Whats app গ্ৰুপে মিজানুর রহমান ভাই প্রশ্ন করে বলেছেন- "হোসেন ভাই, নাস্তিকরা *নবী (স)- এর একাধিক বিবাহ এবং 6 বছর বয়সে মা আয়েশা (রা)- এর সঙ্গে বিবাহ* বিষয়ে অনেক কিছু বলে!! আর, নবী মহাম্মদ (স) এবং ইসলামের অবমাননা করে ও অপমানিত করে। এই বিষয়ে আমি নিজেও কিছু জানি কিন্তু তবুও আমি আপনার থেকে জানতে চাই"।
আলহামদুলিল্লাহ, আপনি ইসলাম সম্পর্কে সচেতন- এজন্যই আপনি এই বিষয়ে জ্ঞান রাখেন। এটা অবশ্য জাতির জন্য সুখবর যে, জাতি ইসলাম সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে। যাইহোক, আমি যখন *বিশ্বনবী (স)- এর 13 টি বিবাহের কারণ* বিষয়টি লিখলাম, তখন হানীও বললেন যে- আমি যেন "মা আয়েশার সঙ্গে নবী (স)- এর 6 বছরে বিবাহ ও 9 বছরে বাসর" সম্পর্কে লিখি!! হানীজি বললেন-"এ বিষয়ে নাস্তিকরা অনেক কটুক্তি করে থাকে"।কিছুদিন আগেই *নবী (স)- এর 13 টি বিবাহ বিবাহ* সম্পর্কে নাস্তিকদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। *বহু প্রশংসিত* লেখার লিঙ্কটি দিলাম, চাইলে ফেসবুকে এই লেখাটি দিয়ে সার্চ করতে পারেন এবং লেখাটি পড়ে বিস্মিত হন--👇-@বিশ্বনবী মহাম্মদ (স)- এর 13 টি বিবাহের কারন@https://m.facebook.com/story.php?)}]আজ 9.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 2 টো বাজছে। চোখে একটুও ঘুম নেই। সকাল 6:30 থেকে মন খুবই খারাপ এবং সারাদিন কিছু খেতে পারি নি!! আজ সারাদিনে পেটে শুধুমাত্র 2/1 লিটার পানি ছাড়া অন্য কিছুই যায় নি!! এখন শুয়ে আছি, কিন্তু তবুও মাথা ঘুরছে!!আচ্ছা যাইহোক, এবার আমরা দেখব- মা আয়েশা (রা)- কে নবী (স) কেন বিবাহ করেছিলেন!!#উত্তর:::- @বিশ্বনবী মহাম্মদ (স)- এর 13 টি বিবাহের কারন@লেখাটি পরলে মা আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করার রাজনৈতিক কারণটি দেখতে পেতেন। তাই আমার মতে- অন্তত একবার উপরিউক্ত লিঙ্কে ক্লিক করে রাজনৈতিক কারণটি দেখে নেবেন। তা হলে এই লেখায় রাজনৈতিক কারণটি বুঝতে পারবেন।গোটা বিষয়টিকে গভীর ভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে- মা আয়েশা (রা)- কে নবী (স) আল্লাহর নির্দেশে বিবাহ করেছিলেন, এবং নির্দেশটি বুখারীতে এ ভাবে এসেছে-"আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী (স) বলেছেন- দুই দুইবার আমাকে স্বপ্নযোগে তোমাকে দেখানো হয়েছে। এক ব্যাক্তি তোমাকে রেশমী কাপড় পরিহিতা অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছিল এবং আমাকে লক্ষ্য করে বলছিল যে, এ হল আপনার স্ত্রী। আমি তখন কাপড় উন্মুক্ত করে দেখলাম যে, তুমি। তখন আমি মনে মনে বললাম যে, এই স্বপ্ন যদি আল্লাহর পক্ষ হতে হয়েই থাকে, তাহলে তিনি অবশ্যই তা সত্যে পরিণত করবেনই করবেন"(বুখারী, কিতাবুন নিকাহ, হাদীস 4708)।যাইহোক, এখন প্রশ্ন হল-"কেন আল্লাহ চাইলেন যে, নবী (স) মা আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করুক"?? অথবা "কেন আল্লাহ নবী (স) কে নির্দেশ দিয়েছিলেন মা আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করতে"??এ প্রশ্নের উত্তর অনেক বড় হলেও খুব সুন্দর উত্তর হবে ইনশাআল্লাহ। তাই প্রথমেই এই আয়াতটি গুলো দেখে নিন-لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًاঅনুবাদ হবে এমন-"আসলে তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে ছিল একটি উত্তম আদর্শ- এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে, আল্লাহ ও শেষ দিনের আকাঙ্ক্ষী এবং বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ করে"(33:21)। এখানেই কি শেষ?? নিচের আয়াত গুলিও দেখুন-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَঅনুবাদ হবে এমন-"হে ইমানদারগণ!! তোমরা আল্লাহ এবং তার রাসুলের (সর্বত্র ভাবে) অনুসরণ কর"(4:59, 4:13, 3:31, 3:132, 5:92, 8:1, 8:20, 8:46, 24:54, 24:56, 33:33, 33:71, 47:33, 58:13, 64:12, 3:32)। আরও দেখুন-يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ۚ ذَٰلِكَ أَدْنَىٰ أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ ۗ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًاঅনুবাদ হবে এমন-"হে নবী!! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মু’মিনদের নারীদেরকে বলে দিন- তারা যেন তাদের চাদরের প্রান্ত তাদের ওপর টেনে নেয়। এটি অধিকতর উপযোগী পদ্ধতি, যাতে তাদেরকে চিনে নেয়া যায় এবং ফলতঃ তারা উত্যক্ত হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল এবং করুণাময়"(33:59)। আরও বলা হচ্ছে-يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ ۚ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَعْرُوفًاঅনুবাদ হবে এমন-"হে নবীর স্ত্রীগণ!! তোমরা সাধারণ নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তাহলে পুরুষদের সঙ্গে কোমল স্বরে কথা বলো না, যাতে মনের গলদে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি প্রলুব্ধ হয়ে পড়ে, বরং পরিষ্কার সোজা ও স্বাভাবিকভাবে কথা বলবে"(33:32)।وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَىٰ ۖ وَأَقِمْنَ الصَّلَاةَ وَآتِينَ الزَّكَاةَ وَأَطِعْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ ۚ إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًاঅনুবাদ হবে এমন-"নিজেদের গৃহ মধ্যে অবস্থান কর। এবং পূর্বের জাহেলী যুগের মতো সাজসজ্জা দেখিয়ে বেড়িও না। নামায কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহ ও তার রাসুলের আনুগত্য কর। আল্লাহ তো চান, তোমাদের নবী পরিবার থেকে ময়লা দূর করতে এবং তোমাদের পুরোপুরি পাক-পবিত্র করতে"(33:33)। আর এই শেষ আয়াতটিও দেখে নিন-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ إِلَىٰ طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلَٰكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانْتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ ۚ إِنَّ ذَٰلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ فَيَسْتَحْيِي مِنْكُمْ ۖ وَاللَّهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ ۚ وَإِذَا سَأَلْتُمُوهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوهُنَّ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ ۚ ذَٰلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ ۚ وَمَا كَانَ لَكُمْ أَنْ تُؤْذُوا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا أَنْ تَنْكِحُوا أَزْوَاجَهُ مِنْ بَعْدِهِ أَبَدًا ۚ إِنَّ ذَٰلِكُمْ كَانَ عِنْدَ اللَّهِ عَظِيمًاঅনুবাদ হবে এমন-"হে ঈমানদারগণ!! নবী গৃহে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ কর না, খাবার সময়ের অপেক্ষাতেও থেকো না। হ্যাঁ, যদি তোমাদের খাবার জন্য ডাকা হয়, তাহলে অবশ্যই এসো কিন্তু খাওয়া হয়ে গেলে চলে যাও, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যাবে না। তোমাদের এই সব আচরণ নবীকে কষ্ট দেয় কিন্তু তিনি লজ্জায় কিছু বলেন না এবং আল্লাহ হককথা বলতে লজ্জা করেন না। নবীর স্ত্রীদের কাছে যদি তোমাদের কিছু চাইতে হয়, তবে পর্দার পেছন থেকে চাও। এটা তোমাদের এবং তাদের মনের পবিত্রতার জন্য বেশী উপযোগী। তোমা দের জন্য আল্লাহর রসূলকে কষ্ট দেয়া মোটেই জায়েয নয় এবং তার পরে তার স্ত্রীদেরকে বিয়ে করাও জায়েয নয়, এটা আল্লাহর দৃষ্টিতে মস্তবড় গোনাহ"(33:53)।আজ 14.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 2:30 বাজে। যাইহোক, উপরেরসব আয়াত গুলো দেখলেন?? আয়াত গুলো থেকে যা বোঝা গেল, তা হল- নবী (স)- কে সর্বত্র ভাবে অনুসরণ করতে হবে। কিন্তু তাকে আমরা সর্বত্র ভাবে অনুসরণ করব কিভাবে?? তিনি ঘরের বাইরে যে সর্বজনীন জীবন কাটান, তা নাহয় জানা যাবে পুরুষ সাহাবা (রা)- দের বর্ণনা থেকে!! কিন্তু ঘরের মধ্যে সাংসারিক জীবন, বিবাহ জীবন এবং যৌনজীবন সম্পর্কে কিভাবে জানা যাবে??এখানে অনেকে বলতে পারে- পুরুষ সাহাবা (রা)- দের বর্ণনা থেকেই জানা যাবে!! কিন্তু এটা হল- মূর্খের মত কমেন্ট!! কেননা, উপরিউক্ত 33:53 আয়াতে নবী (স)- কে Privacy দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই, পুরুষ সাহাবা (রা)- দের থেকে নবী মহাম্মদ (স)- এর ঘরের মধ্যের সাংসারিক জীবন, বিবাহ জীবন ও যৌনজীবন সম্পর্কে জানার কোনও সুযোগ ছিল না!!