্রথম বার তৈরি করেছিলাম ★★'র পাঠান‌ও প্রশ্নের জন্য। নিচে Link দিলাম, দেখতে আসতে পারেন-
যাইহোক, আমরা আপনাকে দেখাব- শরীর থেকে মৃত্যু‌কে বাদ দিলে কি হবে অর্থাৎ মৃত্যু‌হীন বা অমর শরীরের পরিণতি কি হবে!! পাঠক, তাহলে কি দেখতে চাইবেন?? দেখুন-
আমরা জানি- মানুষের শরীরে কোষের সংখ্যা কম বেশি 100, 000, 000, 00, 00 অর্থাৎ 100 Trillion এবং প্রতিদিন‌ই 1% থেকে 1.5% কোষের মৃত্যু হয়, যা সাধারণ ও স্বাভাবিক নিয়ম!!
যদি কোনও ভাবে কোষের এই স্বাভাবিক 1% থেকে 1.5% মৃত্যু বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে ঐ 1% থেকে 1.5% কোষের ওজন পরিমাণ প্রতিদিন বাড়বে এবং বাড়তেই থাকবে!! তাই না??
যদি প্রতিদিন 1% ওজন বৃদ্ধি পায়, তাহলে একটা মানুষের ওজন 100 দিনে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর যদি 1.5% হারে ওজন বৃদ্ধি পায়, তাহলে একটা মানুষের ওজন 75 দিনে দ্বিগুণ হয়ে যাবে!! তাই না??
আর শুধু ওজন নয়, তার সঙ্গে আকার‌ও বৃদ্ধি পেতে থাকবে। পাঠক, আমরা হিসাবের সুবিধার জন্য 100 দিনে দ্বিগুণ ধরে নেব। ঠিক আছে?? ধরে নিন- কোনও একজন মানুষের ওজন 50 kg, তাহলে 100 দিনের মধ্যে তার ওজন 100 kg হয়ে যাবে, তাই না??
200 দিনে 200 kg, 300 দিনে 400 kg, 400 দিনে 800 kg, 500 দিনে 1600 kg, 600 দিনে 3200 kg, 700 দিনে 6400 kg, 800 দিনে 12800 kg, 900 দিন 25600 kg এবং 1000 দিনে 51200 (51 হাজার 200 kg)। পাঠক, ভাবতে পারছেন??
1000 দিন মানে কত বছর?? মাত্র 3 বছর মতো, তাই না?? মাত্র 3 বছরে কি অবস্থা হবে, তা কি অনুভব করে দেখেছেন?? আর এভাবেই যদি প্রতি 100 দিনে ওজন দ্বিগুণ হতে থাকে, তাহলে 10 বছরে কি হবে, তা কি কল্পনা করতে পারছেন??
কম-বেশি 30 বছরের মধ্যে ঐ মানুষ‌টার ওজন এবং আকার হিমালয় পর্বতমালা‌ কেও ছড়িয়ে যাবে। আর 50 বছরে ঐ মানুষ‌টার আকার এবং ওজন পৃথিবীর ¹/₁₀ হবে!!
তখন হয়ত পৃথিবীতে মাত্র 8-10 জন মানুষ‌ই স্থান পাবে, তাই না?? কিন্তু এমন অবস্থায় তারা খাবে কি?? এতক্ষণে তো ঐ 8-10 জন তাদের বৃহদাকার শরীরে খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে পৃথিবীর খাদ্য ভান্ডার শেষ করে ফেলছে!! তাই না??
তারপর?? তারা হয়ত একে অপরকে খেতে শুরু করে দেবে। তাই না?? এরপর কি হবে?? ঐ 8-10 জনের মধ্যে হয়ত বেঁচে থাকবে 1 জন। তাই না?? তারপর?? খাবার মতো তো আর কিছুই নেই, সব তো শেষ!! তার পর??
এভাবেই আরও 1000 দিন বা 3 বছর পর ঐ মানুষ টার ভর হয়ে যাবে পৃথিবীর ভরের সমান!! তারপর?? তারপর আবার কি?? তার ওজন আরও বাড়বে এবং বাড়তেই থাকবে!!
তারপর তার ভর হয়ে যাবে পৃথিবীর চেয়েও বেশি কিন্তু সে হয়ে যাবে "একা" এই গোটা পৃথিবীতে। হোসেন কুরানীর তো তবুও 2'ই বোন আছে, তাদের বিবাহ না হ‌ওয়া পর্যন্ত!!
যাইহোক, তখন সেই মানুষ‌টি খাবার‌ও পাবে না। তার পর হয়ত খুব কষ্টের সঙ্গে মানুষ‌টির মৃত্যু ঘটবে কিন্তু তার আগে তার যত কষ্ট হবে, তার মধ্যে এটাও থাকবে যে, তাকে অভিকর্ষ যন্ত্রণা‌ও সহ্য করতে হবে!! এ জন্যই হয়ত আল্লাহ বলেছেন- الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ অনুবাদ হবে এমন-"[তিনিই আল্লাহ,] যিনি সৃষ্টি করে‌ছেন প্রথমে মৃত্যু, তারপর জীবন"(67:2)।
সুধী পাঠক, ইহকালে মৃত্যুকে শরীর থেকে কেন বাদ দেওয়া যাবে না- তা কি বুঝতে পেরেছেন?? তাহলে প্রশ্ন হবে- Oxygen therapy তে তাহলে কি হয়?? উত্তর খুব সহজ- একটু উপরে গিয়ে পড়ে নিন!!
