কোরানের গভীরে দৃষ্টি ও কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 3

 

কোরানের গভীরে দৃষ্টি  ও  কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব- 3

আচ্ছা পাঠক, পর্ব- 1 ও 2 পড়েছেন?? তাহলে বলুন তো- মোট কত গুলো প্রশ্ন তৈরি হতে পারে পর্ব- 1 ও 2 থেকে?? আচ্ছা ছাড়ুন, বলতে হবে না। এটা গুণে-গুণে বলা খুব কঠিন। এমন কি আমার জন্যেও!!

তবে, চিন্তা‌র কিছু নেই। দাঁড়ান, আমি একবার পর্ব- 1 ও 2 পড়ি এবং দেখি যে, কত গুলো প্রশ্ন তৈরি করতে পারি!! যদি আপনিও পড়ে না থাকেন, তাহলে নিচের Link এ গিয়ে পড়ে আসুন না-
আপনি পড়ুন, হ্যাঁ?? আমি ততক্ষণ পাঠকদের কিছু Comment তুলে এখানে নিয়ে আসি, তাহলে হয়ত আমাকে বেশ সহজেই মূল্যায়ন করতে সামর্থ্য হবেন। তাহলে দেখুন-
১) দেখ রে এই কাফির কি বলে!! বলে না কি- লাওহি মাহফুজ‌ই হল সূরা ফাতিহা!! এই হোসেন কুরানী এবার মনে হয় পাগল হয়ে গেছে!! পাগল হতেই পারে, প্রেমে ধোকা খেয়েছে যে!!
২) মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ভাই বলেছেন- এভাবে আর কত দিন চলবে?? এভাবে আর কত দিন মানুষ‌কে ধোকা দেবেন?? আপনার ধাপ্পাবাজি বন্ধ করুন। মানুষ একদিন সচেতন হবে!!
৩) বাংলাদেশ থেকে ইকবাল হোসেন ভাই Comment করেছেন- হোসেন কুরানী ভাই, আপনার লেখা গুলো যত পড়ি, ততই মুগ্ধ হ‌ই/ আশ্চর্য হই। যেমন- Galaxy গুলো একে-অপরের থেকে দূরে সরে যায় এবং মহাবিশ্ব আকারে বড় হতে থাকে, তেমনই আমার‌ও জ্ঞান বাড়তে থাকে- সুবহান‌আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার লেখা গুলো (বিশেষ করে বিজ্ঞানপূর্ণ এবং মহাবিশ্ব সম্পর্কিত লেখা গুলো) পড়ার সময় আমার মনে হয়েছে- প্রত্যেকটা বিন্দুতে আমি আপনার সঙ্গে আছি এবং আপনি দেখিয়ে ও বুঝিয়ে দিচ্ছেন!!
আলহামদুলিল্লাহ ভাই, আমি যেন প্রায় 3 যুগ ধরে আপনাকেই খুঁজে বেড়াচ্ছিছিলাম। সুদীর্ঘ 27/28 বছর পরে আমার অপেক্ষা‌র পালা শেষ হল এবং আপনাকে পেয়েও গেলাম!!
৪) Qurani sir, আমি Dubai এ কাজ করি। আপনার লেখা নিয়মিত পড়ি এবং আমার বন্ধু আপনার Group এর প্রশ্ন উত্তর আমাকে Forward কর, তা নিয়মিত শুনি।
Sir, আপনাকে অনেক ভালবাসি। আমি যদি মহিলা হতাম, তাহলে আপনাকে বিয়ে করতাম। যাক, একটা কথা বলতে চাই এবং একটি প্রশ্ন করতে চাই কিন্তু আপনি খারাপ ভাবে নেবেন না Please.
যার ব্যাপারে কোনও না কোনও কথা আপনার সমস্ত লেখাতেই দেখতে পাই, সেই হানীর আসল নাম কি?? আর যা বলতে চাই, প্রয়োজনের বেশি প্রেম থেকেই বিশ্বাসঘাতকতা‌র শুরু হয়!!
আপনার লেখা দেখে বুঝতে পারি যে, আপনি কত ভালবাসতেন!! এ জন্য আপনি‌ও বিশ্বাসঘাতকতা‌র মুখ দেখলেন!! তবে Sir, এই জাতের মহিলা গুলো কখনও সুখী হবে না, বিশেষ করে আপনার মতো মহামানব ও জ্ঞানের সমুদ্র‌কে ধোকা দিয়ে!!
৫) হোসেন কুরানী ভাই, আল্লাহ আপনাকে অনেক জ্ঞান দান করেছেন। আপনাকে স্মরণে রাখবে এই পৃথিবীর আল্লাহভীরু ব্যাক্তিগণ। সবাই তো আর আল্লাহ ভীরু নন (তাই তারা আপনার বিরুদ্ধে নোংরা-নোংরা Comment করেন)।
৬) পশ্চিমবঙ্গের হুগলী‌র তারকেশ্বর থেকে সুবহান মল্লিক বলেছেন- খারাপ ভাববেন না Sir, কোরানের গভীরে দৃষ্টির পর্ব- 1 অতটা আকর্ষণীয় মনে হয় নি। তবে পর্ব- 2 পড়ে আমার মনে হচ্ছে- এই যুগে আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত আপনি। আমি আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই। যদি একটু সাহায্য করতেন, তাহলে ধন্য হতাম!!
সুধী পাঠক, এবার Comment এর পেক্ষিতে কিছু Recomment করতে চাইছি। আমরা 2'য় জনকে বলতে চাইব- হ্যাঁ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ভাই, আমরা তত দিন পর্যন্ত মানুষ‌কে ধোকা দিতেই থাকব, যতদিন পর্যন্ত আল্লাহর প্রেরিত ও রাসুল (সা)- এর রেখে যাওয়া ইসলাম দ্বারা আপনাকে/ সমাজকে বদলে না দিই!!
4'র্থ জনকে বলব- হ্যাঁ ভাই, আপনি ঠিকই বলেছেন যে, প্রয়োজনের অধিক প্রেম Ignorance এর জন্ম দেয়, পরবর্তীতে ধোকা ও বিশ্বাসঘাতকতা রুপে প্রকাশ পায়। যাইহোক, তার আসল নাম হল- ★★★ ★★★★ এবং আমি তাকে খুব আদর করে ★ ★ বলে ডাকতাম। এটা আমার খুব ভালবাসার ডাক ছিল!!
তবে, আপনি সরা-সরি হানী বলতে আমাকে খারাপ লেগেছে, আপনি হানীজি বলতে পারতেন। শুধু আমি তাকে ★ ★ বলার অধিকার রাখি কিন্তু আমি যখন তার কথা বলতাম, তখন তাকে ★ ★ না বলে বেশির ভাগ সময়‌ই ★ ★'জী বলে সম্বোধন করতাম।
্যাঁ, ★★★★★★ ছিল আমার প্রেম নগর, যা লক্ষণ পুরের পাশের গ্ৰাম। তিনি একজন Islamic model school এর Teacher ছিলেন এবং প্রয়োজনে‌র চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর, যেখানে দৃষ্টি থেমে থেকে যেতে বাধ্য হতো!!
অন্য দিকে আমি সামান্য Auto চালক, প্রয়োজনের বেশি বিশ্রী, রঙ কালো কুচ-কুচে উপরন্তু মুখ ভর্তি দাড়ি!! সুতরাং আমাকে ছেড়ে যাওয়া‌টাই ছিল তার জন্য বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত, আমার সঙ্গে থাকাটা হতো তার জন্য মহা বোকামি। আর আমি বোকাদের পছন্দ করি না!!
6'ষ্ঠ জনকে বলতে চাইব যে, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা হল- Vilk+ Post বড়গাছিয়া, M A Molla Market, 6 Floor, Flat no 17, হাওড়া 711404, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত। আর বাড়ির ঠিকানা হল- Vill+ Post 113 বাইতুল হিকমা, লক্ষণ পুর, দক্ষিণ পড়া, বাদাম তলা, হুগলী 712404, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত।
যাইহোক সুধী পাঠক, অনেক লিখতে হবে, সুতরাং দেরি না করে এগিয়ে যাই, না কি?? বহু প্রশ্নের উত্তর বাকি আছে। প্রশ্ন হবে- আপনি বললেন যে, 3 ও 4 এর অনেক ব্যাখ্যা উপস্থিত করবেন কিন্তু আপনি তো মাত্র 7 টি ব্যাখ্যা করেই লেখা শেষ করে দিলেন!! হোসেন কুরানী‌র দম/ আউকাত কি এত টুকু মাত্র??
উত্তর সহজ- যদি শুধু মাত্র 3 ও 4 এর ব্যাখ্যা করতে যাই, তাহলে কিয়ামত হয়ে যাবে, পুনুরুত্থান হয়ে যাবে, সবার বিচার শেষ হয়ে যাবে (আমার তো বিচার হবে না, আমি এবং আমার Team বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করব- ইনশাআল্লাহ), জান্নাতে গিয়েও আমাকে লিখতে হবে আনন্দ উপভোগ ছেড়ে!! আপনি কি এমনটাই চান আমার জন্য??
নিশ্চয় চাইবেন না, তাই না?? এই জন্যেই মাত্র 7 টি Point উল্লেখ করে ছেড়ে দিয়েছিলাম। মাথায় ঢুকল?? যাইহোক, যেহেতু জিজ্ঞাসা করা হল, সেহেতু আরও কয়েকটি Point উল্লেখ করি!! এবার খুশি??
৮) যাইহোক, গত পর্বে দেখিয়েছিলাম যে, 4- 3 = 1 এ দ্বারা দেখিয়েছিলাম- আল্লাহ মাত্র একজন সত্ত্বা, এ ভিন্ন অন্য সব কিছু মিথ্যা। তাই না?? এই পেক্ষিতে নিম্ন লিখিত আয়াতটি দেখুন-
ذَٰلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ وَأَنَّ مَا يَدْعُونَ مِنْ دُونِهِ الْبَاطِلُ وَأَنَّ اللَّهَ هُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ●
অনুবাদ হবে এমন-"সেই কারণে আল্লাহ‌ই হলে সত্য এবং নিশ্চয় তারা আল্লাহ ছাড়া যাকে ডাকে, সব‌ই মিথ্যা। আর নিশ্চয় এও সত্য যে, আল্লাহ‌ই হলে সর্বোচ্চ ও শ্রেষ্ঠ"(31:30)।
কিন্তু 4- 3= 1 এর ব্যাখ্যা এখানেই শেষ নয়, ব্যাখ্যা এও যে, আমরা জানি- সূরা ফাতিহা প্রথম নাযিল‌ হ‌ওয়া সূরা নয়। তা বেশ কয়েকটি সূরার পরে নাযিল হ‌ওয়া Complete সূরা কিন্তু তা পবিত্র কোরানে‌র প্রথম সূরা হিসাবে স্থান পাওয়ার কারণ‌ও 4- 3= 1, মাথায় ঢুকল কি??