তাই, প্রয়োজন ছিল নবী (স)- এর স্ত্রী বা স্ত্রীগণের। নবী (স)- এর একাধিক স্ত্রী বা 13 টি বিবাহ করার অন্যতম কারণও ছিল- নবী মহাম্মদ (স)- এর ঘরের মধ্যের সাংসারিক জীবন, বিবাহ জীবন ও যৌনজীবন সম্পর্কে জানানো!! যা, উপরের উল্লেখ করা হয় নি।যাইহোক, এ বার একটি প্রশ্ন দিয়ে উত্তর শুরু করতে চাই। প্রশ্নটি হল-"আপনি কি জানেন যে, মা আয়েশা (রা) মোট কত হাদীস বর্ণনা করেছেন"?? না জানা থাকলে, জেনে নিন। মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা হল- 2210 টি। মা আয়েশা (রা) হলেন হাদীস বর্ণনাকারিদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখলকারি। এ বিষয়ে প্রথম স্থান দখল করে আছেন- আবু হুরাইরা (রা)। তার বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা হল- 5374 টি। যাইহোক, এখন একটি ছোট্ট প্রশ্ন-"মা আয়েশা (রা) হাদীস বর্ণনাকারিদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করলেন কিভাবে"??1) আয়েশা (রা)- এর জন্ম হয়েছিল মুসলিম হিসাবেই অর্থাৎ তার পিতা আবুবকর (রা)- এর ইসলাম গ্ৰহণের পর। এক কথায়, তার জন্ম হয়েছিল সম্পূর্ণ ইসলামী পরিবেশে। আর, তিনি মানসিক ভাবেও মুসলিম ছিলেন এবং তার উপরে *মূর্খতার যুগের* যুগের কোনও প্রভাব পড়ে নি।বলে রাখা দরকার যে, নবী (স)- এর অন্য কোনও স্ত্রী মা আয়েশা (রা)- এর মত উপরিউক্ত গুণের অধিকারী ছিলেন না!!2) মা আয়েশা (রা) তার জীবনের 9 বছর বয়স থেকে নবী (স)- এর সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। বলে রাখা দরকার যে, এ বিষয়েও নবী (স)- এর অন্য কোনও স্ত্রী আয়েশা (রা)- এর মত এই গুণের অধিকারী ছিলেন না!!3) মা আয়েশা (রা) ছিলেন প্রচণ্ড স্মৃতিশক্তির অধিকারী। তিনি নবী (স)- এর থেকে যা শুনতেন, তা সঙ্গে সঙ্গেই মুখস্থ করে নিতে পারতেন। তিনি শুধুমাত্র একজন মুখস্থকারিই ছিলেন না, বরং তিনি একজন মুফাসসিরও ছিলেন। বলে রাখা দরকার যে, এই বিষয়েও নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণের চেয়ে আয়েশা (রা) ছিলেন ভিন্ন!!আজ 15.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 1:40 বাজে। আজ রাত 11 টায় খাওয়ার পর ঘুমিয়েছি এবং রাত 1:30 এ ঘুম ভেঙে গেছে। আজ রাত 2:51 তে আমার অন্যতম প্রিয় দেশ ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ISRO চন্দ্রযান-2 নামক যান'কে চন্দ্র অভিযানে পাঠাতে চলেছে এবং TV তে Live lunching দেখব বলে ঘুমও আসছে না!! আসলে বিজ্ঞানকে ভালবাসি তো, ঐ জন্য!! বিজ্ঞানকে ভালবাসি, কারণ কোরান বলে-ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُঅনুবাদ হবে এমন-"মানুষকে প্রভুর পথে আহ্বান করুন বিজ্ঞানময় ও যুক্তি-যুক্ত ভাবে এবং লোকদের সাথে বিতর্ক করুন সর্বোত্তম পদ্ধতিতে"(16:125)।হ্যাঁ, বিজ্ঞানকে *অনেক* ভালবাসি। আর, হানীকে তো *অনেকের চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসি*।4) মা আয়েশা (রা) ছোট বেলা থেকেই ইসলাম শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। বলে রাখা দরকার যে, এই সুযোগ নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণ পান নি। এ বিষয়েও মা আয়েশা (রা) ছিলেন ভিন্ন!!5) মা আয়েশা (রা) শিশু অবস্থা থেকেই ইসলামী জীবন ব্যাবস্থা ছাড়া অন্য কিছু শেখার সুযোগ পান নি। কারণ, মা আয়েশা 9 বছর বেলা থেকেই নবী (স)- এর সঙ্গে জীবন-যাপন শুরু করেন। বলে রাখা দরকার যে, এই বিষয়েও মা আয়েশা নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণ হতে ভিন্ন!!6) এককথায়, মা আয়েশা (রা) ছিলেন সম্পূর্ণ ভাবে ইসলামে সমর্পিত। বলে রাখা দরকার যে, এ বিষয়েও মা আয়েশা (রা) ছিলেন ভিন্ন!! কারণ, নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণের কোনও না কোনও *পূর্ব জীবন বা অতীত জীবন* ছিল। কিন্তু মা আয়েশা (রা)- এর কোনও ধরণের পূর্ব জীবন বা অতীত জীবন ছিল না।কেননা, মা আয়েশা (রা)- এর 6 বছর বয়সে বিবাহ হয়ে যায় এবং 9 বছর বয়সে নবী (স)- এর সঙ্গে সংসার জীবন শুরু করেন। অন্যদিকে নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণের *এক বা একাধিক* পূর্ব স্বামী ছিল। তাই, তাদের *জীবনের বড় ও ইসলাম বিহীন বা সংক্ষিপ্ত ইসলাম যুক্ত* অতীত ছিল।এগুলোই হয়ত "কারণ" যে, মা আয়েশা (রা) নবী (স)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণের চেয়ে আলাদা এবং 2210 টি হাদীস বর্ণনা করার গৌরব অর্জন করেছিলেন!!এবার একটা ছোট্ট প্রশ্ন করতে চাইছি-"যদি মা আয়েশা (রা)- কে নবী (স) 6 বছর বয়সে বিবাহ না করতেন এবং 9 বছর বয়সে তার সঙ্গে সংসার জীবন শুরু না করতেন, তাহলে কি মা আয়েশা (রা) 2210 টি হাদীস বর্ণনাকারি হওয়ার গৌরব অর্জন করতে পারতেন"??এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হল- না। আরও একটি প্রশ্ন-"মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত হাদীস গুলো থেকে আমরা কি কি জানতে পারি"?? মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত হাদীস গুলো থেকে আমরা যা জানতে পারি, তা হল-1) নবী (স)- এর ঘরোয়া জীবন।2) নবী (স)- এর ঘরোয়া আধ্যাত্মিক জীবন।3) নবী (স)- এর যৌন জীবন।4) নবী (স)- এর কৃত তাফসির।5) নবী (স) সম্পর্কে অন্যান্য তথ্য।আরও একটি প্রশ্ন-"যদি নবী (স) মা আয়েশা (রা)- কে 6 বছর বয়সে বিবাহ না করতেন এবং 9 বছর বয়সে সংসার জীবন শুরু না করতেন, তাহলে কি মা আয়েশা বর্ণিত হাদীস গুলো পেতাম"?? এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হন- না, পেতাম না!!আবারও একটি প্রশ্ন-"যদি মা আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত হাদীস গুলো না পেতাম, তাহলে কি হত?? তাহলে ইসলাম অসম্পূর্ণ থাকত এবং এই আয়াতটি কোরানে থাকলেও তা, মিথ্যায় পরিণত হত। আয়াতটি হল-الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا ۚঅনুবাদ হবে এমন-"আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছি, আমার নিয়ামত তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ করেছি এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম"(5:3)। এখানেই কি শেষ?? মিথ্যায় পরিণত হত এই আয়াত গুলোও-يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَঅনুবাদ হবে এমন-"হে ইমানদারগণ!! তোমরা আল্লাহ এবং তার রাসুলের (সর্বত্র ভাবে) অনুসরণ কর"(4:59, 4:13, 3:31, 3:132, 5:92, 8:1, 8:20, 8:46, 24:54, 24:56, 33:33, 33:71, 47:33, 58:13, 64:12, 3:32)।এ জন্যেই আল্লাহ নবী (স)- কে স্বপ্নযোগে এই নির্দেশ দান করেন এবং এ ভাবে নির্দেশটি দেওয়া হয়-"আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী (স) বলেছেন- দুই দুইবার আমাকে স্বপ্নযোগে তোমাকে দেখানো হয়েছে। এক ব্যাক্তি তোমাকে রেশমী কাপড় পরিহিতা অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছিল এবং আমাকে লক্ষ্য করে বলছিল যে, এ হল আপনার স্ত্রী। আমি তখন কাপড় উন্মুক্ত করে দেখলাম যে, তুমি। তখন আমি মনে মনে বললাম যে, এই স্বপ্ন যদি আল্লাহর পক্ষ হতে হয়েই থাকে, তাহলে তিনি অবশ্যই তা সত্যে পরিণত করবেনই করবেন"(বুখারী, কিতাবুন নিকাহ, হাদীস 4708)।যাইহোক, এবার 2:45 বেজে গেছে। তাই এখন লেখা বন্ধ করছি। কারণ, কিছুক্ষণের মধ্যেই GSLV MK-3 চাঁদের উদেশ্যে যাত্রা শুরু করতে চলেছে। তাই চলুন, এবার TV On করি।আজ 16.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 12:20 বাজে।এতক্ষণে জানা গেল- আল্লাহ কেন মা আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নবী (স)- কে। আর, এবার আমরা নাস্তিকদের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব- ইনশাআল্লাহ। কিন্তু তার আগে মা আয়েশা (রা)- এর বিবাহের বয়স সম্পর্কিত হাদীস গুলো দেখে নিন-"আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- নবী মহাম্মদ (স) আমাকে বিবাহ করেন 6 বছর বয়সে ও বাসর হয় 9 বছর বয়সে। আর, নবী (স)- এর সঙ্গে জীবন-যাপন করি [নবী সঃ এর মৃত্যু পর্যন্ত] 9 বছর"(সহীহ বুখারী, কিতাবুন নিকাহ, হাদীস 4757, 4758)।"ওরওরাহ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- নবী মহাম্মদ (স) আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করেন 6 বছর বয়সে ও বাসর করেন 9 বছর বয়সে এবং আয়েশা (রা) নবী (স)- এর সঙ্গে 9 বছর যাবত বৈবাহিক জীবন-যাপন করেন"(বুখারী, কিতাবুন নিকাহ, হাদীস 4781)।নাস্তিকদের প্রশ্ন-"51 বছর বয়সে 6 বছরের কোনও শিশুকে বিবাহ করা এবং 54 বছর বয়সে 9 বছরের সেই শিশুর সঙ্গে বাসর করা কি কোনও নবী (স)- এর কাজ হতে পারে??