আরও একবার বলব?? শুধু নিষ্ক্রিয় কোষ গুলো‌কে সক্রিয় করে দেওয়া হয় এবং হয়ত কোষের দ্রুত মৃত্যু সামান্য প্রতিরোধ করে মাত্র!! তবে পাঠক, এটা মনে রাখুন- আগামী‌তে Nursing home এর মতোই বিভিন্ন জায়গায় Oxygen therapy কেন্দ্র গড়ে উঠতে চলেছে এবং আরও ভবিষ্যতে উন্নত দেশ গুলো হয়ত সরকারি ভাবেও এই পরিষেবা দেবে!!
সে না হয় দিক কিন্তু প্রশ্ন ছিল- জান্নাত ও জাহান্নামে মৃত্যু‌হীন বিরাট লম্বা জীবনের বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা‌টা কি?? এটাই প্রশ্ন ছিল তো পাঠক?? উত্তর সহজ- এত ক্ষণ তো সেই ব্যাখ্যা‌ই করলাম, আপনি বুঝতে পারেন নি?? হায় আল্লাহ!!
প্রশ্ন হবে- জান্নাতী ও জাহান্নামীদের উচ্চতা কতটা হবে এবং বিজ্ঞান‌টা কি?? এ প্রশ্নের উত্তরে নাবী (সা) বলেছেন-"জান্নাতীদের উচ্চতা আদাম (আ)- এর মতো 60 হাত/ 90 fit হবে, যেমনটা জান্নাতে আদাম (আ)- এর ছিল"(বুখারী, কিতাবুল আম্বিয়া, হাদীস 3327)।
জাহান্নামীদের প্রসঙ্গে পরে আসছি, ছোট্ট মতো বিশ্রী গোছের একটা স্মৃতি Share করতে চাইছি, শুনবেন পাঠক?? আজ 13.05.2021 তারিখ এবং রামজানের 30 তম রোজা অর্থাৎ আগামীকাল ঈদ। তাই না??
2019 এ ঈদের আগের রাতে ★★ সম্ভবত রাত 2 টার সময় Call করেছিলেন, Mobile এর Ringtone শুনে ঘুম ভেঙে গেল। একটু কথা বলে Call কেটে দিলেন এবং বললেন- Message করছি, আপনি‌ও Message করুন।
তারপর তিনি Message এ লিখলেন- আমাকে কাঁচের চুড়ি পরতে খুব ভাল লাগে। আমাদের বিয়ের পর আপনি ঈদের আগের দিন আমার জন্য কাঁচের চুড়ি কিনে নিয়ে আসবেন, হ্যাঁ??
যাইহোক, আসলে স্মৃতি শুধুই কষ্ট দেয়। তার উপর আবার মায়ের কথা মনে পড়ছে। আজব এই পৃথিবী এবং তার নিয়ম-নীতি। কেননা, এই দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি‌র বাজারে এখানে আবেগ, প্রেম ও ভালবাসা খুব‌ই সস্তা। আর মূল্যহীন‌ও!!
আর জাহান্নামীদের প্রসঙ্গে বলেছেন-"তার/ তাদের গায়ের চামড়া হবে 42 গজ মোটা, তার মাড়ির দাত হবে উহুদের সমান বড় এবং মাক্কা-মদীনার দূরত্বের সমান বিস্তৃত হবে তার বসার জায়গা"(তিরমিযী, কিতাব সিফাত জাহান্নাম, হাদীস 2577)।
পাঠক, এ প্রসঙ্গে শুধু হাদীস 2 টিই দেখালাম, বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা করলাম না। কারণ, লেখা অনেক বড় হয়ে গেছে এমনিতেই। সুতরাং আপনাকে সামান্য একটু অপেক্ষা করতে হবে পর্ব- 7 এর জন্য!!
পাঠক, আপনাকে আরও একটু বিরক্ত করব?? এখন 14.05.2021 রাত 2 টা বাজে, সকালে ঈদ। সময়টা পুরো 2019 এর মতোই কিন্তু পরিস্থিতি‌টা ভিন্ন। আর নেই কোনও আদর-আবদার, নেই তার কোনও দাবি!!
আর হ্যাঁ, একেবারে ভুলেই গিয়েছিলাম প্রায়। আমরা আল্লাহ‌কে দেখতে পাই না কেন- এ প্রশ্নের তৃতীয় উত্তর টা শেষে এসে দেওয়ার কথা ছিল, তাই না?? কিন্তু পাঠক, লেখা তো এমনিতেই অনেক বড় হয়ে গেছে। পরের পর্ব গুলোয় উত্তর দিলে হবে না??
প্রকাশ‌কাল : 15.05.2021
শেষে একটা মজার বিষয় দেখুন- 1+ 5+ 0+ 5+ 2+ 0+ 2+ 1= 16= 7, দেখেছেন পাঠক?? আর হ্যাঁ, পর্ব- এ 67:2 আয়াতের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা‌ও হবে- ইনশাআল্লাহ। তবে এখন শুধু এ টুকু জেনে রাখুন- উদ্ধৃতি করা 67:2 আয়াতে 19 টি হারাফ আছে। মানে- 1+ 9= 10. এর অর্থ পরবর্তী পর্বে জানাব- ইনশাআল্লাহ!!
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন:

Featured Post

আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: শায়েখ ইমরান হোসেনের বিশ্লেষণ বর্তমান ব...