আচ্ছা, এই পৃথিবীতে কোরান তথা সূরা ফাতিহা কি ভাবে এল, 3 ও 4 এর সংখ্যা তত্ত্বে কি এই প্রশ্নের উত্তর আছে?? চলুন তবে দেখি, এ প্রশ্নের পাওয়া যায় কি!! ঠিক আছে, দেখুন-
نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ أَحْسَنَ الْقَصَصِ بِمَا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ هَٰذَا الْقُرْآنَ وَإِنْ كُنْتَ مِنْ قَبْلِهِ لَمِنَ الْغَافِلِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা বর্ণনা করেছি আপনার উত্তম কাহিনী সমূহ এই কোরানে, যা আপনার প্রতি ওহী করা হয়েছে। নিশ্চয় এই সম্পর্কে আপনি (বর্ণনা করার) পূর্বে গাফিল দের অন্তর্ভুক্ত (কিছুই জানতেন না) ছিলেন"(12:3)।
বুঝতে পারেন নি?? মানে হল- 3× 4= 12 অর্থাৎ 12 নং সূরা। এখন প্রশ্ন হবে- 3'ই কেন?? পাঠক, বুঝতে পারেন নি?? এত সহজ প্রশ্নের উত্তর দেব না, এতে আমরা অপমানিত হচ্ছি!!
কি ধরণের কাহিনী?? দেখুন- أَحْسَنَ الْقَصَصِ অর্থাৎ উত্তম কাহিনী। উত্তম বলতে?? দাঁড়ান উদাহরণের জন্য একটা আয়াত নিয়ে আসি, তাহলে বুঝতে পারবেন। দেখুন-
إِذْ قَالَ يُوسُفُ لِأَبِيهِ يَا أَبَتِ إِنِّي رَأَيْتُ أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ رَأَيْتُهُمْ لِي سَاجِدِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"স্মরণ করুন, যখন ইউসুফ তার পিতাকে বলল- হে পিতা, নিশ্চয় আমি (স্বপ্নে) দেখেছি যে, 11 টি কাওকাব (গ্ৰহ), সূর্য ও চন্দ্র। আমি দেখেছি যে, তারা আমাকে সিজদা‌রত আছে"(12:4)।
বুঝতে পেরেছেন- 3'ই কেন?? শুধু 3 নয়, 4'ও আছে অর্থাৎ 3× 4= 12?? এর বেশি আর বলতে পারব না, এ তেও যদি না বোঝেন, তাহলে আমাদের লেখা আপনার জন্য নয়, দূরে থাকুন আমাদের থেকে!!
যাইহোক, যদি বুদ্ধিমান হন, তাহলে অবাক হ‌ওয়ার পালা শেষ হয় নি!! উক্ত 12:4 আয়াতে ইউসুফ (আ) স্বপ্ন দেখলেন, তখন তিনি শিশু (সম্ভব‌ত 4-5 বছরের শিশু)।
তারপর ইউসুফ (আ) ধীরে-ধীরে এত বড় জ্ঞানী হয়ে উঠলেন যে, 12:36 নং আয়াতে মানুষ‌জন তার থেকে স্বপ্নের ব্যাখ্যা চাইছে। আর এখানেই শেষ নয়, 12:48 নং আয়াতে তিনি মিশরের রাজাকে স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন- সুবহানাল্লাহ।
বুঝতে পারেন নি তো?? বুঝবেন কিভাবে, গত 1500 বছরে আলিমগণ/ সম্মানিত হারামখোরগণ‌ই বোঝেন নি!! যাইহোক, বোঝাচ্ছি দাড়ান এবং দেখতে থাকুন- 3× 4= 12 অর্থাৎ 12× 3= 36 এবং 12× 4= 48, এবার বুঝেছেন?? তাহলে আয়াত গুলো দেখুন-
وَدَخَلَ مَعَهُ السِّجْنَ فَتَيَانِ ۖ قَالَ أَحَدُهُمَا إِنِّي أَرَانِي أَعْصِرُ خَمْرًا ۖ وَقَالَ الْآخَرُ إِنِّي أَرَانِي أَحْمِلُ فَوْقَ رَأْسِي خُبْزًا تَأْكُلُ الطَّيْرُ مِنْهُ ۖ نَبِّئْنَا بِتَأْوِيلِهِ ۖ إِنَّا نَرَاكَ مِنَ الْمُحْسِنِينَ●
অনুবাদ হবে এমন-"Jail এ তার [ইউসুফের (আ)] সঙ্গে আরও 2 জন প্রবেশ করল। কোনও একদিন তাদের একজন তাকে [ইউসুফের (আ)- কে] বলল- আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি মদ তৈরী করছি। আর অন্য জন বলল- আমি দেখলাম যে, আমার মাথায় রুটি রাখা আছে এবং পাখিরা তা হতে খাচ্ছে। তখন তারা উভয়ে বলল- এর ব্যাখ্যা বলে দিন। নিশ্চয় আপনি সৎকর্মশীল দের অন্তর্ভুক্ত"(12:36)।
কিন্তু এখানে প্রশ্ন হবে- শুধুমাত্র 12:48 আয়াতে তো ইউসুফ (আ) রাজার স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেন নি বরং তিনি 47, 48 ও 49 নং আয়াতে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাহলে আপনি (হোসেন কুরানী) শুধু 48 নং আয়াত বললেন কেন?? কারণ- 47, 48 ও 49 নং আয়াতের কেন্দ্রীয় আয়াত 12:48, বুঝলেন?? সুতরাং দেখুন-
قَالَ تَزْرَعُونَ سَبْعَ سِنِينَ دَأَبًا فَمَا حَصَدْتُمْ فَذَرُوهُ فِي سُنْبُلِهِ إِلَّا قَلِيلًا مِمَّا تَأْكُلُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"[ইউসুফ (আ)] বললেন- তোমরা 7 বছর পর্যন্ত একটানা চাষ-বাস করতে থাকবে। এ সময় তোমরা যে ফসল কাটবে তা শীষ সহ জমা রেখে দেবে। যা খাবে, তা ছাড়া"(12:47)। আরও দেখুন-
ثُمَّ يَأْتِي مِنْ بَعْدِ ذَٰلِكَ سَبْعٌ شِدَادٌ يَأْكُلْنَ مَا قَدَّمْتُمْ لَهُنَّ إِلَّا قَلِيلًا مِمَّا تُحْصِنُونَ
অনুবাদ হবে এমন-"তারপর 7 বছর আসবে, তা খুবই কঠিন (দুর্ভিক্ষ)। তখন তা খাবে, যা জমা করবে। যদি কিছু বেঁচে যায়, তাহলে তত টুকু, যা তোমরা বাঁচিয়ে রাখবে"(12:48)। পরের আয়াতটি দেখুন-
ثُمَّ يَأْتِي مِنْ بَعْدِ ذَٰلِكَ عَامٌ فِيهِ يُغَاثُ النَّاسُ وَفِيهِ يَعْصِرُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"এরপর আসবে এমন 1 বছর, যাতে বৃষ্টি হবে মানুষের জন্য এবং তারা রস নিংড়াবে"(12: 49)।
পাঠক, অনেক ক্ষণ Dialogue মারা হয় নি, তাই না বলুন?? আচ্ছা পাঠক- হোসেন কুরানী‌র জন্ম যদি 25.12.1991 তারিখে না হতো, তা হলে এই ধরণের ব্যাখ্যা কিভাবে পেতেন বলুন তো??
আচ্ছা আরও একটা কথা বলুন তো- আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কত বছর পর এই তথ্য আপনাকে জানাত?? আচ্ছা ঠিক আছে, আন্দাজেই বলুন না রে ভাই!!
ঠিক আছে, বলতে হবে না। বলার জন্য প্রয়োজনের বেশি সাহস চাই, তা আছে কি আপনার?? তাহলে বলুন যে- আলিমগণ বা সম্মানিত হারামখোরগণ কত বছর পর এই তথ্য আপনাকে জানাত?? কিয়ামতের আগে জানাতে পারত??
যাইহোক, Dialogue অনেক হল, এবার উত্তর দেওয়া শুরু করি?? প্রশ্ন হবে- 12:4 আয়াতে أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا (আহাদা আশারা কাওকাব) শব্দ সমূহের ব্যবহার করা হয়েছে, যার সাধারণ অর্থ করা হয় "11 টি নক্ষত্র" কিন্তু আপনি নক্ষত্র অনুবাদ না করে "11 টি গ্ৰহ" অনুবাদ করলেন কেন??
উত্তর সহজ- ১) যে কেউ একজন ভুল করছেন, হয় প্রচলিত অনুবাদক‌গণ, নয়ত হোসেন কুরানী। হোসেন কুরানী তো এত সহজে ভুল করবেন না, তাহলে এটা সহজেই বলা যায় যে, প্রচলিত অনুবাদ গুলোই ভুল!!
২) নক্ষত্রের Actual আরবি হল نجم (নাজাম)। আর كَوْكَب অর্থ যে কোনও মহাকাশিয় বস্তু, বিশেষত গ্ৰহ/ গ্ৰহাণু ইত্যাদি। কারণ নক্ষত্রের Actual আরবি হল نجم (নাজাম)। যেমন, আল্লাহ বলেছেন- وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ অনু বাদ হবে এমন-"শপথ সেই নক্ষত্রের, যে [Black hole এ পরিণত হ‌ওয়ার কারণে] অদৃশ্য হয়ে যায়"(53:1)।
Black hole সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের Link এ Click করতে পারেন। তবে এ টুকু বলতে পারে- Link এ Click করলে অবাক করা কিছু পেতে পারেন, যা পবিত্র কোরান সম্পর্কে আপনার ধারণা বদলে যাবে। সুতরাং নিচের Link এ Click করুন-
53:1 আয়াত থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, নক্ষত্রের Actual আরবি হল نجم (নাজাম)। আর মহাকাশে যা থাকে, তাই كَوْكَب (কাওকাব)। তা নক্ষত্র হতেও পারে, আবার নাও পারে!!
কিন্তু কাওকাব বলতে সাধারণ ভাবে গ্ৰহ/ গ্ৰহাণু‌কেই বোঝান‌ হয়। আর 12:4 এ স্পষ্ট‌ই বোঝা যাচ্ছে- كَوْكَب (কাওকাব) অর্থ গ্ৰহ। কেননা, সম্পূর্ণ আয়াতটিতে বলা হচ্ছে- إِنِّي رَأَيْتُ أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমি দেখেছি 11 টি গ্ৰহ, সূর্য ও চন্দ্র"।
যেহেতু আয়াতে وَالشَّمْسَ (ওয়াস সামশ) বা 'এবং সূর্য' শব্দের ব্যবহার হয়েছে, আর সূর্য‌ই নক্ষত্র। সেহেতু তার পরে আলাদা করে নক্ষত্রের প্রসঙ্গ নিয়ে আসাটা বেশ অযৌক্তিক!!
এছাড়াও মহাকাশে/ আমাদের ছায়াপথে/ আমাদের সৌরজগতে নক্ষত্র 11 টি নয় বরং সৌরজগতে 1 টি, ছায়াপথে প্রায় 10 কোটি এবং মহাবিশ্বে অগণিত। তাই 11 টি নক্ষত্রের প্রসঙ্গ নিয়ে আসাটা শুধু অযৌক্তিক‌ই নয় বরং It is a pure গাঁজাখুরি!!