কেউ কেউ এখানেই শেষ করে না, বরং আরও এক ধাপ এগিয়ে বলে-"51 বছরের বৃদ্ধ মহাম্মদ (স) 6 বছরের শিশু আয়েশা (রা)- কে বিয়ে করে এবং 54 বছর বয়সে 9 বছরের সেই শিশুর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরী করে!! এটা কি কোনও বিশ্বনবী (স)- এর কাজ?? এটা কোন মনবতা?? এটা কি অমানবিক নয়?? এটা কি একটি শিশুর উপর যৌন নির্যাতন নয়?? এটা কি "ইসলাম ধর্মের" নামে একটি শিশুর উপর যৌন নির্যাতন নয়?? এটা কি ধর্ষণ নয়"??নাস্তিকদের এই সব প্রশ্ন শুনে অনেক মুনাফিক জাতীয় মুসলিম বলে-"সত্যিই তো!! মাত্র 6 বছরের কোনও শিশুকে বিবাহ এবং 9 বছর বয়সের শিশুর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক!! তাও আবার 54 বছরের বৃদ্ধ!! এটা তো সত্যিই ধর্ষণ!! ইসলাম সত্যিই একটা বর্বর ধর্ম!!আমার জানা মতে- বহু মুসলিম এটা জানেই না যে, মা আয়েশা (রা)- এর বিয়ে হয়েছিল 6 বছর বয়সে এবং নবী (স)- এর সঙ্গে তার বাসর হয় 9 বছর বয়সে!! আর, এ জন্যেই যখন কোনও মুসলিম নাস্তিকদের থেকে প্রথম এ ব্যাপারে নবী (স) এবং ইসলামের সমালোচনা ও দুর্নাম-বদনাম শোনে, তখন সে চমকে ওঠে এবং নাস্তিকদের কথা-বার্তা সেই মুসলিমের মনে গভীর ছাপ ফেলে!! তাই, আমাদের আলেমদের দায়িত্ব হল- এ বিষয়ে কোনও কিছু গোপন না করে মুসলিম/ অমুসলিম/ নাস্তিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করা!! কিন্তু আমি জানি যে, আলেম সমাজ এ কাজ করবেন না হয়ত!! কারণ, আলেম সমাজ নিজেদের মধ্যে গালা-গালি/ মারা-মারি/ কাটা-কাটিতে ব্যাস্ত!!এ জন্যেই আমরা এগিয়ে এসেছি। কিন্তু আমি কোনও আলেম নই, আমি শুধুমাত্র হোসেন কুরানী এবং হানীর নাহাল!! এর বেশি কিছু নই এবং হতেও চাই না!! যাই হোক, আজ 24.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 11 টা বাজে। অনেক ক্ষণ হল ঘুম আসছে না!! আর, ঘুম না এলেই জানেন তো- আমি কি করি?? লিখি। তাই চলুন, লেখা শুরু করি-নবী (স) ও মা আয়েশা (রা)- এর বিবাহ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উত্থাপনকারি এবং কটাক্ষ কারিদের কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- হিন্দু, ইহুদী, খৃষ্টান ও নাস্তিক। তাই প্রথমে আমরা হিন্দুদের উত্তর দিতে চাই-1) শ্রী রাম যখন মাতা সীতাকে বিবাহ করেন, তখন মাতা সীতার বয়স ছিল মাত্র 6 বছর। শুনতে খানিকটা নতুন এবং অবাক লাগলেও, এটা 100% সত্য!! তবে, কেউ কেউ বলতে পারেন যে-"আপনি নবী মহাম্মদ (স)- কে ডিফেন্ড করার জন্য মিথ্যা কাহিনী বলছেন"। উত্তরে বলতে পারি- নবী (স)- কে ডিফেন্ড করার জন্য মিথ্যা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ, নবী (স) তার 63 বছরের জীবনে কখনও কোনও মিথ্যা বলেন নি। আর, কোরানেও আল্লাহ বলেছেন- وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِلْمُكَذِّبِينَঅনুবাদ হবে এমন-"সেদিন ধ্বংস অপেক্ষা করছে মিথ্যাচারিদের জন্য"(77:15, 19, 24, 28, 34, 37, 40, 45, 47, 49)।সুতরাং মিথ্যা বলার কোনও প্রয়োজন নেই এবং আমি সাধারণত মিথ্যা বলিইইইই না। চলুন, বাল্মীকি রামায়ণের বনপর্বের 47:4-10 খোলা যাক!! যেখানে মাতা সীতা এবং রামের বয়স বর্ণনা করা হচ্ছে!! তবে, আমরা এখানে শুধুমাত্র মাতা সীতার বয়স নিয়েই আলোচনা সিমিত রাখব!! তাই চলুন-রাবণ যখন সন্ন্যাসীর বেসে সীতার কাছে এসে সীতার পরিচয় জিজ্ঞাসা করে, তখন সীতা নিজের পরিচয় দেন এভাবে-"আমি সীতা, আমার বয়স 18 এবং 12 বছর শ্বশুরালয় উপভোগ করে বনবাসে এসেছি"।এখন একটি ছোট গাণিতিক হিসাব করলেই মাতা সীতার বিবাহের বয়স বেরিয়ে পড়বে, এভাবে-বর্তমান বয়স 18 বছর, তারমধ্যে শ্বশুরালয়ে 12 বছর বসবাস করে বনবাসে আসেন। তারমানে 18-12= 6 বছর। মাতা সীতার যখন বিবাহ হয়, তখন তার বয়স ছিল- মাত্র 6 বছর।শুধুমাত্র রামায়নে নয়, স্কন্দ পুরাণের 3 নং স্কন্ধের 2 নং খন্ডের 30:8-9 বলা আছে-"শ্রীরাম মিথিলার রাজার 6 বছর বয়সী সুন্দরী কন্যা সীতাকে বিবাহ করেন"।2) শ্রীকৃষ্ণ যখন মাতা রুক্মিনীকে বিবাহ করেন, তখন মাতা রুক্মিনীর বয়স ছিল- মাত্র 8 বছর। যদি আপনি চান তাহলে একবার স্কন্দ পুরাণের 5 নং স্কন্ধের 3 নং খন্ডের 142:8-79 খুলে চেক করতে পারেন!!এখানেই কি শেষ?? মাত্র 8 বছরের শিশু তথা মাতা রুক্মিনীর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণ যৌনাচারও করতেন এবং যৌনাচারের ফলে শিশু মাতা রুক্মিনী জ্ঞান হারিয়েও ফেলতেন!!শুনতে হয়ত খুব খারাপ লাগছে!! আমি অন্যের বিশ্বাসে আঘাত হানতে চাই না। আমি শুধুমাত্র একটি যুক্তি/ প্রমাণ/ উদ্ধৃতি বহুল লেখা লিখতে চাইছি। তবে আপনি চাইলে আমার কথা গুলোকে ধর্মগ্ৰন্থের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারেন।পুরাণে তথ্যটি এভাবে আছে-"কৃষ্ণ তাহার স্ত্রী রুক্মিনীর পানে বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে আছেন, যে কিনা এখনও পরিপূর্ণভাবে বেড়ে ওঠেনি এবং যার বয়ঃসন্ধি শুরু হয়েছে মাত্র এবং যৌনতা সম্বন্ধে এখনও যার কোন ধারণাই গড়ে ওঠে নি। এমন মুহূর্তে কৃষ্ণ তার সহিত যৌনক্রীড়া শুরু করে দিল এবং রুক্মিনী জ্ঞান হারিয়ে ফেলল"(ব্রহ্মবৈবর্ত্য পুরাণের, কৃষ্ণ জন্ম খন্ডের 112:1-10)।3) প্রথমে শ্রী রামের বিবাহ সম্পর্কে জানলাম!! তারপর শ্রী কৃষ্ণের বিবাহ সম্পর্কে জানলাম!! এবার আমরা শীব এবং মাতা পার্বতীর বিবাহ সম্পর্কে জানব যে- মাতা পার্বতীর যখন বিবাহ হয়েছিল, তখন তার বয়স কত ছিল!!হ্যাঁ, মাতা পার্বতীরও বিবাহ হয়েছিল মাত্র 8 বছর বয়সে!! চাইলে দেখতে পারেন-"শীব 8 বছর বয়সের পার্বতীকে বিবাহ করে হিমাচলে নিয়ে এসে সংসার শুরু করেন"(শীব পুরাণ, রুদ্র সংহিতা, পার্বতী খন্ডের, 3 নং পর্বের, 11:1-2, ইংরেজি অধ্যায়ের নাম-"Siva and Himavat meet together")।এখানে পার্বতীকেই Himavat বলা হয়েছে। কারণ, Himavat পার্বতীর অন্য নাম। যাইহোক, এবার মনে হয় একজন হিন্দুর মুখে তালা লেগে যাবে বলেই আশা করছি!! কিন্তু আমি জানি যে, শুধুমাত্র হিন্দুরা নবী (স)- কে কটাক্ষ করে না, বরং ইহুদী এবং খৃষ্টান মিশনারিরাও বিশ্বনবী (স)- কে কটাক্ষ করে এবং হেয়প্রতিপন্ন ও অপদস্থ করে। তাই চলুন, এবার ইহুদী এবং খৃষ্টান মিশনারিদের উত্তর দেব- ইনশাআল্লাহ।বাইবেলের Old testament অনুযায়ী- নবী ইব্রাহিম (আ)- এর 40 বছর বয়সী পুত্র ইসহাক (আ)- এর বিবাহ হয় 3 বছর বয়সী রেবেকা (আ)- এর সঙ্গে। বাইবেলে এই তথ্য এভাবে রয়েছে-"Isaac was forty years old when he took Rebekah as wife, the daughter of Bethuel the Syrian of Padan Aram, the sister of Laban the Syrian"(Bible, book of Genesis- 25:20, New King James Version)।অনুবাদ হবে এমন-"ইসহাক 40 বছর বয়সে আরামীয় বেথুয়েলের কন্যা, আরামীয় লাবনের বোন রেবেকা'কে পাদান-আরাম হতে নিয়ে এসে বিবাহ করেন"।এখানে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে যে-"book of Genesis এর 25:20 তে তো রেবেকা'র বয়সের উল্লেখই নেই!! তাহলে আপনি কি করে বললেন যে, ইসহাক 40 বছর বয়সে 3 বছরের রেবেকা'কে বিবাহ করেন"??এ প্রশ্নের উত্তর জানতে আপনাকে ছোট্ট মত একটা অঙ্ক করতে হবে। এভাবে-1) book of Genesis এর 17:17 অনুযায়ী- ইব্রাহিম (আ)- এর যখন 100 বছর বয়স, তখন ইসহাক (আ)- এর মা তথা ইব্রাহিম (আ)- এর স্ত্রীর বয়স 90 বছর।2) book of Genesis এর 21:5 অনুযায়ী- ইসহাক (আ)- এর যখন জন্ম হয়, তখন তার পিতা ইব্রাহিম (আ)- এর বয়স 100 বছর। তারমানে উপরিউক্ত book of Genesis এর 17:17 অনুযায়ী- ইসহাক (আ)- এর জন্মের সময় তার মা সারা (আ)- এর বয়স ছিল 90 বছর।3) book of Genesis এর 23:1 অনুয়ায়ী- সারা (আ)- এর মৃত্যু হয় 127 বছর বয়সে। তারমানে সারা (আ)- এর মৃত্যুর সময় ইসহাক (আ)- এর বয়স ছিল 127-90= 37 বছর।4) book of Genesis এর 22:22 অনুযায়ী- সারা (আ)- এর মৃত্যুর সময় জন্ম হয় রেবেকা (আ)- এর। তারমানে সারা (আ)- এর মৃত্যুর সময় ইসহাক (আ)- এর বয়স ছিল- 37 বছর। আর ইসহাক (আ)- এর যখন 37 বছর, তখন রেবেকা (আ)- এর জন্ম হয়।5) book of Genesis এর 25:20 অনুয়ায়ী- ইসহাক (আ)- এর 40 বছর বয়সে বিবাহ হয়। যখন ইসহাক (আ)- এর 37 বছর বয়স ছিল, তখন যদি রেবেকা (আ)- এর জন্ম হয়, তাহলে ইসহাক (আ)- এর 40 বছর বয়স হয়, তখন রেবেকা (আ)- এর বয়স কত হবে?? সহজ উত্তর!! 40-37= 3 বছর।এবার বলুন, আমি কি ভুল কিছু বলেছিলাম?? আমি ঠিকই তো বলেছিলাম যে- ইসহাক (আ) 40 বছর বয়সে 3 বছরের শিশু রেবেকা (আ)- কে বিবাহ করেন!!আর, এখন আমি ইহুদী এবং খৃষ্টান মিশনারিদের বলতে চাই- আপনাদের কি লজ্জা-শরম বলে কিছু নেই?? যে ধর্ম 3 বছরের শিশুকে বিবাহ করার বৈধতা রয়েছে, সেই ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বনবী (স)- এর উপরে কিভাবে আঙুল তোলে!!এ পর্যন্ত আমরা হিন্দু/ ইহুদী/ খৃষ্টানদের উত্তর দিয়ে দিয়েছি। এবার আমরা নাস্তিকদের উত্তর দেব- ইনশা আল্লাহ। তবে, এবার হয়ত লেখাটি শেষ হতে চলেছে!! তাই, লেখা শেষ করার পূর্বে নিজের সম্পর্কে একটু বলে নিই!! এটা আমার স্বভাব তো!! আজ 25.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 10:30 বাজে।আপনি নাস্তিক হন অথবা আস্তিক হন- যদি আপনি আমার এই লেখাটি শুরু থেকে পড়েন, তাহলে এটা আপনি মানতে বাধ্য হবেন যে, মা আয়েশা (রা)- কে 6 বছর বয়সে বিবাহ করা এবং 9 বছর বয়সে ঘরে নিয়ে আসা জরুরী ছিল!! কমপক্ষে ইসলাম পূর্ণতা পাওয়ার জন্য জরুরী ছিল!! তাই নয় কি??এবার নাস্তিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন হবে-"6 বছর বয়সের শিশুকে বিবাহ করা এবং 9 বছর বয়সের সেই শিশুর সঙ্গে যৌনাচার করা কতটুকু যৌক্তিক?? অন্তত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কতটুকু মানানসই"??কতটুকু নয়, পুরোটাই মানানসই!! এখানে হয়ত কেউ কেউ বলবেন যে-"আপনি গোঁড়ামি করছেন"। এ প্রশ্নের উত্তরে বলতে পারি- আমি গোঁড়া নই, বিজ্ঞান জানি এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি- পুরোটাই মানানসই!! প্রশ্ন হবে-"কিভাবে?? কিভাবে একটা 9 বছর বয়সের শিশুর সঙ্গে যৌনাচার মানানসই মনে হল আপনার"?? চলুন, ব্যাখ্যা করি-Period বা মাসিক সম্পর্কে জানেন?? জানেন মাসিক কেন হয়?? মাসিক হল- মাতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ। যখন কোনও নারীর মাসিক শুরু হয়ে যায়, তখন সেই নারী মাতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় শারীরিক ভাবে- এটা জানেন তো??আর, যখন কোনও নারীর Period বা মাসিক শুরু শুরু হয়, তখন তার সঙ্গে যৌনমিলন করা মোটেও অবৈজ্ঞানিক নয়। কারণ, তখন সেই নারী মাতৃত্বের জন্য বা গর্ভধারণের প্রস্তুত হয়ে যায়!!আমি জানি- আপনার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে!! সুতরাং এখন দেখাতে চাই- Period বা মাসিক কেন হয়!! তাই চলুন-প্রতি মাসে ডিম্বাশয় একটি ডিম্বাণু উৎপাদন করে। সবচেয়ে পরিপক্ক বা পূর্ণাঙ্গ ডিম্বাণুটি ডিম্বনালির মধ্য দিয়ে জরায়ুতে চলে যায়। জরায়ু হচ্ছে দেহের এমন একটি অংশ যেখানে শিশু সুরক্ষিত থাকে ও প্রতিনিয়ত পুষ্টি পায়। যখন ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়, তখন শরীর জরাযুতে রাসায়নিক সংকেত পাঠায়। ফলে, জরায়ুর ভিতরের অংশ পুরু হয়ে ওঠে। ডিম্বাশয় থেকে পরিপক্ক ডিম্বাণু বেরিয়ে এসে ডিম্বনালীতে অবস্থান নেয়। এই পুরো প্রক্রিয়াকে বলে হয়- ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া।এই যৌনমিলন দ্বারা ডিম্বানুটি শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত হলে গর্ভসঞ্চার হয়। গর্ভবতী অবস্থায় নিষিক্ত ডিম্বাণুটি ডিম্বনালীর মধ্য দিয়ে জরায়ুতে আসে। এবং 6 দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণুটি জরায়ুতে সৃষ্ট নরম ও পুরু আবরণের সাথে যুক্ত হয়ে যায়।আর যদি গর্ভবতী না হয়, তাহলে অনিষিক্ত ডিম্বাণুটি নষ্ট হয়ে যায় এবং জরায়ুর ভেতরে কোনও শিশু জন্ম না নেওয়ায় নরম এবং পুরু আবরণটিও ভেঙে যায় ও ভেঙে যাওয়া আবরণটি শরীর থেকে রক্তের আকারে বের হয়ে আসে। এভাবেই মাসিকের শুরু হয় ও মাসিক হয়!! বুঝলেন মশাই??আজ 27.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 1:40 বাজে। এরপর আমি যা করি, তা তো জানেন!! এখন লেখা শুরু করব, চলুন-এখন বলুন তো, তাহলে নারীর Period বা মাসিক শুরু হওয়ার অর্থ কি?? উপরিউক্ত লেখা থেকে হয়ত জেনেই গেছেন যে, Period বা মাসিক শুরু হওয়ার অর্থ হল- নারীর মা হওয়ার জন্য বা তার শরীর যৌনমিলনের জন্য প্রস্তুত!!এবার প্রশ্ন হবে-"কত বছর বয়সে নারীর বা নারীদের Period বা মাসিক শুরু হয়"?? এ প্রশ্নের নিদিষ্ট কোনও উত্তর পৃথিবীর কোনও ডাক্তার বা Medical science এর কাছে নেই!! তবে, ডাক্তার বা Medical science বলে- ভারতে নারীদের Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় 10 থেকে 16 বছর বয়সে। তবে, 16 বছরের পরও বহু নারীর মাসিক শুরু হয়!! আবার 10 বছরের আগেও বহু নারীর মাসিক চক্র শুরু হয়!!আসলে আবহাওয়ার উপরে নারীদের মাসিক চক্র শুরু হওয়া বেশ খানিকটা নির্ভরশীল। যেমন কাশ্মীরের নারীদের Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় একটু দেরিতে। যথা 13 থেকে 16 বছর বয়সে!! আবার পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশের নারীদের Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় 10 থেকে 16 বছর বয়সে!! আবার দক্ষিণ ভারতের নারীদের Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় 10 থেকে 14 বছর বয়সে!!এককথায়, শীতপ্রধান দেশের তুলনায় উষ্ণপ্রধান দেশের নারীদের Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় একটু তাড়াতাড়ি। উষ্ণপ্রধান দেশের নারীদের Period বা মাসিক চক্র 9 বছর বয়সেও শুরু হতে দেখা যায়। শুধু উষ্ণপ্রধান দেশ কেন, আমাদের দেশ ভারতের অনেক নারীদের 9 বছরে Period বা মাসিক চক্র শুরু হয়!! সত্যি বলতে, এটা কোনও ডাক্তার অথবা Medical science এর কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়!!এবার একটা প্রশ্ন করি-"মা আয়েশা (রা) কোথায় বসবাস করতেন"?? এ প্রশ্নের উত্তর তো আপনি জানেন আর তা হল- আরব মরুতে। এবার বলুন-"তাহলে কি 9 বছর বয়সে মা আয়েশা (রা)- এর Period বা মাসিক চক্র শুরু হয় নি?? সম্ভাবনা কি বলে"?? সম্ভাবনা এটাই বলে যে- 9 বছর বয়সেই মা আয়েশা (রা) মাতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। সেই জন্যেই নবী (স) মা আয়েশা (রা)- কে ঘরে নিয়ে এসেছিলেন। তাই, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা আয়েশা (রা)- এর সঙ্গে নবী (স)- এর যৌনাচার পুরোটাই মানানসই!!★★★★ সুধীপাঠক, আজ 28.7.19 তারিখ এবং এখন রাত 2:20 বাজে। যাইহোক, এখান পর্যন্ত উত্তর শেষ। কিন্তু আমি এখন লেখাটি শেষ করতে চাই না!! মা আয়েশা (রা) কেমন ছিলেন- তা একটি কার্যকারী ও বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই-এবার আমরা আপনাকে নিয়ে যেতে চাই South Korea তে এবং আলাপ করাতে চাই Kim Yng-Yong এর সঙ্গে। কিন্তু কে এই Kim Yng-Yong?? Kim Yng-Yong মাত্র 3 বছর বয়সে Hanyang ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ্যা বিভাগের সম্মানিত অতিথি ছাত্রের খাতায় নাম লেখান। যা চিন্তা করলেও অসম্ভব মনে হয়!! তাই নয় কি??কিন্তু এখানেই কি শেষ?? না, না, মোটেও শেষ নয়, আরও কিছু অপেক্ষা করছে আপনাদেরকে অবাক করার মত!! আর, তা হল- মাত্র 7 বছর বয়সে আমেরিকার পক্ষ থেকে Kim Yng-Yong কে আমন্ত্রণ জানিয়ে NASA তে নিয়ে যাওয়া হয় Reserch করার জন্য।Kim Yng-Yong ছেলেটি বিশাল প্রতিভাধর, তাই নয় কি?? তা না হলে কেউ আবার মাত্র 3 বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অতিথি ছাত্র হতে পারে?? এবার একটা প্রশ্ন-"Kim Yng-Yong এর তুলনা কি অন্য কোনও যে কোনও বয়সের ছাত্রের সঙ্গে হতে পারে"?? মোটেও হতে পারে না!! তাই না??মা আয়েশা (রা) Kim Yng-Yong এর চেয়ে শত গুণ বেশি প্রতিভাধর ছিলেন। মা আয়েশা (রা) মাত্র 9 বছর বয়সেই 54 বছরের নবী (স)- এর সঙ্গে এমন ভাবে থাকতেন- যেন 50 বছরের কোনও সুশিক্ষিতা নারী। মা আয়েশা (রা) এমন ছিলেন যে- তার কাছে তৎকালীন 60-70 বছরের তাবড়-তাবড় জ্ঞানী সাহাবায়ে কেরাম (রা)- রাও দ্বীন শিখতে আসতেন। এমনকি তার পিতাও!! হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এগুলো সত্য!! তাই, অন্য কোনও নারীর সঙ্গে মা আয়েশা (রা)- এর তুলনা হতে পারে না!! এই রকম প্রতিভাধরদের সর্বদা আলাদা ভাবেই দেখা উচিৎ। আর, নয়ত আপনি একটা গন্ড মূর্খ!!এবার আমরা বিবাহের বয়স নিয়ে আলোচনা করতে চাইছি। ভারতীয় আইন অনুয়ায়ী বিবাহের জন্য পুরুষের বয়স কমপক্ষে- 21 বছর এবং নারীর বয়স কমপক্ষে- 18 বছর হওয়া জরুরী। বাংলাদেশেরও এই একই আইন!! তাই না?? আচ্ছা, এবার একটা প্রশ্ন করতে চাইছি-"জানেন চীনে বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স কত"?? উত্তর হল- পুরুষের 22 এবং নারীর 20 বছর। এবার আরও একটা প্রশ্ন-"ভারতীয় আইন অনুযায়ী যদি কেউ চীনে বিবাহ করতে চায়, তাহলে কি তা গ্ৰহন যোগ্য হবে"?? উত্তর হল- না, গ্ৰহন যোগ্য হবে না। কিন্তু কেন গ্ৰহণ যোগ্য হবে না- এ প্রশ্নের বিজ্ঞানসম্মত উত্তর কেউ দিতে পারবেন কি??