11 টি নক্ষত্রের প্রসঙ্গ নিয়ে আসাটা অযৌক্তিক‌ এবং Pure গাঁজাখুরি হলেও 11 টি গ্ৰহ- মারাত্মক বৈজ্ঞানিক তথ্য!! আসলে পবিত্র কোরান এখানে খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে সৌরজগতের চিত্র অঙ্কন করেছে।
অর্থাৎ কোনও এক সময়ে আমরা পড়তাম- ৯ এ নবম গ্ৰহ, তবে আজ কিন্তু এটা বৈজ্ঞানিক ভুল!! তাই না?? হ্যাঁ, কেননা আজ আমরা জানি- গ্ৰহের সংখ্যা 9 টি নয় বরং 11 টি। এর মধ্যে 8 টি সাধারণ গ্ৰহ, 3 টি বামন (গ্ৰহের চেয়ে আকারে ছোট, যেমন Pluto) গ্ৰহ!!
কিন্তু এটা কোনও চমক নয়, চমক হল- আজ হতে 1500 বছর পূর্বে কোন বিজ্ঞানী সৌরজগতের 11 টি গ্ৰহ সম্পর্কে জানতেন?? কোনও বিজ্ঞানী জানতেন না বরং তখন বিজ্ঞান ছিল শিশু অবস্থায় এবং 5-7 টি গ্ৰহ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা জানতেন মাত্র!!
এবার একটা ছোট্ট প্রশ্ন- তাহলে আমাদের কোরান অনুবাদকগণ গ্ৰহ না করে, নক্ষত্র অনুবাদ করেছেন কেন?? কারণ, Bible অনুযায়ী ইউসুফ (আ) তার স্বপ্নে দেখেছেন-"I have dreamed another dream. And this time, the sun, the moon, and the *eleven stars* bowed down to me"(Genesis- 37:9)।
আরও একটা প্রশ্ন- তাহলে কি নাবী (সা) Bible হতে কোরান Copy করেছেন?? এ প্রশ্নের উত্তর এখন বেশ বড় করে দিতে পারি কিন্তু অনেক দিন আগে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম, Link এ Click করে পড়ে নিন-
তাহলে 3 ও 4 এর ব্যাখ্যা এবার শেষ করি, না কি?? এবার একটা সুন্দর প্রশ্ন- কোরান যে নাবী (সা) লেখেন নি, তার কোনও Grammatical ব্যাখ্যা আছে?? উত্তর খুব সহজ- Grammatical ব্যাখ্যা থাকত না, হোসেন কুরানী না থাকলে। যেহেতু হোসেন কুরানী আছেন, সেই হেতু Grammatical ব্যাখ্যা‌ও আছে!!
কিন্তু ক‌ই Grammatical ব্যাখ্যা?? আচ্ছা ঠিক আছে, এই নিন- ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু)। এখন প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানী কি পাগল হয়ে গেলন, না কি যে, Grammatical ব্যাখ্যা না দিয়ে বলছেন ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু)??
উত্তর সহজ- ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু) শব্দ দ্বয়ের অর্থ কি?? "সেই গ্ৰন্থ সমূহ"। তাই না?? তাহলে বলুন তো- মহাবিশ্ব সমূহে কে এমন আছেন, যে তার নিজের লেখা ব‌ইয়ের নিখুঁতে দাবির প্রশংসায় এ কথা বলবেন- ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সেই গ্ৰন্থ সমূহে কোন‌ও সন্দেহ নেই এবং তা মুত্তাকীদের জন্য পথপ্রদর্শক"(2:2)??
বরং বলতেন- هَٰذَا الْكِتَاب (হাযাল কিতাব, কিতাবু তো কখনও নয়)। হ্যাঁ, এখানে কেউ বলতে পারেন- আপনি كِتَابُ (কিতাবু) এর যে ব্যাখ্যা‌টা দিয়েছেন, তা মাথায় রেখেই হয়ত নাবী (সা) كِتَابُ (কিতাবু) শব্দের ব্যবহার করেছেন!!
চলুন, ঠিক আছে। আমরা শুধু তর্কের সুবিধার জন্য আপনার কথা মেনে নিলাম যে, নাবী (সা) প্রয়োজনের বেশি চালাক ছিলেন, তাই তিনি আমাদের দেওয়া كِتَابُ (কিতাবু) এর ব্যাখ্যা মাথায় রেখেই তিনি كِتَابُ (কিতাবু) শব্দের ব্যবহার করেছেন!!
কিন্তু هَٰذَا الْكِتَاب (হাযাল কিতাব) এর স্থলে ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু) কেন?? এখন হয়ত বলতে পারেন যে- এটা Grammatical error. কিন্তু তা Grammatical error নয়, এ ব্যাপারে পর্ব- 1 ও 2 এ বিস্তারিত ভাবে বলেছি, তাই না??
এই ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু) প্রমাণ করে পবিত্র কোরান নাবী (সা)- এর লেখা নয় বরং আল্লাহর। কারণ ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু) বা "সেই গ্ৰন্থ সমূহ" শব্দ দ্বয় আল্লাহর জন্যেই মানানসই। আয়াতটি দেখুন, বেশ বুঝবেন, দেখুন- ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ অনুবাদ হবে এমন-"সেই গ্ৰন্থ সমূহে কোন‌ও সন্দেহ নেই এবং তা মুত্তাকীদের জন্য পথপ্রদর্শক"(2:2)।
যদি পবিত্র কোরান নাবী (সা)- এর লেখা হতো, তা বলতেন- هَٰذَا الْكِتَاب لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ অনুবাদ হবে এমন- এই গ্ৰন্থে কোনও সন্দেহ নেই, তা মুত্তাকীদের জন্য জন্য পথপ্রদর্শক।
সুতরাং ذَٰلِكَ الْكِتَابُ (যালিকাল কিতাবু) প্রমাণ করে যে, পবিত্র কোরান আল্লাহর অবতীর্ণ করা গ্ৰন্থ, নাবী (সা)- এর লেখা নয়। আচ্ছা যাইহোক পাঠক, এবার বলুন- উত্তর দেওয়ার এই Style হোসেন কুরানী ছাড়া আর কার‌ও থেকে আশা করতে পারেন??
যারা আশা করবেন, হয়ত- لَا يَعْلَمُونَ বা "তারা জানে না" এবং নয়ত- لَا يَفْقَهُونَ বা "তারা বোঝে না"। আচ্ছা নাবী (সা) যে কোরান লেখেন নি, এই সম্পর্কে আরও কি উত্তর আছে??
সবচেয়ে কঠিন উত্তর‌টা দিয়ে দিয়েছি, সহজটা দিতে পারব না?? কি যে বলেন ভাই, আমার নাম কি বলুন?? হোসেন কুরানী তো?? তাহলে, এখানে আবার অসম্ভব কি আছে?? দেখুন-
وَمَا كُنْتَ تَتْلُو مِنْ قَبْلِهِ مِنْ كِتَابٍ وَلَا تَخُطُّهُ بِيَمِينِكَ ۖ إِذًا لَارْتَابَ الْمُبْطِلُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং আপনি পূর্বে কোনও গ্ৰন্থ পড়েন নি, আর না লিখেছেন আপনার ডান হাত দিয়ে কোনও গ্ৰন্থ, [যদি এমন হতো] তখন সন্দেহ করতে পারত অসত্যপন্থিরা"(29:48)। প্রশ্ন হবে- কেন মুহাম্মাদ (সা) কোনও গ্ৰন্থ পড়েন নি/ লেখেন নি?? দেখুন-
الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ الرَّسُولَ النَّبِيَّ الْأُمِّيَّ الَّذِي يَجِدُونَهُ مَكْتُوبًا عِنْدَهُمْ فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ●
অনুবাদ হবে এমন-"যারা অনুসরণ করে এমন এক প্রেরিত নিরক্ষর নাবীর, যার উল্লেখ রয়েছে তাদের কাছে থাকা তাওরাত এবং ইঞ্জিলে"(7:157)।
প্রশ্ন হবে- আচ্ছা, সত্যিই কি নিরক্ষর নাবী (সা)- এর বিষয়ে Bible এ উল্লেখ আছে, যেমনটা কোরানে দাবি করা হয়েছে?? আর যদি না থাকে, তাহলে কি পবিত্র কোরান মিথ্যা হয়ে যাবে?? এটা কি পবিত্র কোরানের Falsification Test??
্যাঁ, Falsification Test'ই। যদি উল্লেখ থাকে, তাহলে কোরান সত্য, না হলে মিথ্যা!! তাই এখন আমরা Bible খুলব, দেখুন-"Then the book is delivered to one who is illiterate, saying- Read this, please. And he says- I am no literate"(Isaiah- 29:12)।
পাঠক, Bible এ নিরক্ষর নাবী মুহাম্মাদ (সা)- এর উল্লেখ পেয়েছেন?? কেমন লাগল?? খুশি ও আনন্দিত হন নি?? আমি উত্তর দিয়ে অনেক খুশি হয়েছি, বিরাট খুশি এবং আনন্দিত হয়েছি।
বলা যায় আত্মহারা!! যেদিন ★ ★ আমাকে Love you বলেছিলেন, এখন তারচেয়েও অনেক খুশি হয়েছি, বিরাট খুশি ও আনন্দিত হয়েছি। আচ্ছা, পাঠক আজ আমার শরীর খুব ক্লান্ত, লিখতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এখন রাত 3:10 এবং 10.03.2021 তারিখ, আগামীকাল সকালে আবার লেখা শুরু করব- ইনশাআল্লাহ।
যাইহোক, এবার আমরা প্রসঙ্গ বদলাতে চাইছি এবং গত পর্বের বিষয়ে অর্থাৎ পর্ব- 2 এর বিষয়ে একটু কথা বলি, হ্যাঁ?? আমরা দেখিয়েছিলাম- যারা আল্লাহকে ভয় করে, প্রকৃতপক্ষে তারাই সালাত পড়বে এবং তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। তাই না??
আরও দেখিয়েছিলাম যে, আল্লাহ কেন 2:2 আয়াতে هُدًى لِلْمُتَّقِينَ (হুদাল্লিল মুত্তাকীন) শব্দ দ্বয়ের ব্যবহার করেছেন!! তাই না?? এখন প্রশ্ন হল- সূরা ফাতিহা পাঠ করার ফাদিলাত সম্পর্কে পবিত্র কোরানে কি কিছু বলা হয়েছে??