মনে রাখা দরকার যে, ভারত ও চীনের দুরত্ব কত?? আমরা জানি- একটুও নয়, এই দুই দেশের সিমা একে-অপরের সঙ্গে লেগে আছে!! তাই না?? কিন্তু তবুও এই দুই দেশের বিবাহ আইনে নারীর বয়সের ক্ষেত্রে 2 বছরের পার্থক্য কেন??এ প্রশ্নের যোগ্য উত্তর কেউ দিতে পারবেন কি?? জানি এ প্রশ্নের উত্তর নাস্তিকদের কাছে কেন, কারোর কাছেই নেই!! তবে, আমার কাছে আছে!! আসলে এই আইন গুলো হল- মানব রচিত মনগড়া আইন মাত্র, প্রকৃতির ভিত্তিতে তৈরী করা বৈজ্ঞানিক আইন নয়!! তাই নয় কি??আজ 29.7.19 এবং এখন রাত 3:30 বাজে। অনেক ক্ষণ হল ঘুম ভেঙে গেছে এবং সেই Tention এ ঘুম আসছে না। এত Tention হচ্ছে- যেন মাথা ফেটে যাচ্ছে!! এখন শুধু সকাল হওয়ার অপেক্ষা করছি!! জানি না কখন সকাল হবে!! যতক্ষণ না সকাল হচ্ছে, ততক্ষণ একটু লেখা-লেখি করা যাক, হ্যাঁ?? তাহলে বিবাহের বয়স সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?? প্রথমে এই আয়াত দুটি দেখুন-ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُঅনুবাদ হবে এমন-"মানুষকে প্রভুর পথে আহ্বান করুন বিজ্ঞানময় ও যুক্তি-যুক্ত ভাবে এবং লোকদের সাথে বিতর্ক করুন সর্বোত্তম পদ্ধতিতে"(16:125)। নিচের এই আয়াতটিও দেখুন-هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍঅনুবাদ হবে এমন-"তিনিই মহান সত্তা, যিনি উম্মীদের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাসুল করে পাঠিয়েছেন যে তাদেরকে তার আয়াত শুনায়, তাদের জীবনকে সজ্জিত ও সুন্দর করে এবং তাদেরকে কিতাব ও বিজ্ঞান শিক্ষা দেয়। অথচ ইতিপূর্বে তারা স্পষ্ট ভ্রান্তি ও মূর্খতায় নিমজ্জিত ছিল"(62:2)।উপরিউক্ত দুটি আয়াত পড়লে দেখা যাচ্ছে- আল্লাহ নবী (স)- কে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন একটা উদেশ্য নিয়ে। আর তা হল- حِكْمَةَ বা বিজ্ঞান ভিত্তিক জীবন-যাপন শেখানো। তাই, বিবাহের বয়সের ক্ষেত্রেও কোরান বিজ্ঞান ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তার উল্লেখ করা হয়েছে এভাবে-وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا وَارْزُقُوهُمْ فِيهَا وَاكْسُوهُمْ وَقُولُوا لَهُمْ قَوْلًا مَعْرُوفًاঅনুবাদ হবে এমন-"অবুঝদের হাতে সম্পত্তি তুলে দিও না। যা আল্লাহ তোমাদেরকে জীবিকার জন্য দিয়েছেন বরং তা হতে তাদেরকে খেতে-পরতে দাও এবং তাদের সদুপদেশ দাও"(4:5)।وَابْتَلُوا الْيَتَامَىٰ حَتَّىٰ إِذَا بَلَغُوا النِّكَاحَ فَإِنْ آنَسْتُمْ مِنْهُمْ رُشْدًا فَادْفَعُوا إِلَيْهِمْ أَمْوَالَهُمْঅনুবাদ হবে এমন-"আর, এতিমদের পরীক্ষা করে নেবে বিবাহের বয়স হওয়া পর্যন্ত। তারপর যদি তোমরা তাদের মধ্যে ভাল-মন্দের জ্ঞানের সন্ধান পাও, তাহলে তাদের সম্পদ তাদের হাতে সোপর্দ করে দাও"(4:6)।উপরিউক্ত আয়াত 2 টিকে পর্যালোচনা দেখা যাবে- কোরান বিবাহের নিদিষ্ট কোনও বয়স নির্ধারণ করে দেন নি, বরং সুঝ-বুঝ তথা ভাল-মন্দের জ্ঞানকে বিবাহের বয়স হিসাবে দেখানো হয়েছে!! কিন্তু তবুও হাদীসে সুঝ-বুঝ তথা ভাল-মন্দের জ্ঞানের একটা বয়স দেখানো হয়েছে, এভাবে-"আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- ওহোদ যুদ্ধের দিন যুদ্ধে যোগদান করার জন্য নবী (স)- এর সামনে উপস্থিত হলে, তিনি আমাকে যুদ্ধে যেতে অনুমতি দিলেন না। তখন তার বয়স ছিল 14 বছর। তিনি আরও বলেন- পরের বছর খন্দক যুদ্ধের দিন আমি আবারও যুদ্ধে যোগদানের জন্য নবী (স)- এর সামনে উপস্থিত হলে, নবী (স) আমাকে অনুমতি দেন। তখন তার বয়স ছিল 15 বছর"(বুখারী, কিতাবুস সাহাদত, হাদীস 2474 এবং কিতাবুল মাগাযী, হাদীস 3794)।প্রশ্ন হতে পারে-"হাদীসে 15 বছর বয়সকে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার বয়স ধরা হল কেন"?? বিজ্ঞান সম্মত উত্তর হল- 15 বছর বয়সে মানুষের মস্তিষ্ক পূর্ণতা পেয়ে যায়। দ্বিতীয় উত্তর হল- কোরানে বিবাহের বয়স হিসাবে সুঝ-বুঝ ও ভাল-মন্দের জ্ঞানকে মাপকাঠি হিসাবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার কোনও বয়স নির্ধারণ করে দেওয়া হয় নি- সেই নিদিষ্ট বয়স হল- 15 বছর!!যদিও পুরষ সাবালক হয়- স্বপ্নদোষ হলে এবং নারী সাবালিকা হয়- Period বা ঋতুস্রাব বা মাসিক শুরু হলে। তাই, নবী (স)- এর দ্বারা মা আয়েশা (রা)- কে বিবাহ করা ভারতীয় আইনে বিরুদ্ধে হতে পারে, কিন্তু প্রকৃতির আইনের বিরুদ্ধে নয়!!যাইহোক, নিচের একটি লেখা দিচ্ছি। ফেইসবুক এ গিয়ে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ । দেখতে পবেন-"মাসিক অবস্থায় কি নারীরা অপবিত্র"??@ঋতু অবস্থায় মহিলারা অপবিত্র??@)}]আচ্ছা, ভারত ও বাংলাদেশের বিবাহ আইনের সর্বনিম্ন বয়স পুরুষের 21 এবং নারীর 18 বছর কেন হল?? উত্তর হল- আমরা ভারতীয়রা বৃটিশদের বমি খেয়ে অভ্যাস্ত, তাই তাদের তৈরী করা আইনটি বিচার না করেই গ্ৰহণ করে নিয়েছি!! কিন্তু আমেরিকার নিউ জার্সির আইন একটু অন্য রকম। চাইলে, হিন্দি খবরের কাগজ "दैनिक भास्कर" পড়তে পারেন। যেখানে বলা হচ্ছে-"কোর্টের অনুমতি নিয়ে যে কোনও বয়সে বিবাহ করা যায়, বিবাহের জন্য পুরুষ বা নারীর নিদিষ্ট কোনও নির্ধারিত বয়সের প্রয়োজন হয় না"(18.10.2015)।যাইহোক, মূল উত্তর অনেক ক্ষণ আগেই শেষ হয়ে গেছে, এবার লেখাও শেষ হল প্রায়!! লেখা শেষ করার আগে আমার লেখা ({[ "নারী অধিকার" সম্পর্কিত লেখা/রচনা গুলো ফেসবুকে সার্চ দিয়ে পড়তে পারেন। এখানে একত্রে প্রায় 20-25 টি লেখা পেয়ে যাবেন। তাই, নিচে দেওয়া লিঙ্কে/লেখায় ক্লিক/সার্চ করুন--👇-@নারী অধিকার, মানবাধিকার ও হিন্দু ধর্মগ্রন্থ@https://m.facebook.com/story.php?)}]লেখা শেষ করছি, কিন্তু একটু বলে নিই যে- মা আয়েশা (রা)- কে পবিত্র কোরানে আল্লাহ কিভাবে সম্মানিত করেছেন!! কোনও এক ঘটনার পেক্ষিতে মা আয়েশা (রা)- এর উপর তার চারিত্রিক বিষয়ে অপবাদ দেওয়া হয়। সেই ঘটনার পেক্ষিতেই মা আয়েশা (রা)- কে আল্লাহ নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছেন, এভাবে-إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالْإِفْكِ عُصْبَةٌ مِنْكُمْ ۚ لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَكُمْ ۖ بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَكُمْ ۚ لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ مَا اكْتَسَبَ مِنَ الْإِثْمِ ۚ وَالَّذِي تَوَلَّىٰ كِبْرَهُ مِنْهُمْ لَهُ عَذَابٌ عَظِيمٌঅনুবাদ হবে এমন-"যারা এই মিথ্যা এবং মূল ঘটনা পরিবর্তন করে অপবাদ তৈরী করে এনেছে, তারা তোমাদেরই ভিতরের একটি অংশ!! এই ঘটনাকে নিজেদের পক্ষে খারাপ মনে কর না বরং এও তোমাদের জন্য ভালই। যে এর মধ্যে যতটা অংশ নিয়েছে, সে ততটাই গুনাহ কামিয়েছে!! আর যে ব্যক্তি এর দায়-দায়িত্বের বড় অংশ নিজের মাথায় নিয়েছে, তার জন্য তো রয়েছে মহাশাস্তি"(24:11)।এই হল সেই মূল্যবান আয়াত, যে আয়াতে আল্লাহ নিজে মা আয়েশা (রা)- এর বিষয়ে সাক্ষী দেন যে, মা আয়েশা (রা) নির্দোষ!! যাইহোক, লেখাটি পড়ার পর আমার মায়ের জন্য "জান্নাতুল ফেরদৌস" এর জন্যে দোয়া করবেন- আশা রাখছি!!আশা করছি, বোঝাতে পারলাম। এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।* THE QURANIC UNIVERSE TEAM *© : লেখক, হোসেন কুরানী ।
আয়েশা (রা)- এর বিবাহ সম্পর্কে নাস্তিকদের প্রশ্ন
কোরান ও ভূমিকম্প
"ইসলাম কোরান ও বিজ্ঞান" নামক Whatsapp গ্ৰুপে মুর্সিদাবাদের মাসুদ আলম ভাই প্রশ্ন করে বলেছেন- "হোসেন ভাইজান, ভূমিকম্প সম্পর্কে বিস্তারিত এবং লিখিত ভাবে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাই। দয়া করে জানাবেন"।
#ভাই, জানাতে তো চাই, কিন্তু আজও আমার পরি স্থিতি গতকালের মতোই। আজ 2.1.2019 তারিখ। এই সময় আমার প্রচুর ব্যাস্ত থাকার কথা!! এবং সাধারণত আমি মাসের 1-2 তারিখের মধ্যে ব্যাবসা জনিত সমস্ত হিসাব শেষ করে ফেলি, কিন্তু এই মাসে এখনও পর্যন্ত 25% হিসাবও হয় নি।
গতকালের মত আজও একটা ছোট্ট প্রশ্ন খুঁজছিলাম, কিন্তু পাইনি। ভাবছিলাম লিখবোনা কিন্তু সময়ও তো কাটতে চাইছেনা!! আবার হিসাব করার জন্য ও লেখার জন্য ভাবতে হয়, আর ভাবার জন্য *ফ্রেশ মাইন্ড বা মন* প্রয়োজন, কিন্তু আমার *মন* তো হসপিটালে!!