কি যে বলেন ভাই, أُمِّ الْكِتَابِ (উম্মুল কিতাব) অর্থাৎ لَوْحٍ مَحْفُوظٍ (লাওহি মাহফুজ) পাঠ করার ফাদিলাত সম্পর্কে বলা হবে না?? এটা আবার কোন দেশি কথা?? তাও আবার উত্তর দিচ্ছেন হোসেন কুরানী!! আচ্ছা ঠিক আছে, দেখুন-
جَزَاؤُهُمْ عِنْدَ رَبِّهِمْ جَنَّاتُ عَدْنٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ۖ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ ۚ ذَٰلِكَ لِمَنْ خَشِيَ رَبَّهُ●
অনুবাদ হবে এমন-"তাদের প্রতিদান রয়েছে তাদের প্রভুর কাছে আজীবনের জান্নাত, যার নিচে নদ-নদী সমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা আজীবন থাকবে। আল্লাহ‌ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তার প্রতি সন্তুষ্ট। এটা তার জন্য, যে তার প্রভুকে ভয় করে"(98:8)।
বুঝতে পেরেছেন?? পারেন নি, তাই না?? মানে- যিনি আল্লাহ‌কে ভয় করেন, তিনি নামাজ পড়বে‌ন। আর যিনি নামাজ পড়বেন, তিনি নামাজে সূরা ফাতিহা অবশ্যই পাঠ করবেন, তাই না?? কারণ, আমরা প্রথম পর্বেই দেখিয়েছিলাম- সূরা ফাতিহা ছাড়া নামাজ হয় না!!
অর্থাৎ যিনি আল্লাহ‌কে ভয় করবেন, তিনি অবশ্যই সূরা ফাতিহা পাঠ করবেন, আর সূরা ফাতিহা পাঠের ফাদিলাত হল- 98:8 আয়াত। এবার বুঝতে পরেছেন?? আরও একবার পড়ুন, বুঝে যাবেন!!
এবার বলুন- তাহলে প্রতি রাকাতে (ইমামের পিছনে হোক, বা সামনে অর্থাৎ একাকী) সূরা ফাতিহা পড়বেন তো?? না কি এখনও মাযহাব মেনে চলতে গিয়ে এত বড় ফাদিলাত থেকে নিজ ইচ্ছায় বঞ্চিত থাকবেন??
সুধী পাঠক, এবার 18 এর দিকে এগিয়ে যাই, না কি গো?? আজ (14.03.202) মনটা খুব খারাপ, ব্যাবসায় বড় ধরণের লোকসান হয়েছে। আর জানেন তো, আজ সন্ধ্যা থেকে ★ ★'র কথা অনেক বেশি মনে পড়ছে।
হয়ত এ জন্য যে, তিনি যখন আমার সঙ্গে Relation ছিলেন, তখনও একবার এভাবেই লোকসান হয়েছিল!! যদিও তখন পরিমাণ‌টা ছিল মাত্র 7 লক্ষ টাকার একটু বেশি, এবার তার প্রায় 4 গুণের কাছা-কাছি!!
হাঁসির কথা হল- তখন তিনি আমাকে প্রায় 2 ঘন্টা ধরে বুঝিয়চ্ছিলেন এবং সান্তনা দিয়েছিলেন, এবারে নিজেই নিজেকে বোঝালাম ও সন্তানা দিলাম!! যদিও আমার 'মাতৃতুল্য' 2 বোন সব সময় আমার পাশে থাকে এবং এবারেও আছে।
যাইহোক, মন খারাপ থেকে বেরিয়ে এসে লেখা শুরু করি। হোসেন কুরানী সব সময় বলেন- যে লোকসান সহ্য করতে পারে না, সে আবার ব্যাবসায়ি হল কবে!! সুতরাং লেখা শুরু করা উচিৎ, তাই না??
৬) পাঠক, 18 এর আর কি কোনও অর্থ আছে?? কি যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী আছে, 18 এর অন্য কোনও অর্থ থাকবে না, তা কি হয়/ হতে পারে?? কি করে ভাবলেন রে ভাই??
এ বিষয়ে পরে আসছি। বেশ কয়েকদিন আগে এক আহলে হাদীসের হারামখোর আলিমের সঙ্গে আমার বাড়িতে ছোট্ট মতো তর্কা-তর্কি হয়েছিল। যদিও এই তর্কা-তর্কি ছিল অপ্রত্যাশিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত!!
কেননা, তিনি এসেছিলেন হোসেন কুরানী‌র সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার জাঙ্গি পাড়া থানার মুন্ডালিকা গ্ৰাম থেকে। সাধারণ কথা-বার্তা থেকে ইসলাম, সমস্ত ধরণের আলোচনাই চলছিল!!
সাধারণ ভাবে একজন ইসলামের অনুসারী অর্থাৎ মুসলিমের সঙ্গে আহলে হাদিস ধর্মের অনুসারী‌র বেশ কিছু বিষয়ে বিরাট বড়-বড় অমিল থাকে, সেই নিয়েও কথা হল এবং তর্কাতর্কি‌ও।
কথা এবং তর্কা-তর্কি প্রসঙ্গে তিনি বললেন- কোরান বোঝা কি এত সহজ, তাফসির ছাড়া কোরান বোঝা সম্ভব নয়!! এই প্রেক্ষিতে হোসেন কুরানী তাকে আয়াত টি পাঠ করলেন- وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ অনুবাদ হবে এমন-"এবং নিশ্চয় আমরা কোরান‌কে বুঝে উপদেশ গ্ৰহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। এত‌এব আছে কি কোনও উপদেশ গ্রহণকারী(54:17, 22, 32, 40)??
তখন তিনি বললেন- এখানে তো বুঝে উপদেশ গ্ৰহণ করার কথা বলা হয়েছে, সমগ্র কোরান বোঝার কথা বলা হয় নি!! হোসেন কুরানী তাকে বললেন- আচ্ছা ঠিক আছে। তবে এই আয়াতটি শুনুন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে তারা গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
এরপর তিনি তাদের ধর্মের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে শুরু করলেন এবং বললেন- যদি কোরান বোঝা সহজ হয়, তাহলে আপনি الم (আলিফ, লাম ও মীম) এর অর্থ বলুন!!
তখন হোসেন কুরানী বললেন- যদি الم (আলিফ, লাম ও মীম) সহ সমস্ত حُرُوف مُقَطَّعَات‎‎ (হুরুফে মুকাত্তা'আত) অর্থ বের করে দিই, তাহলে কি আপনি আহলে হাদীস ধর্ম ছেলে ইসলাম গ্ৰহণ করবেন?? আর যা 1500 বছর ধরে কেউ করতে পারে নি, তা করার জন্য আমার কত টাকা পুরষ্কার পাওয়া উচিৎ আপনার থেকে??
তখন তিনি বললেন- যা 1500 বছর ধরে পৃথিবীর কোনও করতে পারে নি, তা আপনি করবেন?? এটা বিশ্বাস করলেও আমি কাফির!! তখন হোসেন কুরানী বললেন- হোসেন কুরানী কোনও আলিম বা সম্মানিত হারামখোর নন!!
আর যা সবাই করতে পারে, তা করা হোসেন কুরানী‌র বৈশিষ্ট্যই নয়, যা কেউ করার চিন্তা-ভাবনা করতে পারে না, তা করাই হোসেন কুরানী‌র বৈশিষ্ট্য!! পাঠক, এখন বলুন তো- হোসেন কুরানী পারবেন এই অসম্ভব কাজ‌টা কে সম্ভব করতে??
চিন্তা করার দরকার নেই, কোরানের গভীরে দৃষ্টি‌র মোট 99 টি পর্ব হবে- ইনশাআল্লাহ। এই পর্ব বাদ দিয়ে এখনও 96 টি পর্ব বাকি আছে। চেষ্টা করব 99 টি পর্বে সংক্ষিপ্ত সমস্ত অজানা তত্ত্ব এবং তথ্য গুলো নিয়ে আসব- ইনশাআল্লাহ। আপনি বেশি-বেশি করে দুয়া বা আহলে হাদীস হলে গালা-গালি করুন!!
পাঠক, গত পর্বের শেষে একটি প্রশ্ন ছিল, মনে আছে কি?? প্রশ্ন‌টি মনে হয়, এটা ছিল- 18 টি হারাফ সংখ্যা‌য় গঠিত আয়াতে 4 টি শব্দ কেন এবং 18 টি শব্দে গঠিত প্রার্থনা‌র আয়াত 4 টি কেন??
পাঠক, এই প্রশ্নটাই ছিল তো, না কি?? হ্যাঁ, এটাই ছিল কিন্তু তা বড় কথা নয়, বড় কথা হল- উত্তর!! তাই না?? উত্তর সহজ- محمّد (মুহাম্মাদ)। মনে হয়- বুঝতে পারেন নি, তাই না??
আরবি محمّد (মুহাম্মাদ) শব্দে (م ح م د) 4 টি অক্ষর আছে। এখনও বুঝতে পারেন নি?? বুঝে যাওয়ার কথা ছিল, তাই না বলুন?? প্রশ্ন হবে- শুধুমাত্র এই কারণ, না কি আরও কারণ আছে??
আছে, অবশ্যই আছে। তাহল- م এর মান 24, ح এর মান 6, আবার م এর মান 24 ও د এর মান 8 হবে। এর মানে- 24+ 6+ 24+ 8= 62, যা Solar year অনুযায়ী নাবী (সা)- এর বয়স!!
আবার যেহেতু নাবী (সা)- এর আরও একটা নাম ছিল أحمد (আহমাদ) এবং এখানেও 4 টি আরবি অক্ষর ব্যবহৃত, সেহেতু- 62× 4= 248, তাই না?? এবার মজার বিষয়‌কা দেখুন- 2+ 4+ 8= 14 অর্থাৎ 1+ 4= 5, তাই তো হবে, না কি??
প্রশ্ন হবে- পবিত্র কোরানে নাবী (সা)- এর নাম কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?? মোট 5 বার, তাই না?? এর মধ্যে 1 বার আহমাদ (দ্রঃ 61:6) এবং 4 বার মুহাম্মাদ (দ্রঃ 3:144, 33:40, 47:2, 48:29)।
পাঠক, আপনি কি এখনও বুঝতে পারেন নি- উপরে 1 (আহমাদ) + 4 (মুহাম্মাদ)= 5 কেন হল?? আচ্ছা সুধী পাঠক, আপনি কি চমকে ওঠেন নি?? হোসেন কুরানী‌ কে ভালবেসে ফেলেন নি??
এখনও যদি হোসেন কুরানী‌র সঙ্গে শত্রুতা করেন, তা এটা নিশ্চিত যে, 8:22 আয়াতে আপনার সম্পর্কে‌ই বলা হয়েছে। আয়াতটি দেখবেন?? দেখুন, জ্ঞানের পরিধি বাড়বে- إِنَّ شَرَّ الدَّوَابِّ عِنْدَ اللَّهِ الصُّمُّ الْبُكْمُ الَّذِينَ لَا يَعْقِلُونَ
অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সব চেয়ে নিকৃষ্ট পশু হল তারা, যারা- বধির, বোবা এবং যাদের বুদ্ধি নেই"(8:22)।
এবার 18'র ব্যাখ্যা‌য় যাই, না কি?? আচ্ছা, আপনি কি জানেন- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (আলহামদু লিল্লাহী রাব্বিল আলামীন) পবিত্র কোরানে মোট কত বার ব্যবহৃত হয়েছে??
মনে হয়- 6 বার (1:1, 6:45, 10:10, 37:182, 39:75, 40:65), তাই না??। এবার দেখুন- 6× 18= 108, তাই না?? এবার বলুন- 108 আসলে কি?? জানেন না?? এ কি গো?? 108 হল পবিত্র কোরানে‌র সূরা কাওসারের ক্রমিক নং, তাই না??