শুধু মনে হচ্ছে- এত শীতে 'সে' কিভাবে আরও একটা রাত কাটাবে?? 1 রাত ঘুমাইনি 'সে' এবং আজও 'তার' ঘুম হবে না!! 'সে' কি করছে, কি খাচ্ছে?? 'তার' কতই না কষ্ট হচ্ছে!! আর আমি অসহায়!!
পরিস্থিতি এমন যে- আমি ঘরে, আর সে হসপিটালে!! নাহলে আমি হয়ত তার সঙ্গে থাকতাম!! কিন্তু আমি ঘরে তো কি হয়েছে?? আমিও তার মত করেই কষ্টে রাত কাটাব!! তবেই আমার মনে হবে যে, আমি তার সঙ্গে আছি!!
#উত্তর:::- ভূমিকম্পকে ইংরেজিতে বলা হয় Earth quake. ভূমি অর্থ- পৃথিবী। কম্প অর্থ- কম্পন বা কাঁপা। ভূমিকম্প অর্থ হল- পৃথিবীর কম্পন। বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের কারণ খুঁজে বের করেছেন এবং বলেছেন- *কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক* দু কারণেই ভূমিকম্প হয়।
ক) কৃত্রিম কারণ:- বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের কয়েকটি কৃত্রিম কারণ চিহ্নিত করেছেন।
1) সাধারণ বোমা বিস্ফোরণ, 2) পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ, 3) খনি ধ্বস, 4) ভূগর্ভস্থ সুরঙ্গে ধ্বস। এ ছাড়াও আরও অন্যান্য কারণও আছে।
এই কৃত্রিম কারণের উল্লেখ কোরানে এসেছে এভাবে- "তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি কর না"(2:11)।
খ) প্রাকৃতিক কারণ:- ভূমিকম্পে কৃত্রিম কারণের জন্য মৃদু ভূমিকম্পইইইই হয়ে থাকে। তবে, প্রাকৃতিক কারণেই বড় বড় ভূমিকম্প হয় বা হয়ে থাকে। আর যাকে আমরা সুনামী বলি, তা ভূমিকম্প ছাড়া অন্য কিছু নয়। যা সমুদ্রের নিচে হয় এবং এর তরঙ্গ সমুদ্রের বিশাল জলরাশিতে ছড়িয়ে পড়ে।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন- প্রাকৃতিক ভাবে ভূমিকম্পের 3 টি কারণ আছে।
1) আগ্নেয়গিরি:- আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। এই ধরণের ভূমিকম্প মৃদু থেকে মাঝারি এবং তীব্রও হতে পারে। তবে, এ ধরণের ভূমি কম্পে কালো ধূঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস ভূমিকম্পের বেশি ক্ষতি করে।
2) প্লেট সঞ্চালন ও 3) প্লেট ভেঙে যাওয়া:- ভূগর্ভ প্লেটের কারণে দুভাগে ভূমিকম্প হয়। কিভাবে হয়, তার উত্তর কোরান ও বিজ্ঞান থেকে নিচের লিঙ্কে দেওয়া রয়েছে। চাইলে লিঙ্কে প্রবেশ করতে পারেন---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=739788279739505&id=544853392566329
আশা করছি, এ পযর্ন্ত বোঝাতে পারলাম। এবার কিছু জ্ঞান বর্ধক আলোচনা করি। যদিও লিখতে ভাল লাগছিল না। কিন্তু কিন্তু কিছুক্ষণ ফোন করেছিলাম তাকে, সে কারণে মনটা ভালো হয়েছে। তাই, চলুন-
1) সারা বছরে গোটা পৃথিবীতে প্রায় 6 হাজার বা তার বেশি ভূমিকম্প হয়।
2) ভূমিকম্প মাপার সবচেয়ে ভালো উপায় রিখটার স্কেল। রিখটার স্কেলে 10 পয়েন্ট পযর্ন্ত আছে। এর 1 পয়েন্ট ওঠা মানে ক্ষতির পরিমাণ 10-32 গুণ পযর্ন্ত বাড়তে পারে।
3) রিখটার স্কেলে 5-5.99 পর্যন্ত ভূমিকম্পকে মৃদু ধরা হয়। আর 6-6.99 কে মাঝারি ধরা হয়। আর 7-7.99 কে তীব্র ভূমিকম্প বলা হয়। আর 7.99 এর বেশি মাত্রাকে ভয়াবহ ভূমিকম্প বলা হয়।
4) যদি কখনও 10 মাত্রার ভূমিকম্প হয়, তাহলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে হয়।
5) ভূমিকম্পের 3 ধরনের গভীরতা হয়। যেমন ভূগর্ভে 70 কিমি পর্যন্ত উৎসকে বলা হয়- অগভীর উৎস। আর 70-300 কিমিকে বলা হয়- মাঝারি উৎসের ভূমিকম্প। আর 300 কিমির বেশি হলে, তাকে গভীর উৎসের ভূমি কম্প বলে।
এছাড়াও নবী (স) বলেছেন-"কিয়ামতের অন্যতম লক্ষণ হল বড় বড় ভূমিকম্প হবে"।
আশা করছি, এবার পুরোটা বোঝাতে পারলাম। এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
@লেখক: হোসেন কুরানী।
আল্লাহর কুরশি, বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা
@আল্লাহর কুরশি, বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা@
Facebook এর একজন মহিলা আয়েশা জাহান Massenger এ প্রশ্ন করে বলেছেন-"Sir, I have no words to praise you. আমি শব্দহীন হয়ে গেছি, এটা ভেবে- একজন Arts বিভাগে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়া কোনও মানুষ কিভাবে বিজ্ঞানের এত নিক্ষুত বিষয় গুলো জানেন?? I mean sir, How is this possible?? আমি ভেবে পাচ্ছি না!! অনেকেই বলে- মুজেজা আগে হত, এখন আর হয় না কিন্তু যদি তারা আপনাকে দেখত, তবে ধারণা বদলে যেত এবং তারাও বলত- Sir, you are sign of allah.
স্যার, জানি- আপনি ঐ মহিলাকে এখনও অনেক ভালবাসেন কিন্তু যে আপনাকে এভাবে প্রতারিত করল, কেন আপনি তাকে আপনার মূল্যবান লেখার মধ্যে স্থান দিচ্ছেন?? আপনি যত ঐ মহিলার বিষয়ে ভাববেন, তত আপনার কষ্ট হবে কিন্তু Fraud মহিলা হয়ত খুশিতেই আছে!! স্যার, আপনি কেন বুঝতে পারছেন না যে, ঐ Fraud মহিলা আপনার যোগ্য ছিল না!! ঐ মহিলা তো দূরের কথা, 'আপনার কুন ফা-ইয়াকুন, আল্লাহর অস্তিত্ব ও বিজ্ঞান' লেখাটি আমার এক বান্ধবীকে পাঠালাম। সে Physics নিয়ে অনেক পড়া-শোনা করেছে, সে আপনার লেখাটা পড়ে মন্তব্য করেছে- জীবনে এমন লেখা প্রথম পড়লাম!! বিজ্ঞানের সাহায্যে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ, এটা সম্ভব বলে কখনও ভাবতেও পারি নি এবং কোরান এত বিজ্ঞানসম্মত, এই লেখাটা না পড়লে কখনও জানতেও পারতাম না!!
স্যার, যখন আমার বান্ধবীকে বলেছি- যিনি এটা লিখেছেন, তিনি Arts বিভাগে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়া-শোনা করেছেন!! তখন আমার বান্ধবী বলছে- তুই মিথ্যা বলছিস, এটা কখনও সম্ভব নয় যে, এই লেখক মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়া-শোনা করেছে, তাও আবার Arts বিভাগে!! তাকে আপনার 'আল্লাহ কোথায় আছে' লেখাটা পাঠিয়েছি, কই এখনও কিছু বলে নি। স্যার, আপনি ঐ মহিলার কথা চিন্তা করা ছেড়ে দিন, আপনি অসাধারণ মানুষ, আল্লাহ ভাল কিছু রেখেছেন আপনার জন্য, যে আপনাকে এত ভালবাসবে যে, আপনি সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে যাবেন!!
কখনও কোনও পুরুষকে কাঁদতে দেখি নি, প্রথমবার আপনাকে দেখলাম, সত্যিই আপনি বাচ্চা ছেলের মতো কাঁদেন!! কেন এত কাঁদেন?? চোখের পানির মূল্য সবাই দিতে পারে না স্যার, ঐ Fraud মহিলা তো কখনও দেবে না!! কিন্তু আপনার কান্না শুনে চোখে পানি ধরে রাখতে পারি নি এবং তখন মনে-মনে ভাবছিলাম- ভাগ্যবতী ঐ মহিলা, যার জন্য আমার গর্বের মানুষটা কাঁদছে!!
আপনি কাঁদবেন না, আমি আপনাকে এভাবে দেখতে পারব না, আমি চাই- আমি সর্বদা খুশিতে থাকুন এবং দ্বীনের অনেক জন্য বড় কিছু করুন। এবার আমার প্রশ্ন টা করি, প্রশ্ন হল- আল্লাহর কুরশি কি, কেমন?? এই সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক চাই"।
সর্বপ্রথম গত লেখা অর্থাৎ 'কুন ফা-ইয়াকুন, আল্লাহর অস্তিত্ব ও বিজ্ঞান' লেখার লিঙ্কটা উপস্থিত করি, তাহলে পাঠকরা উপকৃত হবে হয়ত---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=990830524635278&id=544853392566329
আর যদি আল্লাহ কোথায় আছে, জানতে চান এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা চান, তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=699366997114967&id=544853392566329
আসলে কি জানেন তো, আমি হানীর ব্যাপারে কিছুই লিখতে চাই না কিন্তু হাতকে আঁটকাতে পারি না!! তার ব্যাপারে ভাবতেও চাই না কিন্তু মনকে বোঝাতেও পারি না!! তার জন্য কাঁদতেও চাই না কিন্তু চোখের উপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না!! আসলে, আমি হানীর বিষয়ে ভাবতাম এমন-
तुम आ गए हो, नूर आ गया है
नहीं तो चरागों से लौ जा रही थी
जीने की तुमसे वजह मिल गयी है
बड़ी बेवजह जिन्दगी जा रही थी
तुम आ गए हो, नूर आ गया है
জানেন, গত বছর এই শীতে হানীর Aunty কলকাতা Medical college and hospital এ ভর্তি ছিল এবং হানী তার Aunty র কাছে রাত ছিল!! হানী সাধারণ শীতের কাপড় পরে ছিল এবং হানীকে শীত লাগছিল, ঐ জন্য আমি বাড়িতে সারা রাত খালি গায়ে ছিলাম এবং ঐ জন্য সারা রাত ঘুমাতে পারি নি, শুধু সারা রাত ঠান্ডায় কেঁপেছি!! কিন্তু তখন আমার কি মনে হচ্ছিল জানেন?? মনে হচ্ছিল- আমি যেন হানীর সঙ্গে আছি!!আমি কত বড় পাগল ছিলাম, তাই না?? জানেন, হানী আমাকে কি বলত?? বলত- কেন এত ভালবাসেন আমাকে?? হ্যাঁ হানীজি, সত্যিই অনেক বড় ভুল করেছি আপনাকে ভালবেসে, ঐ জন্য সেই ভুলের শাস্তি পাচ্ছি এবং মাশুল গুণছে আমার দু-চোখ!!
যাইহোক, এবার মনে হয় উচিৎ হবে প্রশ্নের উত্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়া। তাই না?? হ্যাঁ চলুন!! জানেন কি আমার যখন জ্ঞান হয় নি, তখন আমি কি ভাবতাম?? আমি ভাবতাম- কুরশি মানে তো Chair. সুতরাং আল্লাহ হয়ত কোনও Chair এ বসে থাকেন, যেমন আমরা chair এ বসে থাকি!! তাহলে হয়ত আল্লাহ আমাদেরই মতো হবে!! আপনিও হয়ত হয়ত ছোট বেলায় এ রকম ভেবেছেন, তাই না?? এখানেই শেষ নয়, তখন শিশু মন এও ভাবত- আল্লাহ যদি আমাদের কুটুম বা আত্মীয় হত, তবে আমার/ আমাদের সব কথা শুনত এবং যা বলতাম, তাই হত!!
যাইহোক, এ সব তো শিশু মনের খেয়ালী চিন্তা!! সুধী পাঠক চলুন, দেখে নিই আল্লাহর Chair টা কেমন। এ বিষয়ে আল্লাহ নিজেই বলেছেন এভাবে-
وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ
অনুবাদ হবে এমন-"তার কুরশি (Chair) মহাবিশ্ব সমূহে বিস্তৃত"(2:255)। কিন্তু এ আবার কেমন Chair যে, মহাবিশ্ব সমূহ জুড়ে রয়েছে!! আর মহাবিশ্ব সমূহ জুড়ে থাকলেও, তা দেখা যায় না কেন?? তাহলে কোথায় আল্লাহর সেই Chair?? এ বিষয়ে এক নাস্তিককে বলতে শুনেছিলাম, তিনি বলেছিলেন- সেই যুগের মানুষকে নবী মহাম্মদ (স) এই ধরণের মিথ্যা বলে বোকা বানিয়ে ছিল কিন্তু আজকের যুগে আর কাউকে বোকা বানিয়ে রাখা যাবে না!! সুতরাং কোরান যে মিথ্যা, তার প্রমাণ হল- আল্লাহর কুরশি!! যদি আল্লাহর কুরশি বলে কিছু থাকত, তবে তা অবশ্যই দেখা যেত!!
সত্যিই কি আল্লাহর কুরশি নেই?? জানেন, প্রথম যখন আমি আয়াত- উল- কুরশি অর্থাৎ 2:255 আয়াত পড়ি, তখন আমারও মনে হয়েছিল- কোথায় আল্লাহর সেই কুরশি, যা মহাবিশ্ব সমূহ জুড়ে আছে!! কিন্তু যখন জ্ঞান হল এবং বিজ্ঞান জানলাম-বুঝলাম, তখন দেখতে পেলাম যে, আল্লাহ বলেছেন- تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْحَكِيمِ
অনুবাদ হবে এমন-"এগুলো বিজ্ঞানময় গ্ৰন্থের আয়াত"(31:2, 36:2)। এখন প্রশ্ন হবে- 2:255 আয়াত যদি বিজ্ঞানময় গ্ৰন্থের আয়াত হয়, তাহলে অবৈজ্ঞানিক মনে হচ্ছে কেন?? এ প্রশ্নের উত্তর হল- 2:255 আয়াতও বৈজ্ঞানিক আয়াত কিন্তু বিজ্ঞান না বোঝার কারণে অবৈজ্ঞানিক মনে হচ্ছে!! কিন্তু কিভাবে?? আমি তখন ভাবতে শুরু করলাম যে, কি এমন বস্তু আছে মহাবিশ্ব সমূহ জুড়ে??
আমি যখন বিজ্ঞান বুঝলাম, তখন জানলাম- কুরশি আর অন্য কিছু নয়, আল্লাহর কুরশি হল- Gravity অর্থাৎ Gravitational force বা মধ্যকর্ষণ শক্তি!! মধ্যকর্ষণ শক্তিই সেই আল্লাহর কুরশি, যা মহাবিশ্ব সমূহ জুড়ে রয়েছে!! আর মধ্যকর্ষণ শক্তির সাহায্যেই আল্লাহ নিয়ন্ত্রণ করেন মহাবিশ্ব সমূহ এবং এ কাজ করতে তার একটুও সময় লাগে না, এভাবেই তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন তার সৃষ্টি সমূহকে!! এ বিষয়ে তিনি বলেছেন-
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
অনুবাদ হবে এমন-"প্রতিক্ষণ তিনি সৃষ্টির নিয়ন্ত্রণে সু-প্রতিষ্ঠিত"(55:29)। সুধী পাঠক, যদি জানতে চান যে কোরানে কিভাবে ও কোথায় মধ্যকর্ষণ শক্তির উল্লেখ আছে, তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন। জানেন, আমার 'মধ্যকর্ষণ শক্তি' বিষয়ে লেখাটিতে হানী Comment করেছিল এভাবে- Just awesome. কিন্তু আজ আমি হানীর কাছে তুচ্ছ!! একটা কবিতা মনে পড়ছে, আমারই পরিস্থিতিতে, আমারই তৈরী, শুনুন-
কখনও ছিলাম আমি তার কাছে সোনা
আজ আমি তার কাছে প্রসাবের ফেনা।
না আজ উত্তম, আর না আমি ভাল
দিয়ে ছিল হাজার প্রতিশ্রুতি, সবই বৃথা
কেননা, আমার গায়ের রঙ কালো!!
ফালতু কবিতা, তাই না?? পড়তে হবে না, বাদ দিন!! আপনি নিচে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=761335144251485&id=544853392566329
Big bang থেকে মহাবিশ্ব গতি প্রাপ্ত হয় তথা মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হয়, আজও চলছে সম্প্রসারণ, হয়ত আগামীতেও চলবে সম্প্রসারণ কিন্তু কোনও এক সময় বন্ধ হবে সম্প্রসারণ!! যেমন- আমরা পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে মহাশূন্যে ইট ছুঁড়লে গতি তাড়তার জন্য ইট মহাশূন্যের দিকে যেতে থাকে কিন্তু একটা সময় গতির উপর পৃথিবীর অভিকর্ষ বল বিজয় লাভ করে এবং ইট গতি শূন্য হয়, তারপর ইট নিচে নেমে আসতে থাকে!! ঠিক তেমনই মধ্যকর্ষণ বলের প্রভাবে কোনও একদিন মহা বিশ্বের সম্প্রসারণ বন্ধ হবে, মহাবিশ্ব গতি শূন্য হবে এবং শুরু হবে সংকোচন!!
তারপর যেভাবে মহাবিশ্ব বিন্দু থেকে সিন্ধুতে পরিণত হয়েছিল, সেভাবেই আবার সিন্ধু থেকে পরিণত হবে বিন্দুতে। অর্থাৎ যাকে আমরা বিজ্ঞানের ভাষায় বলি- Big crunch. তারপর কি?? তারপর আবার Big bang এর মতো আরও একটা বিস্ফোরণ, যাকে বিজ্ঞানীরা বলেন Big bang-2, অর্থাৎ দ্বিতীয় Big bang.