প্রশ্ন হবে- কি আছে এই সূরাতে?? Special কিছু নেই, তবে যা আছে তা আপনার কল্পনার ঊর্ধ্বে এবং আপনাকে এটা বলতে- إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ অর্থাৎ হে আল্লাহ, নিশ্চয় আপনি মহাজ্ঞানী ও মহাবিজ্ঞানী(2: 32)।
ঠিক আছে দেখুন, হ্যাঁ?? এই সূরাতে আরবি 42 টি হারাফ বা অক্ষর ব্যবহৃত। তাই না?? 42÷ 6= 7, তাই না?? ওওওওহোওওওও, আচ্ছা বুঝতে পারেন নি, তাই না?? একটু ভাবুন না, বুঝে যাবেন!!
এবার দেখুন- 6+ 7= 13, তাই না?? আর 42- 13= 29, তাই না?? বলতে পারবেন- এই 29 দ্বারা আসলে কি বোঝান হয়েছে?? আজ 17.03.2021 তারিখ এবং এখন দুপুর 1:10 বাজে। এখন আমি সালাত আদায় করতে যাচ্ছি, আপনি ততক্ষণ ভাবুন। আমি রাতে উত্তর দেব- ইনশাআল্লাহ। ভাববেন তো??
এখন রাত 3:40 এবং 18.03.2021 তারিখ। এবার লিখি, হ্যাঁ?? আচ্ছা, আমরা 29 তে ছিলাম তো, তাই না?? এখন প্রশ্ন- 29 আসলে কি?? উত্তর সহজ- 29 হল আসলে حُرُوف مُقَطَّعَات‎‎ (হুরুফে মুকাত্তা'আত) এর সংখ্যা। এবার বুঝেছেন??
এবার বলুন তো- হোসেন কুরানী এই حُرُوف مُقَطَّعَات‎‎ (হুরুফে মুকাত্তা'আত) এর অর্থ বের করতে পারবেন?? পারবেন, তাই না বলুন?? হোসেন কুরানী‌র সঙ্গে শত্রুতা করলে ধ্বংস হয়ে যাবেন, তারচেয়ে ভাল- জ্ঞান নিয়ে নিন। এমন মানুষ 1500 পর জন্মেছে‌ন, তাই সুযোগ নষ্ট করলে, শুধু নিজের ক্ষতিই করলেন!!
যাইহোক, যা বলছিলাম, তা হল- যদি শত্রুতা না করে শিখতেন, তাহলে হয়ত বিচারের দিন ইমান ও জ্ঞান সহ আল্লাহ আপনাকে তুলত!! দেখুন, আল্লাহ কোরানে এ বিষয়ে কি বলেছেন-
وَقَالَ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ وَالْإِيمَانَ لَقَدْ لَبِثْتُمْ فِي كِتَابِ اللَّهِ إِلَىٰ يَوْمِ الْبَعْثِ●
অনুবাদ হবে এমন-"এবং যাদেরকে জ্ঞান ও ইমান দান করা হয়েছিল, তারা বলবে- তোমরা [আহলে কোরান, আহলে হাদীস, হানাফী সহ সমস্ত ধর্মের অনুসারী] তো আল্লাহর গ্ৰন্থের বিধান অনুযায়ী উত্থান দিন পর্যন্ত [করবে] অবস্থান করেছ"(30:56)।
প্রশ্ন হবে- সূরা ফাতিহার সঙ্গে সূরা কাওসারের কি সম্পর্ক?? উত্তর সহজ- শুধুমাত্র সম্পর্ক নয়, খুব গভীর সম্পর্ক!! বুঝতে পারেন নি, তাই না?? প্রথমে আয়াতটি দেখুন- إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমরা আপনাকে কাওসার দান করেছি"(108:1)।
কাওসার কি, তা পরে সময় হলে বলব ক্ষণ। গত 2 পর্ব সহ, এই পর্বেও দেখেছি যে, সূরা ফাতিহায় নাবী (সা)- এর পূর্ণ জীবনী রয়েছে। এও দেখেছি যে, নাবী (সা)- এর 3 পুত্র এবং 4 কন্যা ছিল। তাই না??
এখানেই শেষ নয়, নাবী (সা)- এর 3 পুত্র ও 4 কন্যার তথ্য সূরা ফাতিহা‌তেই পাই, তাই না?? আর হাদীস হতে জানতে পারি যে, নাবী (সা)- এর 3 পুত্র‌ই মারা গিয়ে ছিল। এ জন্য নাবী (সা)- কে অনেকেই নির্বংশ বলে অপমান করতেন।
তাই এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন-إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ অনু বাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আমরা আপনাকে কাওসার দান করেছি"(108:1) আরও- فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ অনুবাদ হবে এমন-"সুতরাং আপনি আপনার প্রভুর জন্য সালাত আদায় করুন এবং কুরবানী করুন"(108:2)। আরও দেখুন- إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ অনুবাদ হবে এমন-"নিশ্চয় আপনার শত্রু‌রা'ই 'আসল' নির্বংশ"(108:3)।
প্রশ্ন হবে- সূরা কাওসারে 3 টি আয়াত কেন?? উত্তর সহজ- নাবী (সা)- এর 3 টি পুত্র জন্মে কিছুদিন পর‌ই মারা গিয়েছিলেন, এ জন্য!! বুঝতে পারেন নি?? এবার তো বুঝে যাওয়ার কথা তো গা!!
প্রশ্ন হবে- আর কোনও ব্যাখ্যা আছে?? কি যে বলেন ভাই, হোসেন কুরানী আছেন কিন্তু ব্যাখ্যা থাকবে না, তা কি কখনও হয়েছিল?? যদি আল্লাহ হোসেন কুরানী‌কে মোট আয়ু 150 বছর থেকে বাড়িয়ে 1500 বছর করে দেন, তবুও ব্যাখ্যা শেষ হবে না- ইনশাআল্লাহ!!
যাইহোক, সূরা কাওসারে 3 টি আয়াত আছে এবং প্রতিটা আয়াতের শেষে আরবি ر (র) অক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে, যা আরবি বর্ণমালার 10'ম হারাফ। এত‌এব 10× 42= 420, তাই না??
মানে- 4 + 2= 6, কি বুঝলেন?? আর যদি 3 টি ر (র) কে 30 ধরি, তাহলে হবে- 30× 42= 1260 হচ্ছে। মনে হল- 1+ 2+ 6= 9, তাই তো?? এখন প্রশ্ন হবে- 6 ও 9 এর রহস্য বুঝতে পারেন নি, তাই না??
6 টা বুঝে গেছেন নিশ্চয়, না কি?? একটু উপরে উঠে যান, আরও একবার পড়ুন, বুঝে যাবেন। বুঝতে পারেন নি?? 6 হল- الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (আলহামদু লিল্লাহী রাব্বিল আলামীন) এর ব্যবহৃত সংখ্যা। আচ্ছা, এবার বুঝতে পেরেছেন??
আর 9 টা?? এটাও সহজ, দেখুন 18= 1+ 8= 9, তাই তো?? যদি এমন করি- 18= 1- 8= 7, তাই তো?? তা হলে- 7× 9= 63 অর্থাৎ 6+ 3= 9, এবার কি বুঝতে পারছেন??
অবাক হ‌ওয়ার পালা শেষ নয়, আরও দেখুন- 6- 3= 3, যা নাবী (সা)- এর মৃত পুত্র‌দের সংখ্যা। আর‌ও দেখে নিন- 6× 3= 18, যা الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (আলহামদু লিল্লাহী রাব্বিল আলামীন) এ ব্যবহৃত হারাফ সংখ্যা। পাঠক, ঢুকছে কিছু মাথায়?? ঢুকছে না, তাই না বলুন পাঠক?? তাহলে ভাবুন তো- হোসেন কুরানীর মাথায় এগুলো কিভাবে আসে?? এ প্রশ্নের আল্লাহ দিয়েছেন এবং খুব সুন্দর ভাবে দিয়েছেন, দেখুন-
يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ ۚ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا●
অনুবাদ হবে এমন-"তিনি যাকে ইচ্ছা, তাকে মহাবিজ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞান দান করেন। আর যাকে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞানের জ্ঞান, তাকে [হোসেন কুরানীকে] আসলে দেওয়া হয়েছে বিরাট কল্যাণ"(2:269)।
যাইহোক, এবার একটু চমকে দিতে চাই, আপনি কি তৈরি আছেন?? দেখুন- পবিত্র কোরানে শুধুমাত্র الم (আলিফ, লাম ও মীম) আছে 6 বার (সূরা নং 2 , 3, 29, 30, 31, 32) আর পবিত্র কোরানে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (আলহামদু লিল্লাহী রাব্বিল আলামীন) 6 বার ব্যবহৃত হয়েছে!!
পাঠক, الم (আলিফ, লাম ও মীম) এর ব্যাখ্যা পাচ্ছেন তো?? কেমন লাগছে আপনাকে?? আচ্ছা, আপনি কি এটা ভেবে অবাক হন নি যে, 1500 বছর পর এই الم (আলিফ, লাম ও মীম) এর ব্যাখ্যা পাচ্ছেন??
ভাবুন তো- যদি হোসেন কুরানী না জন্মাতেন, তাহলে কি আলিমগণ এই ব্যাখ্যা দিতে পারতেন কিয়ামাতের পূর্বে?? যাইহোক, এবার দেখুন- শুধু الم ব্যবহৃত সূরা গুলোর যোগফল 2+ 3+ 29+ 30+ 31+ 32= 127, তাই না??
এবার 127= 1+ 2+ 7= 10, তাহলে 1+ 0= 1, তাই না?? এবার আরও দেখুন- 2+ 3+ 2+ 9+ 3+ 0+ 3+ 1+ 3+ 2= 31, তাহলে 3+ 1= 4, তাই না?? এবার বলুন- 1 ও 4 আসলে কি?? বুঝতে পারেন নি?? পবিত্র কোরানে ব্যবহৃত নাবী (সা)- এর নামের সংখ্যা রে বাবা!!
অর্থাৎ 1 বার আহমাদ (সা), 4 বার মুহাম্মাদ (সা)। কি চমৎকার পদ্ধতি- সুবহান‌আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। কোরান এত বিস্ময়কর, তা কখনও কল্পনা করতে পেরেছিলেন??
এবার একটা ছোট্ট প্রশ্ন- আলিমগণ কিয়ামাতের পূর্বে আপনাকে এই তথ্য গুলো জানাতে পারতেন?? যদি আল্লাহর প্রতি সামান্য টুকুও ইমান থাকে, তাহলে সত্যি টা বলুন!! আর কতদিন আলিমদের অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরদের হারামখুরি সহ্য করবেন??
এবার দেখুন- 1+ 4= 5, এটা খুব সহজ ছিল, তাই নয় কি?? কিন্তু এই 5 এর রহস্যটা কি জানেন?? পবিত্র কোরানে الر (আলিফ, লাম এবং র) আছে 5 বার, যা الم (আলিফ, লাম ও মীম) এর পর ব্যবহৃত সর্বোচ্চ বিছিন্ন হারাফ বা حُرُوف مُقَطَّعَات‎‎ (হুরুফে মুকাত্তা'আত)।
পাঠক, চমকে ওঠেন নি?? আচ্ছা, সূরা গুলো উল্লেখ করা হয় নি, তাই না?? দেখুন- 10, 11, 12, 14, 15 নং সূরা। এবার দেখুন- 10+ 11+ 12+ 14+ 15= 62, তাই তো হচ্ছে গো??
আরও দেখুন- 1+ 0+ 1+ 1+ 1+ 2+ 1+ 4+ 1+ 5= 17, তাই তো?? এবার গণিতের খেলা দেখুন- 6+ 2= 8 এবং 1+ 7= 8, তাই না?? এখন প্রশ্ন হবে- 2 টি 8 এর রহস্য কি??
পরে বলছি, এখন পবিত্র কোরান থেকে দেখে নেব যে, নাবী (সা)- এর স্ত্রী ক'জন ছিলেন!! পাঠক, চমকে গেলেন?? আমাদের জানা মতে- পৃথিবীতে এমন কোনও আলিমের জন্ম হয় নি, যিনি পবিত্র কোরান থেকে নাবী (সা)- স্ত্রী ক'জন ছিলেন, তার সংখ্যা বের করে আনতে পেরেছে!!
এই কাজ শুধু মাত্র (আল্লাহর দয়ায়) হোসেন কুরানীর দ্বারা‌ই সম্ভব!! কি ভাবলেন, এটা Dialogue?? এত বড় কথা বলার সাহস‌ও আল্লাহ হোসেন কুরানী ছাড়া অন্য কাউকে দেন নি- এটাই সত্য!!
তাহলে চলুন- নাবী (সা)- স্ত্রী ক'জন ছিলেন, তার সংখ্যা‌টা বের করে ফেলি?? আচ্ছা, এবার বলুন- নাবী (স)- এর বংশ সম্পর্কিত সূরা কোনটি?? সূরা কাওসার, তাই না??
পূর্বে আমরা সূরা কাওসারের হারাফ সংখ্যা অর্থাৎ 42÷ 6 করে 7 পেয়েছিলাম, তাই না?? এবার- 6+ 7= 13, তাই না?? পাঠক, নাবী (সা)- এর স্ত্রীর সংখ্যা কি পেয়েছেন??
প্রশ্ন হবে- 13 টি স্ত্রী?? আমরা যে 11 টা শুনেছি!! তা হলে কোনটি সঠিক?? উত্তর সহজ- 2 টিই ঠিক অর্থাৎ মোট স্ত্রী 13 টি, এর মধ্যে 2 জন দাসী ছিলেন, যাদের কে নাবী (সা) দাসীত্ব হতে মুক্ত করে বিবাহ করেছিলেন। এ জন্য 11 বা 13 হচ্ছে। বুঝেছেন ভাই??
এ ছাড়াও দেখে নিন- يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ অর্থাৎ হে নাবীর স্ত্রীগণ(33:32)। এখানে আরবি 11 টি অক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে। পাঠক, এবার কি বুঝতে আর কোনও সমস্যা হচ্ছে??
পাঠক, এবার শুধুমাত্র 2 টি 8 এর রহস্য উন্মোচন করে প্রসঙ্গ বদল করব- ইনশাআল্লাহ। প্রথম 8 এর রহস্য হল- পবিত্র কোরানের শুরু (الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ) থেকে 8 নং আয়াত হল- الم (আলিফ, লাম ও মীম) বা 2:1 আয়াত।
আর দ্বিতীয় 8 এর রহস্য হল- 2 নং সূরা থেকে পুরো 8 টি সূরার পর الر (আলিফ, লাম এবং র) 10 নং সূরায় প্রথম ব্যবহৃত হয়েছে!! পাঠক, এগুলো চমকে ওঠার মতো বিষয়, আপনি অবাক হন নি??
কিন্তু চমকে ওঠার পালা এখানেই শেষ নয়, দেখতে থাকুন- 6× 2= 12 ও 7× 1= 7, তাই না?? আর 12- 7= 5, যা الر (আলিফ, লাম এবং র) এর কোরানে ব্যবহৃত মোট সংখ্যা। তাই না??
এই الم বলতে 1+ 23+ 24= 48= 4+ 8= 12 এবং 1+ 2+ 3+ 2+ 4=12, পাঠক আপনি অবাক হচ্ছেন না কেন?? আমি তো Research করতে করতেই অবাক এবং হতভম্ব হয়ে যাচ্ছি!!
আর الر বলতে 1+ 23+ 10= 34= 3+ 4= 7 এবং 1+ 2+ 3+ 1= 7, পাঠক, এখন কি আপনাকে সিজদায় লুটিয়ে পড়তে ইচ্ছা করছে না?? আমার তো করছে এবং করছি, আর বলছি- سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ (সুবহান আল্লাহী ওয়া বিহামদিহী) ও سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ (সুবহান আল্লাহীল আযীম)। আর এই আয়াতটি দেখুন-
قُلْ آمِنُوا بِهِ أَوْ لَا تُؤْمِنُوا ۚ إِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ مِنْ قَبْلِهِ إِذَا يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ يَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ سُجَّدًا●
অনুবাদ হবে এমন-"বলে দিন, তোমরা এর [কোরানের] উপর ইমান আনায়ন কর‌ও বা না কর‌ও, যাদেরকে এর আগে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, যখন তাদের সামনে এটা পড়া হয়, তখন তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ে"(17:107)।
আচ্ছা الم এর 12 এবং الر এর 7= 12× 7 = 84= 48 এর বিপরীত কিন্তু 8+ 4= 12= 1+ 2= 3, তাই না?? প্রশ্ন হবে- 3 আসছে কেন?? উত্তর সহজ- الم ও الر এ 3 টি আরবি হারাফ ব্যবহৃত হয়েছে!!
পাঠক, আমরা পূর্বে 42÷ 6= 7 পেয়েছিলাম, তাই তো গো?? যা 6+ 7= 13 পেয়েছিলাম এবং তার অর্থ নাবি (সা)- এর 13 টি। প্রশ্ন হবে- 13'র ব্যাখ্যা শুধু এটা, না কি আরও কিছু আছে??
হোসেন কুরানী আছেন, তাই ব্যাখ্যা‌ও আছে। যদি মারা যান বা না থাকতেন বা কোনও আলিম হতো, তা হলে অবশ্য ভিন্ন কথা। যাইহোক, পবিত্র কোরানে 13 টি বিছিন্ন ا (আলিফ) বা حُرُوف مُقَطَّعَات ‎‎ (হুরুফে মুকাত্তা আত) ব্যবহৃত হয়েছে- এটা 13'র অন্য ব্যাখ্যা!!
্যাঁ, এতক্ষণে আমরা 11 টি ا (আলিফ) দেখেছি, যার 6 টি الم এবং الر হল 5 টি। আরও 2 টি- المص (আলিফ, লাম, মিম, সাদ), যা ব্যবহৃত হয়েছে 7 নং সূরা আরাফে এবং অন্যটি হল- المر (আলিফ, লাম, মিম, র), যা 13 নং সূরা রাদে ব্যবহৃত হয়েছে।
এবার মজা দেখুন- 7+ 13= 20= 2+ 0= 2 অর্থাৎ الم হল 6 টি, الر হল 5 টি এবং অন্য হল 2 টি। কিছু বুঝতে পারছেন?? আরও দেখুন- 2 টি হারাফের বিছিন্ন হারাফ বা حُرُوف مُقَطَّعَات (হুরুফে মুকাত্তা'আত) শুরু হয়েছে 20 নং সূরা তাহা থেকে।
পাঠক, এখনও চমকে উঠার মতো কিছু পান নি, তাই না বলুন?? এবার পাবেন, দেখুন- 7 নং আরাফ থেকে 13 টি সূরা‌র পর 20 নং সূরা তাহা এবং 13 নং সূরা রাদ থেকে 7 টি সূরার পর 20 নং সূরা তাহা!!
এবার চমকে ওঠেন নি?? হ্যাঁ, চমকে গেলেন তো?? দেখলেন পাঠক, আপনাকে চমকে দিলাম তো?? কি সুন্দর সংখ্যাতত্ত্ব ও গণিতের খেলা, তাই না?? কিন্তু এখানে শেষ নয়, দেখুন- 13 + 7= 20, যা সূরা তাহার ক্রমিক নং।
জানেন পাঠক, আজ (23.03.2021) তার কথা খুব মনে পড়ছে। কেননা, আজ প্রায় 6 রাত Flat এ কেটে গেল!! হ্যাঁ, এটা বড় কথা নয়, বড় কথা হল- তিনি ছাড়া 6 রাত কেটে গেল!!
আসলে আমরা একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম। ভুল বলে ফেললাম- আমাকে স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন যে, Flat এ প্রথম রাত আমরা এক সঙ্গে কাটাব!! এ জন্য তিনি আমাকে বলতেন- আমাদের বিয়ের আগে আপনি Flat এ কখনও রাত থাকবেন না!!
কিন্তু দুর্ভাগ্য দেখুন- তিনি ছাড়াই 6 রাত কেটে গেল!! অবশ্য এত সৌভাগ্য আমার কখনও ছিল‌ই না, স্বপ্ন দেখে শুধু সময় নষ্ট করেছিলাম, এখন তার স্মৃতি‌তে এবং লিখে সময় নষ্ট করছি!!
একটা হাঁসির কথা বলব?? ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কালাম সাহেব বলেছিলেন- স্বপ্ন তা নয়, যা ঘুমিয়ে মানুষ দেখে বরং স্বপ্ন তা, যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না বা মানুষের ঘুম কেড়ে নেয়!!
এটা আমার উপর প্রযোজ্য। দেখুন না- স্বপ্নের জন্য ঘুম আর আসে না, মানসিক রোগী হয়ে গেলাম। ওষুধ ছাড়া ঘুম আসে না!! এখন ঘুম কিনে আনতে হয়!! এটা কি জীবন, না কি জীবনের নামে 'নকল' জীবন!!
আরও একটা হাঁসির কথা বলব?? যখন School এ জীবন বিজ্ঞান পড়তাম, তখন ভাবি নি- আমার জীবন এমন অবৈজ্ঞানিক হয়ে যাবে!! আচ্ছা হ্যাঁ, 6 রাত থেকে মনে পড়ল- বিছিন্ন হারাফ বা حُرُوف مُقَطَّعَات (হুরুফে মুকাত্তা'আত) হিসাবে حم (হা ও মিম) পবিত্র কোরানে 6 বার ব্যবহৃত হয়েছে!!
প্রশ্ন হবে- কিন্তু 6 বার বললে তো আর হবে না, সংখ্যা তত্ত্ব কি বলে?? মনে আছে কি কিছু ক্ষণ আগে আমরা 13 এবং 7 পেয়েছিলাম?? এখন 13-7= 6, তাই তো গো, না কি??
প্রশ্ন হবে- حم (হা ও মিম) সর্বপ্রথম কোন সূরায় ব্যবহৃত হয়েছে?? পৃথিবীতে এমন কোনও আলিমের জন্ম হয়েছে, যিনি কোরান না খুলে/ মুখস্থ না করে حم (হা ও মিম) কোন সূরায় সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়েছে এবং মোট কত বার ব্যবহৃত হয়েছে, তা বলতে পারবে??