এখন প্রশ্ন হবে- এগুলো গল্প, না কি কোরান সম্মত?? এ প্রশ্নের উত্তর আমি না দিয়ে কোরানে আল্লাহ কি বলেছেন, তা দেখাতে চাই। দেখুন-
يَوْمَ نَطْوِي السَّمَاءَ كَطَيِّ السِّجِلِّ لِلْكُتُبِ ۚ كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ
অনুবাদ হবে এমন-"সেদিন মহাবিশ্বকে আমি এমন ভাবে গুটিয়ে ফেলব, যেমন গুটিয়ে ফেলা হয় লিখিত কোনও কাগজ [অর্থাৎ Big crunch], যেভাবে আমি প্রথমে সৃষ্টির সূচনা করে ছিলাম [Big bang এর মাধ্যমে], ঠিক তেমনিভাবে আবার তার পুনরাবৃত্তি [Big bang-2] করব"(21:107)।
যদি আল্লাহ তার কুরশি বা মধ্যকর্ষণ না সৃষ্টি করতেন, তাহলে কি হত?? এ প্রশ্নের উত্তর হল- মহাবিশ্বও সৃষ্টি হত না অর্থাৎ Big bang হত না!! কারণ, Big bang ঘটার জন্য মধ্যকর্ষণ শক্তির প্রয়োজন ছিল, তারপর কণা সৃষ্টির জন্যেও প্রয়োজন ছিল মধ্যকর্ষণ শক্তির। আল্লাহ তার কুরশি সৃষ্টি না করলে, মহাবিশ্ব সৃষ্টিও হত না!! অর্থাৎ বিজ্ঞানীদের মতে- মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল Space and time এর কলা কৌশলে কিন্তু বিচার করে দেখলে Space and time এর চেয়ে Time and gravity মডেল বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী। অর্থাৎ মহাবিশ্ব সৃষ্টিই হয়েছিল- Time and gravity এর কলা কৌশলে। এখানে Time আল্লাহ নিজেই ও Gravity হল- আল্লাহর কুরশি। যদি 'আল্লাহ ও সময়' বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=988041798247484&id=544853392566329
একটা প্রশ্ন হতে পারে- Hawking radiation ঘটে মহাবিশ্ব তার সমস্ত শক্তি নিঃশেষ করে ফেলার পর, এই মধ্যকর্ষণ শক্তির কি হবে?? সহজ উত্তর- সৃষ্টি নেই, সৃষ্টি নিয়ন্ত্রণের জন্য কুরশিরও প্রয়োজন নেই!!
সুধী পাঠক, Hawking radiation ও সমস্ত সৃষ্টির লয় প্রাপ্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন। এখানে অবাক হওয়ার মতো কিছু তথ্য অপেক্ষা করছে আপনার জন্য---
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=962223637495967&id=544853392566329
আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন- সমস্ত সৃষ্টির লয় প্রাপ্ত হওয়ার পর আল্লাহ কি করবেন?? অর্থাৎ জান্নাত এবং জাহান্নামও যখন ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ কি করবেন??
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, তাই না?? উত্তরে পরে আসছি, এবার একটু আমার দুঃখের কাহিনী শুনুন!! আমার দুঃখের কথা শোনার মতো কেউ নেই, এমন কেউ নেই, যাকে মন খুলে সব কথা শোনাতে পারি!! কেউ নেই এমন!! হানীকে পেয়ে ভেবেছিলাম- বর্তমান পৃথিবীতে আমার 'মা' নেই, হানীই আমাকে সবচেয়ে বেশি বোঝে এবং ভবিষ্যতেও বুঝবে!! এ জন্য নিজের A to Z হানীকে শোনাতাম, কিছুই লুকাইনি, কোনও মিথ্যা বলি নি। আমার খারাপ-ভাল সব কিছু হানীকে শোনাতাম। যদি কোনও জায়গায় সম্মান পেতাম, তাও হানীকে শোনাতাম এবং কখনও কোথাও থেকে অপমান হলে, তাও হানীকে শোনাতাম!! শুনেছি প্রতিটা মানুষের কিছু না কিছু গোপন কথা থাকে, যা সে কখনও কাউকে বলে না, এমনকি স্ত্রীকেও না!! কিন্তু আমি হানীকে কোনও কিছু গোপন করি নি, আমার জীবনের এমন কোনও সত্য নেই, যা হানী জানে না!! প্রায় 70 দিন হল হানীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই, অনেক কথা জমে গেছে, বুক ভর্তি হয়ে গেছে কিন্তু হানীকে শোনাতে পারি নি!! এ জন্য আপনারাই শুনুন-
হানীকে বলতাম- হানী'জি আমার যখন মন খারাপ হবে, তখন আপনি কি করবেন?? হানী বলত- সাহস দেব এবং বোঝাব আপনাকে। তারপর হানী মজা করে বলত- যদি না বোঝেন, তাহলে খুব পিটব আপনাকে!! আমি তখন- হেঁসে ফেলতাম। আচ্ছা জানেন, আমি তো সারাদিন ঘরের ভিতরে থাকি এবং খুব কম বের হই, ঐ হানীকে কি বলত?? Call করে বলত- কি Madam, কি করছেন, কেমন আছেন?? আমিও মজা করে হানীকে Sir বলতাম!! ভাবতাম, আমরা সারাজীবন এভাবেই হাঁসি-মজা করতে থাকব। কে জানত, কখনও এই দিন আমাকে দেখতে হবে!! কে জানত, হানী আমাকে গায়ের রঙের জন্য ছেড়ে দিয়ে তার ফর্সা Boyfriend কে গ্ৰহণ করবে!! কে জানত?? কে জানত?? আমি তো কল্পনাও করতে পারি কখনও!!
জানেন, আমার এক ভক্ত সৌদি আরবে কাজ করে। সে হানীর ব্যাপারে জানত। যেমন- আপনারা জানেন। সেও আমার লেখার নিয়মিত পাঠক, ভারতে ফিরে এসেছে 21.12.19 তারিখে। সৌদি থেকে আমাকে মাঝে-মধ্যে Call করত, শীত শুরু হওয়ার আগে সে আমাকে Call করে বলেছিল- স্যার, আমি আপনাকে কিছু Gift করতে চাই, আপনি নেবেন তো?? তাকে বলেছিলাম- কি Gift করতে চান, আগে বলুন, তারপর বলছি। সে বলল- আপনার দু-বোনের জন্য এবং আপনার হানীর জন্য সৌদি আরবের বিখ্যাত চামড়ার 'হাত ও পা' মোজা নিয়ে যেতে চাই এবং আপনার জন্য একটা ছোট রুপায় মোড়া কোরান নিয়ে যেতে চাই!! তাকে বললাম- রুপার কোরান আনতে হবে না, তবে ঐ গুলো নিয়ে আসুন। সে বাড়িতে ফিরেই 22.12.19 এ আমার কাছে এসেছে। এসেই বলল- স্যার, হানীজির বিষয়ে সবই তো জানি, সে আপনার জীবনে আর নেই, সে প্রতারণা করে চলে গেছে। হানীর বিষয়ে বলতে বলতে আমি কেঁদে ফেলি, আমার কান্না দেখে সেও কেঁদে ফেলে!! পরে তাকে আমি খেয়ে যেতে বলি কিন্তু সে খেল না এবং যাওয়ার সময় বলে গেল- ভেবেছিলাম হোসেন কুরানী হয়ত খুব শক্ত মনের মানুষ হবে কিন্তু সে যে বাচ্ছদের মতো কাঁদে, এটা কখনও ভাবি নি!! স্যার, কাঁদবেন না। আপনি যার জন্য কাঁদছেন, সে হয়ত অন্য জনের সঙ্গে হাঁসছে!! যাইহোক, আমি 2 টো 'হাত ও পা মোজা' নিয়ে 1 টা তার হাতেই ফিরিয়ে দিই। কে পরবে তাকে?? হানী তো আর নেই!! আরে হ্যাঁ, সেই ভায়ের বাড়ি- পান্ডুয়াতে, বাইক নিয়ে এসেছিল। নিজের বিষয়ে বলতে বলতে তার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম!!
সুধী পাঠক, এবার লেখা শেষ করতে চাই। সব কিছু যখন একেবারে নিঃশেষ হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ কি করবেন?? চলুন, আল্লাহ কি এ বিষয়ে কোরানে কি বলেছেন দেখি- هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ অনুবাদ হবে এমন-"তিনিই আদি তিনি অন্ত ও তিনিই প্রকাশিত তিনিই গুপ্ত"(57:3)। অর্থাৎ তিনি আদি, তারপর তিনি সময় হিসাবে নিজেকে প্রকাশ করেন এবং মহাবিশ্ব সমূহ সৃষ্টি করেন। মহাবিশ্ব সমূহ অর্থাৎ জান্নাত এবং জাহান্নাম পুরো-পুরি ধ্বংস হওয়ার পর অর্থাৎ Hawking radiation এর মাধ্যমে পুরো-পুরি নিঃশেষ হওয়ার পর আল্লাহ হবেন অন্ত এবং তিনি গুপ্ত ছিলেন, আবার গুপ্তে স্থান নেবেন!! বুঝলেন??
আশা করছি, বোঝাতে পারলাম। এবং আরও কঠিন কঠিন প্রশ্ন থাকলে, পাঠান- ইনশাআল্লাহ, চেষ্টা করব সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।
© : লেখক, হোসেন কুরানী।
বিশ্ব অর্থনীতিতে সুদ ও কুরানী বিশ্লেষণ, পর্ব-2
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড- এ কথা শুনেছেন নিশ্চয়?? আর এ কথা অহ-রহ শোনা যায়, তাই না?? একই অর্থ যুক্ত আরও একটি অপ্রচলিত কথা হল- শিক্ষা জাতির উন্নয়নের চক্র/ চাকা!!
Featured Post
আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ আসন্ন আল-মালহামা ও মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যৎ: শায়েখ ইমরান হোসেনের বিশ্লেষণ বর্তমান ব...
-
"ইসলাম, কোরান ও বিজ্ঞান" নামক Whatsapp এর গ্ৰুপে মাসুদ আলম ভাই প্রশ্ন করে বলেছেন-"কেউ কেউ বলেন যে, দাজ্জাল নাকি কোনও দ্ব...
-
"মদ খেলে 40 দিন স্বালাত কবুল হবে না" হাদীশ'টি গাঁজাখুরি সাহীহ হাদীশ। https://youtu.be/hNOX6BQud0Y By #হোসেন #কুরানী। #Quranic...
-
@সূরাহ আল-ফাতিহাহ, 2 নং আয়াহ। বিজ্ঞানের বিজ্ঞান আল-কুরআন এবং কুরানী বিশ্লেষণ। অনুবাদে : হোসেন কুরানী। ...