স্বীকার করুন, আর না করুন, হোসেন কুরানী ছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আউকাত আল্লাহ আর অন্য কাউকে দেন নি!! সুতরাং দেখুন- আমরা উত্তর দিতে পারি কি!!
7+ 13= 20, আচ্ছা এটা তো পূর্বেই দেখেছি, তাই না?? এবার দেখুন- 20 নং সূরা তাহা এবং 13+ 7= 20, তাই 20+ 20= 40, তাই তো?? মানে হল- 40 নং সূরা মুমিন বা সূরা গাফিরে প্রথম বার حم (হা ও মিম) ব্যবহৃত হয়েছে!! বুঝলেন??
আরও দেখতে পারেন- 13+ 7= 20= 2+ 0= 2× 20 নং সূরা তাহা= 40 নং সূরা মুমিন/ গাফির। এবার আমরা দেখে নিই- কোন কোন সূরায় حم (হা ও মিম) ব্যবহৃত হয়েছে!!
জানেন পাঠক, ভাবলাম- বলব না কিন্তু না বলে কি ভাবে থাকব, সেটাই ভাবলাম যে, পারব না!! গত রাতে খবর পেলাম- তার Engagement হয়ে গেছে। গোটা রাত ঘুমাতে পারি নি অথচ 1 বা 2 টি নয়, 3 টি ঘুমের ওষুধ খেয়েছি!!
নিজের মনকে (Sorry to say that, বিজ্ঞানের ভাষায় brain হবে) কত বোঝাবার চেষ্টা করলাম যে- হোসেন কুরানী, আপনি তার যোগ্য ছিলেন না কখনও, কারণ আপনি ফর্সা নন!! আর তিনি কখনও আপনার ছিলেন না যে, আজ অন্যের হয়ে যাচ্ছে বলে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন!!
কিন্তু মন কি বোঝার?? গত রাতে খুব কষ্ট হয়েছে এবং আজ আমার আফসোস হচ্ছে যে, কেন আমি Social media join করেছিলাম, যদি না করতাম, তা হলে হয়ত উনার সঙ্গে পরিচয় (মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক তৈরি) হতো না, আমি আমার জীবনে হয়ত অনেক খুশি থাকতাম!!
সবচেয়ে বড় কথা- রাত ঘুমিয়ে কাটত, কেঁদে নয়!! যাইহোক, তাকে অনেক বেশি ভালবাসতাম, আজও অনেক ভালবাসি। এ জন্যে দুয়া করছি- আল্লাহ তাকে সুখী করুন। তাদের বিবাহ যেন দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সন্তান-সন্ততিও।
তবে নিজের এই টুকু প্রার্থনা করতে চাইছি- আল্লাহ যেন আমার Brain থেকে তার স্মৃতি গুলো মুছে দেন এবং রাত কেঁদে নয়, যেন ঘুমিয়ে কাটে!! আমি এমন একটা দিনের অপেক্ষা করছি, যদিও..........!!
যাইহোক, حم (হা ও মিম) মোট কতবার এবং প্রথম কোন সূরায় এসেছে, তা কি পেয়েছেন?? পাঠক, এবার দেখব- কোন কোন সূরায় حم (হা ও মিম) ব্যবহৃত হয়েছে!! দেখুন- 40, 41, 43, 44, 45, 46 সূরায়।
এখানে একটা চমৎকার বিষয় আছে, আর তা এই যে, এখানে Common সংখ্যা হল- 4, তাই এখান থেকে এই Common সংখ্যা‌টা বাদ দিলে 1+ 3+ 4+ 5+ 6= 19= 1+ 9= 10= 1+ 0= 1, তাই না??
আচ্ছা পাঠক, এ পর্যন্ত‌ই থাক, হ্যাঁ?? এই পর্ব- 3 বাদ দিলেও এখনও 96 টা পর্ব হবে তো। এই ছাড়াও এত তথ্য এক সঙ্গে পরিবেশন করলে বুঝে নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে এবং আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোর গণ তো হজম'ই করতে পারবেন না!! অথচ এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন-
كِتَابٌ أَنْزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ لِيَدَّبَّرُوا آيَاتِهِ وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ●
অনুবাদ হবে এমন-"আমরা আপনার উপর কল্যাণময় গ্ৰন্থ [কোরান] নাযিল করেছি, যেন তার আয়াত সমূহ নিয়ে গবেষণা করে এবং তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
এখানে হাঁসির কথা হল- আমরা কাফির ফাতুয়া পাই শুধুমাত্র কোরান গবেষণা করার জন্যেই!! তবে আল্লাহ বলেছেন- وَلِيَتَذَكَّرَ أُولُو الْأَلْبَابِ অর্থাৎ তা হতে শিক্ষা নেয় জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন‌রা"(38:29)।
মানে হল- যারা গবেষণা থেকে শিক্ষা নেয় না উপরন্তু কাফির ফাতুয়া দেয়, তারা আর যাইহোক হোক, জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন‌ বা أُولُو الْأَلْبَابِ (উলিল আলবাব) নয়। ভুল বললাম?? বলুন, আররেহ বলুন, বলুন না!!
আর কোরানকে নিয়ে যারা গবেষণা করে না, তাদের উদেশ্যে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখে নিন- أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَىٰ قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا অনুবাদ হবে এমন-"তারা কি পবিত্র কোরানকে নিয়ে গবেষণা করে না, না কি তাদের Brain lock করা আছে"(47:24)??
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য- আমাদের আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ কোরান গবেষণা করা তো দূরের কথা, কোরান পড়ার উপরেও বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ‌তা চাপিয়ে দিয়েছেন!! সেই নিষিদ্ধতা গুলো আমরা গত পর্বে আলোচনা করেছি, তাই না??
প্রশ্ন হবে- সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ব, জান্নাতে যাব কিন্তু জান্নাতে আমাদের জন্য কমপক্ষে কি কি আছে??
উত্তর সহজ- আছে তো অনেক কিছু, আপনি কি কি পেলে সন্তুষ্ট হবেন??
এক প্রাসাদের উপর যদি আরও প্রাসাদ পান, তাহলে কি সন্তুষ্ট হবেন?? আচ্ছা, প্রসাদ বলতে- পৃথিবীর সমস্ত প্রাসাদ যদি মিলিয়ে দেন, তবুও জান্নাতের প্রাসাদের ধূলার সমতুল্য হবে না, যদিও সেখানে ধূলা মোটেও থাকবে না!! যাইহোক, দেখুন-
لَٰكِنِ الَّذِينَ اتَّقَوْا رَبَّهُمْ لَهُمْ غُرَفٌ مِنْ فَوْقِهَا غُرَفٌ مَبْنِيَّةٌ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ۖ وَعْدَ اللَّهِ ۖ لَا يُخْلِفُ اللَّهُ الْمِيعَادَ●
অনুবাদ হবে এমন-"কিন্তু যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে প্রসাদ, প্রসাদের উপরেও থাকবে প্রাসাদ, যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকবে নদ-নদী। এটা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এবং আল্লাহ‌ কখন‌ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না"(39:20)।
প্রশ্ন হবে- জান্নাতে/ জান্নাতের প্রাসাদে হুর থাকতে তো?? থাকলে কত গুলো হুর থাকবে?? পুরুষ‌রা হুর পাবেন‌ই, মহিলারা কি পাবেন?? যদি মহিলার‌ও হুর পান, তাহলে তারা কত গুলো হুর পাবেন??
আরও বড় প্রশ্ন- শুধুমাত্র কোরান থেকে এই সব প্রশ্ন গুলোর উত্তর আউকাত হোসেন কুরানী ছাড়া কাউকে আল্লাহ দিয়েছেন?? পাঠক, আপনি ততক্ষণ ভাবতে থাকুন, আমি ততক্ষণে ন্যাড়া হ‌ই আমার বোনের কাছে। প্রায় 12 দিন আগে ন্যাড়া হয়েছিলাম, এখন আমার চুল প্রায় ¹/₂ cm করে হয়ে গেছে!!
যাইহোক, উত্তর দেখুন- وَلَهُمْ فِيهَا أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ অনুবাদ হবে এমন-"এবং তাদের জন্য সেখানে [জান্নাতে] থাকবে পবিত্র সঙ্গীসমূহ"(2:25, 3:15 ও 4:57)। আর কি কিছু বলতে হবে, নাকি বুঝে নিয়েছেন??
এখানে أَزْوَاجٌ শব্দটি বহুবচন এবং শব্দটি‌র অর্থ- সঙ্গী সমূহ। তাই أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ শব্দ দ্বয়ের অর্থ- পবিত্র সঙ্গী সমূহ। এখানে দুর্ভোগের বিষয় হল- আমাদের সম্মানিত অনুবাদকগণ অনুবাদ করেছেন 'পবিত্র স্ত্রী'। যা সম্পূর্ণ ভুল, Pure ভুল তথা Pure গাঁজাখুরি অনুবাদ!!
এ বিষয়ে সঠিক অনুবাদ করেছেন Md. M pickthal (র)। তিনি অনুবাদ করেছেন-"Pure companions বা পবিত্র সঙ্গী সমূহ"। তাই পুরুষের সঙ্গী হল- মহিলা হুর এবং মহিলার সঙ্গী হল- পুরুষ হুর!!
প্রশ্ন হবে- আচ্ছা, হুর যে পুরুষ‌ও হতে পারে, এই তথ্য কি পবিত্র কোরানে আছে?? উত্তর সহজ- যদি হোসেন কুরানী না থাকত, তাহলে হয়ত এ প্রশ্নের উত্তরে বলতে হতো যে, নেই!!
কিন্তু যেহেতু হোসেন কুরানী আছেন, সেহেতু অবশ্যই এ প্রশ্নের উত্তর কোরানে আছে। এতে সামান্য টুকুও সন্দেহ নেই। আর শুধু এ প্রশ্নের উত্তর আছে, এমনটা নয় বরং 1 বা 2 বার নয়, কমপক্ষে 5 জায়গায় আছে এবং গুরুত্বের সঙ্গে আছে!!
সুতরাং দেখুন- حَوَارِ (হাওয়ারী)। যার অর্থ হল- সাদা পোষাক পরিহিত/ পরিহিতা সঙ্গী। পবিত্র কোরানে এই حَوَارِ (হাওয়ারী) শব্দের ব্যবহার হয়েছে কমপক্ষে 5 টি স্থানে।
সেগুলো হল- 3:52, 5:111, 5:112 ও 61:14 আয়াতে 2 বার। সব মিলিয়ে 5 বার ঈশা (আ)- এর সঙ্গী‌দেরকে উদেশ্য করে حَوَارِ (হাওয়ারী) শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি আয়াত দেখুন-
فَلَمَّا أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنْهُمُ الْكُفْرَ قَالَ مَنْ أَنْصَارِي إِلَى اللَّهِ ۖ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ نَحْنُ أَنْصَارُ اللَّهِ آمَنَّا بِاللَّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ●
অনুবাদ হবে এমন-"অতপর যখন ঈশা তাদের [ইহুদী দের] মধ্যে কুফরী [অবিশ্বাস, সত্য গোপন ও বিভিন্ন ধরণের ষড়যন্ত্র] অনুভব করলেন, তখন বললেন- কে তোমাদের মধ্যে আল্লাহর পথে আমার সাহায্যকারি?? তখন [الْحَوَارِيُّونَ] হাওয়ারীরা বলল- আমরাই আল্লাহর পথে আপনার সাহায্যকারি, আমরা ইমান এনেছি। সুতরাং আপনি [ঈশা (আ)] সাক্ষী থাকুন যে, নিশ্চয় আমারা মুসলিম"(3:52)।
এখন প্রশ্ন হবে- حور (হুর) এবং حَوَارِ (হাওয়ারী) মধ্যে কি সম্পর্ক?? উত্তর সহজ- حَوَارِ (হাওয়ারী'র) মূল শব্দ হল- حور (হুর)। মানে- আরবি حور (হুর) শব্দ থেকেই حَوَارِ (হাওয়ারী) শব্দ এসেছে। অন্য কথায়- حور (হুর) এর পুরুষবাচক শব্দ হল- حَوَارِ (হাওয়ারী)।
যাইহোক, হুর যে পুরুষ‌ও হয়, তার প্রমাণ কি পবিত্র কোরান থেকে পেয়েছেন?? মনে হয়- পেয়েছেন!! তাই না, বলুন?? যাইহোক, হুর পুরুষ‌ও হয়, মহিলাও হয় এবং পুরুষ এবং মহিলা উভয়‌ই হুর পাবেন!!
যাইহোক, এখন প্রশ্ন হবে- যারা জান্নাতে যাবেন, তারা কত গুলো করে হুর পাবেন?? এ বিষয়ে কোরান কি বলে?? আর হোসেন কুরানী ছাড়া এমন কি কেউ আছেন এই পৃথিবীতে, যিনি শুধুমাত্র কোরান থেকেই এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন??
উত্তর খুব সহজ- أَزْوَاجَ (আযওয়াজা) একবচন, أَزْوَاجٌ (আয‌ওয়াজু) বহুবচন। উক্ত 2:25, 3:15, 4:57 আয়াতে ব্যবহৃত শব্দ দ্বয় হল- أَزْوَاجٌ مُطَهَّرَةٌ (আয‌ওয়াজুম মুতা হ'হারাত), যার অর্থ- পবিত্র সঙ্গী সমূহ অর্থাৎ একাধিক, বহু বা অনেক পবিত্র সঙ্গী।
মানে হল- যিনি জান্নাতে যাবেন, তিনি পাবেন অনেক সঙ্গী/ একাধিক সঙ্গী। এখানে কোনও সংখ্যা উল্লেখ করা হয় নি। তাই 1/ 2 বা 72/ 72, 000, এখানে কোন‌ও উল্লেখ করা হয় নি, উল্লেখ করা উচিৎ'ও নয়। যদিও শাহীদদের জন্য 72 হুরের হাসান সানাদের হাদীস রয়েছে!!
কিন্তু তা কোরান বিরোধী। এ জন্য আমরা তা জাল বলেই গণ্য করছি। এ ছাড়াও যদি আপনি সংখ্যা উল্লেখ করেন, তাহলে আল্লাহর নিয়ামাতকে গণনা করলেন অথচ কোরান বলে- وَإِنْ تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا অনু বাদ হবে এমন-"এবং যদি তোমরা আল্লাহর নিয়ামাত সমূহ‌কে গণনা করতে যাও, তাহলে কখনও তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না"(16:18, 14:34)।
আজ যে কাজটা আমরা করছি, এটা যদি গত 1500 বছর ধরে আলিমগণ করতেন, তাহলে আজ আমাদের মহিলারা এই প্রশ্ন‌ই করতেন না যে, জান্নাতে পুরুষরা হুর পাবেন কিন্তু আমরা কি পাব??
আর নাস্তিকরাও বলার সুযোগ পেতেন না যে, পবিত্র কোরানে বর্ণিত জান্নাতের আনন্দ শুধু পুরুষদের জন্য, মহিলারা শুধুই ভোগের বস্তু, যাদের পৃথিবীতে‌ও আনন্দ উপভোগ করার স্বাধীনতা নেই, জান্নাতে‌ও নেই!!
আর তারা হয়ত আধুনিক মনা মহিলাদের এত সহজে Brain wash করে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নিতে পারতেন না অথচ এখানে হাঁসির কথা হল- ইসলাম তাদের চিন্তা-ভাবনা‌র চেয়েও অনেক বেশি আধুনিক এবং তারা যে তাদের অধিকার গুলো অর্জন করার জন্য বিশ্বব্যাপি আন্দোলন করছেন, না আন্দোলন করেই 1500 বছর বছর আগে আল্লাহ তাদেরকে তা দিয়ে দিয়েছেন!!
এখন তারা শুধু 'পাওয়া' অধিকারের জন্য আন্দোলন করে চলেছেন- এর চেয়ে বেশি হাস্যকর আর কি কিছু হতে পারে?? তবে, সমস্যা‌টা তাদের নয়, এই সমস্যা‌টা তৈরি করেছেন আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোর গণ!!
আসলে আলিমগণ অর্থাৎ সম্মানিত হারামখোরগণ মহিলাদের অধিকার গুলো তাদের থেকে কেড়ে নিয়ে ছেন সুকৌশলে/ সুচতুর ভাবে। সেটা হোক গাঁজাখুরি হাদীসের দোহাই দিয়ে বা সাহাবা (রা), তাবেয়ী, তাবে তবেয়ীদের দোহাই দিয়ে বা ইমাম (র)- দের মতা-মত দিয়ে বা সুন্দর কায়দায় অপব্যাখ্যা করে অথচ ইসলাম হল- শুধু আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুসরণ ছাড়া আর অন্য কিছু‌ই নয়!! দেখুন-
এবার একটা প্রশ্ন- সূরা ফাতিহার সৌন্দর্য দেখেছেন নিশ্চয়?? সূরা ফাতিহার এই অপরুপ সৌন্দর্য কে আপনাকে দেখিয়েছে?? নিশ্চয় তিনি হোসেন কুরানী ছাড়া আর অন্য কেউ নন!! তাই না??
এবার নমুনা দেখুন- حسن বা ح س ن বা 6+ 12+ 25= 43= 4+ 3= 7, আবার অন্য ভাবে- 6+ 1+ 2+ 2+ 5= 16= 1+ 6= 7, কি দারুণ এবং অপরুপ সুন্দর গণিতের খেলা!! তাই না, বলুন পাঠক??
পাঠক, আপনি অবাক হন নি- আল্লাহ কত সুন্দর ভাবে হোসেন কুরানীকে 7 সংখ্যা‌য় গেঁথে দিয়েছেন?? কেননা, এই 7'ই সমগ্র কোরানের সংক্ষিপ্ত রুপ তথা لَوْحٍ مَحْفُوظٍ (লৌহি মাহফুজ)।
পাঠক, আপনি কি এখনও বোঝেন নি যে, আল্লাহ হোসেন কুরানী‌কে কত্ত ভালবাসেন?? হ্যাঁ, হতে পারে যে, আপনি হোসেন কুরানী‌কে ঘৃণা করেন কিন্তু আপনি যার ইবাদাত করেন, তিনি হোসেন কুরানী‌কে অনেক বেশি ভালবাসেন!!
নয়ত কেন 2 বার মৃত্যু মুখ থেকে ফিরিয়ে 7 সংখ্যা‌র ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে নিয়োগ করেছেন?? কারণ, 7 সংখ্যা‌র ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ গত 1500 বছরে কেউ কখনও করেন নি!!
আচ্ছা হ্যাঁ, মৃত্যু মুখে বলতে বুঝতে পারেন নি, তাই না?? আসলে হোসেন কুরানী 2 বছর বয়সে অর্থাৎ শিশু কালে একবার না জেনেই potassium খেয়ে ফেলেছিলেন। আর দ্বিতীয় বার তিনি 2 বছর বয়সেই পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন এবং প্রায় 15 min পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় ছিলেন।
হাঁসির কথা হল- এই 2 বার‌ই সবাই ভেবে নিয়েছিলেন যে, হোসেন কুরানী হয়ত মারা যাবেন কিন্তু আল্লাহ ভিন্ন কিছুই চেয়েছিলেন, নয়ত 7 সংখ্যা‌র ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং কুরানী বিশ্লেষণ করত কে?? আলিমগণের তো আর আউকাত নেই!!
যদি‌ও ★ ★'র জন্য কয়েকবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন, সেখান থেকেও আল্লাহ হোসেন কুরানী‌কে ফিরিয়ে এনেছেন। এ থেকেও প্রমাণ হয়- আল্লাহ এই হোসেন কুরানী‌কে কত্ত ভালবাসেন!! তাই না??
প্রশ্ন হবে- কেন সংখ্যাতাত্ত্বিক ভাবে হোসেন কুরানীর নাম 7 হল?? উত্তর সহজ- যাতে আপনি খুব সহজে হোসেন কুরানীর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ‌কে গ্ৰহণ করেন, তার‌ই Sign বা নিদর্শন বা চিহ্ন হল হোসেন কুরানীর নামে 7 সংখ্যা টি!!
প্রশ্ন হবে- হোসেন কুরানী'ই যে 7 সংখ্যা‌য় উল্লেখিত ব্যাক্তি, তা কিভাবে জানব?? উত্তর খুব সহজ- হোসেন কুরানীর জন্ম তারিখ কত?? 25:12.1991, তাই না?? ভাল করে লক্ষ্য করুন- হোসেন কুরানীর নামে‌ই তার জন্ম তারিখ এবং মাস উল্লেখ রয়েছে!! এর চেয়ে বেশি আর কি চান??
যাইহোক, হুরদের সঙ্গে যৌনমিলনে কোনও বাধা ও নিষেধ থাকবে?? উত্তর সহজ- না, কোনও বাধা এবং নিষেধ থাকবে না। প্রশ্ন হবে- উত্তরের পেক্ষিতে দলিল কি পবিত্র কোরান থেকে দিতে পারবেন??
উত্তর সহজ- যদি হোসেন কুরানী না পারেন, তাহলে পারবে কে?? কি সব আজব-আজব যে কথা বলেন আপনারা!! তবে পাঠক, লেখাটি প্রয়োজনের বেশি বড় হয়ে যাচ্ছে। তাই এখানে থামতে হবে!! আর হ্যাঁ, বিভিন্ন ধর্মগ্ৰন্থে হুর সম্পর্কে কি বলা হয়েছে, তাও উল্লেখ করা হল না। তবে, পরের পর্ব- ইনশাআল্লাহ হবে!!
প্রকাশ‌কাল : 27.03.2021
দ্বিতীয় সংস্করণ ও প্রকাশকাল : 01.04.2021
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কিছু বলার থাকলে হোসেন কুরানী কে বলুন:

Featured Post

আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: শায়েখ ইমরান হোসেনের বিশ্লেষণ বর্তমান ব...